দুই বছর আগে ভূমিধস বিজয় নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন। কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা বেফাঁস ও রসাত্মক মন্তব্য, চলন-বলনের ভঙ্গি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা টেনে ইউরোপের ‘ট্রাম্প’ তকমা পান। কিন্তু হালে ভালো যাচ্ছে না বরিসের দিনকাল।
বিরোধী লেবার পার্টির পাশাপাশি নিজ দলের মধ্যে ক্রমশ কোণঠাসা হচ্ছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা, জনগণের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা কমছে। ‘সাভন্ত কমরেস’ নামের এক সংস্থার গত বুধবার প্রকাশিত জরিপের ফলে ৫৪ শতাংশ ব্রিটিশ ভোটার জনসনের পদত্যাগ করা উচিত বলে মত দিয়েছেন। ২০১৯ সালে যাঁরা তাঁকে ভোট দেন, তাঁদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশও একই মত দিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মিরর সম্প্রতি একটি ছবি প্রকাশ করে, যেখানে গত বছরের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে দুই সহকর্মীর সঙ্গে বরিসকে অনলাইনে কুইজ খেলতে দেখা যায়। বড়দিন উপলক্ষে আয়োজিত এক পার্টিতে তাঁরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। এ খবর ফাঁস হওয়ার পরই ওই জরিপ চালায় সাভন্ত কমরেস।
ডাউনিং স্ট্রিটের যে পার্টি নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ঝড় বইছে, তার এক দিন আগেই কঠোর করোনা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেন বরিস জনসন। ইউরোপের যে কটি দেশ করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যুক্তরাজ্য তাদের অন্যতম। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
এদিকে গত বছরের বড়দিনের কেলেঙ্কারির ধাক্কার ঢেউ থামার আগেই ওমিক্রন নিয়ে নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা নিয়ে নিজ দলের সাংসদদের তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন বরিস জনসন। গত বুধবার ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী, অফিসে কাজ করার সময় সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। প্রয়োজনে হোম অফিস শুরু হতে পারে। নাইট ক্লাবসহ আরও কিছু জায়গায় ঢোকার জন্য ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসার প্রমাণ দেখাতে হবে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ উইলিয়াম র্যাগ এ ঘোষণাকে ‘মনোযোগ মূল সমস্যা থেকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার কৌশল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
করোনার বাইরে যেসব অভিযোগ নিয়ে বরিসকে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে, তার মধ্যে নিজের সরকারি বাসভবন নবায়ন অন্যতম। কয়েক মাস ধরে এর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সরকারি বাসভবন নবায়নে যথাযথ নিয়ম মানা হয় এবং ব্যয় নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় কনজারভেটিভ পার্টিকে গত বৃহস্পতিবার জরিমানা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন। এরপর নতুন করে তোপের মুখে পড়েন জনসন।
দুই বছর আগে ভূমিধস বিজয় নিয়ে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন। কনজারভেটিভ পার্টির এ নেতা বেফাঁস ও রসাত্মক মন্তব্য, চলন-বলনের ভঙ্গি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে থেকেই বিশ্ববাসীর মনোযোগ আকর্ষণ করেন। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তুলনা টেনে ইউরোপের ‘ট্রাম্প’ তকমা পান। কিন্তু হালে ভালো যাচ্ছে না বরিসের দিনকাল।
বিরোধী লেবার পার্টির পাশাপাশি নিজ দলের মধ্যে ক্রমশ কোণঠাসা হচ্ছেন তিনি। সবচেয়ে বড় কথা, জনগণের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা কমছে। ‘সাভন্ত কমরেস’ নামের এক সংস্থার গত বুধবার প্রকাশিত জরিপের ফলে ৫৪ শতাংশ ব্রিটিশ ভোটার জনসনের পদত্যাগ করা উচিত বলে মত দিয়েছেন। ২০১৯ সালে যাঁরা তাঁকে ভোট দেন, তাঁদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশও একই মত দিয়েছেন।
ব্রিটিশ সংবাদপত্র ডেইলি মিরর সম্প্রতি একটি ছবি প্রকাশ করে, যেখানে গত বছরের ডিসেম্বরে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে দুই সহকর্মীর সঙ্গে বরিসকে অনলাইনে কুইজ খেলতে দেখা যায়। বড়দিন উপলক্ষে আয়োজিত এক পার্টিতে তাঁরা সেখানে জড়ো হয়েছিলেন। এ খবর ফাঁস হওয়ার পরই ওই জরিপ চালায় সাভন্ত কমরেস।
ডাউনিং স্ট্রিটের যে পার্টি নিয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যমে ঝড় বইছে, তার এক দিন আগেই কঠোর করোনা বিধিনিষেধ ঘোষণা করেন বরিস জনসন। ইউরোপের যে কটি দেশ করোনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যুক্তরাজ্য তাদের অন্যতম। দেশটিতে এ পর্যন্ত ১ লাখ ৪৬ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছেন।
এদিকে গত বছরের বড়দিনের কেলেঙ্কারির ধাক্কার ঢেউ থামার আগেই ওমিক্রন নিয়ে নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা নিয়ে নিজ দলের সাংসদদের তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন বরিস জনসন। গত বুধবার ঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী, অফিসে কাজ করার সময় সবাইকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পরতে হবে। প্রয়োজনে হোম অফিস শুরু হতে পারে। নাইট ক্লাবসহ আরও কিছু জায়গায় ঢোকার জন্য ৪৮ ঘণ্টা আগে করোনা পরীক্ষায় ফলাফল নেগেটিভ আসার প্রমাণ দেখাতে হবে। ১৫ ডিসেম্বর থেকে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। কনজারভেটিভ পার্টির সাংসদ উইলিয়াম র্যাগ এ ঘোষণাকে ‘মনোযোগ মূল সমস্যা থেকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার কৌশল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
করোনার বাইরে যেসব অভিযোগ নিয়ে বরিসকে ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে, তার মধ্যে নিজের সরকারি বাসভবন নবায়ন অন্যতম। কয়েক মাস ধরে এর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। সরকারি বাসভবন নবায়নে যথাযথ নিয়ম মানা হয় এবং ব্যয় নির্দিষ্ট বাজেটের মধ্যে রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় কনজারভেটিভ পার্টিকে গত বৃহস্পতিবার জরিমানা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন। এরপর নতুন করে তোপের মুখে পড়েন জনসন।
বিদেশে জন্ম নেওয়া ৮৬ লাখ অস্ট্রেলিয়ানের মধ্যে শুধু চীনেই জন্মগ্রহণকারীর সংখ্যা ৭ লাখ ১২০। এর আগে ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৬১ হাজার। করোনা মহামারির সময় (২০২০ ও ২০২১ সাল) সীমান্ত বন্ধ থাকায় চীনে জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ান শিশুর সংখ্যা তুলনামূলক বেশ কম ছিল।
১৮ মিনিট আগেডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ১০০ দিন হলো। সম্প্রতি তিনি বেশ জমকালোভাবেই তাঁর ১০০তম দিন পূর্তি উদ্যাপন করেছেন। অনুষ্ঠানে তিনি অভিযোগ করেছেন, তাঁর ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে কোনো কিছুই তাঁকে ‘থামাতে পারবে না।’
১ ঘণ্টা আগেএকজন স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা সম্প্রতি ভারতে একটি পাসপোর্ট অফিসে গিয়েছিলেন। সেখানে থ্রি–কোয়ার্টার পরার কারণে এক যুবককে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি বলে একটি ভিডিও তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন। এরপরই এ নিয়ে আলোচনা–সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগেগত ১২ বছরেরও বেশি সময় ধরে খেমকাকে মূলত ‘লো–প্রোফাইল’ বা কম গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত দপ্তরগুলোতেই পদায়ন করা হয়েছে। কর্মজীবনে তিনি চারবার শুধু রাজ্য সরকারের আর্কাইভস দপ্তরেই কাজ করেছে। চারবারের তিনবারই বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের আমলে।
২ ঘণ্টা আগে