ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে ২০২৪ সালে সোয়া ৪ লাখের বেশি সেনা হারিয়েছে। অর্থাৎ, এই সংখ্যক সেনা হয় প্রাণ হারিয়েছেন, নয়তো আহত হয়ে রণক্ষেত্রে ছেড়েছেন। তবে রাশিয়ার তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা প্রতিবাদ জানানো হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রাশিয়া ২০২৪ সালে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল দোনেৎস্কে ধীর গতিতে হলেও অগ্রযাত্রায় বজায় রেখেছে। এই সময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ৪ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভৌগোলিক ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন থিংকট্যাংকটি।
ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বলেছে, ‘রুশ বাহিনী ২০২৪ সালে মাঝারি আকারের চারটি জনপদ—আভদিভকা, সেলিদোভ, ভুহ্লেদার ও কুরাখোভ দখল করেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় জনপদটির যুদ্ধপূর্ব জনসংখ্যা ছিল ৩১ হাজার জনের কিছু বেশি। রুশ বাহিনী আভদিভকা দখলে চার মাস এবং সেলিদোভ ও কুরাখোভ দখলে দুই মাস করে সময় নিয়েছে।’
মার্কিন থিংকট্যাংকটি আরও জানিয়েছে, ‘এই জনপদগুলো দখল করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষার কোনো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রকে হুমকির মুখে ফেলতে পারেনি।’ এতে আরও বলা হয়, ‘মস্কোর সেনারা তাদের কৌশলগত অগ্রগতিকে ইউক্রেনের পেছনের দিকে গভীর অনুপ্রবেশে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় দ্রুত মেকানিক্যাল মুভমেন্ট (সামরিকভাবে ঠেকিয়ে দেওয়া) চালাতে ব্যর্থ হয়েছে।’
এই গতিতে চললে কেবল দোনেৎস্ক দখল করতেই রাশিয়ার আরও দুই বছর লাগবে বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বিশ্লেষণ। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাঁর কমান্ডারদের এ কাজ গত বছরের ১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই অগ্রগতি অর্জনে রাশিয়াকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিরক্ষার সুবিধা কাজে লাগিয়ে শহুরে এলাকায় ভবন থেকে ভবন এবং স্ট্রিট ফাইট বা রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ করে রুশ বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি গত সোমবার জানান, ২০২৪ সালে রুশ বাহিনীর আহত ও নিহতের সংখ্যা আনুমানিক ৪ লাখ ২৭ হাজার। কয়েক দিন পর ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৪ সালে রাশিয়ার সেনা হতাহতের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ৭৯০ জন। এই সংখ্যা ২০২২ ও ২০২৩ সালের সম্মিলিত ক্ষয়ক্ষতির চেয়েও বেশি।
ইউক্রেনের সরকারি তথ্য বিবেচনায় নিলে, রাশিয়া গত বছর প্রতিদিন ১ হাজার ১৮০ জন করে সেনা হারিয়েছে। তবে বছরের শেষ দিকে, বিশেষ করে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলার প্রচেষ্টায় রুশ বাহিনীর আক্রমণ বৃদ্ধির ফলে দৈনিক ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার সেনা হতাহতের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৪৫ হাজার ৭২০ এবং ৪৮ হাজার ৬৭০ জন করে। এ বিষয়টি ইঙ্গিত করে জেনারেল সিরস্কি বছরের শেষ দিনে তাঁর সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ‘এ বছর (২০২৪ সাল) রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সবচেয়ে বড় মূল্য দিয়েছে। কারণ, আমাদের সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী শত্রুর আরও বেশি সরঞ্জাম ও জনশক্তি ধ্বংস করেছে।’
রাশিয়া গত অক্টোবরের দৈনিক ১৪ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করলেও নভেম্বরে বেড়ে ২৮ বর্গকিলোমিটারে পৌঁছায়। তবে ডিসেম্বর মাসে তা কমে দৈনিক ১৮ বর্গকিলোমিটার হয়। কিন্তু এই সময়েও রাশিয়ার সেনা হতাহতের পরিমাণ কমেনি। গত সোমবার সিরস্কি বলেন, ‘গত সপ্তাহে, প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৭০০ রুশ সৈন্য নিহত ও আহত হয়েছে।’
এ ছাড়া, ইউক্রেন দাবি করেছে, তারা ৩ হাজার ৬৮৯টি রুশ ট্যাংক, কয়েক হাজার সাঁজোয়া যান এবং ১৩ হাজারের বেশি আর্টিলারি বা গোলন্দাজ ইউনিট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের নৌবাহিনী জানায়, তারা পাঁচটি রুশ যুদ্ধজাহাজ এবং ৪৫৮টি ছোট নৌযান ডুবিয়েছে।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি দাবি করেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনের রণক্ষেত্রে ২০২৪ সালে সোয়া ৪ লাখের বেশি সেনা হারিয়েছে। অর্থাৎ, এই সংখ্যক সেনা হয় প্রাণ হারিয়েছেন, নয়তো আহত হয়ে রণক্ষেত্রে ছেড়েছেন। তবে রাশিয়ার তরফ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য বা প্রতিবাদ জানানো হয়নি।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা ওয়াশিংটনভিত্তিক থিংকট্যাংক ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, রাশিয়া ২০২৪ সালে ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চল দোনেৎস্কে ধীর গতিতে হলেও অগ্রযাত্রায় বজায় রেখেছে। এই সময়ে রাশিয়া ইউক্রেনের কাছ থেকে ৪ হাজার ১৬৮ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে নিয়েছে। স্যাটেলাইট চিত্র এবং ভৌগোলিক ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানিয়েছে মার্কিন থিংকট্যাংকটি।
ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বলেছে, ‘রুশ বাহিনী ২০২৪ সালে মাঝারি আকারের চারটি জনপদ—আভদিভকা, সেলিদোভ, ভুহ্লেদার ও কুরাখোভ দখল করেছে। যার মধ্যে সবচেয়ে বড় জনপদটির যুদ্ধপূর্ব জনসংখ্যা ছিল ৩১ হাজার জনের কিছু বেশি। রুশ বাহিনী আভদিভকা দখলে চার মাস এবং সেলিদোভ ও কুরাখোভ দখলে দুই মাস করে সময় নিয়েছে।’
মার্কিন থিংকট্যাংকটি আরও জানিয়েছে, ‘এই জনপদগুলো দখল করেও রুশ বাহিনী ইউক্রেনীয় প্রতিরক্ষার কোনো গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রকে হুমকির মুখে ফেলতে পারেনি।’ এতে আরও বলা হয়, ‘মস্কোর সেনারা তাদের কৌশলগত অগ্রগতিকে ইউক্রেনের পেছনের দিকে গভীর অনুপ্রবেশে রূপান্তর করতে প্রয়োজনীয় দ্রুত মেকানিক্যাল মুভমেন্ট (সামরিকভাবে ঠেকিয়ে দেওয়া) চালাতে ব্যর্থ হয়েছে।’
এই গতিতে চললে কেবল দোনেৎস্ক দখল করতেই রাশিয়ার আরও দুই বছর লাগবে বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট ফর দ্য স্টাডি অব ওয়ারের বিশ্লেষণ। তবে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তাঁর কমান্ডারদের এ কাজ গত বছরের ১ অক্টোবরের মধ্যে শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই অগ্রগতি অর্জনে রাশিয়াকে চরম মূল্য দিতে হয়েছে। ইউক্রেনীয় বাহিনী প্রতিরক্ষার সুবিধা কাজে লাগিয়ে শহুরে এলাকায় ভবন থেকে ভবন এবং স্ট্রিট ফাইট বা রাস্তায় রাস্তায় যুদ্ধ করে রুশ বাহিনীর ব্যাপক ক্ষতি করেছে।
ইউক্রেনের সেনাপ্রধান ওলেকজান্দর সিরস্কি গত সোমবার জানান, ২০২৪ সালে রুশ বাহিনীর আহত ও নিহতের সংখ্যা আনুমানিক ৪ লাখ ২৭ হাজার। কয়েক দিন পর ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৪ সালে রাশিয়ার সেনা হতাহতের সংখ্যা ছিল ৪ লাখ ৩০ হাজার ৭৯০ জন। এই সংখ্যা ২০২২ ও ২০২৩ সালের সম্মিলিত ক্ষয়ক্ষতির চেয়েও বেশি।
ইউক্রেনের সরকারি তথ্য বিবেচনায় নিলে, রাশিয়া গত বছর প্রতিদিন ১ হাজার ১৮০ জন করে সেনা হারিয়েছে। তবে বছরের শেষ দিকে, বিশেষ করে মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব ফেলার প্রচেষ্টায় রুশ বাহিনীর আক্রমণ বৃদ্ধির ফলে দৈনিক ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।
ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে রাশিয়ার সেনা হতাহতের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৪৫ হাজার ৭২০ এবং ৪৮ হাজার ৬৭০ জন করে। এ বিষয়টি ইঙ্গিত করে জেনারেল সিরস্কি বছরের শেষ দিনে তাঁর সেনাদের উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে বলেন, ‘এ বছর (২০২৪ সাল) রাশিয়া ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে সবচেয়ে বড় মূল্য দিয়েছে। কারণ, আমাদের সেনাবাহিনী এবং প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী শত্রুর আরও বেশি সরঞ্জাম ও জনশক্তি ধ্বংস করেছে।’
রাশিয়া গত অক্টোবরের দৈনিক ১৪ বর্গকিলোমিটার ভূখণ্ড দখল করলেও নভেম্বরে বেড়ে ২৮ বর্গকিলোমিটারে পৌঁছায়। তবে ডিসেম্বর মাসে তা কমে দৈনিক ১৮ বর্গকিলোমিটার হয়। কিন্তু এই সময়েও রাশিয়ার সেনা হতাহতের পরিমাণ কমেনি। গত সোমবার সিরস্কি বলেন, ‘গত সপ্তাহে, প্রতিদিন প্রায় ১ হাজার ৭০০ রুশ সৈন্য নিহত ও আহত হয়েছে।’
এ ছাড়া, ইউক্রেন দাবি করেছে, তারা ৩ হাজার ৬৮৯টি রুশ ট্যাংক, কয়েক হাজার সাঁজোয়া যান এবং ১৩ হাজারের বেশি আর্টিলারি বা গোলন্দাজ ইউনিট ধ্বংস করেছে। ইউক্রেনের নৌবাহিনী জানায়, তারা পাঁচটি রুশ যুদ্ধজাহাজ এবং ৪৫৮টি ছোট নৌযান ডুবিয়েছে।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইস্টার সানডে উপলক্ষে সাময়িক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন। রুশ টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
২৮ মিনিট আগেপারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে গত এক দশক ধরে চলা উত্তেজনা নিরসনে এবার ইতালির রোমে বৈঠকে বসতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন ও তেহেরান। শনিবার (১৯ এপ্রিল) এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। কূটনৈতিক পর্যায়ের এই বৈঠক ব্যর্থ হলে ইরানে হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৩ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশে চলমান নাগরিক অস্থিরতা, অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকির কারণে ভ্রমণের পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনার পরামর্শ দিয়েছে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্ট। যুক্তরাষ্ট্র নিজের দেশের নাগরিকদের বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে লেভেল-৩ বা ত্রিস্তরীয় সতর্কবার্তা জারি করেছে। কোনো দেশে ভ্রমণের বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন
৩ ঘণ্টা আগেভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ বিষয়ে নিজের ভেরিফায়েড এক্স অ্যাকাউন্টে বলেছেন, ‘এই হত্যাকাণ্ড অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হিন্দু সংখ্যালঘুদের পদ্ধতিগত নিপীড়নের অংশ। আগের ঘটনাগুলোর অপরাধীরা শাস্তি ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছে।’
৬ ঘণ্টা আগে