নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার দিন স্কুলের পরীক্ষার্থীদের আগেই বাড়ি থেকে বের হতে বলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। সেই সঙ্গে এ দিন শিক্ষার্থীরা কোনো সমস্যায় পড়লে ৯৯৯ এ কল দিয়ে জানালে পুলিশ তাদের পৌঁছে দেবে বলেও জানানো হয়েছে।
সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, ‘জনসভার দিন সকাল ও বিকেলে দুই শিফটে স্কুলে পরীক্ষা আছে। জনসভাস্থলের পাশেও একটি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে। সেদিকে আমাদের নজর আছে। আমরা অভিভাবকদের বলব, পরীক্ষার্থীরা যেন একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হয়। এরপরও কেউ আটকে গেলে কিংবা সমস্যায় পড়লে ট্রিপল নাইনে ফোন করে আমাদের জানালে পুলিশ তাঁদের পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।’
আজ মঙ্গলবার সকালে পলোগ্রাউন্ড মাঠ (জনসভাস্থল) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান তিনি। এ সময় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনও উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে সাড়ে ৭ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স। তাঁদের তত্ত্বাবধানে এবং পরামর্শক্রমে এসব পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন থাকবে।’
সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ আরও বলেন, ‘সিএমপিতে আমাদের ছয় হাজারের মতো অফিসার-ফোর্স আছে। এরা অধিকাংশই বিভিন্ন সিকিউরিটির সাথে সংযুক্ত থাকবে। বাইরে থেকে আরও দেড় হাজার ফোর্স সিএমপিতে যুক্ত থাকবে। শুধু পলোগ্রাউন্ডেই পুলিশ থাকবে না, পুরো শহর একটি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। এসএসএফ, পিজিএফ, সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। নিরাপত্তায় আর্চওয়ে, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ড্রোনসহ প্রযুক্তিগত সকল কিছু যুক্ত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ মোতায়েন ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সর্বোচ্চ ফোর্স কখন মোতায়েন হবে, এটা আমরা পাবলিকলি ওপেন করি না। এ বিষয়ে আমাদের কাছে যেভাবে নির্দেশনা ও পরিকল্পনা রয়েছে সেভাবেই কাজ করব। পুলিশ এখন থেকেই নিরাপত্তার কাজ শুরু করে দিয়েছে।’
জনসভার দিন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, ‘যারা গাড়ি নিয়ে, মিছিল নিয়ে জনসভায় আসবেন, তারা কোথায় গাড়ি থেকে নামবেন, মিছিল কোথায় থামবে সেটা আমরা জানিয়ে দেব। জনসভার দিন সকাল ও বিকেলে দুই শিফটে স্কুলে পরীক্ষা আছে। জনসভাস্থলের পাশেও একটি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে। সেদিকে আমাদের নজর আছে। আমরা অভিভাবকদের বলব, পরীক্ষার্থীরা যেন একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হয়। এরপরও কেউ আটকে গেলে কিংবা সমস্যায় পড়লে ট্রিপল নাইনে ফোন করে আমাদের জানালে পুলিশ তাঁদের পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।’
নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কোনো হুমকি নেই, কোনো হুমকি সৃষ্টি করারও সুযোগ নেই।’
সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘দশ বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরীতে জনসভায় আসছেন। আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সাংগঠনিক প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। জনসভার মাঠে প্রস্তুতির কাজ চলছে। সাংগঠনিক প্রচারণার কাজও চলছে।’
চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার দিন স্কুলের পরীক্ষার্থীদের আগেই বাড়ি থেকে বের হতে বলেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়। সেই সঙ্গে এ দিন শিক্ষার্থীরা কোনো সমস্যায় পড়লে ৯৯৯ এ কল দিয়ে জানালে পুলিশ তাদের পৌঁছে দেবে বলেও জানানো হয়েছে।
সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, ‘জনসভার দিন সকাল ও বিকেলে দুই শিফটে স্কুলে পরীক্ষা আছে। জনসভাস্থলের পাশেও একটি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে। সেদিকে আমাদের নজর আছে। আমরা অভিভাবকদের বলব, পরীক্ষার্থীরা যেন একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হয়। এরপরও কেউ আটকে গেলে কিংবা সমস্যায় পড়লে ট্রিপল নাইনে ফোন করে আমাদের জানালে পুলিশ তাঁদের পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।’
