অনলাইন ডেস্ক
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে যাওয়া অবৈধ অভিবাসীদের আলবেনিয়ায় নির্মিত কতগুলো আশ্রয় শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইতালি। আজ মঙ্গলবার আমিরাতভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, আগামী বসন্তে আশ্রয় শিবিরগুলো খোলার সময় প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার লোকের জন্য জায়গা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত বছরে ৩৬ হাজার অভিবাসীকে সেখানে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলবেনিয়ায় থাকা শিবিরগুলো ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার করা অভিবাসীদের আশ্রয়ের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে। আলবেনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শেংজিং এবং জাদের এলাকায় নির্মিত হচ্ছে। এই শিবিরগুলোর জন্য ইতালিয়ান সরকার আলবেনিয়াকে ভাড়া পরিশোধ করবে।
মঙ্গলবার আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইদি রামার সঙ্গে একটি বৈঠক শেষে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানান, সবাইকে এসব শিবিরে পাঠানো হবে না। বিশেষ করে—শিশু, গর্ভধারণ করা নারী এবং অসুস্থ কিংবা দুর্বল ব্যক্তিদের ইতালিতেই রাখা হবে।
অভিবাসীদের ক্ষেত্রে ইতালির মেলোনি সরকার কঠোর নীতি অবলম্বন করলেও চলতি বছর এই সময় পর্যন্ত ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে দেশটিতে পৌঁছেছে। গত বছর একই সময়ের মধ্যে ইতালিতে পৌঁছেছিল ৮৮ হাজার অভিবাসী।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি অনুযায়ী, কোনো অভিবাসন প্রত্যাশী ইউরোপের যে দেশে প্রথম পা রাখবে তাঁর আবেদন প্রক্রিয়া সেই দেশই সম্পন্ন করবে।
আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইদি রামা বলেছেন, ‘ভৌগোলিকভাবে ইতালির অবস্থান ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী হওয়ায় সেখানে অভিবাসীদের চাপ বেশি। আপনি যখন ইতালিতে প্রবেশ করেন, তখন আপনি আসলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশ করেন।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত হতে চায় আলবেনিয়া। এ ক্ষেত্রে দেশটিকে সমর্থন করে আসছে ইতালি। তাই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ইতালিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আলবেনিয়া সরকার।
মেলোনির কট্টর ডানপন্থী দল দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে অভিবাসীদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে এসব কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব ছিল তাদের। কিন্তু সেই অঞ্চলের কোনো দেশই এই ধরনের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ২০২৩ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে গিনি, আইভরি কোস্ট, তিউনিসিয়া এবং বাংলাদেশের মানুষই বেশি।
ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে যাওয়া অবৈধ অভিবাসীদের আলবেনিয়ায় নির্মিত কতগুলো আশ্রয় শিবিরে পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে ইতালি। আজ মঙ্গলবার আমিরাতভিত্তিক দ্য ন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে এই খবর জানা গেছে।
ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানিয়েছেন, আগামী বসন্তে আশ্রয় শিবিরগুলো খোলার সময় প্রাথমিকভাবে ৩ হাজার লোকের জন্য জায়গা হবে। তবে শেষ পর্যন্ত বছরে ৩৬ হাজার অভিবাসীকে সেখানে পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আলবেনিয়ায় থাকা শিবিরগুলো ভূমধ্যসাগর থেকে উদ্ধার করা অভিবাসীদের আশ্রয়ের জন্য আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে। আলবেনিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের শেংজিং এবং জাদের এলাকায় নির্মিত হচ্ছে। এই শিবিরগুলোর জন্য ইতালিয়ান সরকার আলবেনিয়াকে ভাড়া পরিশোধ করবে।
মঙ্গলবার আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইদি রামার সঙ্গে একটি বৈঠক শেষে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি জানান, সবাইকে এসব শিবিরে পাঠানো হবে না। বিশেষ করে—শিশু, গর্ভধারণ করা নারী এবং অসুস্থ কিংবা দুর্বল ব্যক্তিদের ইতালিতেই রাখা হবে।
অভিবাসীদের ক্ষেত্রে ইতালির মেলোনি সরকার কঠোর নীতি অবলম্বন করলেও চলতি বছর এই সময় পর্যন্ত ১ লাখ ৪৫ হাজারের বেশি অভিবাসী ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে দেশটিতে পৌঁছেছে। গত বছর একই সময়ের মধ্যে ইতালিতে পৌঁছেছিল ৮৮ হাজার অভিবাসী।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি অনুযায়ী, কোনো অভিবাসন প্রত্যাশী ইউরোপের যে দেশে প্রথম পা রাখবে তাঁর আবেদন প্রক্রিয়া সেই দেশই সম্পন্ন করবে।
আলবেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী ইদি রামা বলেছেন, ‘ভৌগোলিকভাবে ইতালির অবস্থান ভূমধ্যসাগরের তীরবর্তী হওয়ায় সেখানে অভিবাসীদের চাপ বেশি। আপনি যখন ইতালিতে প্রবেশ করেন, তখন আপনি আসলে ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশ করেন।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্যভুক্ত হতে চায় আলবেনিয়া। এ ক্ষেত্রে দেশটিকে সমর্থন করে আসছে ইতালি। তাই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় ইতালিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আলবেনিয়া সরকার।
মেলোনির কট্টর ডানপন্থী দল দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাইরে অভিবাসীদের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র স্থাপনের আহ্বান জানিয়ে আসছে। এ ক্ষেত্রে উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে এসব কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব ছিল তাদের। কিন্তু সেই অঞ্চলের কোনো দেশই এই ধরনের প্রস্তাবে রাজি হয়নি। ২০২৩ সালে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইতালিতে পৌঁছানো অভিবাসীদের মধ্যে গিনি, আইভরি কোস্ট, তিউনিসিয়া এবং বাংলাদেশের মানুষই বেশি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কিকে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে আপনি জুয়া খেলছেন।’ এ ছাড়াও তিনি জেলেনস্কিকে ‘কৃতজ্ঞতা’ স্বীকার না করার জন্য তিরস্কার করেছেন। ওভাল অফিসে ট্রাম্প, জেলেনস্কি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট
১ ঘণ্টা আগেগুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হতে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি হোয়াইট হাউসে তৃতীয় রাষ্ট্রপ্রধানের সফর। তাই আনুষ্ঠানিকতার পর্বও ছিল যথারীতি।
৩ ঘণ্টা আগেতাইওয়ানের বার্ষিক সামরিক মহড়া হান কুয়াংয়ের পরিধি বাড়ানোর খবরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উ কিয়ান বলেন, ‘এটি পরিস্থিতি, জনমত ও শক্তির তুলনায় একটি ভুল হিসাব। এমনভাবে সামনে এগোনো অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমরা ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করছি, ঝাঁটার সাহায্যে জোয়ারের মুখে দাঁড়ানো..
৩ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের সময় অনুযায়ী, আজ শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। এই সাক্ষাতে একটি খনিজ সম্পদ বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর হতে পারে। এ অবস্থায় দুই নেতার আলোচনার ফলাফল কী হয় জানতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে...
৩ ঘণ্টা আগে