গাইবান্ধা প্রতিনিধি
কেউ সিঁড়ির নিচে, কেউ বারান্দায়। কেউ অসুস্থ শিশুসন্তানকে বুকে জড়িয়ে মেঝেতে বসে আছেন স্যালাইন হাতে। জায়গা না পেয়ে আবার অনেকেই শিশুর হাতের স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের বাইরের রাস্তায়। এই চিত্র গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের।
জানা যায়, গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশেই ডায়রিয়া ওয়ার্ড। এতে মাত্র ১০টি শয্যা। চাহিদার তুলনায় ১০ ভাগের এক ভাগ। ফলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ১০ জনের ভাগ্যে শয্যা জুটলেও অধিকাংশরই জোটে না কোনো বিছানা। পড়ে থাকতে হয় মেঝেতে বা সিঁড়িতে।
হাসপাতালে অসুস্থ শিশুপুত্র নিয়ে এসেছেন দাড়িয়াপুর থেকে মোমেনা বেগম। তিনি বলেন, ‘এসে দেখি কেউ নেই। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এক নারী ঘুমিয়ে আছেন শয্যা বা বিছানায়। ডেকে তুলতেই তিনি খেপে যান। তারপর হাতে ক্যানুলা আর স্যালাইন দিয়ে বলেন, যান। পরে বারান্দায় বসে রাত কাটিয়ে দিই।’
রোগীর স্বজন হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাই, আমার ছেলের জীবন যায় যায় অবস্থা। কিন্তু তাঁদের ডেকে পাওয়া যায় না। একটা স্যালাইন লাগিয়ে দিয়ে বলে গেছে বসে থাকেন। সেবিকারা সারাক্ষণ রোগী সামাল দিতে গিয়ে সেবার উল্টোটা হয়।’
সেবিকা আরিফা খাতুন বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া তাঁরা কথা বলতে পারবেন না। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বিছানা কম, তাই মেঝে, সিঁড়ির নিচে ঠাঁই করে দিতে হয় রোগীদের।’
সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও তাহেরা আকতার মনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের জনবল কম, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বিছানা মাত্র ১০টি। ফলে আগত রোগীদের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয় না।’
কেউ সিঁড়ির নিচে, কেউ বারান্দায়। কেউ অসুস্থ শিশুসন্তানকে বুকে জড়িয়ে মেঝেতে বসে আছেন স্যালাইন হাতে। জায়গা না পেয়ে আবার অনেকেই শিশুর হাতের স্যালাইন নিয়ে ডায়রিয়া ওয়ার্ডের বাইরের রাস্তায়। এই চিত্র গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডের।
জানা যায়, গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পাশেই ডায়রিয়া ওয়ার্ড। এতে মাত্র ১০টি শয্যা। চাহিদার তুলনায় ১০ ভাগের এক ভাগ। ফলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশুদের ১০ জনের ভাগ্যে শয্যা জুটলেও অধিকাংশরই জোটে না কোনো বিছানা। পড়ে থাকতে হয় মেঝেতে বা সিঁড়িতে।
হাসপাতালে অসুস্থ শিশুপুত্র নিয়ে এসেছেন দাড়িয়াপুর থেকে মোমেনা বেগম। তিনি বলেন, ‘এসে দেখি কেউ নেই। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এক নারী ঘুমিয়ে আছেন শয্যা বা বিছানায়। ডেকে তুলতেই তিনি খেপে যান। তারপর হাতে ক্যানুলা আর স্যালাইন দিয়ে বলেন, যান। পরে বারান্দায় বসে রাত কাটিয়ে দিই।’
রোগীর স্বজন হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভাই, আমার ছেলের জীবন যায় যায় অবস্থা। কিন্তু তাঁদের ডেকে পাওয়া যায় না। একটা স্যালাইন লাগিয়ে দিয়ে বলে গেছে বসে থাকেন। সেবিকারা সারাক্ষণ রোগী সামাল দিতে গিয়ে সেবার উল্টোটা হয়।’
সেবিকা আরিফা খাতুন বলেন, ‘অনুমতি ছাড়া তাঁরা কথা বলতে পারবেন না। ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বিছানা কম, তাই মেঝে, সিঁড়ির নিচে ঠাঁই করে দিতে হয় রোগীদের।’
সদর হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আরএমও তাহেরা আকতার মনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমাদের জনবল কম, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বিছানা মাত্র ১০টি। ফলে আগত রোগীদের সব সমস্যার সমাধান করা সম্ভব হয় না।’
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
৪ দিন আগেবিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