জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে। তবে কম মুনাফা ও ঋণের বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন হিসেবে রাখা প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, একই বছরের আগের প্রান্তি বা সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন তৈরি করা বাধ্যতামূলক। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় আছে যে, ন্যূনতম সঞ্চিতিও তুলতে পারছে না। সময়মতো প্রভিশন না থাকলে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে।’
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৬.৯৩ শতাংশ।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ আদায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। মন্দ ঋণের বৃদ্ধিই প্রভিশন ঘাটতির মূল কারণ। আর্থিক সংকট এবং কম আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সক্ষমতা সীমিত করেছে।’

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যথাযথ তদারকি না হওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ডাউন পেমেন্ট নিশ্চিত করা, লোন রিশিডিউল করা এবং আনক্ল্যাসিফাই করা জরুরি। বড় গ্রাহকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫-৫ শতাংশ এবং অনিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন বাধ্যতামূলক। মার্চের শেষে প্রভিশন কাভারেজ রেশিও মাত্র ৩৮ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকি বলেন, ‘আগামীতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ডাইনামিক প্রভিশনিং কার্যকর করা হবে। এতে ব্যাংকের শক্তি বাড়বে এবং মূলধনের ওপর চাপ কমবে।’

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে। তবে কম মুনাফা ও ঋণের বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন হিসেবে রাখা প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, একই বছরের আগের প্রান্তি বা সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন তৈরি করা বাধ্যতামূলক। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় আছে যে, ন্যূনতম সঞ্চিতিও তুলতে পারছে না। সময়মতো প্রভিশন না থাকলে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে।’
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৬.৯৩ শতাংশ।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ আদায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। মন্দ ঋণের বৃদ্ধিই প্রভিশন ঘাটতির মূল কারণ। আর্থিক সংকট এবং কম আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সক্ষমতা সীমিত করেছে।’

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যথাযথ তদারকি না হওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ডাউন পেমেন্ট নিশ্চিত করা, লোন রিশিডিউল করা এবং আনক্ল্যাসিফাই করা জরুরি। বড় গ্রাহকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫-৫ শতাংশ এবং অনিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন বাধ্যতামূলক। মার্চের শেষে প্রভিশন কাভারেজ রেশিও মাত্র ৩৮ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকি বলেন, ‘আগামীতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ডাইনামিক প্রভিশনিং কার্যকর করা হবে। এতে ব্যাংকের শক্তি বাড়বে এবং মূলধনের ওপর চাপ কমবে।’
জয়নাল আবেদীন খান, ঢাকা

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে। তবে কম মুনাফা ও ঋণের বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন হিসেবে রাখা প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, একই বছরের আগের প্রান্তি বা সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন তৈরি করা বাধ্যতামূলক। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় আছে যে, ন্যূনতম সঞ্চিতিও তুলতে পারছে না। সময়মতো প্রভিশন না থাকলে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে।’
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৬.৯৩ শতাংশ।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ আদায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। মন্দ ঋণের বৃদ্ধিই প্রভিশন ঘাটতির মূল কারণ। আর্থিক সংকট এবং কম আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সক্ষমতা সীমিত করেছে।’

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যথাযথ তদারকি না হওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ডাউন পেমেন্ট নিশ্চিত করা, লোন রিশিডিউল করা এবং আনক্ল্যাসিফাই করা জরুরি। বড় গ্রাহকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫-৫ শতাংশ এবং অনিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন বাধ্যতামূলক। মার্চের শেষে প্রভিশন কাভারেজ রেশিও মাত্র ৩৮ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকি বলেন, ‘আগামীতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ডাইনামিক প্রভিশনিং কার্যকর করা হবে। এতে ব্যাংকের শক্তি বাড়বে এবং মূলধনের ওপর চাপ কমবে।’

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে। তবে কম মুনাফা ও ঋণের বিপুল পরিমাণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলো প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সঞ্চিতি রাখতে পারছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রভিশন ঘাটতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪৪ হাজার ২৩১ কোটি টাকা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এ সময়ে ব্যাংকগুলোকে প্রভিশন হিসেবে রাখা প্রয়োজন ছিল ৪ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা; কিন্তু তারা রাখতে পেরেছে মাত্র ১ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা। চলতি বছরের জুনে প্রভিশন ঘাটতি ছিল ৩ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর শেষে প্রভিশন ঘাটতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৬ হাজার ১৩০ কোটি টাকা, একই বছরের আগের প্রান্তি বা সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে যা ছিল ৫৫ হাজার ৩৭৮ কোটি টাকা।
বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, ‘মন্দ ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর প্রভিশন তৈরি করা বাধ্যতামূলক। অনেক ব্যাংক এমন অবস্থায় আছে যে, ন্যূনতম সঞ্চিতিও তুলতে পারছে না। সময়মতো প্রভিশন না থাকলে গ্রাহকের আমানত ঝুঁকিতে পড়ে।’
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক খাতে মোট বিতরণ করা ঋণ ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৪০ কোটি টাকা, যার মধ্যে খেলাপি ঋণ ৬ লাখ ৪৪ হাজার ৫১৫ কোটি টাকা, অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৫.৭৩ শতাংশ। এক বছর আগে একই সময়ে খেলাপি ঋণ ছিল ২ লাখ ৮৫ হাজার কোটি টাকা, যা মোট ঋণের ১৬.৯৩ শতাংশ।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, ‘ঋণ আদায় ব্যর্থ হওয়ার কারণে ব্যাংকগুলোকে অতিরিক্ত প্রভিশন রাখতে হচ্ছে। মন্দ ঋণের বৃদ্ধিই প্রভিশন ঘাটতির মূল কারণ। আর্থিক সংকট এবং কম আমানতের প্রবৃদ্ধি ব্যাংকের সক্ষমতা সীমিত করেছে।’

অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ বলেন, ‘গত ১৫ বছরে যথাযথ তদারকি না হওয়ায় খেলাপি ঋণ বেড়েছে। ডাউন পেমেন্ট নিশ্চিত করা, লোন রিশিডিউল করা এবং আনক্ল্যাসিফাই করা জরুরি। বড় গ্রাহকদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ মার্চ থেকে কার্যকর হবে।’
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে ০.২৫-৫ শতাংশ এবং অনিয়মিত ঋণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ প্রভিশন বাধ্যতামূলক। মার্চের শেষে প্রভিশন কাভারেজ রেশিও মাত্র ৩৮ শতাংশ, যা আন্তর্জাতিক মানের তুলনায় অনেক কম।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকি বলেন, ‘আগামীতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী ডাইনামিক প্রভিশনিং কার্যকর করা হবে। এতে ব্যাংকের শক্তি বাড়বে এবং মূলধনের ওপর চাপ কমবে।’

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
৮ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যা
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের।
১০ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. তৌহিদুল আলম খান ইন্দোনেশিয়ার বালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইসিএসপির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকো গেইনস সুকহারসনোর থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ স্থাপনা ও জলবায়ু এবং সহনশীল কৃষি উদ্যোগকে প্রাধান্য দিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) স্ট্যান্ডার্ডের আলোকে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করে। এই রিপোর্টের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে সবুজ আগামী’।

এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী ড. মো. তৌহিদুল আলম খান ইন্দোনেশিয়ার বালিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আইসিএসপির অ্যাডভাইজরি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. ইকো গেইনস সুকহারসনোর থেকে অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব অর্থায়ন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জ্বালানি-দক্ষ প্রযুক্তি, টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সবুজ স্থাপনা ও জলবায়ু এবং সহনশীল কৃষি উদ্যোগকে প্রাধান্য দিয়ে এনআরবিসি ব্যাংক গ্লোবাল রিপোর্টিং ইনিশিয়েটিভ (জিআরআই) স্ট্যান্ডার্ডের আলোকে প্রথমবারের মতো সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্ট-২০২৪ প্রকাশ করে। এই রিপোর্টের মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থায়নে সবুজ আগামী’।

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যা
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের।
১০ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ‘গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা’ প্রণয়নের ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’ এই কর্মশালা আয়োজন করেছে।
কর্মশালায় অংশ নেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক, প্রতিবেদক, বার্তা সম্পাদনায় যুক্ত কর্মী, মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধিতা, লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা, গণমাধ্যমে তাঁদের অংশগ্রহণে বাধা, অতিক্রমের উপায়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এ ছাড়া গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা প্রণয়নের, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ‘এখনো অধিকাংশ সংবাদপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গবৈচিত্র্যবিষয়ক স্পষ্ট নীতিমালা নেই, ফলে সংবাদ উপস্থাপনা, নিয়োগ, কর্মপরিবেশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।’
আহমেদ স্বপন মাহমুদ আরও বলেন, ‘কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্দেশিকাটি প্রণয়ন করা হবে, যা গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি বাস্তবমুখী সহায়ক নথি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।’
গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন ভয়েসের প্রোগ্রাম অফিসার প্রিয়তা ত্রিপুরা। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের আয়না। এখানে যা প্রতিফলিত হয়, সমাজে তার প্রভাব পড়ে। তাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষদের ইতিবাচক গল্পগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরলে, সমাজের প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো দূর হবে।’
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা উচিত। বৈষম্য সৃষ্টিকারী কারণগুলো পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই।
এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালায় কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষের ন্যায্য উপস্থাপনা ও তাঁদের প্রতিনিধিত্ব, প্রবেশগম্য সংবাদ প্ল্যাটফর্ম, নিয়োগ, মানবসম্পদ ও কর্মপরিবেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, ভাষা ব্যবহারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা, তদন্তধর্মী ও বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনের প্রসার, ডিজিটাল নিরাপত্তা, অভিযোগ প্রতিকার এবং মানবাধিকারভিত্তিক গল্প বলার কাঠামো নিয়েও আলোচনা করা হয়।
কর্মশালা-সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ সানাইয়া ফাহীম আনসারী ও উন্নয়ন পরামর্শক সায়েমা চৌধুরী। ইউনেসকোর সহায়তায় ভয়েস ‘লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে বৈচিত্র্য’ শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গসমতাবিষয়ক একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা তৈরি করা, যা গণমাধ্যমকর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।
কর্মশালায় ডিবিসি নিউজ, আইপি নিউজ, দ্য ডেইলি অবজার্ভার, চ্যানেল আই, দ্য পোস্ট, ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, দ্য ডেইলি স্কাই, বাংলাভিশন, ঢাকা পোস্ট ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালায় ‘গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা’ প্রণয়নের ব্যবহারিক দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘ভয়েস’ এই কর্মশালা আয়োজন করেছে।
কর্মশালায় অংশ নেন বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সম্পাদক, প্রতিবেদক, বার্তা সম্পাদনায় যুক্ত কর্মী, মানবসম্পদ বিভাগের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সংগঠনের সদস্যরা। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধিতা, লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা, গণমাধ্যমে তাঁদের অংশগ্রহণে বাধা, অতিক্রমের উপায়সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করেন। এ ছাড়া গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালা প্রণয়নের, গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা করা হয়।
ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ বলেন, ‘এখনো অধিকাংশ সংবাদপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গবৈচিত্র্যবিষয়ক স্পষ্ট নীতিমালা নেই, ফলে সংবাদ উপস্থাপনা, নিয়োগ, কর্মপরিবেশ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয় না।’
আহমেদ স্বপন মাহমুদ আরও বলেন, ‘কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্দেশিকাটি প্রণয়ন করা হবে, যা গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি বাস্তবমুখী সহায়ক নথি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।’
গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে আলোচনা করেন ভয়েসের প্রোগ্রাম অফিসার প্রিয়তা ত্রিপুরা। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম হচ্ছে সমাজের আয়না। এখানে যা প্রতিফলিত হয়, সমাজে তার প্রভাব পড়ে। তাই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষদের ইতিবাচক গল্পগুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরলে, সমাজের প্রচলিত ভুল ধারণাগুলো দূর হবে।’
অংশগ্রহণকারীরা বলেন, অন্তর্ভুক্তি ছাড়া কোনো উন্নয়ন সম্ভব নয়। গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা উচিত। বৈষম্য সৃষ্টিকারী কারণগুলো পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই।
এই কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা গণমাধ্যমে লিঙ্গবৈচিত্র্য ও প্রতিবন্ধিতাবিষয়ক নীতিমালায় কোন কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া সংবাদমাধ্যমে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গ পরিচয়ের মানুষের ন্যায্য উপস্থাপনা ও তাঁদের প্রতিনিধিত্ব, প্রবেশগম্য সংবাদ প্ল্যাটফর্ম, নিয়োগ, মানবসম্পদ ও কর্মপরিবেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতি, ভাষা ব্যবহারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা, তদন্তধর্মী ও বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদনের প্রসার, ডিজিটাল নিরাপত্তা, অভিযোগ প্রতিকার এবং মানবাধিকারভিত্তিক গল্প বলার কাঠামো নিয়েও আলোচনা করা হয়।
কর্মশালা-সঞ্চালক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ সানাইয়া ফাহীম আনসারী ও উন্নয়ন পরামর্শক সায়েমা চৌধুরী। ইউনেসকোর সহায়তায় ভয়েস ‘লিঙ্গ ও প্রতিবন্ধিতা অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে গণমাধ্যমে বৈচিত্র্য’ শীর্ষক প্রকল্প নিয়ে কাজ করছে। এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য হচ্ছে গণমাধ্যমে প্রতিবন্ধিতা ও লিঙ্গসমতাবিষয়ক একটি ব্যবহারিক নির্দেশিকা তৈরি করা, যা গণমাধ্যমকর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করবে।
কর্মশালায় ডিবিসি নিউজ, আইপি নিউজ, দ্য ডেইলি অবজার্ভার, চ্যানেল আই, দ্য পোস্ট, ঢাকা ট্রিবিউন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস, দ্য ডেইলি স্কাই, বাংলাভিশন, ঢাকা পোস্ট ও দৈনিক সংবাদের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
৮ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের।
১০ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ২১ নভেম্বর থেকে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই দাম কমানোর ৯ দিন পর এখন দাম বাড়ানো হলো।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৮১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
এর আগে ২১ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৩০৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৯৪৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকা। আজ শনিবার পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে। রোববার (৩০ নভেম্বর) থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।
আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠকে করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পরে কমিটির চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমানের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে ২১ নভেম্বর থেকে ভালো মানের প্রতি ভরি সোনার দাম কমানো হয় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা। এই দাম কমানোর ৯ দিন পর এখন দাম বাড়ানো হলো।
এখন সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ২ হাজার ৪০৩ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ৩১০ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১ হাজার ৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ২ হাজার ১৮১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭২ হাজার ২৮৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৬৭৯ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৪৩ হাজার ৩২৭ টাকা।
এর আগে ২১ নভেম্বর সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনায় ১ হাজার ৩৫৩ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ৮ হাজার ১৬৭ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ৩০৭ টাকা কমিয়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়।
এ ছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনায় ১ হাজার ১০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৩১৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৯৪৪ টাকা কমিয়ে দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৪১ হাজার ৬৪৮ টাকা। আজ শনিবার পর্যন্ত এই দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।
সোনার দাম বাড়ানো হলেও রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ হাজার ২৪৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৪৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৪৭৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬০১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
৮ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যা
৯ ঘণ্টা আগে
বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের।
১০ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ব্যাংকের মোট ঋণের এক-তৃতীয়াংশের বেশি খেলাপি হয়ে যাওয়া এখন অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। এমন কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এখনো অনেকটা ‘চোর ধরার’ মনোভাবের মধ্যেই আবদ্ধ। ফলে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময়কার খাদের কিনারে যাওয়া পরিস্থিতি ঠেকানো গেলেও নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই সতর্কতামূলক বার্তা উঠে এসেছে গতকাল শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন-২০২৫’-এ। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শিরোনামের এই সম্মেলনের আয়োজন করে অর্থ-বাণিজ্যকেন্দ্রিক জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তা। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। দ্বিতীয় অধিবেশনের বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রমুখ।
সার্বিক আলোচনায় উঠে আসে, বাড়তি সুদহার, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, উদ্যোক্তাদের হয়রানি এবং আস্থার ঘাটতি—এগুলো অর্থনীতিকে নিচের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ মাত্র ৬ শতাংশে নেমে আসায় বিনিয়োগের ধারাও অতি ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমাদের বন্ড মার্কেট নেই, স্টক মার্কেটের অবস্থা ভয়ানক করুণ, বিমা খাতেরও অবস্থাও ভালো নয়। সবাই শুধু ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরশীল; যা একটি বড় সমস্যা। আর সেখানে খেলাপি ঋণ আরও বড় সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।’
খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংক খাতে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর প্রতি প্রান্তিকেই খেলাপি ঋণ বাড়ছে। দুই বছর আগে ধারণা ছিল, এই হার ২৫ শতাংশের মতো হবে। তখনকার সরকার বলেছিল, তা ৮ শতাংশ। এখন দেখছি, ইতিমধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।’
খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘ধাপে ধাপে এগোতে হবে। পুরোপুরি উত্তরণে ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে।’
দেশের পাঁচ ইসলামি ধরনের দুর্বল ব্যাংককে এক করে নতুন ব্যাংকটি গঠনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত বলে জানান আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নামে নতুন ব্যাংকটির যাত্রা আগামী সপ্তাহের মধ্যে শুরু করা হতে পারে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক বলেন, ‘দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই চোর ধরা মনোভাবভিত্তিক। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে।
... আস্থা ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। ... দেশে অনেক নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কিন্তু দায়বদ্ধতার কাঠামো নেই।’
উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়ার সমস্যা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সূচকে আমরা ক্রমেই নিচের দিকে নামছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতির কারণে সুদহার বেড়ে গেছে। এটি বিনিয়োগে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বেসরকারি খাতে আমরা মাত্র ৬ শতাংশ ঋণ পাচ্ছি। শিল্পায়ন পুরোপুরি স্থবির বলা যায়।’
বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘একটি কোম্পানি লাভ করুক বা লোকসান করুক, তাকে কর দিতে হচ্ছে। বিশ্বের কোথাও এভাবে লোকসানে কর দিতে হয় কি না জানা নেই।’
ব্যাংক খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরেছে মন্তব্য করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘আগে বোর্ডরুমে বসে ঋণ বিক্রি হতো। এখন নিয়ম মেনে ঋণ অনুমোদন হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের পর বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।’
রাজনীতিকদের পর্যবেক্ষণ
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে অর্থনীতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন রাজনৈতিক দলগুলোর কয়েকজন নেতা। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ ছেড়ে পলাতকদের বন্ধ কারখানাগুলো আবার কীভাবে চালু করা যায়, সেটি ভাবা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর যারা ব্যাংক লুট করেছে, দেশে লুটপাট করেছে, চুরি করেছে—তাদের ধরেন, শাস্তি দেন। কিন্তু তাদের যে শিল্পকারখানা আছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ কাজ করছে ... আলোচনায় এসেছে, ১৪ লাখ মানুষ কর্ম হারিয়েছে, তারা যাবে কোথায়? আমরা এই বেকারত্ব সৃষ্টি করছি কেন?’
ব্যবসায়ীদের বিষয়ে ধারণা পাল্টানোর পরামর্শ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চোর ধরার চিন্তা থেকে বেরিয়ে বিশ্বাসের জায়গায় আসতে হবে। তাকে যদি বিশ্বাস না-ই করি, তাহলে ব্যবসা করে তারা দেশের জন্য কী করবেন?’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা স্বাধীনতার পর থেকে এখনো রয়ে গেছে। একজন উদ্যোক্তা যখন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যায় পড়েন। ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নে সহায়তা করে।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল একটি গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনীতি গণতন্ত্রের অংশ এবং এটি জনকল্যাণে ব্যবহৃত হতে হবে। অর্থনীতি যত দিন শুধু একটি গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ থাকবে, তত দিন সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত সরকার দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেখানে মাফিয়া ও লুটেরা শ্রেণি ক্ষমতায় ছিল। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের অংশ হলেও এর মূলে ছিল জনগণের সার্বিক উন্নতির আকাঙ্ক্ষা। বর্তমানে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো—কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মহানগরগুলোর উঠতি মধ্যবিত্তের জীবন-জীবিকার সুরাহা। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক সেবার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাও অপরিহার্য। ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি রোধ ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না।

বিনিয়োগের শ্লথগতি, সার্বিক আস্থাহীনতা এবং আর্থিক খাতের দুর্বলতার জেরে দেশের অর্থনীতি চাপে রয়েছে। এই পর্যবেক্ষণ দেশের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার, ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, ব্যাংকের মোট ঋণের এক-তৃতীয়াংশের বেশি খেলাপি হয়ে যাওয়া এখন অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ঝুঁকি। এমন কঠিন বাস্তবতার মধ্যেও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এখনো অনেকটা ‘চোর ধরার’ মনোভাবের মধ্যেই আবদ্ধ। ফলে ক্ষমতাচ্যুত সরকারের সময়কার খাদের কিনারে যাওয়া পরিস্থিতি ঠেকানো গেলেও নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এই সতর্কতামূলক বার্তা উঠে এসেছে গতকাল শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সম্মেলন-২০২৫’-এ। রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘অর্থনীতির ভবিষ্যৎ পথরেখা ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শিরোনামের এই সম্মেলনের আয়োজন করে অর্থ-বাণিজ্যকেন্দ্রিক জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তা। দুই পর্বে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। দ্বিতীয় অধিবেশনের বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম প্রমুখ।
সার্বিক আলোচনায় উঠে আসে, বাড়তি সুদহার, ব্যবসায়িক প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতা, উদ্যোক্তাদের হয়রানি এবং আস্থার ঘাটতি—এগুলো অর্থনীতিকে নিচের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ মাত্র ৬ শতাংশে নেমে আসায় বিনিয়োগের ধারাও অতি ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘আমাদের বন্ড মার্কেট নেই, স্টক মার্কেটের অবস্থা ভয়ানক করুণ, বিমা খাতেরও অবস্থাও ভালো নয়। সবাই শুধু ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরশীল; যা একটি বড় সমস্যা। আর সেখানে খেলাপি ঋণ আরও বড় সমস্যা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।’
খেলাপি ঋণ পরিস্থিতি প্রসঙ্গে গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংক খাতে নতুন নিয়ম কার্যকর হওয়ার পর প্রতি প্রান্তিকেই খেলাপি ঋণ বাড়ছে। দুই বছর আগে ধারণা ছিল, এই হার ২৫ শতাংশের মতো হবে। তখনকার সরকার বলেছিল, তা ৮ শতাংশ। এখন দেখছি, ইতিমধ্যে ৩৫ শতাংশ ছাড়িয়েছে।’
খেলাপি ঋণ পরিস্থিতির রাতারাতি সমাধান সম্ভব নয় উল্লেখ করে গভর্নর বলেন, ‘ধাপে ধাপে এগোতে হবে। পুরোপুরি উত্তরণে ৫ থেকে ১০ বছর সময় লাগবে।’
দেশের পাঁচ ইসলামি ধরনের দুর্বল ব্যাংককে এক করে নতুন ব্যাংকটি গঠনের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত বলে জানান আহসান এইচ মনসুর। তিনি বলেন, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক নামে নতুন ব্যাংকটির যাত্রা আগামী সপ্তাহের মধ্যে শুরু করা হতে পারে।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মহাপরিচালক এ কে এনামুল হক বলেন, ‘দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা অনেকটাই চোর ধরা মনোভাবভিত্তিক। এতে ব্যবসা-বাণিজ্যে আস্থার সংকট তৈরি হচ্ছে।
... আস্থা ছাড়া অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। ... দেশে অনেক নিয়ন্ত্রক সংস্থা। কিন্তু দায়বদ্ধতার কাঠামো নেই।’
উদ্যোক্তাদের ঋণ পাওয়ার সমস্যা তুলে ধরেন এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন সূচকে আমরা ক্রমেই নিচের দিকে নামছি। বাংলাদেশ ব্যাংকের কঠোর মুদ্রানীতির কারণে সুদহার বেড়ে গেছে। এটি বিনিয়োগে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। বেসরকারি খাতে আমরা মাত্র ৬ শতাংশ ঋণ পাচ্ছি। শিল্পায়ন পুরোপুরি স্থবির বলা যায়।’
বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএসএমএ) সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘একটি কোম্পানি লাভ করুক বা লোকসান করুক, তাকে কর দিতে হচ্ছে। বিশ্বের কোথাও এভাবে লোকসানে কর দিতে হয় কি না জানা নেই।’
ব্যাংক খাতে সুশাসন ও শৃঙ্খলা ফিরেছে মন্তব্য করে সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, ‘আগে বোর্ডরুমে বসে ঋণ বিক্রি হতো। এখন নিয়ম মেনে ঋণ অনুমোদন হচ্ছে। জাতীয় নির্বাচনের পর বিনিয়োগ পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে আশা করছি।’
রাজনীতিকদের পর্যবেক্ষণ
সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে অর্থনীতি নিয়ে পর্যবেক্ষণ ও পরামর্শ তুলে ধরেন রাজনৈতিক দলগুলোর কয়েকজন নেতা। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, দেশ ছেড়ে পলাতকদের বন্ধ কারখানাগুলো আবার কীভাবে চালু করা যায়, সেটি ভাবা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর যারা ব্যাংক লুট করেছে, দেশে লুটপাট করেছে, চুরি করেছে—তাদের ধরেন, শাস্তি দেন। কিন্তু তাদের যে শিল্পকারখানা আছে, যেখানে হাজার হাজার মানুষ কাজ করছে ... আলোচনায় এসেছে, ১৪ লাখ মানুষ কর্ম হারিয়েছে, তারা যাবে কোথায়? আমরা এই বেকারত্ব সৃষ্টি করছি কেন?’
