ক্রীড়া ডেস্ক
দ্বিপক্ষীয় সিরিজেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে আলোচনা থাকে তুঙ্গে। আইসিসির ইভেন্ট হলে সেই উত্তেজনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ম্যাচের আগে ও পরে সামাজিকমাধ্যমে দুই দেশের ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে চলে তর্কযুদ্ধ। নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে চান না।
২০১৭ সালে সবশেষ আয়োজিত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। ৮ বছর পর দুবাইয়ে আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের এবারের অভিযান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নাজমুল হোসেন শান্তর সেই ‘চ্যাম্পিয়ন’ কথা নিয়ে এখনো চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। এছাড়া ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনেকেই ভারতকে এগিয়ে রাখছেন এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
যে যা-ই বলুন, ভারতের বিপক্ষে আগামীকাল বাংলাদেশ খেলতে নামছে সুখস্মৃতি নিয়ে। ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ৫ ওয়ানডের তিনটিই জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি দুই ম্যাচ জিতেছে ভারত। মুখোমুখি লড়াইয়ের বাইরে অবশ্য সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ভারত এগিয়ে। ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করার সুখস্মৃতি নিয়ে যাচ্ছে ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশের এই সংস্করণ ‘প্রিয়’ হলেও আশাবাদী হওয়ার মতো সম্প্রতি কিছু করতে পারেনি। শান্ত আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে সব সময় তো উত্তেজনা থাকে। আমার মনে হয় ক্রিকেটাররা এটা নিয়ে এতটা ভাবে না। পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করবে, সেদিকেই মনোযোগ দেয়। মাঠে যত ঠাণ্ডা থাকা যায়, সেটা নিয়ে চিন্তা করে সবাই।’
দুবাইয়ে ওয়ানডে সংস্করণে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আশানুরূপ নয়। এই মাঠে তিন ওয়ানডে খেলে জিতেছে ১ ম্যাচ ও হেরেছে ২ ম্যাচ। শান্তর মতে ভারতকে হারাতে হলে সেরাটাই দিতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের সব বিভাগেই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে—ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং। আমরা এই সংস্করণটি বেশ কিছু বছর ধরে খেলছি এবং ভালো অবস্থানে আছি। কন্ডিশনের ব্যাপারে আপনি ঠিক বলেছেন। আমরা পরিচিত। এখানে কীভাবে খেলতে হবে এবং কী করলে জয় পাওয়া সম্ভব, সেটা জানি।’
বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সেমিফাইনালে খেলা সম্ভব না বলে কদিন আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কারণ, ভারতের পাশাপাশি ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশকে খেলতে হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। অন্যদিকে গতকাল ক্রিকবাজে এক আলোচনায় বাংলাদেশকে টুর্নামেন্টের ‘ডার্ক হর্স’ উপাধি দিয়েছিলেন মুরালি কার্তিক।
কঠিন গ্রুপ হলেও শান্ত বাংলাদেশ দলকে নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন আজ সংবাদ সম্মেলনে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের গ্রুপটি কঠিন। টুর্নামেন্টের আট দলই বেশ শক্তিশালী। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড—সবগুলোর বিপক্ষেই আমাদের ভালো স্মৃতি আছে। কয়েকটি ম্যাচ আমরা জিতেছি, যেমন গত বছর (২০২২ সালে) ভারতের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে জয় পেয়েছিলাম। তবে এসব এখন অতীত। আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, পরিকল্পনাগুলো মাঠে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই আগামীকালের ম্যাচ আমাদের জন্য ইতিবাচক হবে।’
আরও পড়ুন:
দ্বিপক্ষীয় সিরিজেই বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে আলোচনা থাকে তুঙ্গে। আইসিসির ইভেন্ট হলে সেই উত্তেজনা কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ম্যাচের আগে ও পরে সামাজিকমাধ্যমে দুই দেশের ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে চলে তর্কযুদ্ধ। নাজমুল হোসেন শান্ত অবশ্য এসব নিয়ে মাথা ঘামাতে চান না।
২০১৭ সালে সবশেষ আয়োজিত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালে বিদায় নিয়েছিল বাংলাদেশ। ৮ বছর পর দুবাইয়ে আগামীকাল ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশের এবারের অভিযান। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে নাজমুল হোসেন শান্তর সেই ‘চ্যাম্পিয়ন’ কথা নিয়ে এখনো চলছে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ। এছাড়া ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনেকেই ভারতকে এগিয়ে রাখছেন এবারের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে।
যে যা-ই বলুন, ভারতের বিপক্ষে আগামীকাল বাংলাদেশ খেলতে নামছে সুখস্মৃতি নিয়ে। ভারতের বিপক্ষে সবশেষ ৫ ওয়ানডের তিনটিই জিতেছে বাংলাদেশ। বাকি দুই ম্যাচ জিতেছে ভারত। মুখোমুখি লড়াইয়ের বাইরে অবশ্য সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে ভারত এগিয়ে। ইংল্যান্ডকে ওয়ানডে সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই করার সুখস্মৃতি নিয়ে যাচ্ছে ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশের এই সংস্করণ ‘প্রিয়’ হলেও আশাবাদী হওয়ার মতো সম্প্রতি কিছু করতে পারেনি। শান্ত আজ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচ নিয়ে সব সময় তো উত্তেজনা থাকে। আমার মনে হয় ক্রিকেটাররা এটা নিয়ে এতটা ভাবে না। পরিকল্পনা কীভাবে বাস্তবায়ন করবে, সেদিকেই মনোযোগ দেয়। মাঠে যত ঠাণ্ডা থাকা যায়, সেটা নিয়ে চিন্তা করে সবাই।’
দুবাইয়ে ওয়ানডে সংস্করণে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স আশানুরূপ নয়। এই মাঠে তিন ওয়ানডে খেলে জিতেছে ১ ম্যাচ ও হেরেছে ২ ম্যাচ। শান্তর মতে ভারতকে হারাতে হলে সেরাটাই দিতে হবে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি মনে করি, আমাদের সব বিভাগেই ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে—ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং। আমরা এই সংস্করণটি বেশ কিছু বছর ধরে খেলছি এবং ভালো অবস্থানে আছি। কন্ডিশনের ব্যাপারে আপনি ঠিক বলেছেন। আমরা পরিচিত। এখানে কীভাবে খেলতে হবে এবং কী করলে জয় পাওয়া সম্ভব, সেটা জানি।’
বাংলাদেশের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে সেমিফাইনালে খেলা সম্ভব না বলে কদিন আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স। কারণ, ভারতের পাশাপাশি ‘এ’ গ্রুপে বাংলাদেশকে খেলতে হবে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। অন্যদিকে গতকাল ক্রিকবাজে এক আলোচনায় বাংলাদেশকে টুর্নামেন্টের ‘ডার্ক হর্স’ উপাধি দিয়েছিলেন মুরালি কার্তিক।
কঠিন গ্রুপ হলেও শান্ত বাংলাদেশ দলকে নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন আজ সংবাদ সম্মেলনে। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের গ্রুপটি কঠিন। টুর্নামেন্টের আট দলই বেশ শক্তিশালী। ভারত, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড—সবগুলোর বিপক্ষেই আমাদের ভালো স্মৃতি আছে। কয়েকটি ম্যাচ আমরা জিতেছি, যেমন গত বছর (২০২২ সালে) ভারতের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে জয় পেয়েছিলাম। তবে এসব এখন অতীত। আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে, পরিকল্পনাগুলো মাঠে বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই আগামীকালের ম্যাচ আমাদের জন্য ইতিবাচক হবে।’
আরও পড়ুন:
চ্যাম্পিয়নস ট্রফির জন্য প্রথমে শক্তিশালী দলই ঘোষণা করেছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু ইনজুরি-অবসর মিলিয়ে স্কোয়াড থেকে সরে দাঁড়ান নিয়মিত অধিনায়ক প্যাট কামিন্সসহ পাঁচ তারকা। তাই ফেবারিটের তালিকা থেকে তাদের নাম মুছে দেন অনেকেই। কিন্তু ৫০ ওভারের টুর্নামেন্ট বলে কথা, চাইলেই কি আর অস্ট্রেলিয়াকে হিসেবের বাইরে ফেলা
৯ ঘণ্টা আগেব্যাটিং ধস বাংলাদেশ দলের কাছে নতুন আর কী! দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে সেই একই দৃশ্য দেখা গেছে। নিমেষেই অদৃশ্য হয়ে গেল বাংলাদেশের টপ অর্ডার। ৩৫ রানে ৫ উইকেট হারানো বাংলাদেশের পরে মান বাঁচিয়েছে তাওহীদ হৃদয় আর জাকের আলীর অনবদ্য ব্যাটিং। তাতেও অবশ্য বড় স্কোর গড়া হয়নি। বাংলাদেশ
১২ ঘণ্টা আগে৫১ বছর পর ঘরের মাঠে কাবাডি টেস্ট সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে নেপালকে সেভাবে লড়াইয়ের সুযোগই দেয়নি মিজানুর রহমানের দল। পাঁচটি লোনাসহ ৫৩-২৯ পয়েন্ট ব্যবধানে জিতে ম্যাট ছাড়ে তারা।
১৩ ঘণ্টা আগেলাহোরে হাইভোল্টেজ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে রানের ইতিহাস গড়ল ইংল্যান্ড। বেন ডাকেটের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসের সৌজন্যে আগে ব্যাটিং করে ৮ উইকেটে ৩৫১ রান তুলেছে তারা। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ইতিহাসে/সর্বোচ্চ স্কোরও এটি। এত দিন সর্বোচ্চ দলীয় স্কোর ছিল ২০০৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে নিউজিল্যান্ডের করা ৩৪৭।
১৩ ঘণ্টা আগে