Ajker Patrika

বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি

বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসকদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কর্মরত চিকিৎসকদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও বিশ্ববিদ্যালয় স্বাচিপ নেতাদের একাংশ মিছিল করে উপাচার্যের কার্যালয় ঘেরাও করে। এ সময় উপাচার্যের অনুগত চিকিৎসকদের সঙ্গে তাঁদের সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন চিকিৎসক আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এসব ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। 
 
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি ও স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) নেতাদের অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্যের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে আগামী ২৮ মার্চ। এই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ীকরণ কমিটির মতামত না নিয়ে নবনিযুক্তদের স্থায়ীকরণে মৌখিক পরীক্ষার আয়োজন করে বর্তমান প্রশাসন। 

কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী, অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তি এক বছর পর নিয়মিত হবেন এবং বিজ্ঞপ্তি অনুসারে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে স্থায়ীকরণ কমিটির মতামতের ভিত্তিতে স্থায়ী হতে পারবেন। স্থায়ীকরণ কমিটিতে থাকতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি, ট্রেজারার, বিভিন্ন বিভাগের ডিন ও হাসপাতাল পরিচালককে। 

এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাকির হোসেন সুমন বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী স্থায়ীকরণ হবে ভাইভা বোর্ডের প্রতিটি সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে। কিন্তু বর্তমান উপাচার্য তড়িঘড়ি করে নিজ অনুগতদের পদোন্নতি ও অ্যাডহকে নিয়োগ পাওয়া ব্যক্তিদের স্থায়ীকরণের চেষ্টা করেছেন। বর্তমান উপাচার্য নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা করেননি।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেন্টাল অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আসগর মোড়ল বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী অ্যাডহক ভিত্তিতে নিয়োগ হয় ছয় মাসের জন্য। এরপর বাড়লে সেটি আবার ছয় মাসের জন্য বাড়ে। এভাবে এক বছর হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়মিত হয়। নিয়মিত হওয়ার পর চাকরি স্থায়ী করতে হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি কমিটির মাধ্যমে। এ সংক্রান্ত একটি সভা হওয়ার কথা ছিল, সেটি হয়নি।’ 

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমরা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের একটি মিটিং করছিলাম। সেখানে কিছু পরীক্ষার রেজাল্ট প্রকাশের কথা ছিল। এর মধ্যে কিছু চিকিৎসক এসে বাধা প্রদান করে, এমনকি হই হুল্লোড় শুরু হয়। তাঁরা বলেছেন, যেহেতু আমার মেয়াদ শেষ, আমি যেন কোনো সিদ্ধান্ত না নিই। আমিও আমার শেষ সময়ে কোনো ধরনের ঝামেলায় জড়াতে চাই না, তাই আমি মিটিংটি স্থগিত করেছি।’ 

চাকরি স্থায়ীকরণের উদ্দেশ্যে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছিল কি না জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘কোনো ধরনের ভাইভা নেওয়া হচ্ছিল না। তবে একটা পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে, ফলাফল আজ প্রকাশের কথা ছিল। যেহেতু এটা নিয়ে একটা পক্ষ আন্দোলন করছে এবং সব কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে, তাই আমি সবকিছু বন্ধ করে দিয়েছি।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

প্রশিক্ষণ ছাড়াই মাঠে ৪২৬ সহায়ক পুলিশ কর্মকর্তা

গ্রাহকের ২,৬৩৫ কোটি টাকা দিচ্ছে না ৪৬ বিমা কোম্পানি

১০০ বছর পর জানা গেল ‘অপ্রয়োজনীয়’ প্রত্যঙ্গটি নারীর প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

‘এই টাকা দিয়ে কী হয়, আমি এত চাপ নিচ্ছি, লাখ পাঁচেক দিতে বলো’, ওসির অডিও ফাঁস

কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত