আজাদুল আদনান, ঢাকা
রাজধানীর বনানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার। গত ৩০ অক্টোবর নিবন্ধন করে গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এসএমএস আসে। সে অনুযায়ী আজ সকাল ৮টার দিকে একই স্কুলের মালিবাগ শাখায় আসে টিকা নিতে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে টিকার জন্য অপেক্ষা করেছে।
শুধু তাহমিনা নয়, এই কেন্দ্রে আসা দুই হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের এমন ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। একটি কেন্দ্রে ছয়টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হলেও সে তুলনায় বুথের সংখ্যা কম। অন্যদিকে রেজিস্ট্রেশন শেষ করা এবং টিকাদানে ধীরগতি সেই দুর্ভোগ বাড়িয়েছে আরও কয়েক গুণ।
সকাল ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ এসেছেন মিরপুর থেকে, কেউবা উত্তরা, বারিধারা ও বনানী থেকে। তখনো শুরু হয়নি টিকাদান। অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরাও। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইটি বিভাগের লোকজন দেরিতে আসায় নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়নি টিকাদান কার্যক্রম। সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় টিকাদান।
অভিভাবকেরা বলছেন, সবাইকে একই সঙ্গে টিকা দেওয়ার জন্য এসএমএস দেওয়া হয়েছে। অথচ এখানে জায়গা ছোট, দাঁড়ানোর মতো জায়গা নেই। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আমাদেরই অবস্থা খারাপ, সেখানে বাচ্চাদের অবস্থা কী হবে তা সহজেই বোঝা যায়।
দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিহাকে টিকা দিতে সকাল পৌনে ৮টায় নিয়ে এসেছেন বাবা আক্তারুজ্জামান। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, `ব্যবস্থাপনা যদি ঠিকঠাক না করতেই পারে, তাহলে উদ্যোগ নেওয়ার কী দরকার? সাড়ে ৪ ঘণ্টার বেশি হলো মেয়েটা লাইনে দাঁড়িয়ে। আমি না হয় সহ্য করতে পারি, কিন্তু অতটুকু বাচ্চাটা কীভাবে পারবে? এখানে বসার জায়গাটাও নেই। গতকাল রাত প্রায় ১২টায় এসএমএস এসেছে। অফিস ফেলে এসেছি, কিন্তু এতটা দুর্ভোগে পড়তে হবে ভাবিনি। বারিধারা শাখাটা অনেক বড়, সেখানে করতে পারত।'
পাশে থেকে আরেক অভিভাবক শিরিনা বেগম বলেন, `পুরুষেরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেও আমরা কীভাবে পারি বলেন? অনেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ, তাদের বসার অন্তত ব্যবস্থা করা দরকার। আমার মেয়ে তো একবার পড়েই গেছে। অনেক কিছু করে তাকে সুস্থ করা হলে এখন টিকার জন্য আবার লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্টদের খেয়াল করা দরকার ছিল।'
কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, জায়গা ছোট হওয়ায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। নিচতলায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া যাচাই করে তিনতলায় পাঠানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। যাচাইকাজে থাকা কর্মীদের প্রশিক্ষণের ঘাটতি থাকায় কাজে ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়। আগের দিন পর্যন্ত ১০টা বুথ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সকালে জানানো হয় সাতটি বুথে দিতে হবে টিকা। ফলে সংকট আরও বেড়েছে।
মিরপুর থেকে টিকা নিতে এসেছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাব হাসান। আজকের পত্রিকাকে এই শিক্ষার্থী বলে, `বুথের সংখ্যা বাড়ালে যারা দূর থেকে এসেছি, তাদের জন্য সহজ হতো। সকালে এসেছি, নিবন্ধন প্রক্রিয়াও যাচাই হয়েছে। তার পরও টিকার জন্য এক ঘণ্টার বেশি হলো বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি।'
দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে টিকার খুশিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। প্রায় তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে টিকা নিয়েছে জাহিদ। নবম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী মতে, `প্রতিটি স্কুলে আলাদাভাবে দিলে এতটা কষ্ট হতো না। অনেক চেষ্টার পর টিকা পেলাম। ভালো লাগছে।'
সাউথ পয়েন্ট স্কুলের মালিবাগ শাখার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, `টিকাদানে অত্যন্ত ধীরগতি। সব প্রতিষ্ঠানকে এক কেন্দ্রে না দিয়ে সময় নিয়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থা করলে ভালো হতো। সবাইকে একসঙ্গে দেওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবকদের। আমাদেরও খুব খারাপ লাগছে। এক শিক্ষার্থী অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল। পরে তাকে অনেকক্ষণ বিশ্রাম দিয়ে টিকার ব্যবস্থা করেছি। পরিকল্পনায় ঘাটতি থাকায় এমনটা হয়েছে।'
টিকাদানের এমন ভোগান্তির বিষয়ে কথা হলে স্কুলটির সহকারী প্রধান শিক্ষক জেরিনা ফেরদৌস আজকের পত্রিকাকে বলেন, `আমাদের এখানে টিকা দেওয়ারই কথা ছিল না। গতকাল হঠাৎ করেই জানানো হয়, এটাই হবে কেন্দ্র। সে অনুযায়ী ছেলেমেয়েদের মেসেজ পাঠানো, কেন্দ্র প্রস্তুত করা—সবকিছু ঠিক করতে নানা সমস্যা পোহাতে হয়েছে, যার ফলে বুথের সংখ্যা কমেছে।'
জেরিনা ফেরদৌস বলেন, `আমরা যতটুকু পেরেছি প্রশিক্ষণ দিয়েছি। কিন্তু সকালে স্বাস্থ্যের আইটি বিভাগের লোকজন আসতে দেরি করায় সময়মতো টিকাদান শুরু করা যায়নি। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কষ্ট করতে হচ্ছে। কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারছি না।'
রাজধানীর বনানীর সাউথ পয়েন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার। গত ৩০ অক্টোবর নিবন্ধন করে গত রাত সাড়ে ১০টার দিকে এসএমএস আসে। সে অনুযায়ী আজ সকাল ৮টার দিকে একই স্কুলের মালিবাগ শাখায় আসে টিকা নিতে। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে টিকার জন্য অপেক্ষা করেছে।
শুধু তাহমিনা নয়, এই কেন্দ্রে আসা দুই হাজার শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের এমন ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। একটি কেন্দ্রে ছয়টি স্কুলের শিক্ষার্থীদের টিকা দেওয়া হলেও সে তুলনায় বুথের সংখ্যা কম। অন্যদিকে রেজিস্ট্রেশন শেষ করা এবং টিকাদানে ধীরগতি সেই দুর্ভোগ বাড়িয়েছে আরও কয়েক গুণ।
সকাল ১০টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রের বাইরে অভিভাবকদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ এসেছেন মিরপুর থেকে, কেউবা উত্তরা, বারিধারা ও বনানী থেকে। তখনো শুরু হয়নি টিকাদান। অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরাও। কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইটি বিভাগের লোকজন দেরিতে আসায় নির্ধারিত সময়ে শুরু করা যায়নি টিকাদান কার্যক্রম। সাড়ে ১০টার দিকে শুরু হয় টিকাদান।
অভিভাবকেরা বলছেন, সবাইকে একই সঙ্গে টিকা দেওয়ার জন্য এসএমএস দেওয়া হয়েছে। অথচ এখানে জায়গা ছোট, দাঁড়ানোর মতো জায়গা নেই। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আমাদেরই অবস্থা খারাপ, সেখানে বাচ্চাদের অবস্থা কী হবে তা সহজেই বোঝা যায়।
দশম শ্রেণির ছাত্রী সাবিহাকে টিকা দিতে সকাল পৌনে ৮টায় নিয়ে এসেছেন বাবা আক্তারুজ্জামান। আজকের পত্রিকাকে তিনি বলেন, `ব্যবস্থাপনা যদি ঠিকঠাক না করতেই পারে, তাহলে উদ্যোগ নেওয়ার কী দরকার? সাড়ে ৪ ঘণ্টার বেশি হলো মেয়েটা লাইনে দাঁড়িয়ে। আমি না হয় সহ্য করতে পারি, কিন্তু অতটুকু বাচ্চাটা কীভাবে পারবে? এখানে বসার জায়গাটাও নেই। গতকাল রাত প্রায় ১২টায় এসএমএস এসেছে। অফিস ফেলে এসেছি, কিন্তু এতটা দুর্ভোগে পড়তে হবে ভাবিনি। বারিধারা শাখাটা অনেক বড়, সেখানে করতে পারত।'
পাশে থেকে আরেক অভিভাবক শিরিনা বেগম বলেন, `পুরুষেরা দাঁড়িয়ে থাকতে পারলেও আমরা কীভাবে পারি বলেন? অনেকে শারীরিকভাবে অসুস্থ, তাদের বসার অন্তত ব্যবস্থা করা দরকার। আমার মেয়ে তো একবার পড়েই গেছে। অনেক কিছু করে তাকে সুস্থ করা হলে এখন টিকার জন্য আবার লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। বিষয়গুলো সংশ্লিষ্টদের খেয়াল করা দরকার ছিল।'
কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, জায়গা ছোট হওয়ায় তিল ধারণের ঠাঁই নেই। নিচতলায় নিবন্ধন প্রক্রিয়া যাচাই করে তিনতলায় পাঠানো হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। যাচাইকাজে থাকা কর্মীদের প্রশিক্ষণের ঘাটতি থাকায় কাজে ধীরগতি লক্ষ্য করা যায়। আগের দিন পর্যন্ত ১০টা বুথ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু সকালে জানানো হয় সাতটি বুথে দিতে হবে টিকা। ফলে সংকট আরও বেড়েছে।
মিরপুর থেকে টিকা নিতে এসেছে অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী শিহাব হাসান। আজকের পত্রিকাকে এই শিক্ষার্থী বলে, `বুথের সংখ্যা বাড়ালে যারা দূর থেকে এসেছি, তাদের জন্য সহজ হতো। সকালে এসেছি, নিবন্ধন প্রক্রিয়াও যাচাই হয়েছে। তার পরও টিকার জন্য এক ঘণ্টার বেশি হলো বুথের বাইরে দাঁড়িয়ে আছি।'
দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে টিকার খুশিতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। প্রায় তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে টিকা নিয়েছে জাহিদ। নবম শ্রেণির এই শিক্ষার্থী মতে, `প্রতিটি স্কুলে আলাদাভাবে দিলে এতটা কষ্ট হতো না। অনেক চেষ্টার পর টিকা পেলাম। ভালো লাগছে।'
সাউথ পয়েন্ট স্কুলের মালিবাগ শাখার ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, `টিকাদানে অত্যন্ত ধীরগতি। সব প্রতিষ্ঠানকে এক কেন্দ্রে না দিয়ে সময় নিয়ে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ব্যবস্থা করলে ভালো হতো। সবাইকে একসঙ্গে দেওয়ায় ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থী থেকে শুরু করে অভিভাবকদের। আমাদেরও খুব খারাপ লাগছে। এক শিক্ষার্থী অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকায় অসুস্থ হয়ে গিয়েছিল। পরে তাকে অনেকক্ষণ বিশ্রাম দিয়ে টিকার ব্যবস্থা করেছি। পরিকল্পনায় ঘাটতি থাকায় এমনটা হয়েছে।'
টিকাদানের এমন ভোগান্তির বিষয়ে কথা হলে স্কুলটির সহকারী প্রধান শিক্ষক জেরিনা ফেরদৌস আজকের পত্রিকাকে বলেন, `আমাদের এখানে টিকা দেওয়ারই কথা ছিল না। গতকাল হঠাৎ করেই জানানো হয়, এটাই হবে কেন্দ্র। সে অনুযায়ী ছেলেমেয়েদের মেসেজ পাঠানো, কেন্দ্র প্রস্তুত করা—সবকিছু ঠিক করতে নানা সমস্যা পোহাতে হয়েছে, যার ফলে বুথের সংখ্যা কমেছে।'
জেরিনা ফেরদৌস বলেন, `আমরা যতটুকু পেরেছি প্রশিক্ষণ দিয়েছি। কিন্তু সকালে স্বাস্থ্যের আইটি বিভাগের লোকজন আসতে দেরি করায় সময়মতো টিকাদান শুরু করা যায়নি। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়েছে। ফলে দীর্ঘক্ষণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, কষ্ট করতে হচ্ছে। কিন্তু আমরা কিছুই করতে পারছি না।'
পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতঘেঁষা মার্কেটটি একসময় টাইলস মার্কেট নামে পরিচিত ছিল। নিচতলায় রয়েছে ৪০-৫০টি দোকান। অনেক আগেই এই মার্কেটকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করেছে কুয়াকাটা পৌরসভা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই চলছে কার্যক্রম। শুধু তা-ই নয়, সৈকত দখল করে মার্কেটটি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে...
৫ ঘণ্টা আগেমৌলভীবাজারে মনু ও ধলাই নদীর ১৬টি প্রতিরক্ষা বাঁধসহ অন্যান্য ছোট নদীর অসংখ্য বাঁধ ভেঙে গত বছর জেলায় চার দফা বন্যা হয়েছে। বন্যায় ফসল ও ঘরবাড়ি হারিয়েছে হাজারো মানুষ। পানিবন্দী হয়ে পড়ে প্রায় চার লাখ মানুষ। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ছিল ৬০০ কোটি টাকার অধিক। এত কিছুর পরও জেলার অন্যতম প্রধান দুই নদীর প্রতিরক্ষা...
৫ ঘণ্টা আগেপার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বৈসাবি ঘিরে পাহাড়ে উৎসবের আমেজ শুরু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে খাগড়াছড়ি শহরের নারানখাইয়া এলাকায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের মাঠে ফিতা কেটে চার দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান...
৬ ঘণ্টা আগেচলছে চৈত্রের দাবদাহ। বাজারে কদর বেড়েছে রসাল ফল আনারসের। বিশেষ করে কদর বেড়েছে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন পাহাড়ে উৎপাদিত আনারসের। কিন্তু আগেভাগে বাজারজাত করা এবং বেশি মুনাফার আশায় আনারসে মাত্রাতিরিক্ত ইথোফেন হরমোন প্রয়োগ করছেন চাষিরা। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকির শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে কৃষিবিদদের দাবি, পরিপক্ব ফল...
৬ ঘণ্টা আগে