এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের রেকর্ড গড়েছে বিশ্ব। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে ২০২৩ সালে এ খাতে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে। বছরটিতে বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। গতকাল সোমবার স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে তালিকার শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি একাই খরচ করেছে ৯১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যা বৈশ্বিক মোট ব্যয়ের ৩৭ শতাংশ। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর যথাক্রমে আছে—চীন, রাশিয়া, ভারত ও সৌদি আরবের। শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইউক্রেন, ফ্রান্স ও জাপান। ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর বিশ্বব্যাপী এ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বিশ্বের সব অঞ্চলেই সামরিক ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে ইউরোপ, এশিয়া, ওশেনিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এ প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। এসআইপিআরআই—এর সামরিক ব্যয় ও অস্ত্র উৎপাদন কর্মসূচি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক নান তিয়ান বলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার যে অবনতি হয়েছে, তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামরিক ব্যয় এমন নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
২০২৩ সালে ন্যাটো জোটভুক্ত ৩১টি দেশের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৪১ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৫৫ শতাংশ ছিল। বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৯১৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ন্যাটোর মোট সামরিক ব্যয়ের ৬৮ শতাংশই খরচ করেছে ওয়াশিংটন। তবে জোটের অন্য সদস্যরাও তাদের ব্যয় বাড়িয়েছে। কানাডা ও তুরস্ক বাদে অন্যদের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২৮ শতাংশ। বাকি ৪ শতাংশ এসেছে কানাডা ও তুরস্ক থেকে।
ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ২৪ শতাংশ বেড়ে ১০৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় গত বছর এ খাতে দেশটির বরাদ্দের পরিমাণ বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। ওই বছর ক্রিমিয়া দখল করে মস্কো। গত বছর রাশিয়ার মোট সরকারি ব্যয়ের ১৬ শতাংশই খরচ হয়েছে সামরিক খাতে।
বছরটিতে এ খাতে ইউক্রেনের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। দেশটির মোট সরকারি খরচের ৫৮ শতাংশই গেছে এর পেছনে। ২০২৩ সালে ইউক্রেনের সামরিক বরাদ্দ ছিল রাশিয়ার চেয়ে ৫৯ শতাংশ কম। যদিও বছরটিতে অন্তত ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সাহায্য পেয়েছে দেশটি। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এসেছে ২৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এই সহায়তাসহ হিসাব করলে ২০২৩ সালে ইউক্রেনের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল রাশিয়ার প্রায় ৯১ শতাংশ।
বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন গত বছর এ খাতে ২৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ করেছে। অন্যদিকে বেইজিংয়ের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যয় বাড়িয়েছে ভারত, জাপান ও তাইওয়ান।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বাস্তবতায় গত বছর এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের রেকর্ড গড়েছে মধ্যপ্রাচ্য। অঞ্চলটিতে এ খাতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার খরচ করেছে সৌদি আরব। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইসরায়েলের ব্যয়ের পরিমাণ ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।
এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের রেকর্ড গড়েছে বিশ্ব। যুদ্ধ ও সংঘাতের কারণে ২০২৩ সালে এ খাতে রেকর্ড পরিমাণ অর্থ খরচ হয়েছে। বছরটিতে বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলার। গতকাল সোমবার স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
সামরিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে তালিকার শীর্ষে আছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটি একাই খরচ করেছে ৯১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার, যা বৈশ্বিক মোট ব্যয়ের ৩৭ শতাংশ। তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের পর যথাক্রমে আছে—চীন, রাশিয়া, ভারত ও সৌদি আরবের। শীর্ষ ১০-এ থাকা অন্য দেশগুলো হচ্ছে যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ইউক্রেন, ফ্রান্স ও জাপান। ২০২২ সালের তুলনায় গত বছর বিশ্বব্যাপী এ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির হার ছিল ৬ দশমিক ৮ শতাংশ।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বিশ্বের সব অঞ্চলেই সামরিক ব্যয় বেড়েছে। বিশেষ করে ইউরোপ, এশিয়া, ওশেনিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে এ প্রবণতা বেশি দেখা গেছে। এসআইপিআরআই—এর সামরিক ব্যয় ও অস্ত্র উৎপাদন কর্মসূচি বিষয়ক জ্যেষ্ঠ গবেষক নান তিয়ান বলেন, বিশ্বজুড়ে শান্তি ও নিরাপত্তাব্যবস্থার যে অবনতি হয়েছে, তারই প্রতিক্রিয়া হিসেবে সামরিক ব্যয় এমন নজিরবিহীনভাবে বেড়েছে।
২০২৩ সালে ন্যাটো জোটভুক্ত ৩১টি দেশের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৪১ বিলিয়ন ডলার, যা বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের ৫৫ শতাংশ ছিল। বছরটিতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৯১৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। ন্যাটোর মোট সামরিক ব্যয়ের ৬৮ শতাংশই খরচ করেছে ওয়াশিংটন। তবে জোটের অন্য সদস্যরাও তাদের ব্যয় বাড়িয়েছে। কানাডা ও তুরস্ক বাদে অন্যদের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ২৮ শতাংশ। বাকি ৪ শতাংশ এসেছে কানাডা ও তুরস্ক থেকে।
ইউক্রেন যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর রাশিয়ার সামরিক ব্যয় ২৪ শতাংশ বেড়ে ১০৯ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০১৪ সালের তুলনায় গত বছর এ খাতে দেশটির বরাদ্দের পরিমাণ বেড়েছে ৫৭ শতাংশ। ওই বছর ক্রিমিয়া দখল করে মস্কো। গত বছর রাশিয়ার মোট সরকারি ব্যয়ের ১৬ শতাংশই খরচ হয়েছে সামরিক খাতে।
বছরটিতে এ খাতে ইউক্রেনের ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬৪ দশমিক ৮ বিলিয়ন ডলার। দেশটির মোট সরকারি খরচের ৫৮ শতাংশই গেছে এর পেছনে। ২০২৩ সালে ইউক্রেনের সামরিক বরাদ্দ ছিল রাশিয়ার চেয়ে ৫৯ শতাংশ কম। যদিও বছরটিতে অন্তত ৩৫ বিলিয়ন ডলারের সামরিক সাহায্য পেয়েছে দেশটি। এর মধ্যে শুধু যুক্তরাষ্ট্র থেকেই এসেছে ২৫ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার। এই সহায়তাসহ হিসাব করলে ২০২৩ সালে ইউক্রেনের সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল রাশিয়ার প্রায় ৯১ শতাংশ।
বৈশ্বিক সামরিক ব্যয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চীন গত বছর এ খাতে ২৯ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ করেছে। অন্যদিকে বেইজিংয়ের প্রভাব মোকাবিলায় ব্যয় বাড়িয়েছে ভারত, জাপান ও তাইওয়ান।
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের বাস্তবতায় গত বছর এক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ সামরিক ব্যয়ের রেকর্ড গড়েছে মধ্যপ্রাচ্য। অঞ্চলটিতে এ খাতে সর্বোচ্চ ৭ হাজার ৫৮০ কোটি ডলার খরচ করেছে সৌদি আরব। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইসরায়েলের ব্যয়ের পরিমাণ ২ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার।
অনুষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক কূটনীতির জন্য একটি সংবেদনশীল সময়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ, ট্রাম্পের আরোপিত শুল্কের ফলে বাণিজ্যযুদ্ধ, ইউরোপের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে আজ সবকিছু ভুলে যেন এক ছাদের নিচে জড়ো হয়েছেন বিশ্বনেতারা।
২ ঘণ্টা আগেভারতের গুজরাটে ১ হাজার ২৪ জন ‘বাংলাদেশিকে’ আটকের দাবি করেছে রাজ্য সরকার। স্থানীয় সময় আজ শনিবার ভোররাত ৩টা থেকে অভিযান চালিয়ে আহমেদাবাদ ও সুরাট থেকে তাদের আটক করে গুজরাট পুলিশ। তাদের দাবি, আটক ব্যক্তিরা অবৈধভাবে গুজরাটে বসবাস করছিল।
২ ঘণ্টা আগেইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি এলাকায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই বিস্ফোরণে চার শতাধিক মানুষ আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। আজ শনিবার এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে বিস্ফোরণের কারণ অজানা।
৩ ঘণ্টা আগেরাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে বছরখানেক আগে অভিযান শুরু করেছিল ইউক্রেন। অঞ্চলটির কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ারও দাবি করেছিল কিয়েভ। দীর্ঘ সময় লড়াইয়ের পর অবশেষে অঞ্চলটি কিয়েভের সেনাদের দখলমুক্ত হয়েছে বলে দাবি করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।
৩ ঘণ্টা আগে