অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘খুব শিগগিরই’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার জন্য উভয় দেশের কর্মকর্তারা সৌদি আরবে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘ (পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের) সময় নির্ধারিত হয়নি, তবে এটি খুব শিগগিরই হতে পারে।’ এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে আসন্ন আলোচনার কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বৈঠকটি এ মাসেই হবে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি শিগগিরই হবে; দেখা যাক কী ঘটে।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের অল্প আগেই, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করেন। তবে রুবিওর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরেই ট্রাম্প আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, পুতিনও যুদ্ধ বন্ধ করতে চান। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের (রাশিয়ার) একটি বিশাল ও শক্তিশালী মেশিন আছে এবং আপনারাও তা বোঝেন। তারা হিটলারকে পরাজিত করেছে, নেপোলিয়নকেও পরাজিত করেছে। তারা বহুদিন ধরে যুদ্ধ করে আসছে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে এক ফ্লাইটের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা (রাশিয়া) অতীতেও এটি করেছে। তবে আমি মনে করি, তিনি (পুতিন) লড়াই বন্ধ করতে চান।’ এ সময় ট্রাম্পকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে, পুতিন পুরো ইউক্রেন দখল করতে চান কি না? জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি নিজেও পুতিনকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, যদি সেটাই উদ্দেশ্য হয়, তবে তা ‘আমাদের জন্য বড় সমস্যা’ হয়ে দেখা দেবে।
এর আগে রোববার মার্কো রুবিও বলেন, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে পুতিন শান্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক সতর্ক করে বলেন যে, এই যুদ্ধ রাতারাতি সমাধান হবে না।
রুবিও মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস-এর ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘এখন, অবশ্যই, এটি কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। তাই আগামী কয়েক সপ্তাহ ও দিন নির্ধারণ করবে যে এটি (শান্তির ইচ্ছা) আসলেই আন্তরিক কি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই, একটি ফোন কল শান্তি স্থাপন করতে পারে না। একটি ফোন কল এই যুদ্ধের মতো জটিল সংকট সমাধান করতে পারে না।’
রুবিও জানান, আসন্ন আলোচনার সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো, বিশেষ করে রুশ প্রতিনিধিদলের গঠন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে শুধু এটুকু বলতে পারি যে, প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে আমরা এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে শান্তির পথ অনুসন্ধান করতে প্রস্তুত।’
এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগ ইউক্রেন ও ইউরোপের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন হয়তো কিয়েভ বা তার ইউরোপীয় মিত্রদের পরামর্শ ছাড়াই দ্রুত কোনো শান্তিচুক্তির দিকে এগোচ্ছে। আর এ ধরনের শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে ইউক্রেনকে নিজ ভূখণ্ডের কিছু অংশ ছাড় দিতে হতে পারে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন-রুশ আলোচনায় ইউক্রেন বা ইউরোপীয় কোনো কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন না। তবে রোববার রুবিও জোর দিয়ে বলেন, এই আলোচনা থেকে যদি ‘বাস্তব কোনো আলোচনা’ শুরু হয়, তবে ইউক্রেন ও ইউরোপ উভয়কেই এর অংশ হতে হবে।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার আরেক মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তাঁর দেশকে বাদ দিয়ে যদি কোনো চুক্তি হয়, তবে তিনি তা কখনোই মেনে নেবেন না। এর আগে, গত শুক্রবার মিউনিক নিরাপত্তা সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধে আমাদের মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।’
পরদিন শনিবার মিউনিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাইয়া কালাস ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলের তুলনা করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ের তোষণনীতির ব্যর্থতার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি আজ রাতে মিউনিকে দাঁড়িয়ে ভাবছি, আমরা কি আগেও এখানে ছিলাম না?’ এ সময় তিনি মিউনিক চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সে সময় নাৎসি জার্মানিকে এই চুক্তির আওতায় সুদেতেনল্যান্ড দখলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল শান্তির বিনিময়ে।
কালাস বলেন, ‘আমাদের দরজার সামনে একজন আগ্রাসী রয়েছে, যে এমন এক ভূমি দখল করতে চায়, যা তার নয়। আর আলোচনাকারীরা—আমরা নই—এরই মধ্যে আলোচনার শুরুতেই নিজেদের তাস বিলিয়ে দিচ্ছে।’
অপরদিকে, ইউরোপীয় নেতারা আজ সোমবার প্যারিসে জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হতে যাচ্ছেন। সেখানে ইউক্রেন সংঘাত ও দেশটি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হবে। এই বিষয়ে গতকাল রোববার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য যদি কোনো শান্তিচুক্তি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সেনারা ইউক্রেনে গিয়ে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
তিনি ডেইলি টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক মতামত প্রতিবেদনে লেখেন, ‘আমি এটি হালকাভাবে বলছি না। আমি গভীরভাবে অনুভব করি যে, ব্রিটিশ সেনাদের বিপদের মুখে ফেলার দায়িত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের যে কোনো ভূমিকা ইউরোপ ও আমাদের দেশকেও নিরাপদ করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ‘খুব শিগগিরই’ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন। তিনি আরও জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার জন্য উভয় দেশের কর্মকর্তারা সৌদি আরবে সাক্ষাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গতকাল রোববার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ট্রাম্প বলেন, ‘ (পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাতের) সময় নির্ধারিত হয়নি, তবে এটি খুব শিগগিরই হতে পারে।’ এ সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার কর্মকর্তাদের মধ্যে আসন্ন আলোচনার কথাও উল্লেখ করেন। ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বৈঠকটি এ মাসেই হবে কি না? জবাবে তিনি বলেন, ‘এটি শিগগিরই হবে; দেখা যাক কী ঘটে।’
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের অল্প আগেই, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সতর্ক করেন। তবে রুবিওর বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরেই ট্রাম্প আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, পুতিনও যুদ্ধ বন্ধ করতে চান। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের (রাশিয়ার) একটি বিশাল ও শক্তিশালী মেশিন আছে এবং আপনারাও তা বোঝেন। তারা হিটলারকে পরাজিত করেছে, নেপোলিয়নকেও পরাজিত করেছে। তারা বহুদিন ধরে যুদ্ধ করে আসছে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রীয় বিমান এয়ারফোর্স ওয়ানে এক ফ্লাইটের পর ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘তারা (রাশিয়া) অতীতেও এটি করেছে। তবে আমি মনে করি, তিনি (পুতিন) লড়াই বন্ধ করতে চান।’ এ সময় ট্রাম্পকে যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে, পুতিন পুরো ইউক্রেন দখল করতে চান কি না? জবাবে ট্রাম্প বলেন, তিনি নিজেও পুতিনকে এই প্রশ্ন করেছিলেন। তিনি আরও বলেন, যদি সেটাই উদ্দেশ্য হয়, তবে তা ‘আমাদের জন্য বড় সমস্যা’ হয়ে দেখা দেবে।
এর আগে রোববার মার্কো রুবিও বলেন, গত সপ্তাহে ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে পুতিন শান্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন। যদিও শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক সতর্ক করে বলেন যে, এই যুদ্ধ রাতারাতি সমাধান হবে না।
রুবিও মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিবিএস-এর ‘ফেস দ্য নেশন’ অনুষ্ঠানে বলেন, ‘এখন, অবশ্যই, এটি কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে প্রমাণ করতে হবে। তাই আগামী কয়েক সপ্তাহ ও দিন নির্ধারণ করবে যে এটি (শান্তির ইচ্ছা) আসলেই আন্তরিক কি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই, একটি ফোন কল শান্তি স্থাপন করতে পারে না। একটি ফোন কল এই যুদ্ধের মতো জটিল সংকট সমাধান করতে পারে না।’
রুবিও জানান, আসন্ন আলোচনার সুনির্দিষ্ট বিষয়গুলো, বিশেষ করে রুশ প্রতিনিধিদলের গঠন এখনো চূড়ান্ত হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই। তবে শুধু এটুকু বলতে পারি যে, প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে আমরা এই সুযোগগুলো কাজে লাগিয়ে শান্তির পথ অনুসন্ধান করতে প্রস্তুত।’
এদিকে, রাশিয়ার সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের কূটনৈতিক উদ্যোগ ইউক্রেন ও ইউরোপের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, ওয়াশিংটন হয়তো কিয়েভ বা তার ইউরোপীয় মিত্রদের পরামর্শ ছাড়াই দ্রুত কোনো শান্তিচুক্তির দিকে এগোচ্ছে। আর এ ধরনের শান্তিচুক্তির ক্ষেত্রে ইউক্রেনকে নিজ ভূখণ্ডের কিছু অংশ ছাড় দিতে হতে পারে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মার্কিন-রুশ আলোচনায় ইউক্রেন বা ইউরোপীয় কোনো কর্মকর্তা অংশ নিচ্ছেন না। তবে রোববার রুবিও জোর দিয়ে বলেন, এই আলোচনা থেকে যদি ‘বাস্তব কোনো আলোচনা’ শুরু হয়, তবে ইউক্রেন ও ইউরোপ উভয়কেই এর অংশ হতে হবে।
এদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রোববার আরেক মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম এনবিসির ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তাঁর দেশকে বাদ দিয়ে যদি কোনো চুক্তি হয়, তবে তিনি তা কখনোই মেনে নেবেন না। এর আগে, গত শুক্রবার মিউনিক নিরাপত্তা সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘এটি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, আমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ। আর এই যুদ্ধে আমাদের মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে।’
পরদিন শনিবার মিউনিক নিরাপত্তা সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি প্রধান কাইয়া কালাস ট্রাম্প প্রশাসনের কৌশলের তুলনা করেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর সময়ের তোষণনীতির ব্যর্থতার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি আজ রাতে মিউনিকে দাঁড়িয়ে ভাবছি, আমরা কি আগেও এখানে ছিলাম না?’ এ সময় তিনি মিউনিক চুক্তির প্রসঙ্গ টেনে আনেন। সে সময় নাৎসি জার্মানিকে এই চুক্তির আওতায় সুদেতেনল্যান্ড দখলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল শান্তির বিনিময়ে।
কালাস বলেন, ‘আমাদের দরজার সামনে একজন আগ্রাসী রয়েছে, যে এমন এক ভূমি দখল করতে চায়, যা তার নয়। আর আলোচনাকারীরা—আমরা নই—এরই মধ্যে আলোচনার শুরুতেই নিজেদের তাস বিলিয়ে দিচ্ছে।’
অপরদিকে, ইউরোপীয় নেতারা আজ সোমবার প্যারিসে জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে মিলিত হতে যাচ্ছেন। সেখানে ইউক্রেন সংঘাত ও দেশটি ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা হবে। এই বিষয়ে গতকাল রোববার যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেন, যুদ্ধ শেষ করার জন্য যদি কোনো শান্তিচুক্তি হয়, তবে সে ক্ষেত্রে ব্রিটিশ সেনারা ইউক্রেনে গিয়ে শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করতে প্রস্তুত।
তিনি ডেইলি টেলিগ্রাফে প্রকাশিত এক মতামত প্রতিবেদনে লেখেন, ‘আমি এটি হালকাভাবে বলছি না। আমি গভীরভাবে অনুভব করি যে, ব্রিটিশ সেনাদের বিপদের মুখে ফেলার দায়িত্ব কতটা গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি আরও বলেন, ‘কিন্তু ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের যে কোনো ভূমিকা ইউরোপ ও আমাদের দেশকেও নিরাপদ করবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কিকে কঠোর ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে আপনি জুয়া খেলছেন।’ এ ছাড়াও তিনি জেলেনস্কিকে ‘কৃতজ্ঞতা’ স্বীকার না করার জন্য তিরস্কার করেছেন। ওভাল অফিসে ট্রাম্প, জেলেনস্কি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট
১ ঘণ্টা আগেগুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হতে বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। মাত্র এক সপ্তাহের মধ্যেই এটি হোয়াইট হাউসে তৃতীয় রাষ্ট্রপ্রধানের সফর। তাই আনুষ্ঠানিকতার পর্বও ছিল যথারীতি।
৩ ঘণ্টা আগেতাইওয়ানের বার্ষিক সামরিক মহড়া হান কুয়াংয়ের পরিধি বাড়ানোর খবরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উ কিয়ান বলেন, ‘এটি পরিস্থিতি, জনমত ও শক্তির তুলনায় একটি ভুল হিসাব। এমনভাবে সামনে এগোনো অত্যন্ত বিপজ্জনক। আমরা ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টি (ডিপিপি) কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করছি, ঝাঁটার সাহায্যে জোয়ারের মুখে দাঁড়ানো..
৩ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের সময় অনুযায়ী, আজ শুক্রবার হোয়াইট হাউসে সাক্ষাৎ করতে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদিমির জেলেনস্কি। এই সাক্ষাতে একটি খনিজ সম্পদ বিষয়ক চুক্তিতে স্বাক্ষর হতে পারে। এ অবস্থায় দুই নেতার আলোচনার ফলাফল কী হয় জানতে অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছে...
৪ ঘণ্টা আগে