Ajker Patrika

খুলনায় বেড়েছে চালের দাম, সবজিতেও অস্বস্তি

খুলনা প্রতিনিধি
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩, ১৪: ৪৭
খুলনায় বেড়েছে চালের দাম, সবজিতেও অস্বস্তি

খুলনায় চালের বাজার অস্থিতিশীল। কাঁচা মরিচের দামে নেই নিয়ন্ত্রণ। ভরা মৌসুমেও শীতকালীন সবজির দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাকা। খুলনার বাজারে সব ধরনের মোটা চাল ৪৫ থেকে ৫৩ টাকা, মাঝারি চাল ৫৫ থেকে ৫৯ টাকা, চিকন চাল ৬০ টাকা ৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নগরীর শেখপাড়া বাজারে মো. আনোয়ার হোসনে নামের এক বিক্রেতা বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে চালের দাম বেড়েছে। চাল প্রক্রিয়া করে বাজারে আসতে দেরি হচ্ছে ঘন কুয়াশার কারণে। ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। 

খুলনায় প্রতি হালি ডিম বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা। এদিকে ভরা মৌসুমেও সবজির দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। খুলনার টুটুপাড়া, শেখপাড়া, দোলখোলা, দৌলতপুর, মিস্ত্রিপাড়া গল্লামারী ও সন্ধ্যা বাজার ঘুরে দেখা গেছে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বেশি থাকলেও দাম নিয়ে অসন্তোষ ক্রেতাদের। বাজারে ফুলকপি প্রতি কেজি ২০ থেকে ২৫ টাকা, বাঁধাকপি ২০ টাকা, বেগুন ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লালশাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কাঁচা মরিচের দাম ১০০ টাকা থেকে ১৬০ কেজি।

কাওসার নামের এক বিক্রেতা বলেন, সবজির দাম কিছুটা কম। তবে কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। সরবরাহ কমের কারণে কাঁচা মরিচের দাম বেশি বলে তিনি জানান। এদিকে ডিমের দাম হালিতে ২ টাকা কমেছে। 

শেখপাড়া বাজারের ব্যবসায়ী আমিন বলেন, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দাম কমেছে। তবে বাজারে দাম নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে ক্রেতাদের। 

ক্রেতা মো. আলাউদ্দিন হক বলেন, ভরা মৌসুমেও শীতের সবজির দাম বেশি। চালের দামও বেশি। চাল-ডাল ও তেল-চিনির দাম সামর্থ্যের বাইরে। পণ্যের দাম বাড়ছে, বাড়ছে না আয়। 

আরাফাত হোসেন অনিক নামের আরেক ক্রেতা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারি প্রয়োজন। 

খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মফিদুল ইসরাম টুটুল বলেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়ান। তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযানের দাবি জানান এই ব্যবসায়ী। 

খুলনার সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা শাহরিয়ার আকুঞ্জি বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান চলছে। ভবিষ্যতে আরও অভিযান চালানো হবে। 

খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বটিয়াঘাটা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বলেন, অনাবৃষ্টি ও খরার কারণে এ বছর আউশের ফলন প্রত্যাশিত হয়নি। এ ছাড়া উত্তরবঙ্গে কুয়াশার কারণে চাল বাজারজাতকরণে কিছুটা সময় লাগছে। এতে বেড়েছে চালের দাম। 

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত