লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসের ৯২তম আখমাড়াই মৌসুম শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মিল চত্বরে এক দোয়া ও মাহফিলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মিলের ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মো. শাফীকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এবার মিলটি ১২৬ কর্মদিবসে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৯৪১ টন আখমাড়াই করেছে। চিনি উৎপাদন হয়েছে ১১ হাজার ৩৫০ টন। এ বছর মিলটি গত মৌসুমের চেয়ে ৮ হাজার টন বেশি আখমাড়াই করলেও চিনি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার ৬৫০ টন কম করেছে।
চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২ লাখ টন আখমাড়াই করে ১৫ হাজার টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করেছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মো. আসহাব উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে এই মিলে মাড়াইয়ের জন্য ১৭ হাজার ৫০০ একর জমিতে আখ রোপণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে মিলের নিজস্ব জমি ২ হাজার ৫০০ একর। কৃষকদের কাছ থেকে কেনার জন্য প্রতি মণ আখের মূল্য মিল গেটে ২৪০ টাকা ও মিলের ৩১টি ক্রয়কেন্দ্রে ২৩৭ টাকা দেওয়া হয়। আগামী ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১৮ হাজার একর জমিতে আখ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা সফল করতে ৫ হাজার ৬০০ আখচাষির মধ্যে বীজ ও প্রায় ১২ কোটি টাকার সার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হলে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া টুটুল বলেন, এই মিল জোনে যে পরিমাণ আখ উৎপাদন হয়, তাতে মিলের আখমাড়াই ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। দৈনিক ক্ষমতা ৩ হাজার টনে উন্নীত করা সম্ভব হলে মৌসুমে ৩ লাখ টন মাড়াই করা সম্ভব হবে। এতে চাষিরা ধৈর্যহারা হবেন না। চিনির উৎপাদন বাড়বে ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
এবার আখ থেকে চিনি আহরণের হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া প্রসঙ্গে এমডি জানান, চিনি আহরণের বিষয়টি প্রকৃতিগতভাবে আখের ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া দীর্ঘ ৯১ বছরের পুরোনো এই মিলের আধুনিকায়ন করা গেলে উৎপাদন প্রক্রিয়ার ঘাটতি (প্রসেস লস) কমে যাবে এবং চিনি আহরণের মাত্রা বাড়বে।
নাটোরের লালপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসের ৯২তম আখমাড়াই মৌসুম শেষ হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মিল চত্বরে এক দোয়া ও মাহফিলের মাধ্যমে চলতি মৌসুমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
মিলের ব্যবস্থাপক (উৎপাদন) মো. শাফীকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এবার মিলটি ১২৬ কর্মদিবসে মোট ১ লাখ ৯৫ হাজার ৯৪১ টন আখমাড়াই করেছে। চিনি উৎপাদন হয়েছে ১১ হাজার ৩৫০ টন। এ বছর মিলটি গত মৌসুমের চেয়ে ৮ হাজার টন বেশি আখমাড়াই করলেও চিনি উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩ হাজার ৬৫০ টন কম করেছে।
চিনিকল সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে ২ লাখ টন আখমাড়াই করে ১৫ হাজার টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের ১৫ নভেম্বর মাড়াই মৌসুমের উদ্বোধন করেছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
চিনিকলের মহাব্যবস্থাপক (কৃষি) মো. আসহাব উদ্দিন বলেন, চলতি মৌসুমে এই মিলে মাড়াইয়ের জন্য ১৭ হাজার ৫০০ একর জমিতে আখ রোপণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে মিলের নিজস্ব জমি ২ হাজার ৫০০ একর। কৃষকদের কাছ থেকে কেনার জন্য প্রতি মণ আখের মূল্য মিল গেটে ২৪০ টাকা ও মিলের ৩১টি ক্রয়কেন্দ্রে ২৩৭ টাকা দেওয়া হয়। আগামী ২০২৫-২৬ মৌসুমে ১৮ হাজার একর জমিতে আখ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা সফল করতে ৫ হাজার ৬০০ আখচাষির মধ্যে বীজ ও প্রায় ১২ কোটি টাকার সার বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে কথা হলে মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন ভূঁইয়া টুটুল বলেন, এই মিল জোনে যে পরিমাণ আখ উৎপাদন হয়, তাতে মিলের আখমাড়াই ক্ষমতা বাড়ানো দরকার। দৈনিক ক্ষমতা ৩ হাজার টনে উন্নীত করা সম্ভব হলে মৌসুমে ৩ লাখ টন মাড়াই করা সম্ভব হবে। এতে চাষিরা ধৈর্যহারা হবেন না। চিনির উৎপাদন বাড়বে ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে।
এবার আখ থেকে চিনি আহরণের হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হলেও অর্জিত হয়েছে ৫ দশমিক ৮০ শতাংশ। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া প্রসঙ্গে এমডি জানান, চিনি আহরণের বিষয়টি প্রকৃতিগতভাবে আখের ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া দীর্ঘ ৯১ বছরের পুরোনো এই মিলের আধুনিকায়ন করা গেলে উৎপাদন প্রক্রিয়ার ঘাটতি (প্রসেস লস) কমে যাবে এবং চিনি আহরণের মাত্রা বাড়বে।
রাজধানীর পল্লবী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসানের শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের তথ্যমতে, এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাজধানী ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট, প্লট...
২ ঘণ্টা আগেগাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবৈধ কারখানায় অবাধে তৈরি করা হচ্ছে সরকারঘোষিত নিষিদ্ধ পলিথিন। এ ছাড়া পলিথিন কারখানা থেকে অনবরত ছড়াচ্ছে বিষাক্ত অদৃশ্য গ্যাস। এতে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জনজীবন।
৩ ঘণ্টা আগেমানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার প্রান্তিক চাষিরা ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়েছেন সবুজ বিষবৃক্ষ তামাক আবাদে। বেশি ফলনের আশায় অতিমাত্রায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন তাঁরা। ফলে মাটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে যত্রতত্র তামাক রোদে শুকানোর ফলে এর বিষাক্ত দুর্গন্ধে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ।
৩ ঘণ্টা আগেশুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য থাকে বগুড়ার অধিকাংশ নদী। এ সময় নদীর বুকজুড়ে চাষ করা হয় বিভিন্ন ফসল। গতিপথ পরিবর্তন করতে শুরু করেছে যমুনাও। এর বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য বালুচর। সেখানেও চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসল।
৩ ঘণ্টা আগে