প্রতিনিধি, রায়পুরা (নরসিংদী)
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার কৃষকদের মাঝে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। পার্চিং হচ্ছে খেতে ডালপালা পুঁতে দেওয়া। ফসলের জমিতে ডাল, কঞ্চি, বাঁশের খুঁটি পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে পাখি ক্ষতিকারক পোকার মথ, বাচ্চা, ডিম খেয়ে পোকা দমন করে। মূলত ফিঙে, শালিক, বুলবুলি, শ্যামা, দোয়েল, সাত ভায়রা পাখি পার্চিংয়ে বসে পোকা শিকার করে খায়। ফসলের পোকা দমনের এ পদ্ধতি ব্যয়বিহীন ও পরিবেশবান্ধব।
ফসলের খেতে ডেড পার্চিং ও লাইভ পার্চিং দুটিই করা যায়। ধান রোপণের পরপরই পার্চিং স্থাপন করতে হয়। ফসলের সর্বোচ্চ উচ্চতা থেকে কমপক্ষে এক ফুট উচ্চতায় পার্চিং করা উচিত। কৃষকেরা কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পার্চিংয়ের পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। আগে ডেথ পার্চিং বেশি দেখা গেলেও এখন লাইভ পার্চিংয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকেরা আউশের জমির কিছুদূর পরপর বাঁশ, কঞ্চি ও গাছের ডাল প্রভৃতি পুঁতে রেখেছেন। জমির আইলের পাশে এবং মাঝখানে খুঁটি পুঁতে রেখেছেন। এসব খুঁটিতে বসে পোকামাকড় খাচ্ছে ফিঙে, শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।
উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩৪০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫৬০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ হয়েছে। আউশ ধান ঘরে তুলতে আমন ও বোরো ধানের চেয়ে প্রায় ৩০ দিনের কম সময় লাগে। দ্রুত ফসল ঘরে তোলা যায় বলে এ ধান চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি।
উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিপুর গ্রামের আবদুস ছালাম বলেন, `দুই একর জমিতে আউশ ধানের চাষ করেছি। জমিতে ২২টি বাঁশের কঞ্চি ও গাছের ডাল পুঁতে দিলাম। সেখানে পাখি এসে বসছে। ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খাচ্ছে। এই পদ্ধতি আমাদের খুব উপকারে আসছে।'
উত্তর বাখরনগর গ্রামের কৃষক স্বপন বিশ্বাস বলেন, `পোকামাকড়ের হাত থেকে ধানের গাছ রক্ষা করতে চারা লাগানোর মাসখানেকের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যবধানে গাছের ডাল ও কঞ্চি পুঁতে রেখেছি। পাখিগুলো ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খাচ্ছে। আগে জমিতে তিন-চার দফা কীটনাশক ব্যবহার করতে হতো, এ বছর মাত্র একবার কীটনাশক ব্যবহার করেছি। ফলে খরচ কম হয়েছে।'
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান বলেন, `লাইভ পার্চিংয়ে একদিকে পোকা দমন হয়, তেমনি এসব গাছের পাতা জমিতে পড়ে নাইট্রোজেন সারের মাত্রাও বাড়াচ্ছে। ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। উৎপাদন খরচ কমে। কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলায় প্রতিবছর একটু একটু করে পার্চিং বাড়ছে। এতে কৃষকেরা উপকার পাচ্ছেন। কীটনাশক কম লাগায় উপজেলার কৃষকেরা বেজায় খুশি।'
নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার কৃষকদের মাঝে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে পার্চিং পদ্ধতি। পার্চিং হচ্ছে খেতে ডালপালা পুঁতে দেওয়া। ফসলের জমিতে ডাল, কঞ্চি, বাঁশের খুঁটি পুঁতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে পাখি ক্ষতিকারক পোকার মথ, বাচ্চা, ডিম খেয়ে পোকা দমন করে। মূলত ফিঙে, শালিক, বুলবুলি, শ্যামা, দোয়েল, সাত ভায়রা পাখি পার্চিংয়ে বসে পোকা শিকার করে খায়। ফসলের পোকা দমনের এ পদ্ধতি ব্যয়বিহীন ও পরিবেশবান্ধব।
ফসলের খেতে ডেড পার্চিং ও লাইভ পার্চিং দুটিই করা যায়। ধান রোপণের পরপরই পার্চিং স্থাপন করতে হয়। ফসলের সর্বোচ্চ উচ্চতা থেকে কমপক্ষে এক ফুট উচ্চতায় পার্চিং করা উচিত। কৃষকেরা কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে পার্চিংয়ের পদ্ধতির দিকে ঝুঁকছেন। আগে ডেথ পার্চিং বেশি দেখা গেলেও এখন লাইভ পার্চিংয়েও আগ্রহ দেখাচ্ছেন অনেকে।
সরেজমিনে দেখা যায়, কৃষকেরা আউশের জমির কিছুদূর পরপর বাঁশ, কঞ্চি ও গাছের ডাল প্রভৃতি পুঁতে রেখেছেন। জমির আইলের পাশে এবং মাঝখানে খুঁটি পুঁতে রেখেছেন। এসব খুঁটিতে বসে পোকামাকড় খাচ্ছে ফিঙে, শালিকসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি।
উপজেলা অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৩৪০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৫৬০ হেক্টর জমিতে আউশ চাষ হয়েছে। আউশ ধান ঘরে তুলতে আমন ও বোরো ধানের চেয়ে প্রায় ৩০ দিনের কম সময় লাগে। দ্রুত ফসল ঘরে তোলা যায় বলে এ ধান চাষে কৃষকের আগ্রহ বেশি।
উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের পূর্ব হরিপুর গ্রামের আবদুস ছালাম বলেন, `দুই একর জমিতে আউশ ধানের চাষ করেছি। জমিতে ২২টি বাঁশের কঞ্চি ও গাছের ডাল পুঁতে দিলাম। সেখানে পাখি এসে বসছে। ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খাচ্ছে। এই পদ্ধতি আমাদের খুব উপকারে আসছে।'
উত্তর বাখরনগর গ্রামের কৃষক স্বপন বিশ্বাস বলেন, `পোকামাকড়ের হাত থেকে ধানের গাছ রক্ষা করতে চারা লাগানোর মাসখানেকের মধ্যে নির্দিষ্ট ব্যবধানে গাছের ডাল ও কঞ্চি পুঁতে রেখেছি। পাখিগুলো ক্ষতিকর পোকামাকড় ধরে খাচ্ছে। আগে জমিতে তিন-চার দফা কীটনাশক ব্যবহার করতে হতো, এ বছর মাত্র একবার কীটনাশক ব্যবহার করেছি। ফলে খরচ কম হয়েছে।'
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বনি আমিন খান বলেন, `লাইভ পার্চিংয়ে একদিকে পোকা দমন হয়, তেমনি এসব গাছের পাতা জমিতে পড়ে নাইট্রোজেন সারের মাত্রাও বাড়াচ্ছে। ক্ষতিকর পোকা দমনে পার্চিং পদ্ধতি খুব কার্যকর। এই পদ্ধতি কাজে লাগালে কীটনাশকের ব্যবহার কমে যায়। উৎপাদন খরচ কমে। কৃষকদের মাঝে এই পদ্ধতি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। উপজেলায় প্রতিবছর একটু একটু করে পার্চিং বাড়ছে। এতে কৃষকেরা উপকার পাচ্ছেন। কীটনাশক কম লাগায় উপজেলার কৃষকেরা বেজায় খুশি।'
রাজধানীর পল্লবী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসানের শতকোটি টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের তথ্যমতে, এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে রাজধানী ঢাকায় কয়েকটি ফ্ল্যাট, প্লট...
৪ ঘণ্টা আগেগাজীপুরের কালিয়াকৈরে অবৈধ কারখানায় অবাধে তৈরি করা হচ্ছে সরকারঘোষিত নিষিদ্ধ পলিথিন। এ ছাড়া পলিথিন কারখানা থেকে অনবরত ছড়াচ্ছে বিষাক্ত অদৃশ্য গ্যাস। এতে মারাত্মকভাবে হুমকির মুখে পড়েছে পরিবেশ ও জনজীবন।
৫ ঘণ্টা আগেমানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার প্রান্তিক চাষিরা ব্যাপকভাবে ঝুঁকে পড়েছেন সবুজ বিষবৃক্ষ তামাক আবাদে। বেশি ফলনের আশায় অতিমাত্রায় সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন তাঁরা। ফলে মাটির উর্বরতা শক্তি নষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে যত্রতত্র তামাক রোদে শুকানোর ফলে এর বিষাক্ত দুর্গন্ধে নষ্ট হচ্ছে পরিবেশ।
৫ ঘণ্টা আগেশুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য থাকে বগুড়ার অধিকাংশ নদী। এ সময় নদীর বুকজুড়ে চাষ করা হয় বিভিন্ন ফসল। গতিপথ পরিবর্তন করতে শুরু করেছে যমুনাও। এর বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য বালুচর। সেখানেও চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসল।
৬ ঘণ্টা আগে