Ajker Patrika

নীলফামারীতে নাম ভাঙিয়ে হিমাগার দখল, প্রতিবাদে যুবদলের সংবাদ সম্মেলন 

নীলফামারী প্রতিনিধি
Thumbnail image

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে নীলফামারীতে হিমাগার দখলের অভিযোগ উঠেছে মো. আবদুল্লাহ্ আল মামুন (৫২) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হিমাগারটি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদের। 

আজ সোমবার শহরের ডাকবাংলো এলাকায় সংবাদ সম্মেলন করে এ ঘটনার প্রতিবাদ জানান জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু। 
 
সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘যুবদলের নাম ভাঙিয়ে শহরের বাইপাস সড়কে উত্তরা বীজ হিমাগার দখল করে কৃষকের আলু লুট করছেন মো. আবদুল্লাহ্ আল মামুন মিলন নামে এক ব্যক্তি। হিমাগারটি জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিদ মাহমুদের।’ 

জাহাঙ্গীর আলম নান্টু বলেন, ‘ওই ব্যক্তি জেলা যুবদলের সভাপতি মো. সাইফুল্লাহ রুবেল, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহ আলম ও আমার নামে উত্তরা বীজ হিমাগার দখল এবং এক কোটি ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন। 

অথচ গত ৫ আগস্ট বিএনপির নাম ভাঙিয়ে হিমাগারটি দখল করেন তিনি। তিনি কর্মচারীদের বলেছেন, আজ থেকে আমি এই হিমাগারের মালিক। আমরা পরদিন ঘটনাস্থলে গেলে অপপ্রচারের সত্যতা পাই।’ 

তিনি বলেন, ‘বিএনপির কোনো অঙ্গ সংগঠনে আব্দুল্লাহ আল মামুনের নাম নেই। অথচ বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এসব অপকর্ম করছেন তিনি। তাতে দলের এবং নেতা কর্মীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। 

আমরা হিমাগার মালিকের সঙ্গে কথা বলে জেনেছি, শুরুর দিকে আব্দুল্লাহ আল মামুন এ হিমাগারের অংশীদার ছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালে তার অংশ শাহিদ মাহমুদের কাছে বিক্রি করে অংশীদারি প্রত্যাহার করেন। 

বর্তমানে হিমাগারের মালিক (শাহিদ মাহমুদ) সরে থাকায় পরিস্থিতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে কৃষকের আলু লুট করছেন তিনি (আব্দুল্লাহ আল মামুন)। এতে এলাকার অসংখ্য কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। কৃষকেরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সে বিষয়ে প্রশাসনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিত বলে আমরা মনে করি।’ 

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করে তাকে পাওয়া যায়নি। 

জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও হিমাগারের চেয়ারম্যান শাহিদ মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি আমার মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে জেলার বাইরে অবস্থান করছি। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের সুযোগ নিয়ে বিএনপির নাম ভাঙিয়ে আব্দুল্লাহ আল মামুন সেখানে বল প্রয়োগ করে আমার কর্মকর্তা কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। 

কৃষকদের রাখা আলুর ভাড়ার টাকা তুলছেন। আমি ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। এবং বলেছি ভাড়ার টাকা যেন ব্যাংকে জমা করা হয়। বিষয়টি লিখিত ভাবে প্রশাসনকে জানানোর প্রক্রিয়া চলমান আছে।’ 

সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক শামীম শাহ আলম, সদস্যসচিব রাশেদ রেজা উদ দৌলা, পৌর যুবদলের আহ্বায়ক মো. হাসানুজ্জামান, সদস্যসচিব আবু সাইদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত