Ajker Patrika

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপনির্বাচন: আ.লীগের ৩ জনসহ ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সরাইল প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপনির্বাচন: আ.লীগের ৩ জনসহ ১৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের উপনির্বাচনে ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা পর্যন্ত সরাইল ও আশুগঞ্জে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে ১২ জন এবং জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে একজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ এবং যুবলীগ থেকে রয়েছেন তিনজন প্রার্থী। বিএনপির একজন। থাকছেন দলীয় সিদ্ধান্তে সংসদ সদস্য থেকে পদত্যাগ করা বিএনপির সাবেক নেতা আব্দুস সাত্তারও।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান বলেন, ১৬ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দিয়েছেন ১৩ জন প্রার্থী। ৮ জানুয়ারি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই হবে। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এ আসনে উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে।

সরাইল উপজেলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া প্রার্থীরা হলেন— জাতীয় সংসদ থেকে সদ্য পদত্যাগকারী এবং বিএনপি চেয়ারপারসনের সাবেক উপদেষ্টা উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টি থেকে দুবারের সাবেক সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা (স্বতন্ত্র), জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী (স্বতন্ত্র), জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হামিদ ভাসানী, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি আশরাফ উদ্দিন মন্তু (স্বতন্ত্র), ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) মনোনীত প্রার্থী মো. রাজ্জাক হোসেন, সরাইল উপজেলার চুন্টা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহিম (স্বতন্ত্র) ও সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের মো. মোহন মিয়া (স্বতন্ত্র)।

আশুগঞ্জের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী রিটার্নিং অফিসার আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরবিন্দ বিশ্বাস বলেন, ‘বিকেল ৪টা পর্যন্ত আশুগঞ্জে মোট চারজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তাঁরা হলেন— আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ (স্বতন্ত্র), জেলা আওয়ামী লীগে সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মঈন উদ্দিন (স্বতন্ত্র), বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টের সদস্যসচিব শাহজাহান আলম সাজু (স্বতন্ত্র) ও জাকের পার্টির মনোনীত প্রার্থী জহিরুল ইসলাম জুয়েল।’

এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে আশুগঞ্জ দক্ষিণ তারুয়া গ্রামের (রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রলীগ নেতা) শাহ মফিজ স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি থেকে প্রথমে মনোনয়ন পান দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল ইসলাম ভূঞা (জিয়াউল হক মৃধার জামাতা)। পরে জাতীয় পার্টি প্রার্থী পরিবর্তন করে আব্দুল হামিদকে মনোনয়ন দেওয়ায় রেজাউল আর মনোনয়নপত্র জমা দেননি। এ ছাড়া বাংলাদেশ আইন পরিষদের সাবেক সভাপতি কামরুজ্জমান আনসারি ও ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্তী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করলেও জমা দেননি।

উল্লেখ, বিএনপির হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে গত ১১ ডিসেম্বর অন্য ছয় সংসদ সদস্যের সঙ্গে উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া জাতীয় সংসদ থেকে পদত্যাগ করলে আসনটি শূন্য হয়। আগামী ১ ফেব্রুয়ারি এই আসনে উপনির্বাচন হবে। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ আসনটিতে দলীয় মনোনয়ন না দিয়ে ‘উন্মুক্ত’ ঘোষণা করেছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত