নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আজ শনিবার রাত ৯টায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত একই অবস্থায় আছেন খালেদা জিয়া। তাঁকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি তা গ্রহণ করতে পারছেন। চিকিৎসা নিতে নিতে আশা করি তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
জাহিদ বলেন, ২৭ নভেম্বর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর, নির্দেশনা দিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমাদের দেশের মেডিকেল বোর্ডের পাশাপাশি তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, চীনসহ বেশ কিছু দেশের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো হলে এবং মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিলে তাঁকে বিদেশে নেওয়া হবে।
হাসপাতাল এলাকায় খালেদা জিয়াসহ অন্য রোগীদের চিকিৎসা নির্বিঘ্ন করতে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন জাহিদ। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে যথাসম্ভব কম ভিড় করে সৃষ্টিকর্তার কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। এ সংকটময় মুহূর্তে সবার সহযোগিতা চাই।’

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
আজ শনিবার রাত ৯টায় এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার থেকে এখন পর্যন্ত একই অবস্থায় আছেন খালেদা জিয়া। তাঁকে সর্বোচ্চ চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং তিনি তা গ্রহণ করতে পারছেন। চিকিৎসা নিতে নিতে আশা করি তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
জাহিদ বলেন, ২৭ নভেম্বর থেকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দেশি-বিদেশি চিকিৎসকদের যৌথ আলোচনার মাধ্যমে তাঁর চিকিৎসা অব্যাহত রয়েছে।
জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজখবর, নির্দেশনা দিচ্ছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আমাদের দেশের মেডিকেল বোর্ডের পাশাপাশি তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, চীনসহ বেশ কিছু দেশের চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তাঁর চিকিৎসা চলছে। বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো হলে এবং মেডিকেল বোর্ড পরামর্শ দিলে তাঁকে বিদেশে নেওয়া হবে।
হাসপাতাল এলাকায় খালেদা জিয়াসহ অন্য রোগীদের চিকিৎসা নির্বিঘ্ন করতে রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা থেকে শুরু করে বিএনপির সব পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের ভিড় না করার অনুরোধ জানিয়েছেন জাহিদ। তিনি বলেন, ‘হাসপাতালে যথাসম্ভব কম ভিড় করে সৃষ্টিকর্তার কাছে তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। এ সংকটময় মুহূর্তে সবার সহযোগিতা চাই।’

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন।
চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাকিস্তানের জনগণ, সরকার, পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও আপনার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য আন্তরিক প্রার্থনা ও শুভকামনা জানাচ্ছি।
তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে আপনার অসামান্য অবদান সর্বজনস্বীকৃত। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দৃঢ় ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে আপনার ভূমিকাও আমরা গভীরভাবে মূল্যায়ন করি।’

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে শেহবাজ শরীফ বলেন, ‘আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আপনার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি, যাতে আপনি আপনার দল ও আপনার মহান জাতির জন্য সাহস ও পথনির্দেশনার উৎস হিসেবে সেবা অব্যাহত রাখতে পারেন।’
অনুগ্রহ করে, আমার সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন।
চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। পাকিস্তানের জনগণ, সরকার, পাশাপাশি আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকেও আপনার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য আন্তরিক প্রার্থনা ও শুভকামনা জানাচ্ছি।
তিনি আরও লেখেন, ‘বাংলাদেশের উন্নয়নে আপনার অসামান্য অবদান সর্বজনস্বীকৃত। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে দৃঢ় ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে আপনার ভূমিকাও আমরা গভীরভাবে মূল্যায়ন করি।’

খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে শেহবাজ শরীফ বলেন, ‘আমি সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে আপনার দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করছি, যাতে আপনি আপনার দল ও আপনার মহান জাতির জন্য সাহস ও পথনির্দেশনার উৎস হিসেবে সেবা অব্যাহত রাখতে পারেন।’
অনুগ্রহ করে, আমার সর্বোচ্চ সম্মান ও শ্রদ্ধা গ্রহণ করুন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে
১৩ ঘণ্টা আগেমুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
শনিবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের রায়বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশন মাঠে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহর সমর্থনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আজকের এ সমাবেশ, তার মূল কথা হলো প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার। পরিবর্তনের এই রাজনীতিতে আজ দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং সমাজের সাম্প্রদায়িক বাস্তবতায় হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান মিলেমিশে থাকার যে আহ্বান, সেটি বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ ৪০ বছর রাজপথে লড়াই করেছেন বেগম জিয়া।’
খালেদা জিয়ার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ‘যিনি লড়াই করেছেন মানুষের ভোটের অধিকারের জন্য। যার যার ধর্ম শেষে স্বাধীনভাবে পালন করবে, এই নীতিতে অটল ছিলেন তিনি। আপস করেননি, ফ্যাসিবাদের সঙ্গেও মাথা নত করেননি। কারাবরণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। কারাগার থেকে হাসতে হাসতে বাইরে এলেও শরীর সুস্থ হয়নি।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘যথাযথ উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া গেল না। আজ তাঁর শারীরিক জটিলতা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যে প্রধান রোগের চিকিৎসা করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আজ মারাত্মকভাবে জটিল অবস্থায় আছেন। ১৮ কোটি মানুষের ভগবান ও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া কিছুই করার নেই।’
খালেদা জিয়ার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ‘হিন্দু মায়েরা ঠাকুরের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করবেন। মুসলিম ভাইয়েরা আল্লাহর দরবারে বলবেন, তুমি খালেদা জিয়াকে সুস্থ করো। সবাই বলবেন—আমার যা হায়াত আছে, এক বা দুই বছর কমিয়ে দাও, সেই হায়াত খালেদা জিয়ার ওপর আরোপ করো। তাঁকে টিকিয়ে রাখো। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে। তিনি বেঁচে থাকলে গণতন্ত্র ফেরত পাবে। তিনি বেঁচে থাকলে আমাদের রাখাল রাজার স্বপ্নের বাংলাদেশ পূরণ হবে।’
আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, শুধু সংসদ সদস্য বানানোর নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র কাঠামোতে মানুষের কাম্য পরিবর্তন আসবে। যাতে নারী-পুরুষের বৈষম্য না থাকে, হিন্দু-মুসলমানের বৈষম্য না থাকে, ধনী-গরিবের বৈষম্য দূর হয়। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে সবার সহযোগিতা দরকার।’
আলী আজগর অ্যান্ড আব্দুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও মুন্সিগঞ্জ জেলা রামকৃষ্ণ ভক্তসংঘের সভাপতি বিশুদ্ধানন্দ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মৃধা, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত চক্রবর্তী, সিরাজদিখান উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি তপন দাস, সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানদীপ ঘোষ, শ্রীনগর উপজেলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দাস, সিরাজদিখান উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিমল চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক তপন রাজবংশী প্রমুখ।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
শনিবার বিকেলে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার শেখরনগর ইউনিয়নের রায়বাহাদুর শ্রীনাথ ইনস্টিটিউশন মাঠে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের বিএনপির প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহর সমর্থনে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গয়েশ্বর এসব কথা বলেন।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বলেন, ‘যে উদ্দেশ্যে আজকের এ সমাবেশ, তার মূল কথা হলো প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার। পরিবর্তনের এই রাজনীতিতে আজ দেশের স্বার্থে, গণতন্ত্রের স্বার্থে এবং সমাজের সাম্প্রদায়িক বাস্তবতায় হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান মিলেমিশে থাকার যে আহ্বান, সেটি বাস্তবায়নের জন্য দীর্ঘ ৪০ বছর রাজপথে লড়াই করেছেন বেগম জিয়া।’
খালেদা জিয়ার কথা উল্লেখ করতে গিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ‘যিনি লড়াই করেছেন মানুষের ভোটের অধিকারের জন্য। যার যার ধর্ম শেষে স্বাধীনভাবে পালন করবে, এই নীতিতে অটল ছিলেন তিনি। আপস করেননি, ফ্যাসিবাদের সঙ্গেও মাথা নত করেননি। কারাবরণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। কারাগার থেকে হাসতে হাসতে বাইরে এলেও শরীর সুস্থ হয়নি।’
গয়েশ্বর বলেন, ‘যথাযথ উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া গেল না। আজ তাঁর শারীরিক জটিলতা এমন পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে, যে প্রধান রোগের চিকিৎসা করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি আজ মারাত্মকভাবে জটিল অবস্থায় আছেন। ১৮ কোটি মানুষের ভগবান ও আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া কিছুই করার নেই।’
খালেদা জিয়ার জন্য সবাইকে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়ে গয়েশ্বর বলেন, ‘হিন্দু মায়েরা ঠাকুরের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করবেন। মুসলিম ভাইয়েরা আল্লাহর দরবারে বলবেন, তুমি খালেদা জিয়াকে সুস্থ করো। সবাই বলবেন—আমার যা হায়াত আছে, এক বা দুই বছর কমিয়ে দাও, সেই হায়াত খালেদা জিয়ার ওপর আরোপ করো। তাঁকে টিকিয়ে রাখো। তিনি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে। তিনি বেঁচে থাকলে গণতন্ত্র ফেরত পাবে। তিনি বেঁচে থাকলে আমাদের রাখাল রাজার স্বপ্নের বাংলাদেশ পূরণ হবে।’
আসন্ন নির্বাচন নিয়ে বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘এবারের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, শুধু সংসদ সদস্য বানানোর নির্বাচন নয়। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র কাঠামোতে মানুষের কাম্য পরিবর্তন আসবে। যাতে নারী-পুরুষের বৈষম্য না থাকে, হিন্দু-মুসলমানের বৈষম্য না থাকে, ধনী-গরিবের বৈষম্য দূর হয়। বৈষম্যহীন রাষ্ট্র গঠনে সবার সহযোগিতা দরকার।’
আলী আজগর অ্যান্ড আব্দুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও মুন্সিগঞ্জ জেলা রামকৃষ্ণ ভক্তসংঘের সভাপতি বিশুদ্ধানন্দ চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন মুন্সিগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম মৃধা, সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান, সিরাজদিখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম হায়দার আলী, জেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত চক্রবর্তী, সিরাজদিখান উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি তপন দাস, সাধারণ সম্পাদক জ্ঞানদীপ ঘোষ, শ্রীনগর উপজেলার হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি উত্তম কুমার ঘোষ, সাধারণ সম্পাদক তাপস কুমার দাস, সিরাজদিখান উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বিমল চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক তপন রাজবংশী প্রমুখ।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে
১৩ ঘণ্টা আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে খালেদা জিয়ার আরও নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দরকার। এরপর তাঁর জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে গত ২৭ তারিখ সকাল বেলা খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করছেন তাঁর ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত আছে এবং থাকবে বলে জানান ডা. জাহিদ।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর একাধিকবার শারীরিক নানা জটিলতায় তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে। আজ শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এ তথ্য জানান খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, প্রয়োজনীয় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকরা সিদ্ধান্ত নেন যে খালেদা জিয়ার আরও নিবিড় তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা দরকার। এরপর তাঁর জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তক্রমে গত ২৭ তারিখ সকাল বেলা খালেদা জিয়াকে সিসিইউতে নেওয়া হয়। হাসপাতালে বিএনপি চেয়ারপারসনের চিকিৎসার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি করছেন তাঁর ছেলে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত আছে এবং থাকবে বলে জানান ডা. জাহিদ।
খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস, কিডনির জটিলতাসহ নানা শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। গত রোববার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত তাঁকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে চিকিৎসকেরা জানান, খালেদা জিয়ার হৃদ্যন্ত্র ও ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।
উন্নত চিকিৎসার জন্য গত ৭ জানুয়ারি লন্ডনে যান খালেদা জিয়া। গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর একাধিকবার শারীরিক নানা জটিলতায় তাঁকে হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে
১৩ ঘণ্টা আগেনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে দলগুলোর নেতারা।
আজ শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় কনভেনশন থেকে এ জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়। বেলা ১১টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে দিনব্যাপী কনভেনশনের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
কনভেনশনে দেশের বাম, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, ছাত্র-শ্রমিক, কৃষক, নারী, ডাক্তার, আইনজীবী, কৃষিবিদ, প্রকৌশলী, স্থপতি, দলিত, হরিজন, সুফি, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ দেড় হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
কনভেনশনে অংশ নিয়ে নতুন এই জোটে থাকার বিষয়ে জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন, বাসদ (মার্ক্সবাদী), বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ-মাহবুব) ও সোনার বাংলা পার্টি। এ ছাড়া প্রয়াত বামপন্থী নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ, গণমুক্তি ইউনিয়ন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা এই জোটে শিগগিরই যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ কাফী রতন। তিনি বলেন, ‘দেশ ও দেশবাসীর জন্য সুখ-শান্তি-স্বস্তি ও প্রতিশ্রুতিময় নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে প্রগতিমুখী গণতান্ত্রিক ধারার সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশের সকল দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল-বাম রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিবর্গ, আদিবাসী তথা বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠনসমূহ, শ্রম-কর্ম-পেশার সংগঠনসমূহ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহসহ অধিকার আন্দোলনের কর্মী এবং অপরাপর সব শক্তির সম্মিলনে আমরা “জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি” গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’
কাফী রতন বলেন, ‘এই কনভেনশন থেকে আমরা সকলের অংশগ্রহণে “গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট” গঠনের প্রস্তাব করছি এবং ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মূল অঙ্গীকার হিসাবে খসড়া ঘোষণা ও কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করছি। আমরা আশা করছি, আপনারা এ প্রস্তাব অনুমোদন করবেন।’
কাফী রতন জানান, অংশগ্রহণকারী দল-সংগঠনের প্রতিনিধি ও প্রগতিশীল ব্যক্তবর্গের সমন্বয়ে গঠিত “পরিচালনা কমিটি” কর্তৃক যুক্তফ্রন্ট পরিচালিত হবে। যৌথ নেতৃত্বের ধারায় পরিচালনা কমিটি তার কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
কনভেনশনে লেখক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আজকের যুক্তফ্রন্ট হবে সমাজ বিপ্লবের যুক্তফ্রন্ট। যে যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন তার ওপরেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট নিয়ে কাজে নেমে পড়লে দেশে একটা জাগরণ আসবে।’
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মানুষ এই রাজনীতিকদের বিশ্বাস করে না। তাদের তারা দেখেছে। তারা অত্যাচারী, জুলুম-লুণ্ঠনকারী। মানুষ বিকল্প পাচ্ছে না। সেই বিকল্প যদি আমরা উপস্থিত করতে পারি, তাহলে দেখবেন মানুষ কীভাবে সাড়া দিচ্ছে এবং কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে উঠছে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই সুযোগ আমাদের সামনে আছে।’
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে—এমন প্রত্যাশা জানিয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘জনগণ চায় পরিবর্তন, এটা করতে পারবে বাস্তবে বামপন্থীরা। বামপন্থীরা জন-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে বলেই তাদের ওপর শাসকদের এত রাগ।’
আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, এই যুক্তফ্রন্টে সবাইকে যুক্ত করতে হবে। সারা দেশে দলীয় রাজনীতি করে না; কিন্তু সমাজের নানা অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা থাকে। তাদের এই সংগ্রামে যুক্ত করতে হবে।’
সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘রাজনীতিতে এখন নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। কে কার সঙ্গে মিলছে, তা নিয়ে হইচই চলছে। বাজারদর যেভাবে বাড়ায় বিক্রেতা—ঠিক সেভাবেই রাজনৈতিক দলগুলো এখন সিট নিয়ে বার্গেনিং করছে। এখন একটা গোলমেলে পরিস্থিতি।’
বাম দলগুলোর নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কঠিন সময় চলছে। এখন আমরা যদি বরফ ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে পারি, তবে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারব। ন্যায় ও সত্যের ধারায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের ক্ষমতা অর্জন করার পথ দেখাতে হবে। ক্ষমতাসীন হয়ে ক্ষমতা পরিচালনা করার শিক্ষাও জনগণকে দিতে হবে।’
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘আজ থেকে বাম দলগুলোর কর্মীদের একটাই পরিচয় হবে তা হলো আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ।’ এ সময় তিনি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট গড়ে তোলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন তিনি।
শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে যেসব ঘটনা ঘটে চলেছে, যেভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে; এখন শিল্পী, কৃষক, শ্রমিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার মানুষকে একতাবদ্ধ হতে হবে।’
কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। তিনি বলেন, জুলাই সনদে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে এই অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিস্থাপন করতে চায়। এখনো সেই লুটপাট ও দুর্নীতির ধারায় দেশ পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে এখন জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক উত্থান জরুরি।
কনভেনশনে আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক সোহরাব হোসেন, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি এস এ সবুর, বাসদ (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সোনার বাংলা পার্টির আহ্বায়ক সৈয়দ হারুন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসদু রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, গণতান্ত্রিক ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. হারুন অর রশীদ, নারী নেত্রী সীমা দত্ত, জলি তালুকদার, সাংস্কৃতিক ঐক্যের সমন্বয়ক মফিজুর রহমান লাল্টু, শ্রমিকনেতা শামীম ইমাম, সুফি সৈয়দ মুহাম্মদ রায়হান শাহ, শিপন রবিদাস প্রমুখ।

আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জামায়াতের বাইরে একটি তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বামপন্থী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক ধারার ৯টি দলের সমন্বয়ে নতুন জোট ‘গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট’-এর ঘোষণা দিয়েছে। নতুন এই জোট আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও বিভিন্ন দাবিদাওয়ার আন্দোলনে সম্মিলিতভাবে ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছে দলগুলোর নেতারা।
আজ শনিবার সকাল থেকে রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও বাংলাদেশ জাসদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত জাতীয় কনভেনশন থেকে এ জোটের ঘোষণা দেওয়া হয়। বেলা ১১টায় জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে দিনব্যাপী কনভেনশনের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
কনভেনশনে দেশের বাম, গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল উদারনৈতিক রাজনৈতিক দল, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, ছাত্র-শ্রমিক, কৃষক, নারী, ডাক্তার, আইনজীবী, কৃষিবিদ, প্রকৌশলী, স্থপতি, দলিত, হরিজন, সুফি, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ দেড় হাজার নেতা-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।
কনভেনশনে অংশ নিয়ে নতুন এই জোটে থাকার বিষয়ে জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টি, বাংলাদেশের বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলন, বাসদ (মার্ক্সবাদী), বাংলাদেশ জাসদ, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ-মাহবুব) ও সোনার বাংলা পার্টি। এ ছাড়া প্রয়াত বামপন্থী নেতা পংকজ ভট্টাচার্য প্রতিষ্ঠিত ঐক্য ন্যাপ, গণমুক্তি ইউনিয়ন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন ও নয়া গণতান্ত্রিক গণমোর্চা এই জোটে শিগগিরই যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কনভেনশনের খসড়া ঘোষণাপত্র পাঠ করেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ কাফী রতন। তিনি বলেন, ‘দেশ ও দেশবাসীর জন্য সুখ-শান্তি-স্বস্তি ও প্রতিশ্রুতিময় নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হলে প্রগতিমুখী গণতান্ত্রিক ধারার সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দেশের সকল দেশপ্রেমিক-গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল-বাম রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তিবর্গ, আদিবাসী তথা বিভিন্ন জাতিসত্তা, নারী সংগঠনসমূহ, শ্রম-কর্ম-পেশার সংগঠনসমূহ, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসমূহসহ অধিকার আন্দোলনের কর্মী এবং অপরাপর সব শক্তির সম্মিলনে আমরা “জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি” গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’
কাফী রতন বলেন, ‘এই কনভেনশন থেকে আমরা সকলের অংশগ্রহণে “গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট” গঠনের প্রস্তাব করছি এবং ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের মূল অঙ্গীকার হিসাবে খসড়া ঘোষণা ও কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করছি। আমরা আশা করছি, আপনারা এ প্রস্তাব অনুমোদন করবেন।’
কাফী রতন জানান, অংশগ্রহণকারী দল-সংগঠনের প্রতিনিধি ও প্রগতিশীল ব্যক্তবর্গের সমন্বয়ে গঠিত “পরিচালনা কমিটি” কর্তৃক যুক্তফ্রন্ট পরিচালিত হবে। যৌথ নেতৃত্বের ধারায় পরিচালনা কমিটি তার কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।
কনভেনশনে লেখক অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আজকের যুক্তফ্রন্ট হবে সমাজ বিপ্লবের যুক্তফ্রন্ট। যে যুক্তফ্রন্ট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছেন তার ওপরেই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে। এই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট নিয়ে কাজে নেমে পড়লে দেশে একটা জাগরণ আসবে।’
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী আরও বলেন, ‘মানুষ এই রাজনীতিকদের বিশ্বাস করে না। তাদের তারা দেখেছে। তারা অত্যাচারী, জুলুম-লুণ্ঠনকারী। মানুষ বিকল্প পাচ্ছে না। সেই বিকল্প যদি আমরা উপস্থিত করতে পারি, তাহলে দেখবেন মানুষ কীভাবে সাড়া দিচ্ছে এবং কীভাবে নেতৃত্ব গড়ে উঠছে। আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেই সুযোগ আমাদের সামনে আছে।’
গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট জন-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করবে—এমন প্রত্যাশা জানিয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘জনগণ চায় পরিবর্তন, এটা করতে পারবে বাস্তবে বামপন্থীরা। বামপন্থীরা জন-আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে বলেই তাদের ওপর শাসকদের এত রাগ।’
আনু মুহাম্মদ আরও বলেন, এই যুক্তফ্রন্টে সবাইকে যুক্ত করতে হবে। সারা দেশে দলীয় রাজনীতি করে না; কিন্তু সমাজের নানা অন্যায়, অবিচারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তারা থাকে। তাদের এই সংগ্রামে যুক্ত করতে হবে।’
সিপিবির সাবেক সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ‘রাজনীতিতে এখন নানা হিসাব-নিকাশ চলছে। কে কার সঙ্গে মিলছে, তা নিয়ে হইচই চলছে। বাজারদর যেভাবে বাড়ায় বিক্রেতা—ঠিক সেভাবেই রাজনৈতিক দলগুলো এখন সিট নিয়ে বার্গেনিং করছে। এখন একটা গোলমেলে পরিস্থিতি।’
বাম দলগুলোর নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কঠিন সময় চলছে। এখন আমরা যদি বরফ ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে পারি, তবে জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারব। ন্যায় ও সত্যের ধারায় জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। তাদের ক্ষমতা অর্জন করার পথ দেখাতে হবে। ক্ষমতাসীন হয়ে ক্ষমতা পরিচালনা করার শিক্ষাও জনগণকে দিতে হবে।’
বাংলাদেশ জাসদের সভাপতি শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘আজ থেকে বাম দলগুলোর কর্মীদের একটাই পরিচয় হবে তা হলো আমরা সবাই গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের মানুষ।’ এ সময় তিনি গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট গড়ে তোলার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন তিনি।
শরীফ নুরুল আম্বিয়া বলেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পরে যেসব ঘটনা ঘটে চলেছে, যেভাবে মহান মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাস মুছে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে; এখন শিল্পী, কৃষক, শ্রমিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক পেশার মানুষকে একতাবদ্ধ হতে হবে।’
কনভেনশনে সভাপতিত্ব করেন বাম জোটের সমন্বয়ক ও বাসদের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশীদ ফিরোজ। তিনি বলেন, জুলাই সনদে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধকে এই অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিস্থাপন করতে চায়। এখনো সেই লুটপাট ও দুর্নীতির ধারায় দেশ পরিচালিত হচ্ছে। এ কারণে এখন জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক উত্থান জরুরি।
কনভেনশনে আরও বক্তব্য দেন সাংবাদিক সোহরাব হোসেন, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি এস এ সবুর, বাসদ (মাহবুব) সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ ভূঁইয়া, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা খালেকুজ্জামান, বাংলাদেশ জাসদের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হক প্রধান, সিপিবির সভাপতি কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, বাসদের সহকারী সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, সোনার বাংলা পার্টির আহ্বায়ক সৈয়দ হারুন, বাসদ (মার্ক্সবাদী) সমন্বয়ক মাসদু রানা, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী, গণতান্ত্রিক ভাসানী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. হারুন অর রশীদ, নারী নেত্রী সীমা দত্ত, জলি তালুকদার, সাংস্কৃতিক ঐক্যের সমন্বয়ক মফিজুর রহমান লাল্টু, শ্রমিকনেতা শামীম ইমাম, সুফি সৈয়দ মুহাম্মদ রায়হান শাহ, শিপন রবিদাস প্রমুখ।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক এ জেড এম জাহিদ হোসেন। মেডিকেল বোর্ড সিদ্ধান্তে তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ চিঠি দিয়েছেন। চিঠিতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শেহবাজ শরীফ লেখেন, আপনার সাম্প্রতিক অসুস্থতার খবর জেনে আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার কথা উল্লেখ করে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘আমাদের মন-প্রাণ পড়ে আছে সেখানে, এভারকেয়ার হাসপাতালের সেই কেবিনে।’ তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ বেঁচে থাকবে।
১১ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা আপাতত রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালেই চলবে। যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনসহ বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের পরামর্শক্রমে এই হাসপাতালে চিকিৎসা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
১১ ঘণ্টা আগে