সিলেটে হামলা
নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে সাবেক এমপি-মেয়র, আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। বললেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা ৫ আগস্ট থেকে মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করছেন। নেতা-কর্মীদের বাসা ও বাড়িতে যে ভাঙচুর হয়েছে, সেটি সিলেট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কূটকৌশল বলে দাবি করেন তিনি। গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সিলেট নগরে উত্তেজনা বিরাজ করে। আর এই উত্তেজনার কারণে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার বাসাবাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রথমে ভাঙচুর করা হয় সাবেক মেয়র ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর পাঠানটুলের বাসা। এরপর একেক করে সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের হাউজিং এস্টেটস্থ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী টিলাগড়ের, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত সরকারের গোপালটিলার, সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের দর্শন দেউরী, সাবেক কাউন্সিলর ও নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আপ্তাব হোসেন খানের পীর মহল্লার, সাবেক কাউন্সিলর রুহেল আহমদের মেজরটিলার নুরপুরস্থ বাসায় ভাঙচুর করা হয়। এ ভাঙচুরের ঘটনায় গোটা নগরে উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করে।
হঠাৎ করে শুরু হওয়া ভাঙচুরের ঘটনা ঠেকাতে নগরে র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি সেনা টহল জোরদার করা হয়। চালানো হয় অভিযানও। ঘটনার পর সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান ও জালালাবাদ থানার ওসি হারুনুর রশীদ জানান, পুলিশ ওই বাসাগুলো পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টায় রয়েছেন তাঁরা।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশের নিয়মিত কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় দেশে ছেড়ে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে রাতে একটি প্রেস ব্রিফিং করেন। ওই ব্রিফিংয়ে তিনি ঘটনার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতা-কর্মীদের দায়ী করেন। একই সঙ্গে আনোয়ারুজ্জামান অভিযোগ করেন, নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর প্রকাশ্য মদদে তাঁর বাসায় হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।
আনোয়ার দাবি করেন, তাঁর বাসা ভাঙচুরের সময় কেয়ারটেকারকে মারধর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বাসাসহ নেতাদের বাসার মালপত্র লুট করা হয়েছে। বিএনপির বড় বড় নেতা সহনশীলতার কথা বলেন। আবার তাঁদের নেতা-কর্মীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করছেন। এটা কেন হচ্ছে—এ প্রশ্ন তিনি সিলেটবাসীর কাছে রাখেন।
আনোয়ারুজ্জামান দাবি করেন, সিলেটে কারও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা কোনো দিন ছিল না। হামলাকারী ছেলেরা ছাত্রদল পরিচয় দিয়ে এসে প্রকাশ্য হামলা ও ভাঙচুর করেছে। আট মাস পর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ন্যক্কারজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আনোয়ারুজ্জামানের অভিযোগ কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন সিলেট বিএনপির একাধিক নেতা। তাঁদের মতে, সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতিতে সবার আগে আঘাত করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। কয়েক বছর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আপ্তাব ও পাঙ্গাসের নেতৃত্বে মিছিল সহকারে গিয়ে নগরের হাউজিং এস্টেটে সিনিয়র জামায়াত নেতা ডা. সায়েফ ও হাফেজ আব্দুল হাই হারুনের বাসার ভেতরে পরিবারকে রেখে আগুন দিয়েছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকের তেতলীস্থ বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি ৪ আগস্ট যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কয়েক শ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা এসব কার্যকলাপ করেছিলেন বলে সিলেটের সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাজ্যে দেওয়া আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিলেট নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। নগরের হাউজিং এস্টেটে তাঁর বাসা। তাঁর বাসার অদূরে হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরীর বাসায়ও হামলা হয়েছে। কয়েস লোদী আনোয়ারুজ্জামানের দেওয়া বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘প্রকাশ্যে মদদ দিলে তো সামনে থাকতে হয়। আমি তখন সিলেট শহরে ছিলাম না। এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য রাজনৈতিক নর্মসে পড়ে না। বিএনপি এ ধরনের রাজনীতি করে না।’
তাঁর ‘মদদ’ প্রমাণের চ্যালেঞ্জ করে লোদী দাবি করেন, বাসাবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কূটকৌশল। এ কৌশল তারা অতীতেও প্রয়োগ করেছে। এখানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন জড়িত থাকার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি ঠিক নয়। কারণ, ৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করছেন। সুতরাং ভাঙচুরের প্রশ্নই ওঠে না।
লোদী বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, দীর্ঘ দুঃশাসনের কারণে হাসিনা সরকার গণমানুষের ক্ষোভের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। পরে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত এ সংগঠনের সদস্যরা ৫ আগস্টের পর থেকে নানা প্রপাগান্ডা ও পরিস্থিতি ঘোলাটে করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় সিলেটে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্য মিছিল, সেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। ৭ মাস পর এসে ওই সংগঠনের কর্মীরা অযাচিত কাজ করছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিএনপিসহ ছাত্রদল এ ঘটনার গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। নগরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন কীভাবে মিছিল করে অপতৎপরতা চালায়, সেটি খতিয়ে দেখতে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীকে আহ্বান জানান।
সিলেটে সাবেক এমপি-মেয়র, আওয়ামী লীগ নেতাদের বাড়িঘর ভাঙচুরের অভিযোগ উড়িয়ে দিলেন নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। বললেন, বিএনপির নেতা-কর্মীরা ৫ আগস্ট থেকে মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করছেন। নেতা-কর্মীদের বাসা ও বাড়িতে যে ভাঙচুর হয়েছে, সেটি সিলেট আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কূটকৌশল বলে দাবি করেন তিনি। গত বুধবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত সিলেট নগরে উত্তেজনা বিরাজ করে। আর এই উত্তেজনার কারণে আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতার বাসাবাড়িতে ভাঙচুর করা হয়েছে।
প্রথমে ভাঙচুর করা হয় সাবেক মেয়র ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর পাঠানটুলের বাসা। এরপর একেক করে সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেলের হাউজিং এস্টেটস্থ, সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরী টিলাগড়ের, সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট রঞ্জিত সরকারের গোপালটিলার, সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজের দর্শন দেউরী, সাবেক কাউন্সিলর ও নগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আপ্তাব হোসেন খানের পীর মহল্লার, সাবেক কাউন্সিলর রুহেল আহমদের মেজরটিলার নুরপুরস্থ বাসায় ভাঙচুর করা হয়। এ ভাঙচুরের ঘটনায় গোটা নগরে উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করে।
হঠাৎ করে শুরু হওয়া ভাঙচুরের ঘটনা ঠেকাতে নগরে র্যাব ও পুলিশের পাশাপাশি সেনা টহল জোরদার করা হয়। চালানো হয় অভিযানও। ঘটনার পর সিলেট মহানগর পুলিশের (এসএমপি) এয়ারপোর্ট থানার ওসি সৈয়দ আনিসুর রহমান ও জালালাবাদ থানার ওসি হারুনুর রশীদ জানান, পুলিশ ওই বাসাগুলো পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টায় রয়েছেন তাঁরা।
এসএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এসব ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কেউ কোনো অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশের নিয়মিত কাজ অব্যাহত রয়েছে।
এ ঘটনায় দেশে ছেড়ে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী যুক্তরাজ্য থেকে রাতে একটি প্রেস ব্রিফিং করেন। ওই ব্রিফিংয়ে তিনি ঘটনার জন্য সিলেট জেলা ও মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ নেতা-কর্মীদের দায়ী করেন। একই সঙ্গে আনোয়ারুজ্জামান অভিযোগ করেন, নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর প্রকাশ্য মদদে তাঁর বাসায় হামলা ও ভাঙচুর করা হয়েছে।
আনোয়ার দাবি করেন, তাঁর বাসা ভাঙচুরের সময় কেয়ারটেকারকে মারধর করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁর বাসাসহ নেতাদের বাসার মালপত্র লুট করা হয়েছে। বিএনপির বড় বড় নেতা সহনশীলতার কথা বলেন। আবার তাঁদের নেতা-কর্মীরা বাড়িঘর ভাঙচুর করছেন। এটা কেন হচ্ছে—এ প্রশ্ন তিনি সিলেটবাসীর কাছে রাখেন।
আনোয়ারুজ্জামান দাবি করেন, সিলেটে কারও বাড়িঘরে হামলার ঘটনা কোনো দিন ছিল না। হামলাকারী ছেলেরা ছাত্রদল পরিচয় দিয়ে এসে প্রকাশ্য হামলা ও ভাঙচুর করেছে। আট মাস পর হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ন্যক্কারজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।
আনোয়ারুজ্জামানের অভিযোগ কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন সিলেট বিএনপির একাধিক নেতা। তাঁদের মতে, সিলেটের রাজনৈতিক সম্প্রীতিতে সবার আগে আঘাত করেছেন আওয়ামী লীগের নেতারা। কয়েক বছর স্বেচ্ছাসেবক লীগের আপ্তাব ও পাঙ্গাসের নেতৃত্বে মিছিল সহকারে গিয়ে নগরের হাউজিং এস্টেটে সিনিয়র জামায়াত নেতা ডা. সায়েফ ও হাফেজ আব্দুল হাই হারুনের বাসার ভেতরে পরিবারকে রেখে আগুন দিয়েছিল। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি আব্দুল মালেকের তেতলীস্থ বাড়িতে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পাশাপাশি ৪ আগস্ট যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা কয়েক শ আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচার গুলি চালিয়েছে। আওয়ামী লীগ নেতারা এসব কার্যকলাপ করেছিলেন বলে সিলেটের সম্প্রীতি বিনষ্ট হয়েছে।
এদিকে যুক্তরাজ্যে দেওয়া আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীর বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সিলেট নগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। নগরের হাউজিং এস্টেটে তাঁর বাসা। তাঁর বাসার অদূরে হাউজিং এস্টেটের বাসিন্দা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরীর বাসায়ও হামলা হয়েছে। কয়েস লোদী আনোয়ারুজ্জামানের দেওয়া বক্তব্য উড়িয়ে দিয়ে বলেন, ‘প্রকাশ্যে মদদ দিলে তো সামনে থাকতে হয়। আমি তখন সিলেট শহরে ছিলাম না। এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট বক্তব্য রাজনৈতিক নর্মসে পড়ে না। বিএনপি এ ধরনের রাজনীতি করে না।’
তাঁর ‘মদদ’ প্রমাণের চ্যালেঞ্জ করে লোদী দাবি করেন, বাসাবাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কূটকৌশল। এ কৌশল তারা অতীতেও প্রয়োগ করেছে। এখানে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন জড়িত থাকার যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি ঠিক নয়। কারণ, ৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকে বিএনপিসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় মাঠে কাজ করছেন। সুতরাং ভাঙচুরের প্রশ্নই ওঠে না।
লোদী বলেন, বাস্তবতা হচ্ছে, দীর্ঘ দুঃশাসনের কারণে হাসিনা সরকার গণমানুষের ক্ষোভের মুখে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। পরে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিষিদ্ধঘোষিত এ সংগঠনের সদস্যরা ৫ আগস্টের পর থেকে নানা প্রপাগান্ডা ও পরিস্থিতি ঘোলাটে করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। নিষিদ্ধ থাকা অবস্থায় সিলেটে সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রকাশ্য মিছিল, সেটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া হচ্ছে। ৭ মাস পর এসে ওই সংগঠনের কর্মীরা অযাচিত কাজ করছে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বিএনপিসহ ছাত্রদল এ ঘটনার গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ জানিয়েছে। নগরে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন কীভাবে মিছিল করে অপতৎপরতা চালায়, সেটি খতিয়ে দেখতে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীকে আহ্বান জানান।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত তাসনীম ইসলাম প্রেমাও (১৮) পরিবারের সবার মতো না ফেরার দেশে চলে গেছেন। আজ শুক্রবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই কলেজছাত্রী মারা যান।
২ মিনিট আগেগোপালগঞ্জে পৃথক দুটি দুর্ঘটনায় ২০ জন আহত হয়েছে। আজ শুক্রবার সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের সদর উপজেলার মান্দারতলা এলাকায় খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী সেন্টমার্টিন পরিবহনের একটি বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের সংঘর্ষ হয়।
১৪ মিনিট আগেজামালপুরের ইসলামপুরে যমুনা নদী পারাপারের সময় নৌকাডুবির ঘটনায় সেলিম মিয়া (৩৫) নামে নিখোঁজ এক ব্যক্তির লাশ ভেসে উঠেছে নদীতে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে নৌকাডুবির ঘটনাস্থল থেকে অন্তত দুই কিলোমিটার দূরে বেলগাছা এলাকায় যমুনা নদীতে লাশটি ভেসে উঠে।
১৭ মিনিট আগেকুমিল্লার হোমনা থেকে মো. ফারুক মিয়া ওরফে পান্ডু (৩০) নামের এক যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সকালে বাগমারা গ্রামের চকেরহাটি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, তিনি হোমনা থানার ডাকাতি, খুন দস্যুতাসহ পাঁচ মামলার আসামি। ওই গ্রামের মৃত আবদুল জলিলের ছেলে।
২৩ মিনিট আগে