এস এম নূর মোহাম্মদ, ঢাকা
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধপল্লিতে হামলার ঘটনায় হওয়া ১৮টি মামলা ঝুলে আছে এখনো। মূলত সাক্ষীর অভাবেই মামলাগুলোর বিচারকাজ শেষ হচ্ছে না। কক্সবাজারের পিপি ফরিদুল আলম জানিয়েছেন, সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে চান না। দীর্ঘ ১০ বছরে একজন সাক্ষীরও সাক্ষ্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ১৯৭৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর খুন হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বীরেন্দ্র কুমার সরকার। ঘটনার পর জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক জপব্রত রায় চৌধুরী মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯৮৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এরপর গত ৩৪ বছরে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু এই দুটি ঘটনা নয়, সাক্ষীর অভাবে এ রকম কত মামলার বিচারকাজ ঝুলে আছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার অভাবে সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে চান না।
অনেক মামলায় সাক্ষীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিও (ভিকটিম) নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে আইনি সহযোগিতা চাইতে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসে হাজির হন এক নারী। ধর্ষণের শিকার হয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় গত বছরের ৩০ মে মামলা করেছিলেন তিনি। ওই মামলার আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় ভিকটিমকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। হুমকি পেয়ে এখন আদালতে যেতেই ভয় পাচ্ছেন তিনি।
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাক্ষীদের সুরক্ষা না থাকলে সে তো সঠিকভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবে না, সাহস পাবে না। ন্যায়বিচারের জন্য সাক্ষীদের সুরক্ষা দিতে হবে।
ভিকটিম ও সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা’ আইন প্রণয়নের জন্য ২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিল আইন কমিশন। ১৯ দফা এই সুপারিশমালার মধ্যে ভিকটিম ও সাক্ষীর সুরক্ষায় প্রতিটি জেলা শহরে একটি করে অফিস করার কথাও বলেছিল কমিশন। ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টও ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইন করার জন্য স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও খসড়া আইনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছায়নি।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আইনের খসড়াটি এখনো লেজিসলেটিভ বিভাগেই আছে। ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যাতে বলা হয়, ভিকটিম ও সাক্ষী সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণের জন্য গঠিত কমিটিতে প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য চিঠি দিয়েও পাওয়া যায়নি। তাই প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য ওই চিঠিতে আবারও অনুরোধ করা হয়। তবে ওই চিঠির পর আর কোনো অগ্রগতি হয়েছে কি না তা জানা সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাতে হবে।
পরে যোগাযোগ করা হয় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটি লেজিসলেটিভ বিভাগের কাজ। এই বিষয়ে আমার জানা নেই।’
লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবিরের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেও এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে লেজিসলেটিভ বিভাগের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, এটি চলমান প্রক্রিয়া, কাজ চলছে। যতক্ষণ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে না যাবে, তার আগে কিছু বলা যাবে না।
আইনের খসড়াটি ‘খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা যাবে’—এমন তথ্য ছয় বছর আগেই জাতীয় সংসদকে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরার এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সাক্ষী সুরক্ষার আইনের ড্রাফট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি এবং খুব শিগগির তা মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা যাবে।’
পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে ভিকটিম ও সাক্ষী সুরক্ষার বিষয়ে আইন কার্যকর রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফিলিপাইন, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, থাইল্যান্ড, জার্মানিতে এই বিষয়ে আইন বা নীতি রয়েছে। বাংলাদেশেও এমন আইন দ্রুত প্রণয়নের দাবি আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য আইন কমিশনের যে সুপারিশ ছিল, তা খুবই যৌক্তিক। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, ফৌজদারি মামলায় দিনের পর দিন তারিখ পড়ছে, কিন্তু সাক্ষী আসছে না। সাক্ষী যদি মনে করে তার জীবন নিয়ে শঙ্কা আছে, তাহলে সে কেন আসবে? এ জন্য তার সুরক্ষা দরকার। আর ঢাকার বাইরে থেকে একজন সাক্ষী ঢাকায় এলে তারা সারা দিন ব্যয় হয়। সেই সঙ্গে অর্থও।
২০১২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে কক্সবাজারের রামুর বৌদ্ধবিহার ও বৌদ্ধপল্লিতে হামলার ঘটনায় হওয়া ১৮টি মামলা ঝুলে আছে এখনো। মূলত সাক্ষীর অভাবেই মামলাগুলোর বিচারকাজ শেষ হচ্ছে না। কক্সবাজারের পিপি ফরিদুল আলম জানিয়েছেন, সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে চান না। দীর্ঘ ১০ বছরে একজন সাক্ষীরও সাক্ষ্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
প্রেমসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ১৯৭৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর খুন হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বীরেন্দ্র কুমার সরকার। ঘটনার পর জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষক অধ্যাপক জপব্রত রায় চৌধুরী মামলা করেন। ওই মামলায় ১৯৮৮ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করেন আদালত। এরপর গত ৩৪ বছরে রাষ্ট্রপক্ষের আটজন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র তিনজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে।
শুধু এই দুটি ঘটনা নয়, সাক্ষীর অভাবে এ রকম কত মামলার বিচারকাজ ঝুলে আছে তার কোনো সঠিক পরিসংখ্যান নেই। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিরাপত্তার অভাবে সাক্ষীরা সাক্ষ্য দিতে চান না।
অনেক মামলায় সাক্ষীর পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিও (ভিকটিম) নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন। নিরাপত্তাহীনতার কারণে আইনি সহযোগিতা চাইতে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের লিগ্যাল এইড অফিসে হাজির হন এক নারী। ধর্ষণের শিকার হয়ে কিশোরগঞ্জের ভৈরব থানায় গত বছরের ৩০ মে মামলা করেছিলেন তিনি। ওই মামলার আসামি প্রভাবশালী হওয়ায় ভিকটিমকে নানাভাবে হুমকি দিচ্ছেন। হুমকি পেয়ে এখন আদালতে যেতেই ভয় পাচ্ছেন তিনি।
রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, সাক্ষীদের সুরক্ষা না থাকলে সে তো সঠিকভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবে না, সাহস পাবে না। ন্যায়বিচারের জন্য সাক্ষীদের সুরক্ষা দিতে হবে।
ভিকটিম ও সাক্ষীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও সাক্ষী সুরক্ষা’ আইন প্রণয়নের জন্য ২০১১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সরকারের কাছে সুপারিশ পাঠিয়েছিল আইন কমিশন। ১৯ দফা এই সুপারিশমালার মধ্যে ভিকটিম ও সাক্ষীর সুরক্ষায় প্রতিটি জেলা শহরে একটি করে অফিস করার কথাও বলেছিল কমিশন। ২০১৫ সালের ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টও ‘সাক্ষী সুরক্ষা’ আইন করার জন্য স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিলেন। এরপর একটি আইন প্রণয়নের উদ্যোগও নিয়েছে সরকার। কিন্তু দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও খসড়া আইনটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছায়নি।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, আইনের খসড়াটি এখনো লেজিসলেটিভ বিভাগেই আছে। ২০২০ সালের ২১ জানুয়ারি লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগ থেকে জাতীয় সংসদ সচিবালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি চিঠি দেওয়া হয়। যাতে বলা হয়, ভিকটিম ও সাক্ষী সুরক্ষা আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণের জন্য গঠিত কমিটিতে প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য চিঠি দিয়েও পাওয়া যায়নি। তাই প্রতিনিধি মনোনয়নের জন্য ওই চিঠিতে আবারও অনুরোধ করা হয়। তবে ওই চিঠির পর আর কোনো অগ্রগতি হয়েছে কি না তা জানা সম্ভব হয়নি।
এই বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে জানাতে হবে।
পরে যোগাযোগ করা হয় আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘এটি লেজিসলেটিভ বিভাগের কাজ। এই বিষয়ে আমার জানা নেই।’
লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবিরের সঙ্গে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেও এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে লেজিসলেটিভ বিভাগের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মো. মুনিরুজ্জামান বলেন, এটি চলমান প্রক্রিয়া, কাজ চলছে। যতক্ষণ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে না যাবে, তার আগে কিছু বলা যাবে না।
আইনের খসড়াটি ‘খুব শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা যাবে’—এমন তথ্য ছয় বছর আগেই জাতীয় সংসদকে জানিয়েছিলেন আইনমন্ত্রী। ২০১৬ সালের ৩১ জানুয়ারি সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেসা ইন্দিরার এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘সাক্ষী সুরক্ষার আইনের ড্রাফট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আছে। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি এবং খুব শিগগির তা মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উত্থাপন করা যাবে।’
পৃথিবীর উন্নত রাষ্ট্রগুলোতে ভিকটিম ও সাক্ষী সুরক্ষার বিষয়ে আইন কার্যকর রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ফিলিপাইন, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, থাইল্যান্ড, জার্মানিতে এই বিষয়ে আইন বা নীতি রয়েছে। বাংলাদেশেও এমন আইন দ্রুত প্রণয়নের দাবি আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের।
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খান মোহাম্মদ শামীম আজিজ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও সাক্ষীদের সুরক্ষার জন্য আইন কমিশনের যে সুপারিশ ছিল, তা খুবই যৌক্তিক। অনেক সময় দেখা যাচ্ছে, ফৌজদারি মামলায় দিনের পর দিন তারিখ পড়ছে, কিন্তু সাক্ষী আসছে না। সাক্ষী যদি মনে করে তার জীবন নিয়ে শঙ্কা আছে, তাহলে সে কেন আসবে? এ জন্য তার সুরক্ষা দরকার। আর ঢাকার বাইরে থেকে একজন সাক্ষী ঢাকায় এলে তারা সারা দিন ব্যয় হয়। সেই সঙ্গে অর্থও।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
৩ দিন আগেবিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