ভারত ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করায় এখন আকাশপথে পণ্য রপ্তানিতে নিজস্ব সক্ষমতা বাড়ানো দিকে গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকার জোরালোভাবে কাজ শুরু করেছে।
তৈরি পোশাক খাতে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠছে ভারত। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘রিসিপ্রোক্যাল ট্যারিফ’ বা পারস্পরিক শুল্ক ঘোষণার পর প্রতিবেশী দুই দেশের এই প্রতিদ্বন্দ্বী মনোভাব আরও বেড়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে তৈরি পোশাক খাতসহ একাধিক রপ্তানিকারক সংগঠনের দাবির মুখে বাংলাদেশের..
ভারত সরকার বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের জন্য দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করেছে। ৮ এপ্রিল দেশটির সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমসের (সিবিআইসি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম পিটিআইয়ের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর, সাপ্তাহিক ছুটিসহ টানা ৯ দিন বন্ধ থাকার পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। শুরু হয়েছে বন্দরের অভ্যন্তরীণ সব কার্যক্রমও। আজ রোববার সকাল থেকে হিলি স্থলবন্দর সচল হয়ে ওঠে।
দেশীয় সুতাশিল্পের সুরক্ষায় স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানি বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে পাঠানো মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মাকসুদা খন্দকারের সই করা এক চিঠির মাধ্যমে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে নেপালে গেল আরও ২৩১ টন আলু। গতকাল মঙ্গলবার থিংকস টু সাপ্লাই, আমিন ট্রেডার্স, ফাস্ট ডেলিভারি ও সুফলা মাল্টি প্রোডাক্ট লিমিটেড নামের চারটি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আলুগুলো রপ্তানি করে।
সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ১০ দিন বন্ধ থাকবে। মহান স্বাধীনতা দিবস, পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে এ বন্ধ কার্যকর হবে। আজ মঙ্গলবার স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ২৯ মার্চ থেকে টানা ৯ দিন বন্ধ থাকবে হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম। তবে ওই সময় সরকারি ছুটি ছাড়া অন্য দিনগুলোতে বন্দর অভ্যন্তরে পণ্য লোড-আনলোড কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ৩টি অলাভজনক ও কার্যক্রমহীন স্থলবন্দর সম্পূর্ণ বন্ধ এবং ১টি স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধের সুপারিশ করা হয়েছে। বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ৮টি স্থলবন্দর কার্যকর/অকার্যকরের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত যাচাই কমিটি এ সুপারিশ করেছে।
দেশীয় টেক্সটাইল খাত চরম সংকটে। গ্যাস-সংকট, মূল্যবৃদ্ধির চাপ ছিলই, তার ওপর ভারতীয় সুতার আগ্রাসন পরিস্থিতিকে আরও বিপর্যস্ত করেছে। স্থলবন্দর দিয়ে ডাম্পিং মূল্যে সুতা-কাপড় আসায় বাজার খুলে গেছে বিদেশিদের জন্য, স্থানীয় উৎপাদকেরা টিকে থাকার লড়াইয়ে হার মানছে, রপ্তানিও পড়েছে হুমকির মুখে। সবই বিগত সরকারের ভুল
আমরা যেটুকু সুতা উৎপাদন করছি, তা বিক্রি করতে পারছি না। এলসি ও বিনা এলসিতে ভারত থেকে সুতা আসছে। অন্যদিকে, ভারত যে দামে সুতা বিক্রি করছে, তা ডাম্পিং। ফলে আমাদের উৎপাদিত সুতা গুদামে অবিক্রীত পড়ে আছে। বর্তমানে ৮ থেকে ১০ হাজার কোটি টাকার সুতা আমাদের সদস্যদের গুদামে অবিক্রীত পড়ে আছে।
বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, যা বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটান—চারটি দেশের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী একমাত্র স্থলবন্দর; বর্তমানে সংকটে রয়েছে। ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ৯১ কোটি টাকা রাজস্ব আয় হলেও এখন আমদানি অর্ধেক কমে গেছে, যার কারণ ভুটান থেকে পাথর আমদানি বন্ধ হওয়া।
পাথরের দাম পুনর্নির্ধারণ না করায় গত ১২ দিন ভারতীয় তোর্শা ও স্টোন বোল্ডার পাথর এবং ভুটানের একই প্রকার পাথর ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি বন্ধ রয়েছে। গত এক মাসেও দুই দেশের রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সরকার কোনো ইতিবাচক সাড়া দেয়নি। এর আগে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল...
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সরকার স্থলবন্দর নির্মাণের কথা ভাবছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর রাজস্ব আহরণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৭ মাসে ৯৩ কোটি টাকারও বেশি রাজস্ব আদায় করেছে স্থলবন্দরটি। সংশ্লিষ্টদের মতে, বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলে রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ আরও কয়েক গুণ বৃদ্ধি পেত।
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের আওতাধীন বিলোনিয়া ও রামগড় স্থলবন্দরের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে। গত ১৪ জানুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ–সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে।
রামগড় স্থলবন্দর থেকে বাংলাদেশ কতটা লাভবান হবে তা দেখার বিষয় রয়েছে। এ জন্য স্থলবন্দরের সুবিধা-অসুবিধা খতিয়ে দেখে করণীয় নিরূপণে একটি কমিটি গঠন হবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন। আজ রোববার রামগড় স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এ কথা জানান।