আজ মঙ্গলবার সকালে পলোগ্রাউন্ড মাঠ (জনসভাস্থল) পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান তিনি। এ সময় নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনও উপস্থিত ছিলেন।
চট্টগ্রামে পলোগ্রাউন্ড মাঠে আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জনসভা ঘিরে সাড়ে ৭ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকবে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সমন্বয় করে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স। তাঁদের তত্ত্বাবধানে এবং পরামর্শক্রমে এসব পুলিশ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন থাকবে।’
সিএমপি কমিশনার কৃষ্ণ পদ আরও বলেন, ‘সিএমপিতে আমাদের ছয় হাজারের মতো অফিসার-ফোর্স আছে। এরা অধিকাংশই বিভিন্ন সিকিউরিটির সাথে সংযুক্ত থাকবে। বাইরে থেকে আরও দেড় হাজার ফোর্স সিএমপিতে যুক্ত থাকবে। শুধু পলোগ্রাউন্ডেই পুলিশ থাকবে না, পুরো শহর একটি নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হবে। এসএসএফ, পিজিএফ, সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। নিরাপত্তায় আর্চওয়ে, ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা, ড্রোনসহ প্রযুক্তিগত সকল কিছু যুক্ত থাকবে।’
প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পুলিশ মোতায়েন ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গেছে জানিয়ে সিএমপি কমিশনার বলেন, ‘সর্বোচ্চ ফোর্স কখন মোতায়েন হবে, এটা আমরা পাবলিকলি ওপেন করি না। এ বিষয়ে আমাদের কাছে যেভাবে নির্দেশনা ও পরিকল্পনা রয়েছে সেভাবেই কাজ করব। পুলিশ এখন থেকেই নিরাপত্তার কাজ শুরু করে দিয়েছে।’
জনসভার দিন ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার বিষয়ে কৃষ্ণ পদ রায় বলেন, ‘যারা গাড়ি নিয়ে, মিছিল নিয়ে জনসভায় আসবেন, তারা কোথায় গাড়ি থেকে নামবেন, মিছিল কোথায় থামবে সেটা আমরা জানিয়ে দেব। জনসভার দিন সকাল ও বিকেলে দুই শিফটে স্কুলে পরীক্ষা আছে। জনসভাস্থলের পাশেও একটি পরীক্ষাকেন্দ্র আছে। সেদিকে আমাদের নজর আছে। আমরা অভিভাবকদের বলব, পরীক্ষার্থীরা যেন একটু আগেভাগে বাসা থেকে বের হয়। এরপরও কেউ আটকে গেলে কিংবা সমস্যায় পড়লে ট্রিপল নাইনে ফোন করে আমাদের জানালে পুলিশ তাঁদের পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে।’
নিরাপত্তা নিয়ে কোনো হুমকির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে কোনো হুমকি নেই, কোনো হুমকি সৃষ্টি করারও সুযোগ নেই।’
সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, ‘দশ বছর পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম নগরীতে জনসভায় আসছেন। আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা আছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সাংগঠনিক প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। জনসভার মাঠে প্রস্তুতির কাজ চলছে। সাংগঠনিক প্রচারণার কাজও চলছে।’
ঘন কুয়াশার কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাত ১২টা থেকে এই পথে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। আজ শনিবার সকাল ৯টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল।
৭ মিনিট আগেমাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পূর্ব রাস্তি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগেচট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রধান শিক্ষক ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে চলছে ১১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা। প্রধান শিক্ষকবিহীন এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে। অভিযোগ রয়েছে, যেসব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হচ্ছে, তাঁদের অনেকেরই প্রধান শিক্ষক হওয়ার যোগ
৮ ঘণ্টা আগেদুই দশক কিছুটা শান্ত থাকার পর কুড়িগ্রামের চিলমারী-রৌমারী-রাজিবপুর নৌপথে আবার ডাকাতের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দুবার ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ দুই ঘটনায় আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রতিরোধেও কার্যকর উদ্যোগ নেই স্থানীয় প্রশাসনের। আবার ডাকাতি শুরু হওয়ায় ১৪ কিলোমিটার এই নৌপথের নৌযান, যাত্রী
৮ ঘণ্টা আগে