Ajker Patrika

ভারত অনুমতি দেয়নি, ভুটানের পণ্যের চালান আটকা বুড়িমারীতে

আজিনুর রহমান আজিম, পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) 
আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ০৮: ৪৯
ভারত অনুমতি দেয়নি, ভুটানের পণ্যের চালান আটকা বুড়িমারীতে। ছবি: আজকের পত্রিকা
ভারত অনুমতি দেয়নি, ভুটানের পণ্যের চালান আটকা বুড়িমারীতে। ছবি: আজকের পত্রিকা

সড়কপথ দিয়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পরিবহনের অনুমতি না মেলায় লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বুড়িমারী স্থলবন্দরে আটকে আছে থাইল্যান্ড থেকে আমদানি করা ভুটানের পণ্যের চালান। ফলের জুস, জেলি, শুকনো ফল, লিচু ফলের ক্যান্ডি ও শ্যাম্পুর চালানটি গত ২২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়।

বুড়িমারী স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মাহমুদুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ভুটানে ট্রানশিপমেন্ট কনটেইনারের পণ্যের চালানের গাড়িটি শুক্রবার থেকে স্থলবন্দরের মাঠে রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, ছয় ধরনের পরীক্ষামূলক পণ্যের চালানটি ব্যাংককের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান আবিত ট্রেডিং কোম্পানি গত ৮ সেপ্টেম্বর জাহাজের মাধ্যমে বাংলাদেশে পাঠায়। গত শুক্রবার কনটেইনারটি বুড়িমারী স্থলবন্দরে পাঠায় চট্টগ্রামের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান এনএম ট্রেডিং করপোরেশন। এরপর দুদিনে একাধিকবার চেষ্টা করেও চালানটি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দরে পাঠাতে পারেনি বুড়িমারীর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠান বেনকো।

বাংলাদেশ থেকে ভারতের সড়কপথ ব্যবহার করে ভুটানে ট্রানশিপমেন্ট পণ্য নিতে কোনো অনুমতি পায়নি ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। এ কারণে পণ্যের চালানটি বুড়িমারী স্থলবন্দরের ইয়ার্ডে আটকা পড়েছে বলে জানান বেনকো লিমিটেডের স্বত্বাধিকারী ফারুক হোসেন।

বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার (এসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ভুটানের পণ্যের চালানটির কাস্টমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে। ভুটান ভারতীয় কাস্টমের কাছ থেকে অনুমতি পায়নি, রুট পারমিট পাওয়ামাত্র চালানটি পাঠানো হবে।

বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপালের মধ্যে সড়ক পথে পণ্য পরিবহনে ২০২৩ সালের ২২ মার্চ বিবিআইএন প্রটোকল চুক্তি সই হয়। পরের বছর এপ্রিলে ভুটানে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভুটান বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের সভায় বাংলাদেশের সমুদ্রবন্দর ও সড়কপথ দিয়ে এবং ভারতের সড়কপথ ব্যবহার করে ট্রানশিপমেন্ট পণ্যের পরীক্ষামূলক দুটি চালান ভুটানে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতি: মন্দ ঋণে ডুবছে ব্যাংক খাত

জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা 
বাড়ছে প্রভিশন ঘাটতি: মন্দ ঋণে ডুবছে ব্যাংক খাত

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে। তবে কম মুনাফা ও ঋণের বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন হিসেবে রাখা প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, একই বছরের আগের প্রান্তি বা সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন তৈরি করা বাধ্যতামূলক। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় আছে যে, ন্যূনতম সঞ্চিতিও তুলতে পারছে না। সময়মতো প্রভিশন না থাকলে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে।’

চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৬.৯৩ শতাংশ।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ আদায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। মন্দ ঋণের বৃদ্ধিই প্রভিশন ঘাটতির মূল কারণ। আর্থিক সংকট এবং কম আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সক্ষমতা সীমিত করেছে।’

