গাজীপুর প্রতিনিধি
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে গাজীপুরে কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও শ্রমিক পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ১৭টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার চারটিতে বাদী পুলিশ, বাকিগুলোর বাদী ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ। মামলায় এজাহারনামীয় ১০৭ জন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১২ হাজারের বেশি আসামি করা হয়েছে। তাঁদের অধিকাংশই পোশাকশ্রমিক।
আজ রোববার গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর–মিডিয়া) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান।
উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান বলেন, ‘শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন শুরুর পর থেকে গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একটি কারখানায় দেওয়া আগুনে পুড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নগরীর বিভিন্ন থানায় ১৭টি মামলা করা করেছে। এসব মামলায় এজাহারে নাম উল্লেখ আছে ১০৭ জনের।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি। গতকাল রাত পর্যন্ত এসব মামলায় মোট ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
সর্বশেষ মামলাটি করা হয়েছে মহানগরীর কোনাবাড়ী তুসুকা কারখানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায়। গতকাল রাতে থানায় মামলাটি করেন কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অ্যাডমিন) আবু সাঈদ। মামলায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের বিরতির পর বহিরাগত শতাধিক দুষ্কৃতকারী তুসুকা কারখানার ভেতরে কাজ চলাকালে প্রবেশ করে। পরে দুষ্কৃতকারীরা কারখানার শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সব কটি ফ্লোরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কারখানার কর্মকর্তাদেরও মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। কারখানার বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া কারখানা থেকে নগদ প্রায় আট লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।
তুসুকা গ্রুপের পরিচালক মো. তারিক হাসান বলেন, ‘কারখানার ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ২৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শনাক্ত হওয়া সবাই তুসুকার শ্রমিক। এ জন্য মামলায় শনাক্ত হওয়া সবাইকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। কারখানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ এজাহার দিতে দেরি করায় মামলা দেরিতে রুজু করা হয়েছে। তুসুকার সামনে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ২৪ জনকেও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এর মধ্যে ৭ নভেম্বর কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা ঘোষণা করে। তবে পোশাকশ্রমিক সংগঠনগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ২০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি চায়। বেশ কয়েক দিন ধরে চলা এই বিক্ষোভে অন্তত তিনজন শ্রমিকের নিহত হয়েছেন। এখনো ঢাকায় শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ।
পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে গাজীপুরে কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও শ্রমিক পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ১৭টি মামলা হয়েছে। এসব মামলার চারটিতে বাদী পুলিশ, বাকিগুলোর বাদী ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ। মামলায় এজাহারনামীয় ১০৭ জন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১২ হাজারের বেশি আসামি করা হয়েছে। তাঁদের অধিকাংশই পোশাকশ্রমিক।
আজ রোববার গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর–মিডিয়া) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানান।
উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান বলেন, ‘শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন শুরুর পর থেকে গতকাল শনিবার রাত পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একটি কারখানায় দেওয়া আগুনে পুড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নগরীর বিভিন্ন থানায় ১৭টি মামলা করা করেছে। এসব মামলায় এজাহারে নাম উল্লেখ আছে ১০৭ জনের।’
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এসব মামলায় অজ্ঞাতনামা আসামির সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি। গতকাল রাত পর্যন্ত এসব মামলায় মোট ১২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
সর্বশেষ মামলাটি করা হয়েছে মহানগরীর কোনাবাড়ী তুসুকা কারখানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায়। গতকাল রাতে থানায় মামলাটি করেন কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অ্যাডমিন) আবু সাঈদ। মামলায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের বিরতির পর বহিরাগত শতাধিক দুষ্কৃতকারী তুসুকা কারখানার ভেতরে কাজ চলাকালে প্রবেশ করে। পরে দুষ্কৃতকারীরা কারখানার শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সব কটি ফ্লোরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কারখানার কর্মকর্তাদেরও মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। কারখানার বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করায় প্রায় পাঁচ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া কারখানা থেকে নগদ প্রায় আট লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।
তুসুকা গ্রুপের পরিচালক মো. তারিক হাসান বলেন, ‘কারখানার ভেতরের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত ২৪ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘শনাক্ত হওয়া সবাই তুসুকার শ্রমিক। এ জন্য মামলায় শনাক্ত হওয়া সবাইকে এজাহারনামীয় আসামি করা হয়েছে। কারখানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।’
কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষ এজাহার দিতে দেরি করায় মামলা দেরিতে রুজু করা হয়েছে। তুসুকার সামনে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ২৪ জনকেও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
উল্লেখ্য, মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন করে যাচ্ছেন পোশাকশ্রমিকেরা। এর মধ্যে ৭ নভেম্বর কারখানার মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সরকার ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা ঘোষণা করে। তবে পোশাকশ্রমিক সংগঠনগুলো তা প্রত্যাখ্যান করে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছে। তারা ২০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরি চায়। বেশ কয়েক দিন ধরে চলা এই বিক্ষোভে অন্তত তিনজন শ্রমিকের নিহত হয়েছেন। এখনো ঢাকায় শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ।
রাজধানীর গুলশানে ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্টের মাধ্যমে মন্তব্য করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।
২১ মিনিট আগেআজ রোববার সকাল সাড়ে ৬টা থেকে উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের জৈনা বাজার এলাকায় অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন কারখানার কয়েক শ শ্রমিক। সাড়ে তিন ঘণ্টা পর সকাল ১০টার দিকে মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়।
৩৪ মিনিট আগেভুল ট্রেনে উঠে তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেপ্তার তিন আসামি টাঙ্গাইলের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। গতকাল শনিবার রাতে পৃথকভাবে টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দুজন বিচারকের কাছে তাঁরা জবানবন্দি দেন। রাত ৯টার দিকে জবানবন্দি গ্রহণ শেষে বিচারক মিনহাজ উদ্দিন ফরাজী এবং রুমেলিয়া
১ ঘণ্টা আগেজাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ‘আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, আপনাদের এই জমায়েত আমাদের বিশ্বাস করায়, যারা এখন মামলা বাণিজ্য করছেন, যারা চাঁদাবাজি করছেন, তাঁদের দিন ফুরিয়ে আসছে। আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারি, আমাদের এই তরুণ প্রজন্ম যদি ঐক্যবদ্ধ থাকতে
১ ঘণ্টা আগে