রিমন রহমান, রাজশাহী

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না। পানিসংকটের বাস্তবতায় ৬ নভেম্বর এ-সংক্রান্ত গেজেট জারি করে সরকার। এতে হতাশ স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বরেন্দ্র অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃষকদের সরবরাহ করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৮ হাজার গভীর নলকূপ রয়েছে। গত মঙ্গলবার সরকারের এ-সংক্রান্ত গেজেট তাদের হাতে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরাও অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। বিএমডিএর সেচ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ জিল্লুল বারী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এভাবে কৃষিকাজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। এখন এটা সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিষয়। তারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’
গেজেটে ২৫ উপজেলার ২১৫ ইউনিয়নের বিশাল এলাকাকে আগামী ১০ বছরের জন্য পানিসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজা অতি উচ্চ, ৮৮৪টি উচ্চ এবং ১ হাজার ২৪০টি মধ্যম-সংকটাপন্ন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, নওগাঁর পোরশা ও সাপাহারের বহু ইউনিয়ন এই সতর্কতার আওতায় পড়েছে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৫-৯০ সাল পর্যন্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির গড় স্তর ছিল ২৬ ফুট নিচে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করায় ২০১০ সালে তা নেমে যায় ৫০ ফুটে, ২০২১ সালে ৬০ ফুটে। এখন অনেক জায়গায় পানি পেতে খুঁড়তে হচ্ছে ১১৩ ফুটেরও বেশি। অবিরাম সেচ আর শিল্পের কারণে বরেন্দ্রভূমি যেন অগ্রসর হচ্ছে মরুকরণের পথে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি গেজেটে খাবারের পানি সংগ্রহ ছাড়া অন্য কোনো প্রয়োজনে নতুন করে নলকূপ স্থাপন এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরোনো নলকূপ দিয়েও সেচ বা শিল্পের জন্য পানি তোলা যাবে না। ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করা যাবে না।
বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. তরিকুল আলম বলেন, ‘আমরা গেজেট দেখেছি। এর অর্থ হচ্ছে, গভীর নলকূপ দিয়ে এখন থেকে শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে, কৃষিতে এ পানি ব্যবহার করা যাবে না। আমরা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য নিচ্ছি, এসব এলাকায় গভীর নলকূপের সংখ্যা কত, কী পরিমাণ জমি আছে এবং ফসলের উৎপাদন কেমন হয়। এগুলো নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বৈঠক হবে। তারপরই বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।’
গোদাগাড়ীর চৈতন্যপুরের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘কৃষিকাজ বন্ধ করে বসে থাকা কোনো সমাধান নয়। এটি সম্ভবও নয়।
সমস্যা সমাধানের বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির যে গঠন, তাতে খুব সহজেই ভূ-উপরিস্থ পানির আধার তৈরি করা যাবে। নীতিনির্ধারকদের সে পথেই হাঁটতে হবে।’
৬ নভেম্বরের গেজেটে খাল-বিল-পুকুর ইজারা নিরুৎসাহিত করে অধিক পানি লাগে এমন ফসলের চাষও সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, খাল, বিল, পুকুর, নদী তথা কোনো জলাধারের শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। জলাশয়গুলো জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। জনগণের ব্যবহারযোগ্য খাস জলাশয় ও জলমহাল ইজারা দেওয়া নিরুৎসাহিত করতে হবে। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, কোনো জলাধারের সমগ্র পানি আহরণ করে নিঃশেষ করা যাবে না।
সংকট মোকাবিলায় গেজেটে বেশ কিছু সরকারি সংস্থার কিছু কার্যক্রমও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। নতুন শিল্পে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চল এমনিতেই ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়া জনপদ। এখানকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হুমকিতে আছে, এটা আরও হুমকিতে পড়ল পানিসংকটের কারণে। এখান থেকে উত্তরণে সরকারকেই পথ বের করতে হবে।’
বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান। তিনি বলেন, ‘শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে। এতে দেখা যাবে বাড়িতে সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে সেচের পানি দেওয়া হবে। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে। এ জন্য পদ্মার পানি বরেন্দ্র অঞ্চলে ঢোকাতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো সরকারি পুকুর, খাল-বিল ইজারা দেওয়া যাবে না। এগুলোর পানি কৃষিকাজের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি পানি কম লাগে বা বৃষ্টির পানিতেই চাষাবাদ সম্ভব, এমন ফসলের চাষাবাদের দিকে যেতে হবে।’

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না। পানিসংকটের বাস্তবতায় ৬ নভেম্বর এ-সংক্রান্ত গেজেট জারি করে সরকার। এতে হতাশ স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বরেন্দ্র অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃষকদের সরবরাহ করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৮ হাজার গভীর নলকূপ রয়েছে। গত মঙ্গলবার সরকারের এ-সংক্রান্ত গেজেট তাদের হাতে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরাও অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। বিএমডিএর সেচ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ জিল্লুল বারী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এভাবে কৃষিকাজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। এখন এটা সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিষয়। তারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’
গেজেটে ২৫ উপজেলার ২১৫ ইউনিয়নের বিশাল এলাকাকে আগামী ১০ বছরের জন্য পানিসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজা অতি উচ্চ, ৮৮৪টি উচ্চ এবং ১ হাজার ২৪০টি মধ্যম-সংকটাপন্ন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, নওগাঁর পোরশা ও সাপাহারের বহু ইউনিয়ন এই সতর্কতার আওতায় পড়েছে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৫-৯০ সাল পর্যন্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির গড় স্তর ছিল ২৬ ফুট নিচে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করায় ২০১০ সালে তা নেমে যায় ৫০ ফুটে, ২০২১ সালে ৬০ ফুটে। এখন অনেক জায়গায় পানি পেতে খুঁড়তে হচ্ছে ১১৩ ফুটেরও বেশি। অবিরাম সেচ আর শিল্পের কারণে বরেন্দ্রভূমি যেন অগ্রসর হচ্ছে মরুকরণের পথে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি গেজেটে খাবারের পানি সংগ্রহ ছাড়া অন্য কোনো প্রয়োজনে নতুন করে নলকূপ স্থাপন এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরোনো নলকূপ দিয়েও সেচ বা শিল্পের জন্য পানি তোলা যাবে না। ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করা যাবে না।
বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. তরিকুল আলম বলেন, ‘আমরা গেজেট দেখেছি। এর অর্থ হচ্ছে, গভীর নলকূপ দিয়ে এখন থেকে শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে, কৃষিতে এ পানি ব্যবহার করা যাবে না। আমরা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য নিচ্ছি, এসব এলাকায় গভীর নলকূপের সংখ্যা কত, কী পরিমাণ জমি আছে এবং ফসলের উৎপাদন কেমন হয়। এগুলো নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বৈঠক হবে। তারপরই বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।’
গোদাগাড়ীর চৈতন্যপুরের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘কৃষিকাজ বন্ধ করে বসে থাকা কোনো সমাধান নয়। এটি সম্ভবও নয়।
সমস্যা সমাধানের বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির যে গঠন, তাতে খুব সহজেই ভূ-উপরিস্থ পানির আধার তৈরি করা যাবে। নীতিনির্ধারকদের সে পথেই হাঁটতে হবে।’
৬ নভেম্বরের গেজেটে খাল-বিল-পুকুর ইজারা নিরুৎসাহিত করে অধিক পানি লাগে এমন ফসলের চাষও সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, খাল, বিল, পুকুর, নদী তথা কোনো জলাধারের শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। জলাশয়গুলো জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। জনগণের ব্যবহারযোগ্য খাস জলাশয় ও জলমহাল ইজারা দেওয়া নিরুৎসাহিত করতে হবে। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, কোনো জলাধারের সমগ্র পানি আহরণ করে নিঃশেষ করা যাবে না।
সংকট মোকাবিলায় গেজেটে বেশ কিছু সরকারি সংস্থার কিছু কার্যক্রমও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। নতুন শিল্পে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চল এমনিতেই ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়া জনপদ। এখানকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হুমকিতে আছে, এটা আরও হুমকিতে পড়ল পানিসংকটের কারণে। এখান থেকে উত্তরণে সরকারকেই পথ বের করতে হবে।’
বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান। তিনি বলেন, ‘শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে। এতে দেখা যাবে বাড়িতে সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে সেচের পানি দেওয়া হবে। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে। এ জন্য পদ্মার পানি বরেন্দ্র অঞ্চলে ঢোকাতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো সরকারি পুকুর, খাল-বিল ইজারা দেওয়া যাবে না। এগুলোর পানি কৃষিকাজের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি পানি কম লাগে বা বৃষ্টির পানিতেই চাষাবাদ সম্ভব, এমন ফসলের চাষাবাদের দিকে যেতে হবে।’
রিমন রহমান, রাজশাহী

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না। পানিসংকটের বাস্তবতায় ৬ নভেম্বর এ-সংক্রান্ত গেজেট জারি করে সরকার। এতে হতাশ স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বরেন্দ্র অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃষকদের সরবরাহ করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৮ হাজার গভীর নলকূপ রয়েছে। গত মঙ্গলবার সরকারের এ-সংক্রান্ত গেজেট তাদের হাতে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরাও অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। বিএমডিএর সেচ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ জিল্লুল বারী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এভাবে কৃষিকাজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। এখন এটা সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিষয়। তারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’
গেজেটে ২৫ উপজেলার ২১৫ ইউনিয়নের বিশাল এলাকাকে আগামী ১০ বছরের জন্য পানিসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজা অতি উচ্চ, ৮৮৪টি উচ্চ এবং ১ হাজার ২৪০টি মধ্যম-সংকটাপন্ন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, নওগাঁর পোরশা ও সাপাহারের বহু ইউনিয়ন এই সতর্কতার আওতায় পড়েছে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৫-৯০ সাল পর্যন্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির গড় স্তর ছিল ২৬ ফুট নিচে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করায় ২০১০ সালে তা নেমে যায় ৫০ ফুটে, ২০২১ সালে ৬০ ফুটে। এখন অনেক জায়গায় পানি পেতে খুঁড়তে হচ্ছে ১১৩ ফুটেরও বেশি। অবিরাম সেচ আর শিল্পের কারণে বরেন্দ্রভূমি যেন অগ্রসর হচ্ছে মরুকরণের পথে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি গেজেটে খাবারের পানি সংগ্রহ ছাড়া অন্য কোনো প্রয়োজনে নতুন করে নলকূপ স্থাপন এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরোনো নলকূপ দিয়েও সেচ বা শিল্পের জন্য পানি তোলা যাবে না। ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করা যাবে না।
বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. তরিকুল আলম বলেন, ‘আমরা গেজেট দেখেছি। এর অর্থ হচ্ছে, গভীর নলকূপ দিয়ে এখন থেকে শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে, কৃষিতে এ পানি ব্যবহার করা যাবে না। আমরা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য নিচ্ছি, এসব এলাকায় গভীর নলকূপের সংখ্যা কত, কী পরিমাণ জমি আছে এবং ফসলের উৎপাদন কেমন হয়। এগুলো নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বৈঠক হবে। তারপরই বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।’
গোদাগাড়ীর চৈতন্যপুরের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘কৃষিকাজ বন্ধ করে বসে থাকা কোনো সমাধান নয়। এটি সম্ভবও নয়।
সমস্যা সমাধানের বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির যে গঠন, তাতে খুব সহজেই ভূ-উপরিস্থ পানির আধার তৈরি করা যাবে। নীতিনির্ধারকদের সে পথেই হাঁটতে হবে।’
৬ নভেম্বরের গেজেটে খাল-বিল-পুকুর ইজারা নিরুৎসাহিত করে অধিক পানি লাগে এমন ফসলের চাষও সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, খাল, বিল, পুকুর, নদী তথা কোনো জলাধারের শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। জলাশয়গুলো জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। জনগণের ব্যবহারযোগ্য খাস জলাশয় ও জলমহাল ইজারা দেওয়া নিরুৎসাহিত করতে হবে। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, কোনো জলাধারের সমগ্র পানি আহরণ করে নিঃশেষ করা যাবে না।
সংকট মোকাবিলায় গেজেটে বেশ কিছু সরকারি সংস্থার কিছু কার্যক্রমও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। নতুন শিল্পে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চল এমনিতেই ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়া জনপদ। এখানকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হুমকিতে আছে, এটা আরও হুমকিতে পড়ল পানিসংকটের কারণে। এখান থেকে উত্তরণে সরকারকেই পথ বের করতে হবে।’
বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান। তিনি বলেন, ‘শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে। এতে দেখা যাবে বাড়িতে সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে সেচের পানি দেওয়া হবে। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে। এ জন্য পদ্মার পানি বরেন্দ্র অঞ্চলে ঢোকাতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো সরকারি পুকুর, খাল-বিল ইজারা দেওয়া যাবে না। এগুলোর পানি কৃষিকাজের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি পানি কম লাগে বা বৃষ্টির পানিতেই চাষাবাদ সম্ভব, এমন ফসলের চাষাবাদের দিকে যেতে হবে।’

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না। পানিসংকটের বাস্তবতায় ৬ নভেম্বর এ-সংক্রান্ত গেজেট জারি করে সরকার। এতে হতাশ স্থানীয় কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
বরেন্দ্র অঞ্চলে চাষাবাদের জন্য গভীর নলকূপের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানি তুলে কৃষকদের সরবরাহ করে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিএমডিএ)। রাজশাহী ও রংপুর বিভাগে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় ১৮ হাজার গভীর নলকূপ রয়েছে। গত মঙ্গলবার সরকারের এ-সংক্রান্ত গেজেট তাদের হাতে পৌঁছায়। এতে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরাও অনেকটা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়েছেন। বিএমডিএর সেচ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ জিল্লুল বারী জানান, ‘বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এভাবে কৃষিকাজ বন্ধ করে দেওয়া সম্ভব নয়। এখন এটা সরকারের উচ্চপর্যায়ের বিষয়। তারা বসে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে।’
গেজেটে ২৫ উপজেলার ২১৫ ইউনিয়নের বিশাল এলাকাকে আগামী ১০ বছরের জন্য পানিসংকটাপন্ন ঘোষণা করা হয়েছে। ১ হাজার ৪৬৯টি মৌজা অতি উচ্চ, ৮৮৪টি উচ্চ এবং ১ হাজার ২৪০টি মধ্যম-সংকটাপন্ন। রাজশাহীর গোদাগাড়ী, তানোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর, নিয়ামতপুর, পত্নীতলা, নওগাঁর পোরশা ও সাপাহারের বহু ইউনিয়ন এই সতর্কতার আওতায় পড়েছে।
বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৮৫-৯০ সাল পর্যন্ত বরেন্দ্র অঞ্চলে ভূগর্ভস্থ পানির গড় স্তর ছিল ২৬ ফুট নিচে। ক্রমাগত ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলন করায় ২০১০ সালে তা নেমে যায় ৫০ ফুটে, ২০২১ সালে ৬০ ফুটে। এখন অনেক জায়গায় পানি পেতে খুঁড়তে হচ্ছে ১১৩ ফুটেরও বেশি। অবিরাম সেচ আর শিল্পের কারণে বরেন্দ্রভূমি যেন অগ্রসর হচ্ছে মরুকরণের পথে। এমন পরিস্থিতিতে সরকারি গেজেটে খাবারের পানি সংগ্রহ ছাড়া অন্য কোনো প্রয়োজনে নতুন করে নলকূপ স্থাপন এবং ভূগর্ভস্থ পানি উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পুরোনো নলকূপ দিয়েও সেচ বা শিল্পের জন্য পানি তোলা যাবে না। ভূগর্ভস্থ পানিনির্ভর কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করা যাবে না।
বিএমডিএর নির্বাহী পরিচালক মো. তরিকুল আলম বলেন, ‘আমরা গেজেট দেখেছি। এর অর্থ হচ্ছে, গভীর নলকূপ দিয়ে এখন থেকে শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে, কৃষিতে এ পানি ব্যবহার করা যাবে না। আমরা মাঠপর্যায় থেকে তথ্য নিচ্ছি, এসব এলাকায় গভীর নলকূপের সংখ্যা কত, কী পরিমাণ জমি আছে এবং ফসলের উৎপাদন কেমন হয়। এগুলো নিয়ে উচ্চপর্যায়ে বৈঠক হবে। তারপরই বিষয়গুলো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।’
গোদাগাড়ীর চৈতন্যপুরের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কৃষক মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘কৃষিকাজ বন্ধ করে বসে থাকা কোনো সমাধান নয়। এটি সম্ভবও নয়।
সমস্যা সমাধানের বিকল্প উপায় খুঁজতে হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের ভূপ্রকৃতির যে গঠন, তাতে খুব সহজেই ভূ-উপরিস্থ পানির আধার তৈরি করা যাবে। নীতিনির্ধারকদের সে পথেই হাঁটতে হবে।’
৬ নভেম্বরের গেজেটে খাল-বিল-পুকুর ইজারা নিরুৎসাহিত করে অধিক পানি লাগে এমন ফসলের চাষও সীমিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, খাল, বিল, পুকুর, নদী তথা কোনো জলাধারের শ্রেণি পরিবর্তন করা যাবে না। জলাশয়গুলো জনগণের ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। জনগণের ব্যবহারযোগ্য খাস জলাশয় ও জলমহাল ইজারা দেওয়া নিরুৎসাহিত করতে হবে। জলস্রোতের স্বাভাবিক প্রবাহে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না, কোনো জলাধারের সমগ্র পানি আহরণ করে নিঃশেষ করা যাবে না।
সংকট মোকাবিলায় গেজেটে বেশ কিছু সরকারি সংস্থার কিছু কার্যক্রমও ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এতে ভূ-উপরিস্থ পানির ব্যবহার বাড়ানোর প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে। নতুন শিল্পে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকু বলেন, ‘রাজশাহী অঞ্চল এমনিতেই ব্যবসা-বাণিজ্যে পিছিয়ে পড়া জনপদ। এখানকার অর্থনৈতিক ব্যবস্থা হুমকিতে আছে, এটা আরও হুমকিতে পড়ল পানিসংকটের কারণে। এখান থেকে উত্তরণে সরকারকেই পথ বের করতে হবে।’
বরেন্দ্র অঞ্চলের পানিসংকট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী সারওয়ার জাহান। তিনি বলেন, ‘শুধু খাবারের পানি তোলা যাবে। এতে দেখা যাবে বাড়িতে সাবমারসিবল পাম্প বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে সেচের পানি দেওয়া হবে। এ অবস্থায় সংকট মোকাবিলায় ভূ-উপরিস্থ পানি নিশ্চিতে কাজ করতে হবে। এ জন্য পদ্মার পানি বরেন্দ্র অঞ্চলে ঢোকাতে হবে। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করতে হবে। কোনো সরকারি পুকুর, খাল-বিল ইজারা দেওয়া যাবে না। এগুলোর পানি কৃষিকাজের জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। পাশাপাশি পানি কম লাগে বা বৃষ্টির পানিতেই চাষাবাদ সম্ভব, এমন ফসলের চাষাবাদের দিকে যেতে হবে।’

উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানে রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
১ ঘণ্টা আগে
৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
৫ ঘণ্টা আগে
সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি।
৬ ঘণ্টা আগেরাতুল মণ্ডল, শ্রীপুর (গাজীপুর)

গাজীপুরের শ্রীপুরে ২০ টাকায় টিকিট কেটে চায়না ম্যান্ডারিন জাতের বাহারি কমলাবাগান ঘুরে দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে প্রতিদিন। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার উপচে পড়া ভিড়। সারি সারি চায়না কমলায় ভরপুর বাগান দেখে বিমোহিত দর্শনার্থীরা। উদ্যোক্তারাও বেশ আনন্দে আছেন মানুষের এমন আগ্রহে।
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানেই রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে মানুষের নজর আটকায় হলুদ টসটসে ম্যান্ডারিন কমলার থোকায়।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাগান ঘুরে দারুণ কমলার দেখা মিলেছে। সারি করে লাগানো কমলার চারার ফাঁক দিয়ে হাঁটার পথ রয়েছে। তিন বছর আগে রোপণ করা কমলার চারাগুলো এখন প্রাপ্তবয়স্ক। প্রায় সব গাছে কমলা ধরেছে। কোনো গাছে খুব বেশি কমলা এসেছে। একসঙ্গে ডালে ডালে ঝুলে আছে অসংখ্য ম্যান্ডারিন জাতের হলুদ কাঁচা রঙের বাহারি কমলা। গাছে গাছে ঝুলছে রসে টইটম্বুর পাকা কমলার থোকা। বাগান ঘুরে দেখার সুযোগে ক্রেতাদের মধ্যে ভিন্ন একটা আনন্দ দেখা গেছে।
স্কুলশিক্ষক সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কমলাবাগানে এসে দেখি অসাধারণ সুন্দর। বাগানে এসে মুগ্ধ হয়েছি। আমাদের এই মাটিতে এত সুন্দর বাগান করেছে। উনার মাধ্যমে আরও বেশি কৃষক উৎসাহিত হবে।’
ঢাকা থেকে আসা দর্শনার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘গত বছর অনলাইনে দেখার পর বাগান পরিদর্শনে আসি। সে সময় কমলা পাইনি। এ বছর স্ত্রীকে নিয়ে চলে আসলাম। খুবই সুন্দর লাগছে। প্রতিটি গাছে প্রচুর কমলা।’

দর্শনার্থী লিপি বলেন, ‘বাগানে এসে কমলা দেখতে পারলাম। অনেক ভালো লাগছে। এখনো বিক্রি শুরু হয়নি। বিক্রি শুরু হলে কিনতে আসব।’
দর্শনার্থী মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সবাইকে নিয়ে কমলা বাগান পরিদর্শনে এসেছি। আমাদের শ্রীপুরে এমন একটি পরিবেশে বিভিন্ন জেলার মানুষ আসছে। এতে আমাদের অনেক আনন্দ হচ্ছে।’
কমলাবাগানের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা মো. সবুজ মিয়া বলেন, ‘আমাদের এই বাগানে ১০০টি দার্জিলিং কমলা ও ১০০টি চায়না ম্যান্ডারিন জাতের চারা রোপণ করা হয়েছিল। মাওলানা অলিউল্লাহ বাইজিদ, ফারুক আহমেদ, আব্দুল মতিন ও আইনুল হক মিলে ২০২১ সালে বাগানটি শুরু করেন। পরে তাঁরা এই বাগানের নাম রাখেন তাওয়াক্কালনা ফ্রুট অ্যান্ড অ্যাগ্রো লিমিটেড।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের এই বাগানে দুই জাতের কমলা রয়েছে। চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা। এ ছাড়াও বিভিন্ন জাতের আম, বল সুন্দরী বরই, সফেদা, জাম্বুরা ও ড্রাগন ফল চাষ করা হয়েছে।’

সবুজ মিয়া বলেন, ‘১৫ দিন ধরে অনেক দর্শনার্থী কমলা বাগানে আসছেন। চায়না ম্যান্ডারিন কমলাগাছের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ গাছে আশানুরূপ ফলন এসেছে। দর্শনার্থীরা বাগান ঘুরে দেখছেন, ছবি তুলছেন। বেশ ভালো লাগছে মানুষের আগ্রহ দেখে।’
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বলেন, ‘ব্যক্তি উদ্যোগে চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা চাষে চার উদ্যোক্তা বেশ সফল হয়েছেন। তাঁদের বাগানের কমলার মান চমৎকার। কমলা আকার ও রঙে খুবই সুন্দর হয়েছে। তাঁদের এমন সাফল্য অন্যদের আগ্রহী করবে কমলা চাষে।’
সুমাইয়া সুলতানা আরও বলেন, ‘শ্রীপুরে অন্তত ৮ হেক্টর জমিতে কমলা চাষ হচ্ছে। আমাদের এই আবহাওয়া চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা চাষে বেশ উপযোগী। কমলার আকার, রং ও স্বাদে চমৎকার হয়। আমরা কৃষদের উদ্বুদ্ধ করছি কমলা চাষে। এতে লাভও পাবে কৃষক। সতেজ ও পরিপক্ব কমলা পেতে ক্রেতারা বাগান থেকে কমলা নিতে পারেন উপযুক্ত দামে।

গাজীপুরের শ্রীপুরে ২০ টাকায় টিকিট কেটে চায়না ম্যান্ডারিন জাতের বাহারি কমলাবাগান ঘুরে দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড় জমে প্রতিদিন। বিশেষ করে শুক্র ও শনিবার উপচে পড়া ভিড়। সারি সারি চায়না কমলায় ভরপুর বাগান দেখে বিমোহিত দর্শনার্থীরা। উদ্যোক্তারাও বেশ আনন্দে আছেন মানুষের এমন আগ্রহে।
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানেই রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ। তবে সবকিছু ছাপিয়ে মানুষের নজর আটকায় হলুদ টসটসে ম্যান্ডারিন কমলার থোকায়।
গতকাল শনিবার বিকেলে বাগান ঘুরে দারুণ কমলার দেখা মিলেছে। সারি করে লাগানো কমলার চারার ফাঁক দিয়ে হাঁটার পথ রয়েছে। তিন বছর আগে রোপণ করা কমলার চারাগুলো এখন প্রাপ্তবয়স্ক। প্রায় সব গাছে কমলা ধরেছে। কোনো গাছে খুব বেশি কমলা এসেছে। একসঙ্গে ডালে ডালে ঝুলে আছে অসংখ্য ম্যান্ডারিন জাতের হলুদ কাঁচা রঙের বাহারি কমলা। গাছে গাছে ঝুলছে রসে টইটম্বুর পাকা কমলার থোকা। বাগান ঘুরে দেখার সুযোগে ক্রেতাদের মধ্যে ভিন্ন একটা আনন্দ দেখা গেছে।
স্কুলশিক্ষক সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কমলাবাগানে এসে দেখি অসাধারণ সুন্দর। বাগানে এসে মুগ্ধ হয়েছি। আমাদের এই মাটিতে এত সুন্দর বাগান করেছে। উনার মাধ্যমে আরও বেশি কৃষক উৎসাহিত হবে।’
ঢাকা থেকে আসা দর্শনার্থী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘গত বছর অনলাইনে দেখার পর বাগান পরিদর্শনে আসি। সে সময় কমলা পাইনি। এ বছর স্ত্রীকে নিয়ে চলে আসলাম। খুবই সুন্দর লাগছে। প্রতিটি গাছে প্রচুর কমলা।’

দর্শনার্থী লিপি বলেন, ‘বাগানে এসে কমলা দেখতে পারলাম। অনেক ভালো লাগছে। এখনো বিক্রি শুরু হয়নি। বিক্রি শুরু হলে কিনতে আসব।’
দর্শনার্থী মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের সবাইকে নিয়ে কমলা বাগান পরিদর্শনে এসেছি। আমাদের শ্রীপুরে এমন একটি পরিবেশে বিভিন্ন জেলার মানুষ আসছে। এতে আমাদের অনেক আনন্দ হচ্ছে।’
কমলাবাগানের সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকা মো. সবুজ মিয়া বলেন, ‘আমাদের এই বাগানে ১০০টি দার্জিলিং কমলা ও ১০০টি চায়না ম্যান্ডারিন জাতের চারা রোপণ করা হয়েছিল। মাওলানা অলিউল্লাহ বাইজিদ, ফারুক আহমেদ, আব্দুল মতিন ও আইনুল হক মিলে ২০২১ সালে বাগানটি শুরু করেন। পরে তাঁরা এই বাগানের নাম রাখেন তাওয়াক্কালনা ফ্রুট অ্যান্ড অ্যাগ্রো লিমিটেড।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের এই বাগানে দুই জাতের কমলা রয়েছে। চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা। এ ছাড়াও বিভিন্ন জাতের আম, বল সুন্দরী বরই, সফেদা, জাম্বুরা ও ড্রাগন ফল চাষ করা হয়েছে।’

সবুজ মিয়া বলেন, ‘১৫ দিন ধরে অনেক দর্শনার্থী কমলা বাগানে আসছেন। চায়না ম্যান্ডারিন কমলাগাছের মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশ গাছে আশানুরূপ ফলন এসেছে। দর্শনার্থীরা বাগান ঘুরে দেখছেন, ছবি তুলছেন। বেশ ভালো লাগছে মানুষের আগ্রহ দেখে।’
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমাইয়া সুলতানা বলেন, ‘ব্যক্তি উদ্যোগে চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা চাষে চার উদ্যোক্তা বেশ সফল হয়েছেন। তাঁদের বাগানের কমলার মান চমৎকার। কমলা আকার ও রঙে খুবই সুন্দর হয়েছে। তাঁদের এমন সাফল্য অন্যদের আগ্রহী করবে কমলা চাষে।’
সুমাইয়া সুলতানা আরও বলেন, ‘শ্রীপুরে অন্তত ৮ হেক্টর জমিতে কমলা চাষ হচ্ছে। আমাদের এই আবহাওয়া চায়না ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং কমলা চাষে বেশ উপযোগী। কমলার আকার, রং ও স্বাদে চমৎকার হয়। আমরা কৃষদের উদ্বুদ্ধ করছি কমলা চাষে। এতে লাভও পাবে কৃষক। সতেজ ও পরিপক্ব কমলা পেতে ক্রেতারা বাগান থেকে কমলা নিতে পারেন উপযুক্ত দামে।

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
১ ঘণ্টা আগে
৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
৫ ঘণ্টা আগে
সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি।
৬ ঘণ্টা আগেপাবনা ও ঈশ্বরদী প্রতিনিধি

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
ওসি জানান, সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন। এ ছাড়া ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় পাবনা জেলা জামায়াতের আমির এবং পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
অপর দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে একই থানায় ৩৮ জন বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে।
এ ছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় এবং অনুসারী।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ‘মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যুবক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর জানা যাবে, সে আসলে কোন দলের।’
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি গ্রামে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মী এলাকা থেকে সটকে পড়েছেন।
এদিকে শনিবার বিকেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ‘জামায়াতের পুরুষেরা গ্রামের মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। যার কারণে জনতা তাদের প্রচারণার প্রতিবাদ করেছে। যখন তারা (জামায়াত) চর গড়গড়ি গ্রামে যায়, তখন স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা স্থানীয় বাসিন্দা এবং এলাকায় বিএনপি সমর্থকদের ওপর গুলি চালায় এবং আক্রমণ করে।’
হাবিব আরও অভিযোগ করেন, ‘তুষার নামের এক জামায়াতপন্থী কর্মী, যিনি জামায়াত মনোনীত প্রার্থী তালেবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন, যার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিএনপির ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন এই বিএনপি নেতা।’
অন্যদিকে একই দিন বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং প্রচারণার সময় তাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
জামায়াত নেতারা দাবি করেছেন, ’হামলায় জামায়াতের ৫০ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন এবং শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল বলেন, ‘যে ব্যক্তি (তুষার) আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিল, তাকে চিনি না। এটি আমাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।’
তালেব মন্ডলের অভিযোগ, ’তারা (বিএনপির সমর্থকেরা) এই হামলার জন্য দায়ী। তারা আমাদের লোকদের ওপর আক্রমণ করেছে এবং এখন আমাদের ওপরই দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’

পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
ওসি জানান, সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধার ছেলে বাঁধন হাসান আলিম বাদী হয়ে ৩২ জন জামায়াত নেতার নাম উল্লেখ করে ঈশ্বরদী থানায় মামলা করেছেন। এ ছাড়া ১৫০ থেকে ২০০ জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে। এই মামলায় পাবনা জেলা জামায়াতের আমির এবং পাবনা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
অপর দিকে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম বাদী হয়ে একই থানায় ৩৮ জন বিএনপির নেতা-কর্মীর নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে সাহাপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক মক্কেল মৃধাকে।
এ ছাড়া ১০০ থেকে ১৫০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। যাদের বেশির ভাগই পাবনা-৪ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিবের আত্মীয় এবং অনুসারী।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার বলেন, ‘মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া যুবক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তাকে গ্রেপ্তার করার পর জানা যাবে, সে আসলে কোন দলের।’
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, গত বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঈশ্বরদী উপজেলার চর গড়গড়ি গ্রামে জামায়াত প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অর্ধশতাধিক নেতা-কর্মী আহত হন। ঘটনার পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে বিএনপি-জামায়াতের অনেক নেতা-কর্মী এলাকা থেকে সটকে পড়েছেন।
এদিকে শনিবার বিকেলে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রহমান হাবিব পাবনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, ‘জামায়াতের পুরুষেরা গ্রামের মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত করছে। যার কারণে জনতা তাদের প্রচারণার প্রতিবাদ করেছে। যখন তারা (জামায়াত) চর গড়গড়ি গ্রামে যায়, তখন স্থানীয় লোকজন তাদের ধাওয়া করে। একপর্যায়ে তারা স্থানীয় বাসিন্দা এবং এলাকায় বিএনপি সমর্থকদের ওপর গুলি চালায় এবং আক্রমণ করে।’
হাবিব আরও অভিযোগ করেন, ‘তুষার নামের এক জামায়াতপন্থী কর্মী, যিনি জামায়াত মনোনীত প্রার্থী তালেবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন, যার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিএনপির ১১ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন এই বিএনপি নেতা।’
অন্যদিকে একই দিন বিকেলে ঈশ্বরদী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে তাদের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রতিবাদে এবং প্রচারণার সময় তাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।
জামায়াত নেতারা দাবি করেছেন, ’হামলায় জামায়াতের ৫০ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন এবং শতাধিক মোটরসাইকেল ভাঙচুর ও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’
সংঘর্ষের সময় আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শনের অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবু তালেব মন্ডল বলেন, ‘যে ব্যক্তি (তুষার) আগ্নেয়াস্ত্র বহন করছিল, তাকে চিনি না। এটি আমাদের বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ।’
তালেব মন্ডলের অভিযোগ, ’তারা (বিএনপির সমর্থকেরা) এই হামলার জন্য দায়ী। তারা আমাদের লোকদের ওপর আক্রমণ করেছে এবং এখন আমাদের ওপরই দোষ চাপানোর চেষ্টা করছে।’

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানে রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ।
১ ঘণ্টা আগে
৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
৫ ঘণ্টা আগে
সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি।
৬ ঘণ্টা আগেপটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা

৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
জানা গেছে, চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পেলেও ৩৫ বছরে এখানকার জন্য একটি স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা ডাম্পিং স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে ৪ বর্গমাইল এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাহুলী এলাকার একটি খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে হাজার টন বর্জ্য। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন কয়েক শ টন ময়লা এনে সেখানে ফেলা হয়। এলাকায় পৌঁছালে তীব্র দুর্গন্ধে দাঁড়ানো দায় হয়ে পড়ে। চারদিকে উড়ছে অসংখ্য মশা-মাছি। এতে রোগজীবাণুর দ্রুত বিস্তার ঘটছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বৃষ্টির পানিতে ময়লার স্তূপ ভেঙে আবর্জনা নেমে আসে মহাসড়কে। এতে পথচারীসহ বাস ও ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ছাড়া খোলা জায়গায় আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলায় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।
এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক অরজিত কুমার দাশ বলেন, ‘১৪ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শ্রমিক নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত। কিন্তু আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নেজামুল হক বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মামলা জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে।’
পটিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘একটি ডাম্পিং স্টেশন পটিয়া পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু করতে পারব।’

৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
জানা গেছে, চট্টগ্রামের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভা পটিয়া প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯০ সালের ৯ এপ্রিল। প্রতিষ্ঠার মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম শ্রেণির পৌরসভার মর্যাদা পেলেও ৩৫ বছরে এখানকার জন্য একটি স্থায়ী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র বা ডাম্পিং স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে ৪ বর্গমাইল এলাকার লক্ষাধিক বাসিন্দাকে প্রতিদিনের গৃহস্থালি ও অন্যান্য বর্জ্য নিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের বাহুলী এলাকার একটি খোলা জায়গায় দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে হাজার টন বর্জ্য। পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ড থেকে প্রতিদিন কয়েক শ টন ময়লা এনে সেখানে ফেলা হয়। এলাকায় পৌঁছালে তীব্র দুর্গন্ধে দাঁড়ানো দায় হয়ে পড়ে। চারদিকে উড়ছে অসংখ্য মশা-মাছি। এতে রোগজীবাণুর দ্রুত বিস্তার ঘটছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়। বৃষ্টির পানিতে ময়লার স্তূপ ভেঙে আবর্জনা নেমে আসে মহাসড়কে। এতে পথচারীসহ বাস ও ট্রেনের যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। এ ছাড়া খোলা জায়গায় আবর্জনা পুড়িয়ে ফেলায় নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়া আশপাশের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে।
এ বিষয়ে পটিয়া পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগে দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক অরজিত কুমার দাশ বলেন, ‘১৪ জন নারী ও ৩২ জন পুরুষ শ্রমিক নিয়মিত বর্জ্য পরিষ্কারের কাজে নিয়োজিত। কিন্তু আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিনিয়ত সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
পৌরসভার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) নেজামুল হক বলেন, ‘ডাম্পিং স্টেশন স্থাপনের জন্য পটিয়া সদরের ইন্দ্রপুল এলাকায় জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মামলা জটিলতার কারণে কাজ আটকে আছে।’
পটিয়া পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান বলেন, ‘একটি ডাম্পিং স্টেশন পটিয়া পৌরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য এটি অত্যন্ত জরুরি। আশা করছি, দ্রুত কাজ শুরু করতে পারব।’

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানে রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
১ ঘণ্টা আগে
সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি।
৬ ঘণ্টা আগেমাইনউদ্দিন শাহেদ, কক্সবাজার

সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিএনপির ঘোষণার পর কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী বদল চেয়ে বিক্ষোভ করেছে দলের একাংশ। অন্য দুটি আসনে বিরোধ নেই। তবে সব আসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া জামায়াত।
১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেশির ভাগ সময় বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। জয়ী হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাও। এবারের নির্বাচনে দলটির প্রার্থী নেই। আর এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক অন্য রাজনৈতিক দলগুলো।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী, কক্সবাজার-২ ও ৩ আসনে আওয়ামী লীগ এবং কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ আসন ছাড়া বাকি তিন আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেন। এরপর ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হন।
এ ছাড়া ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপি, একটিতে জামায়াতে ইসলামী ও একটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হন।
কক্সবাজার-১
জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হওয়ার সুবাদে তিনি এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে তিনি বিএনপি থেকে এ আসনে নির্বাচন করে জয়ী হন। মামলাজনিত কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সালাহউদ্দিন অংশ নিতে না পারলেও তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমদ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।
বরাবরই সালাহউদ্দিন আহমদকে এ আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে বিএনপি। চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক আজকের পত্রিকাকে জানান, কক্সবাজারের উন্নয়নে সালাহউদ্দিন আহমদ পরীক্ষিত নেতা। মানুষ তাঁকে ভালোবাসেন। তিনি এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।
অভিজ্ঞ ও প্রবীণ সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর তরুণ নেতা কক্সবাজার শহর জামায়াতে ইসলামীর আমির আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চকরিয়া-পেকুয়ায় মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছে জামায়াতে ইসলামী। তা অবশ্যই নির্বাচনের রায়ে দেখা যাবে।
কক্সবাজার-২
জেলার দুই দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-২ আসন। এই আসন ২০০৮ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। এবারও তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত প্রার্থী। এ আসনে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তবে এ পর্যন্ত এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। এ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার রয়েছে।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ আসন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির কেন্দ্র এটি। ফলে দল থেকে এ আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তিনি বলেন, এ আসন বরাবরই বিএনপির দুর্গ। এখানকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়। ফলে তাঁকে মূল্যায়ন করবে বলে মনে করেন তিনি।
এ দিকে আসনটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও কক্সবাজারের সমন্বয়ক এস এম সুজা উদ্দিন।
কক্সবাজার-৩
কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও—এই তিন এলাকা নিয়ে কক্সবাজার-৩ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালেও বিএনপির দখলে ছিল আসনটি।
এবারও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির মৎস্যজীবীবিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম বেশ মজবুত। জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল আলম বাহাদুর।
কক্সবাজার-৪
মিয়ানমার সীমান্ত এবং সাগর উপকূলের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৪ আসন। এ আসনে ইতিপূর্বে যে দলের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, সে দলই ক্ষমতায় গেছে। এখানে বিএনপির হয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী। এবারও তিনি বিএনপির ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে তাঁর মনোনয়ন বদলের জন্য মাঠে সোচ্চার আছেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর অনুসারীরা।
এবার এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হচ্ছেন দলটির জেলা আমির নূর আহমদ আনোয়ারী। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এবার এ আসন কবজায় নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াত।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে দলীয় প্রার্থী নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন প্রার্থী ও দলীয় নেতা-কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। আশা করি, অতীতের মতো ভোটাররা বিএনপিকে বেছে নেবে।
জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম বলেন, চারটি আসনে ভোটারদের কাছে তাদের প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও আস্থা বেড়েছে। ভোটাররা বেশ সাড়া দিচ্ছেন।

সাগরতীরের জেলা কক্সবাজারে ভোটের আমেজ ফিরে এসেছে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থী ঘোষণার পর জমে উঠেছে প্রচার। চারটি সংসদীয় আসনের তিনটিতে প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিএনপি। বিএনপির ঘোষণার পর কক্সবাজার-৪ আসনের প্রার্থী বদল চেয়ে বিক্ষোভ করেছে দলের একাংশ। অন্য দুটি আসনে বিরোধ নেই। তবে সব আসন নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে মরিয়া জামায়াত।
১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যালোচনায় দেখা যায়, বেশির ভাগ সময় বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। জয়ী হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রার্থীরাও। এবারের নির্বাচনে দলটির প্রার্থী নেই। আর এই সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করছে জামায়াতে ইসলামীসহ ধর্মভিত্তিক অন্য রাজনৈতিক দলগুলো।
১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে জামায়াতে ইসলামী, কক্সবাজার-২ ও ৩ আসনে আওয়ামী লীগ এবং কক্সবাজার-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালের সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-৪ আসন ছাড়া বাকি তিন আসনে বিএনপির প্রার্থী জয়লাভ করেন। এরপর ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হন।
এ ছাড়া ২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারটি আসনের মধ্যে দুটিতে বিএনপি, একটিতে জামায়াতে ইসলামী ও একটি আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জয়ী হন।
কক্সবাজার-১
জাতীয় রাজনীতিতে পরিচিত মুখ বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। ১৯৯১ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) হওয়ার সুবাদে তিনি এলাকায় বেশ উন্নয়ন করেন। এরপর ১৯৯৬ সালে তিনি বিএনপি থেকে এ আসনে নির্বাচন করে জয়ী হন। মামলাজনিত কারণে ২০০৮ সালের নির্বাচনে সালাহউদ্দিন অংশ নিতে না পারলেও তাঁর স্ত্রী হাসিনা আহমদ বিএনপির প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হন।
বরাবরই সালাহউদ্দিন আহমদকে এ আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে বিএনপি। চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক আজকের পত্রিকাকে জানান, কক্সবাজারের উন্নয়নে সালাহউদ্দিন আহমদ পরীক্ষিত নেতা। মানুষ তাঁকে ভালোবাসেন। তিনি এবারও বিপুল ভোটে জয়ী হবেন।
অভিজ্ঞ ও প্রবীণ সালাহউদ্দিন আহমদের সঙ্গে লড়াইয়ে নেমেছেন জামায়াতে ইসলামীর তরুণ নেতা কক্সবাজার শহর জামায়াতে ইসলামীর আমির আবদুল্লাহ আল ফারুক। তিনি বলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে চকরিয়া-পেকুয়ায় মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস তৈরি করতে পেরেছে জামায়াতে ইসলামী। তা অবশ্যই নির্বাচনের রায়ে দেখা যাবে।
কক্সবাজার-২
জেলার দুই দ্বীপ উপজেলা মহেশখালী ও কুতুবদিয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-২ আসন। এই আসন ২০০৮ সালের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। ওই নির্বাচনে বিজয়ী হন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ। এবারও তিনি জামায়াতে ইসলামীর ঘোষিত প্রার্থী। এ আসনে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে বিএনপি থেকে প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছিলেন আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তবে এ পর্যন্ত এ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেনি বিএনপি। এ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে দীর্ঘদিন ধরে প্রচার রয়েছে।
জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ আসন বেশ গুরুত্বপূর্ণ। দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনীতির কেন্দ্র এটি। ফলে দল থেকে এ আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে, তা ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ। তিনি বলেন, এ আসন বরাবরই বিএনপির দুর্গ। এখানকার মানুষ বিএনপিকে ভোট দেয়। ফলে তাঁকে মূল্যায়ন করবে বলে মনে করেন তিনি।
এ দিকে আসনটিতে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও কক্সবাজারের সমন্বয়ক এস এম সুজা উদ্দিন।
কক্সবাজার-৩
কক্সবাজার সদর, রামু ও ঈদগাঁও—এই তিন এলাকা নিয়ে কক্সবাজার-৩ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হন বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজল। এর আগে ২০০১ সালে বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ সহিদুজ্জামান নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালেও বিএনপির দখলে ছিল আসনটি।
এবারও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির মৎস্যজীবীবিষয়ক সম্পাদক লুৎফুর রহমান কাজল দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। এ আসনে জামায়াতের সাংগঠনিক কার্যক্রম বেশ মজবুত। জামায়াতের প্রার্থী হয়েছেন কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শহিদুল আলম বাহাদুর।
কক্সবাজার-৪
মিয়ানমার সীমান্ত এবং সাগর উপকূলের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলা নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-৪ আসন। এ আসনে ইতিপূর্বে যে দলের প্রার্থী জয়ী হয়েছেন, সে দলই ক্ষমতায় গেছে। এখানে বিএনপির হয়ে ১৯৭৯ সাল থেকে নির্বাচন করে আসছেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক হুইপ শাহজাহান চৌধুরী। এবারও তিনি বিএনপির ঘোষিত সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে তাঁর মনোনয়ন বদলের জন্য মাঠে সোচ্চার আছেন জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহর অনুসারীরা।
এবার এ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হচ্ছেন দলটির জেলা আমির নূর আহমদ আনোয়ারী। তিনি টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের চারবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এবার এ আসন কবজায় নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে জামায়াত।
বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী বলেন, চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে দলীয় প্রার্থী নিশ্চিত করা হয়েছে। এখন প্রার্থী ও দলীয় নেতা-কর্মীরা মাঠে কাজ করছেন। আশা করি, অতীতের মতো ভোটাররা বিএনপিকে বেছে নেবে।
জামায়াতে ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম বলেন, চারটি আসনে ভোটারদের কাছে তাদের প্রার্থীর জনপ্রিয়তা ও আস্থা বেড়েছে। ভোটাররা বেশ সাড়া দিচ্ছেন।

রাজশাহী, নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ হাজার ৯১১ মৌজায় এখন খাবারের পানি ছাড়া অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের জন্য ভূগর্ভস্থ পানি তোলা নিষিদ্ধ। সেচ কিংবা শিল্পকারখানার জন্য আর গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করা যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সাতখামাইর পশ্চিম পাড়া গ্রামে প্রায় তিন একর জমিতে মিশ্র বাগানে চাষ করা হয়েছে ম্যান্ডারিন ও দার্জিলিং জাতের কমলা। চার উদ্যোক্তা মিলে এখানে এই মিশ্র ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এই বাগানে রয়েছে অন্তত ১০ জাতের আম, ড্রাগন, বল সুন্দরী বরইসহ বেশ কিছু ফলের গাছ।
১ ঘণ্টা আগে
পাবনার ঈশ্বরদীতে গত বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দুটি মামলা করা হয়েছে। ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ স ম আব্দুন নুর শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাতে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর আগে দুপুরে মামলা দুটি নথিভুক্ত হয়৷
১ ঘণ্টা আগে
৩৫ বছরের পৌরসভা, কিন্তু নেই একটি ডাম্পিং স্টেশন। ফলে মহাসড়কের পাশেই ফেলে রাখা হয় বর্জ্য, দেখে মনে হবে যেন ময়লার বেড়িবাঁধ। এভাবেই পচা গন্ধ আর বিষাক্ত জীবনের সঙ্গে বসবাস পটিয়াবাসীর। একদিকে পরিবেশ ধ্বংস, অন্যদিকে জনস্বাস্থ্যের চরম ঝুঁকি।
৫ ঘণ্টা আগে