Capture

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যথাযথ তদারকি না হওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ডাউন পেমেন্ট নিশ্চিত করা, লোন রিশিডিউল করা এবং আনক্ল্যাসিফাই করা জরুরি। বড় গ্রাহকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫-৫ শতাংশ এবং অনিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন বাধ্যতামূলক। মার্চের শেষে প্রভিশন কাভারেজ রেশিও মাত্র ৩৮ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকি বলেন, ‘আগামীতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ডাইনামিক প্রভিশনিং কার্যকর করা হবে। এতে ব্যাংকের শক্তি বাড়বে এবং মূলধনের ওপর চাপ কমবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং অ্যাওয়ার্ড পেল এনআরবিসি ব্যাংক

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।

শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. তৌহিদুল আলম খান ইন্দোনেশিয়ার বালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইসিএসপির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকো গেইনস সুকহারসনোর থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ স্থাপনা ও জলবায়ু এবং সহনশীল কৃষি উদ্যোগকে প্রাধান্য দিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) স্ট্যান্ডার্ডের আলোকে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করে। এই রিপোর্টের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে সবুজ আগামী’।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

‘গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষ ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্দেশিকা প্রণয়ন’ বিষয়ক কর্মশালা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­
ছবি: সংগৃহীত
ছবি: সংগৃহীত

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ‘গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা’ প্রণয়নের ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’ এই কর্মশালা আয়োজন করেছে।

কর্মশালায় অংশ নেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক, প্রতিবেদক, বার্তা সম্পাদনায় যুক্ত কর্মী, মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধিতা, লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা, গণমাধ্যমে তাঁদের অংশগ্রহণে বাধা, অতিক্রমের উপায়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এ ছাড়া গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা প্রণয়নের, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।

ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ‘এখনো অধিকাংশ সংবাদপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গবৈচিত্র্যবিষয়ক স্পষ্ট নীতিমালা নেই, ফলে সংবাদ উপস্থাপনা, নিয়োগ, কর্মপরিবেশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।’

আহমেদ স্বপন মাহমুদ আরও বলেন, ‘কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্দেশিকাটি প্রণয়ন করা হবে, যা গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি বাস্তবমুখী সহায়ক নথি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।’

গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন ভয়েসের প্রোগ্রাম অফিসার প্রিয়তা ত্রিপুরা। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের আয়না। এখানে যা প্রতিফলিত হয়, সমাজে তার প্রভাব পড়ে। তাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষদের ইতিবাচক গল্পগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরলে, সমাজের প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো দূর হবে।’

অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা উচিত। বৈষম্য সৃষ্টিকারী কারণগুলো পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই।

এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালায় কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষের ন্যায্য উপস্থাপনা ও তাঁদের প্রতিনিধিত্ব, প্রবেশগম্য সংবাদ প্ল্যাটফর্ম, নিয়োগ, মানবসম্পদ ও কর্মপরিবেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, ভাষা ব্যবহারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা, তদন্তধর্মী ও বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনের প্রসার, ডিজিটাল নিরাপত্তা, অভিযোগ প্রতিকার এবং মানবাধিকারভিত্তিক গল্প বলার কাঠামো নিয়েও আলোচনা করা হয়।

কর্মশালা-সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ সানাইয়া ফাহীম আনসারী ও উন্নয়ন পরামর্শক সায়েমা চৌধুরী। ইউনেসকোর সহায়তায় ভয়েস ‘লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে বৈচিত্র্য’ শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গসমতাবিষয়ক একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা তৈরি করা, যা গণমাধ্যমকর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।

কর্মশালায় ডিবিসি নিউজ, আইপি নিউজ, দ্য ডেইলি অবজার্ভার, চ্যানেল আই, দ্য পোস্ট, ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, দ্য ডেইলি স্কাই, বাংলাভিশন, ঢাকা পোস্ট ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২৪০৩ টাকা

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২৪০৩ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।

স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে ২১ নভেম্বর থেকে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই দাম কমানোর ৯ দিন পর এখন দাম বাড়ানো হলো।

এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৮১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

এর আগে ২১ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৩০৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৯৪৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকা। আজ শনিবার পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত