Ajker Patrika

ডিজিটাল বোর্ডে উঠল ‘হাসিনাকে আবার দেশে দেখতে চাই’

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ২৩: ৫০
নাগেশ্বরীতে ডিজিটাল বোর্ডে উঠল ‘হাসিনাকে আবার দেশে দেখতে চাই’
নাগেশ্বরীতে ডিজিটাল বোর্ডে উঠল ‘হাসিনাকে আবার দেশে দেখতে চাই’

কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে একটি কাপড়ের দোকানের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে ভেসে উঠল ‘হাসিনাকে আবার দেশে দেখতে চাই’ লেখা। এতে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন দোকানের কর্মচারীরা। ভেসে ওঠা লেখার পরিবর্তন করতে না পেরে বোর্ডটি নামিয়ে ফেলেন তাঁরা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বোর্ডটি নিয়ে যায়।

ঘটনাটি ঘটে গতকাল শনিবার পৌর শহরের আজিজ সুপার মার্কেটের বিএম গার্মেন্টস অ্যান্ড ফ্যাশন নামক একটি দোকানের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে।

দোকানমালিকের দাবি, বোর্ডে নিয়মিত লেখা ভেসে উঠত বিএম গার্মেন্টস অ্যান্ড ফ্যাশন। মোবাইল ফোন অ্যাপস নিয়ন্ত্রিত ডিজিটাল সাইনবোর্ডটির পাসওয়ার্ড হ্যাক করে কোনো চক্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এমন লেখা দিয়ে থাকতে পারে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দোকানের সামনে একটি খুঁটির সঙ্গে লাগানো বোর্ডে হঠাৎ করে ভেসে উঠতে থাকে ‘হাসিনাকে আবার দেশে দেখতে চাই’। চার ধাপে লেখাটি একের পর এক ভেসে উঠতে থাকে।

পরে বিএম গার্মেন্টস অ্যান্ড ফ্যাশনের কর্মীরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে লেখা পরিবর্তনের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে ব্যর্থ হয়ে বিদ্যুৎ-সংযোগ কেটে দিয়ে বোর্ডের লেখা প্রদর্শন বন্ধ করেন। এরপর বোর্ডটি খুঁটি থেকে নামিয়ে ফেলেন।

দোকানমালিক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এক বছর আগে বোর্ডটি ঢাকা থেকে প্রস্তুত করে আনি। বোর্ডটিতে দোকানের নাম বিএম গার্মেন্টস অ্যান্ড ফ্যাশন প্রদর্শন হয়ে আসছিল। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর এটি চালু করা হতো। এটিতে লেখা পরিবর্তন বা নিয়ন্ত্রণ মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে হয়ে থাকে। হঠাৎ শনিবার সন্ধ্যায় আগের লেখা পরিবর্তন হয়ে এ রকম লেখা ভাসতে থাকে। কোনো চক্র হয়তো অ্যাপসের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে এ রকম লেখা লিখে দিয়েছে। বিষয়টি বোঝামাত্র বোর্ড খুলে লেখা প্রদর্শন বন্ধ করা হয়।’

দোকানমালিক আরও বলেন, ‘আমি ঢাকায় অবস্থান করছিলাম। পরে দোকানের কর্মচারীকে ব্যানারটি নামিয়ে ফেলতে বলি। এ বিষয়ে পুলিশ তদন্ত করছে। আমিও একটি সাধারণ ডায়েরি করব। যারা এ কাজ করেছে, তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।’

নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেজাউল করিম জানান, ‘খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ডিজিটাল বোর্ডটি থানায় আনা হয়েছে। দোকানের মালিককে থানায় ডাকা হয়েছে। কে বা কারা এই কাজ করেছে, তাদের খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত