নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
এক হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও চারটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকার মোহাম্মদপুরে মুদির দোকানদার আবু সায়েদ হত্যা মামলায় আট দিনের রিমান্ড শেষে আবদুল্লাহ আল–মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা আরও চারটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা পৃথক পৃথক আবেদনে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এসব আবেদন আদালত মঞ্জুর করেন।
যেসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সেগুলো হচ্ছে খিলগাঁও থানায় দায়ের করা মিজানুর রহমান হত্যা মামলা, একই থানায় দায়ের করা ১৪ বছরের কিশোর আশিকুল ইসলাম হত্যা মামলা ও ভাটারা থানায় দায়ের করা সোহাগ মিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া ভাটারা থানায় দায়ের করা আরও একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন আসামি আবদুল্লাহ আল–মামুন এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই মামলায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
৪ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানার মুদিদোকানদার আবু সায়েদ হত্যা মামলায় আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার আগে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার পর আবদুল্লাহ আল–মামুন সেনা হেফাজতে ছিলেন। সেখান থেকে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
এক হত্যা মামলায় রিমান্ড শেষে সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে আরও চারটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুর রহমান তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
ঢাকার মোহাম্মদপুরে মুদির দোকানদার আবু সায়েদ হত্যা মামলায় আট দিনের রিমান্ড শেষে আবদুল্লাহ আল–মামুনকে আদালতে হাজির করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা তাঁকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
অন্যদিকে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় দায়ের করা আরও চারটি হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তারা পৃথক পৃথক আবেদনে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। এসব আবেদন আদালত মঞ্জুর করেন।
যেসব মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সেগুলো হচ্ছে খিলগাঁও থানায় দায়ের করা মিজানুর রহমান হত্যা মামলা, একই থানায় দায়ের করা ১৪ বছরের কিশোর আশিকুল ইসলাম হত্যা মামলা ও ভাটারা থানায় দায়ের করা সোহাগ মিয়া হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ ছাড়া ভাটারা থানায় দায়ের করা আরও একটি হত্যা মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তারা উল্লেখ করেছেন আসামি আবদুল্লাহ আল–মামুন এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ভবিষ্যতে এই মামলায় তাঁকে রিমান্ডে নেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
৪ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানার মুদিদোকানদার আবু সায়েদ হত্যা মামলায় আট দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। তার আগে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকা থেকে আবদুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে চলে যাওয়ার পর আবদুল্লাহ আল–মামুন সেনা হেফাজতে ছিলেন। সেখান থেকে আত্মসমর্পণের ইচ্ছা প্রকাশ করলে তাঁকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
গুম সংক্রান্ত কমিশনে ১৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সভাপতি বিচারপতি (অব.) মইনুল ইসলাম চৌধুরী। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর গুলশানে গুম সংক্রান্ত কমিশনের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।
৩১ মিনিট আগেপুলিশ লাইনে গোপন বন্দিশালা পাওয়ার তথ্য জানিয়েছে গুম সংক্রান্ত তদন্ত কমিশন। কমিশনের সদস্য নূর খান জানান, বগুড়া পুলিশ লাইনে গোপন বন্দিশালা পাওয়া গেছে, যেখানে বিভিন্ন জায়গা থেকে বন্দীদের জিজ্ঞাসাবাদের নামে নির্যাতন করা হতো। আজ মঙ্গলবার...
৪২ মিনিট আগেকমিশনে ১ হাজার ৭৫২টি অভিযোগ জমা পড়েছে, যার মধ্যে ১ হাজারটি অভিযোগ ও তার সঙ্গে সংযুক্ত কাগজপত্রের যাচাই-বাছাই প্রাথমিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কমিশনে ২৮০ জন অভিযোগকারীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রায় ৪৫ জন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের বক্তব্য...
১ ঘণ্টা আগেসারা দেশে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে মশার উৎপাত। কয়েক মাস ধরে এমন উৎপাতে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। রাজধানীতে দিনের বেলায় কোনো রকমে টিকতে পারলেও সন্ধ্যা হওয়ার পরপর ঘরে-বাইরে মশার যন্ত্রণায় দাঁড়ানোই দায় হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় আসন্ন গরমের মৌসুমে মশাবাহিত রোগের প্রকোপ বাড়ার আশঙ্কা করছেন জনস্বাস্থ্যবিদেরা।
১১ ঘণ্টা আগে