ব্যবসায়ীদের বিষয়ে ধারণা পাল্টানোর পরামর্শ দিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘চোর ধরার চিন্তা থেকে বেরিয়ে বিশ্বাসের জায়গায় আসতে হবে। তাকে যদি বিশ্বাস না-ই করি, তাহলে ব্যবসা করে তারা দেশের জন্য কী করবেন?’
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অর্থনীতিতে বিভিন্ন সরকারি মারপ্যাঁচ, লাল ফিতার দৌরাত্ম্য এবং দুর্বৃত্তপনা স্বাধীনতার পর থেকে এখনো রয়ে গেছে। একজন উদ্যোক্তা যখন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপনের জন্য জমি কিনতে যান, তখন হাজারো সমস্যায় পড়েন। ক্ষেত্রবিশেষে রাষ্ট্র বিভিন্নভাবে এই দুর্বৃত্তায়নে সহায়তা করে।
অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল একটি গোষ্ঠীর কাছে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, অর্থনীতি গণতন্ত্রের অংশ এবং এটি জনকল্যাণে ব্যবহৃত হতে হবে। অর্থনীতি যত দিন শুধু একটি গোষ্ঠীর হাতে সীমাবদ্ধ থাকবে, তত দিন সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, বিগত সরকার দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনায় বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিল, যেখানে মাফিয়া ও লুটেরা শ্রেণি ক্ষমতায় ছিল। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থান রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের অংশ হলেও এর মূলে ছিল জনগণের সার্বিক উন্নতির আকাঙ্ক্ষা। বর্তমানে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ হলো—কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং মহানগরগুলোর উঠতি মধ্যবিত্তের জীবন-জীবিকার সুরাহা। পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও মৌলিক সেবার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করাও অপরিহার্য। ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং দুর্নীতি রোধ ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না।

দীর্ঘদিন ধরে মন্দ ঋণের চাপে দেশের ব্যাংক খাত। ঋণগ্রহীতাদের সময়মতো কিস্তি ও সুদ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে ব্যাংকের ঋণ অস্বাভাবিকহারে মন্দ ঋণে পরিণত হচ্ছে। মন্দ ঋণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংককে ঝুঁকি কমাতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন রাখার চাপ ক্রমেই বেড়ে গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি এশিয়া সাসটেইনেবিলিটি রিপোর্টিং রেটিং-২০২৫-এ ‘সিলভার অ্যাওয়ার্ড’ অর্জন করেছে। ইন্দোনেশিয়ার ইনস্টিটিউট অব সার্টিফায়েড সাসটেইনেবিলিটি প্র্যাক্টিশনারসের (আইসিএসপি) সহযোগিতায় এই অ্যাওয়ার্ড প্রদান করেছে ন্যাশনাল সেন্টার ফর করপোরেট রিপোর্টিং (এনসিসিআর)।
৮ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোতে এবং এতে পরিবেশিত সংবাদে নায্যতার ভিত্তিতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সব লিঙ্গবৈচিত্র্যসম্পন্ন মানুষের সমান অধিকার, সুযোগ, উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে একটি বাস্তবভিত্তিক নির্দেশিকা প্রয়োজন। এই নির্দেশিকা তৈরির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে মোহাম্মদপুর ওয়াইডব্লিউসিএ অডিটরিয়ামে দিনব্যা
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪০৩ টাকা। এতে এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ১০ হাজার ৫৭০ টাকা হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে