দুর্গাপুর (রাজশাহী) প্রতিনিধি
রাজশাহীর দুর্গাপুরে ভ্যানচালক বাবা ও মানুষের বাড়িতে কাজ করা মা জমি বিক্রি ও ঋণ করে সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়ে ১২ বছর পর দেশে ফিরেছেন ছেলে। বর্তমানে সেই প্রবাসী ছেলে তাঁর মায়ের নামে থাকা অবশিষ্ট ২৭ শতাংশ জমি লিখে চান এবং বিভিন্ন সময়ে মা-বাবাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চান।
শুধু তা-ই নয়, আজ রোববার স্ত্রীসহ তাঁর ছেলে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে তাঁকে হত্যাচেষ্টা করেছিলেন বলে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ৬০ বছর বয়সী নারী আংগুরা বেগম। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মহিপাড়া গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী। থানায় নিজের নিরাপত্তা ও ছেলের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযুক্তরা হলেন তাঁর ছেলে সাইদুর রহমান এবং ছেলে বউ রুমি খাতুন।
ভুক্তভোগী নারী আংগুরা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রোববার ভোরে ফজরে নামাজ পড়তে উঠে দরজা খুলে সামনে পা দিতেই আমাকে জোরে ছিটকে ফেলে দেয়। এরপর আলো দিয়ে দেখি দরজার নিচ দিয়ে বিদ্যুতের তার। এ সময় চিৎকার দিলে তারা (ছেলে ও তার স্ত্রী) বিদ্যুতের তার বাইর থেকে সরিয়ে নেয়। পরে পাড়ার লোকজন এসে আমাকে ঘর থেকে বের করে। তারা আমাকে বিদ্যুতের ফাঁদ পেতে মারতে চায়। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে সকালে আমার ছেলে ও তাঁর বউ আমার সঙ্গে ঝগড়া করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মানুষের বাড়িতে কাজ করে, আর আমার স্বামী ভ্যান চালায়ে ছেলেকে বড় করেছি। এরপর সবকিছু বিক্রি করে তাকে বিদেশ পাঠাই। ১২ বছর পর দেশে আসার পর আমার নামে থাকা বাড়িসহ বসতভিটার ২৭ শতক জমি লেখে চায়। আমি দিতে চাইনি। এর পর থেকেই ওরা আমাকে আর আমার স্বামীর ওপর নির্যাতন শুরু করে। ছেলে আর তার বউ মিলে প্রায়ই আমাকে মারধর করে। বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এসব নিয়ে কয়েকবার গ্রামে ও থানায় সালিস হয়েছে। কিন্তু তাদের নির্যাতন কমে নাই।’
অশ্রুসিক্ত হয়ে আংগুরা বেগম বলেন, ‘অভাবে থেকে একসময় যখন সুখ আসে তখন সবকিছু কিনে ছেলের নামে লেখে দিয়েছি। চারটা পুকুর, গ্রামে আবাদি জমি, বাজারে বাড়ি করার জমি সব লেখে দিছি। তারপরও আমার নামে থাকা বাড়িটুকু সে লেখে নিবে। তারপর আমাকে ও আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন আংগুরার ছেলে সাইদুর রহমান। তিনি আজকের বলেন, ‘এমনিই আমার মা ভোরে বিদ্যুতের শক খেয়েছেন বলে নাটক করে লোকজন জড়ো করেছেন।’
এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘আমার টাকা দিয়ে জমি কেনা। সেই জমি মায়ের নামে লেখে নিয়ে বাড়ি করেছে। আমরা সবাই একই বাড়িতে থাকি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। গত শুক্রবারও আমার বোন ও জামাই আমার ওপর আক্রমণ করেছে। কিছু হলেই মা ও বোন মিলে আমার দুই সন্তানসহ বাড়ি থেকে নেমে যেতে বলে।’
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এক বয়স্ক নারী থানায় হাজির হয়েছিলেন। তাঁর বর্ণনা শোনা হয়েছে, একটি অভিযোগও নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
রাজশাহীর দুর্গাপুরে ভ্যানচালক বাবা ও মানুষের বাড়িতে কাজ করা মা জমি বিক্রি ও ঋণ করে সন্তানকে বিদেশে পাঠিয়েছিলেন। অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল হয়ে ১২ বছর পর দেশে ফিরেছেন ছেলে। বর্তমানে সেই প্রবাসী ছেলে তাঁর মায়ের নামে থাকা অবশিষ্ট ২৭ শতাংশ জমি লিখে চান এবং বিভিন্ন সময়ে মা-বাবাকে নির্যাতন করে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চান।
শুধু তা-ই নয়, আজ রোববার স্ত্রীসহ তাঁর ছেলে বৈদ্যুতিক শক দিয়ে তাঁকে হত্যাচেষ্টা করেছিলেন বলে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন ৬০ বছর বয়সী নারী আংগুরা বেগম। তিনি রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার মহিপাড়া গ্রামের আকবর আলীর স্ত্রী। থানায় নিজের নিরাপত্তা ও ছেলের বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
অভিযুক্তরা হলেন তাঁর ছেলে সাইদুর রহমান এবং ছেলে বউ রুমি খাতুন।
ভুক্তভোগী নারী আংগুরা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘রোববার ভোরে ফজরে নামাজ পড়তে উঠে দরজা খুলে সামনে পা দিতেই আমাকে জোরে ছিটকে ফেলে দেয়। এরপর আলো দিয়ে দেখি দরজার নিচ দিয়ে বিদ্যুতের তার। এ সময় চিৎকার দিলে তারা (ছেলে ও তার স্ত্রী) বিদ্যুতের তার বাইর থেকে সরিয়ে নেয়। পরে পাড়ার লোকজন এসে আমাকে ঘর থেকে বের করে। তারা আমাকে বিদ্যুতের ফাঁদ পেতে মারতে চায়। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে সকালে আমার ছেলে ও তাঁর বউ আমার সঙ্গে ঝগড়া করে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মানুষের বাড়িতে কাজ করে, আর আমার স্বামী ভ্যান চালায়ে ছেলেকে বড় করেছি। এরপর সবকিছু বিক্রি করে তাকে বিদেশ পাঠাই। ১২ বছর পর দেশে আসার পর আমার নামে থাকা বাড়িসহ বসতভিটার ২৭ শতক জমি লেখে চায়। আমি দিতে চাইনি। এর পর থেকেই ওরা আমাকে আর আমার স্বামীর ওপর নির্যাতন শুরু করে। ছেলে আর তার বউ মিলে প্রায়ই আমাকে মারধর করে। বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এসব নিয়ে কয়েকবার গ্রামে ও থানায় সালিস হয়েছে। কিন্তু তাদের নির্যাতন কমে নাই।’
অশ্রুসিক্ত হয়ে আংগুরা বেগম বলেন, ‘অভাবে থেকে একসময় যখন সুখ আসে তখন সবকিছু কিনে ছেলের নামে লেখে দিয়েছি। চারটা পুকুর, গ্রামে আবাদি জমি, বাজারে বাড়ি করার জমি সব লেখে দিছি। তারপরও আমার নামে থাকা বাড়িটুকু সে লেখে নিবে। তারপর আমাকে ও আমার স্বামীকে বাড়ি থেকে বের করে দিবে।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেন আংগুরার ছেলে সাইদুর রহমান। তিনি আজকের বলেন, ‘এমনিই আমার মা ভোরে বিদ্যুতের শক খেয়েছেন বলে নাটক করে লোকজন জড়ো করেছেন।’
এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘আমার টাকা দিয়ে জমি কেনা। সেই জমি মায়ের নামে লেখে নিয়ে বাড়ি করেছে। আমরা সবাই একই বাড়িতে থাকি। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পারিবারিক দ্বন্দ্ব চলছে। গত শুক্রবারও আমার বোন ও জামাই আমার ওপর আক্রমণ করেছে। কিছু হলেই মা ও বোন মিলে আমার দুই সন্তানসহ বাড়ি থেকে নেমে যেতে বলে।’
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সকালে নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে এক বয়স্ক নারী থানায় হাজির হয়েছিলেন। তাঁর বর্ণনা শোনা হয়েছে, একটি অভিযোগও নেওয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় গাজীপুর মহানগরীর গাছা থানার তিনটি হত্যা মামলায় শেখ হাসিনা সরকারের ৫ মন্ত্রী ও এক সেনা কর্মকর্তাকে আদালতের মাধ্যমে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আসামি গ্রেপ্তারের আবেদন মঞ্জুর করেন।
৮ মিনিট আগেনেত্রকোনার বারহাট্টায় ইউনুস নামে তিন বছর বয়সী এক শিশু বাড়ির পাশে গর্তে জমা বৃষ্টির পানিতে ডুবে মারা গেছে। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
৩২ মিনিট আগেনোয়াখালী সুবর্ণচরে বাড়ি ফেরার পথে বিকাশ ব্যবসায়ীকে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ সময় তাঁর কাছে থাকা নগদ আড়াই লাখ টাকা ও দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগেমুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামের আপিল শুনানির দিন পিছিয়েছে। আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ আগামী ৬ মে শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে