প্রেম কোনো সীমানা বা রাজনীতি মানে না! সেটিই দেখিয়েছেন ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকেরা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বাংলাদেশির সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ জন বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষের সঙ্গে বিয়ের জন্য আবেদন করেছেন। আর ১১ জন বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ের জন্য আবেদন করেছেন। এটি গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশিদের করার বিয়ের আবেদনের সর্বোচ্চ সংখ্যা। এই পরিসংখ্যান ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিয়ে নিবন্ধনের জন্য জমা দেওয়া ৪৮৬টি আবেদনের মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ।
তবে এই বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন ভারতে বসবাস করবেন তা এখনই জানা যায়নি। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁদের ধারণা, এর মধ্যে বেশির ভাগই ভারতে থাকবেন। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মোটামুটি নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারি যে, নাগরিকত্ব আইনের সুযোগ থাকায় তাঁদের অনেকেই ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নেবেন।’
১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুসারে, কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন যদি তিনি ‘ভারতের কোনো নাগরিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আগে সাত বছর ধরে ভারতে বসবাস করেন’। এ ছাড়া, যেসব শিশুর বাবা–মার যেকোনো একজন ভারতীয়, তারা জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে পারেন।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৫ বছরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ৪৮৬ জন বাংলাদেশি ভারতীয় সঙ্গী বেছে নিয়েছেন।
একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি ২০২৪ সালে এই বৃদ্ধির একটি কারণ হতে পারে। কিন্তু গত বছরের আগস্টের এর আগে এবং পরে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করার পরই আমরা এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলতে পারব।’
সাধারণত দেখা যায়, বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভারতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। গত পাঁচ বছরে, পশ্চিমবঙ্গে ৪১০ জন বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষকে বিয়ে করেছেন। অন্যদিকে ৭৬ জন বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ে করেছেন।
রাজ্যের বিয়ে নিবন্ধক জেনারেলের অফিসের তথ্য অনুসারে, এই বিয়ের আবেদনগুলো বেশির ভাগ করেছেন হিন্দুরা। ২০২৪ সালের ১১১টি আবেদনের মধ্যে, ৭৯ জন নারী ছিলেন বাংলাদেশি হিন্দু, ১৬ জন মুসলিম এবং ৫ জন খ্রিষ্টান। পশ্চিমবঙ্গে বিয়ে করা বাংলাদেশি পুরুষদের মধ্যে, ৯ জন হিন্দু এবং মাত্র ২ জন মুসলিম।
২০২৩ সালে বাংলাদেশি বর এবং কনে বেশির ভাগই হিন্দু ছিলেন। তবে বিয়ের আবেদনের মোট সংখ্যা ২০২৪ সালের অর্ধেকেরও কম ছিল, মাত্র ৫৪ টি। এর মধ্যে ৪৪ জন নারী এবং ১৩ জন পুরুষ ছিলেন।
রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ থেকে বিয়ের আবেদন হঠাৎ বৃদ্ধির দুটি কারণ উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, এই ধরনের বিয়েতে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা সহজ হয়। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২০২৩ সালের অক্টোবর একটি নিয়ম পরিবর্তনের ফলে বিদেশিদের ভারতীয়কে বিয়ে করাও সহজ হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে পরিবর্তিত নিয়ম অনুসারে, বৈধ ভিসা থাকা বিদেশিরা, যারা ৩০ দিনের নোটিশ পিরিয়ডের মধ্যে রাজ্যে অবস্থান করেন, তাঁরা যদি একটি অ্যাফিডেভিট দেন যে তাঁরা অবিবাহিত, তাহলে ভারতীয় নাগরিককে বিয়ে করতে পারবেন।
প্রেম কোনো সীমানা বা রাজনীতি মানে না! সেটিই দেখিয়েছেন ভারত ও বাংলাদেশের নাগরিকেরা। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে ভারতীয় নাগরিকের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বাংলাদেশির সংখ্যা ২০২৩ সালের তুলনায় দ্বিগুণ হয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
দেখা গেছে, ২০২৪ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১০০ জন বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষের সঙ্গে বিয়ের জন্য আবেদন করেছেন। আর ১১ জন বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ের জন্য আবেদন করেছেন। এটি গত পাঁচ বছরে বাংলাদেশিদের করার বিয়ের আবেদনের সর্বোচ্চ সংখ্যা। এই পরিসংখ্যান ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে পশ্চিমবঙ্গে বিয়ে নিবন্ধনের জন্য জমা দেওয়া ৪৮৬টি আবেদনের মধ্যে প্রায় ২৩ শতাংশ।
তবে এই বাংলাদেশিদের মধ্যে কতজন ভারতে বসবাস করবেন তা এখনই জানা যায়নি। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁদের ধারণা, এর মধ্যে বেশির ভাগই ভারতে থাকবেন। একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মোটামুটি নিশ্চিতভাবে ধরে নিতে পারি যে, নাগরিকত্ব আইনের সুযোগ থাকায় তাঁদের অনেকেই ভারতে থাকার সিদ্ধান্ত নেবেন।’
১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইন অনুসারে, কোনো ব্যক্তি নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করতে পারেন যদি তিনি ‘ভারতের কোনো নাগরিকের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এবং নিবন্ধনের জন্য আবেদন করার আগে সাত বছর ধরে ভারতে বসবাস করেন’। এ ছাড়া, যেসব শিশুর বাবা–মার যেকোনো একজন ভারতীয়, তারা জন্মসূত্রে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেতে পারেন।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ৫ বছরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ৪৮৬ জন বাংলাদেশি ভারতীয় সঙ্গী বেছে নিয়েছেন।
একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি ২০২৪ সালে এই বৃদ্ধির একটি কারণ হতে পারে। কিন্তু গত বছরের আগস্টের এর আগে এবং পরে জমা দেওয়া আবেদনগুলোর তথ্য বিশ্লেষণ করার পরই আমরা এই বিষয়ে স্পষ্টভাবে বলতে পারব।’
সাধারণত দেখা যায়, বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ভারতে বসবাসের সিদ্ধান্ত নেন। গত পাঁচ বছরে, পশ্চিমবঙ্গে ৪১০ জন বাংলাদেশি নারী ভারতীয় পুরুষকে বিয়ে করেছেন। অন্যদিকে ৭৬ জন বাংলাদেশি পুরুষ ভারতীয় নারীকে বিয়ে করেছেন।
রাজ্যের বিয়ে নিবন্ধক জেনারেলের অফিসের তথ্য অনুসারে, এই বিয়ের আবেদনগুলো বেশির ভাগ করেছেন হিন্দুরা। ২০২৪ সালের ১১১টি আবেদনের মধ্যে, ৭৯ জন নারী ছিলেন বাংলাদেশি হিন্দু, ১৬ জন মুসলিম এবং ৫ জন খ্রিষ্টান। পশ্চিমবঙ্গে বিয়ে করা বাংলাদেশি পুরুষদের মধ্যে, ৯ জন হিন্দু এবং মাত্র ২ জন মুসলিম।
২০২৩ সালে বাংলাদেশি বর এবং কনে বেশির ভাগই হিন্দু ছিলেন। তবে বিয়ের আবেদনের মোট সংখ্যা ২০২৪ সালের অর্ধেকেরও কম ছিল, মাত্র ৫৪ টি। এর মধ্যে ৪৪ জন নারী এবং ১৩ জন পুরুষ ছিলেন।
রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বাংলাদেশ থেকে বিয়ের আবেদন হঠাৎ বৃদ্ধির দুটি কারণ উল্লেখ করেছেন। প্রথমত, এই ধরনের বিয়েতে ভারতীয় নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করা সহজ হয়। দ্বিতীয়ত, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ২০২৩ সালের অক্টোবর একটি নিয়ম পরিবর্তনের ফলে বিদেশিদের ভারতীয়কে বিয়ে করাও সহজ হয়েছে।
২০২৩ সালের অক্টোবরে পরিবর্তিত নিয়ম অনুসারে, বৈধ ভিসা থাকা বিদেশিরা, যারা ৩০ দিনের নোটিশ পিরিয়ডের মধ্যে রাজ্যে অবস্থান করেন, তাঁরা যদি একটি অ্যাফিডেভিট দেন যে তাঁরা অবিবাহিত, তাহলে ভারতীয় নাগরিককে বিয়ে করতে পারবেন।
দীর্ঘ ২৯ বছর সরকারি বাস চালিয়েছেন তিনি। মাত্র ৭ ডলার (প্রায় ৮০০ টাকা) সমপরিমাণ ভাড়া আত্মসাতের দায়ে তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। শুধু তা–ই নয়, সেই সঙ্গে তাঁর ৮৪ হাজার ডলার (প্রায় ৯২ লাখ টাকা) পেনশনও বাতিল করা হয়েছে।
৪ মিনিট আগেভারতের উত্তর-পূর্ব দিল্লির সীলমপুরে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোর হত্যার ঘটনায় ফের আলোচনায় জিকরা নামের এক তরুণী। তিনি নিজেকে ‘লেডি ডন’ বলে পরিচয় দেন। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর কার্যকলাপ এবং অপরাধ জগতের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পরিচিত এই তরুণী।
৪০ মিনিট আগেযুক্তরাষ্ট্র ক্রিমিয়া অঞ্চলকে রাশিয়ার অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে পারে। মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে একটি শান্তিচুক্তির অংশ হিসেবে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে আলোচনার সঙ্গে যুক্ত কয়েকজন জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম..
১ ঘণ্টা আগেআন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর সাম্প্রতিক কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ নিয়ে বিশেষ করে ভারতীয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। আমেরিকান ইমিগ্রেশন ল’ইয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএলএ) একটি প্রতিবেদন অনুসারে, সংস্থাটি কর্তৃক সংগৃহীত ৩২৭টি সাম্প্রতিক ভিসা বাতিলের প্রায় অর্ধেকই ভারতীয়...
২ ঘণ্টা আগে