Ajker Patrika

চাঁদা না দিলে রাশিয়াকে ন্যাটো সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে বলবেন ট্রাম্প

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ২২: ৫৮
চাঁদা না দিলে রাশিয়াকে ন্যাটো সদস্যদের ওপর হামলা চালাতে বলবেন ট্রাম্প

সামরিক জোট ন্যাটোতে যেসব সদস্য দেশ তাদের নির্ধারিত চাঁদা দেবে না, সেসব দেশে হামলা করতে রাশিয়াকে উৎসাহিত করবেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার নির্বাচনী সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, তিনি এক নেতাকে বলেছেন, এমন কোনো দেশকে রক্ষা করবেন না—যা অর্থ পরিশোধ করতে পারে না। তিনি বরং আগ্রাসীদের ওই সব দেশে ‘যা ইচ্ছা তা-ই’ করতে উৎসাহিত করবেন। 

ন্যাটো সদস্যরা সংগঠনের কোনো সদস্য হামলার শিকার হলে এর প্রতিরোধ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 

বিবিসির প্রতিবেদন অনুসারে, হোয়াইট হাউস ট্রাম্পের এ ধরনের মন্তব্যকে ‘সাংঘাতিক ও দায়িত্বজ্ঞানহীন’ বলে অভিহিত করেছে। 

সাউথ ক্যারোলাইনাতে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে সমবেত জনতার উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটো দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে এক বৈঠকের সময় তিনি রাশিয়া নিয়ে এ মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেন, ওই বৈঠকে বড় একটি সদস্য দেশের নেতা এমন একটি পরিস্থিতি কল্পনা করতে বলেছিলেন, যেখানে কোনো দেশ তার আর্থিক দায়িত্ব (নির্ধারিত চাঁদা) পালন করছে না এবং মস্কো তার ওপর হামলা করে বসে। 

ট্রাম্প বলেন, ওই নেতা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিল, এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ওই দেশের সহায়তায় এগিয়ে আসবে কি না? তখন ট্রাম্প বলেন, সমর্থন তো করবেনই না, বরং আগ্রাসী দেশকে উৎসাহিত করবেন। 

ট্রাম্প বলেন, ‘আপনি অর্থ পরিশোধ করেননি? আপনি অপরাধী?...না, আমি আপনাকে রক্ষা করব না, আমি বরং আগ্রাসীদের উৎসাহিত করব যাচ্ছেতাই করতে। মূল্য তো আপনাকে দিতে হবে!’ 

হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র অ্যান্ড্রু বেটস প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট ‘খুনি শাসকদের আমাদের নিকটতম মিত্রদের আক্রমণ করতে উৎসাহিত করছেন’। তিনি এমন মন্তব্যকে ‘ভয়ংকর এবং অযৌক্তিক’ বলে অভিহিত করেন। 

অ্যান্ড্রু বেটস আরও বলেন, ‘বিবৃতিটি আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তা, বৈশ্বিক স্থিতিশীলতা এবং আমাদের অর্থনীতি হুমকির মুখে ফেলেছে।’ 

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও এবারের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে এগিয়ে থাকা রিপাবলিকান প্রার্থী ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোকে ‘অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা’ হিসেবে উল্লেখ করে এ জোটের সমালোচনা করে আসছেন। তাঁর মতে, অন্য ৩০ সদস্য দেশের প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য অতিরিক্ত বোঝা।

নির্বাচনে হেরে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা হস্তান্তরের পর ২০২২ সালে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করে রাশিয়া। তখন থেকেই ইউক্রেনে পাঠানো মার্কিন আর্থিক সহায়তার বিরোধিতা করে আসছেন ট্রাম্প। 

গত ডিসেম্বরে হোয়াইট হাউস থেকে বলা হয়, অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে সর্বোচ্চ আর্থিক সহযোগিতা দিয়েছে, যা ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলারেরও বেশি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘তুমি ঘুমাও কীভাবে’, সৌদি যুবরাজকে নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ময়

বিদ্যালয়ে সময় দেন না শিক্ষক, ইউএনওর কাছে অভিযোগ করায় সহকর্মীকে মারধর

কুয়েটে ক্লাস বর্জন নিয়ে শিক্ষক সমিতিতে মতবিরোধ, এক শিক্ষকের পদত্যাগ

এনবিআর বিলুপ্তির জেরে প্রায় অচল দেশের রাজস্ব কর্মকাণ্ড

দুটি নোবেলের গৌরব বোধ করতে পারে চবি: প্রধান উপদেষ্টা

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত