Ajker Patrika

ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ ৫ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
আপডেট : ০২ মে ২০২৩, ১৫: ৫৪
Thumbnail image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রাসেল মোল্লা ওরফে রাসেলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৫ জুলাই তারিখ ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ কে এম জুলফিকার হায়াত এই তারিখ ধার্য করেন।

আজ সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য প্রথম তারিখ ধার্য ছিল। কিন্তু কোনো সাক্ষী হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল তারিখ পুনর্নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি নজরুল ইসলাম শামীম আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কারাগারে থাকা আসামি রাসেলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। শামীমা পলাতক রয়েছেন। গত বছরের ২৬ অক্টোবর তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে গত ২ মার্চ আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

ডিজিটাল মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আলমগীর হোসেন নামে এক গ্রাহক ইভ্যালির রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বাড্ডা থানায় মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদী ২০২০ সালের শুরুর দিকে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইভ্যালি সম্পর্কে জানতে পারেন। সেখানে কম দামে ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের অফার করা হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বাজারদরের থেকে প্রায় অর্ধেক দামে বিক্রি করার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়। পরবর্তী সময়ে ইভ্যালি অ্যাপের মাধ্যমে দুটি মোবাইল নম্বর দিয়ে দুটি অ্যাকাউন্ট খোলেন বাদী। তিনি নিজের আইডি দিয়ে আনুমানিক পাঁচ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করেন। বন্ধুর নামে আরেকটি আইডি খুলে ২৩ লক্ষাধিক টাকার বিভিন্ন পণ্য অর্ডার করেন। এ দুই আইডি দিয়ে মোট ২৮ লক্ষাধিক টাকার অর্ডার করেন বাদী। এই টাকা পরে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা বিকাশ, নগদ ও বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দেওয়া হয়।

এজাহারে আরও বলা হয়, অর্ডার করা পণ্যগুলো নির্ধারিত ৪৫ কার্যদিবসের মধ্যে দেওয়ার কথা ছিল ইভ্যালির। কিন্তু সাত মাস পেরিয়ে গেলেও পণ্যগুলো বুঝে পাননি মামলার বাদী। এ বিষয়ে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলে তারা পণ্য ডেলিভারি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কালক্ষেপণ করে। মামলার বাদী আলমগীর হোসেন তার ২৮ লাখ টাকার বেশি অর্ডার করা পণ্য বুঝে পাননি বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

এরপর এই মামলার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন সিআইডি পুলিশের উপপরিদর্শক প্রদীপ কুমার।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

নারীদের খেলায় আর নাক গলাবে না, দেশ ও বিশ্ববাসীর কাছে ক্ষমা চাইল ভাঙচুরকারীরা

বিয়ে করলেন সারজিস আলম

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়ছে শ্রীলঙ্কা, ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ কোথায় দেখবেন

ইতালি নেওয়ার কথা বলে লিবিয়ায় ফরিদপুরের ২ জনকে গুলি করে হত্যা

সাবেক শিক্ষার্থীর প্রাইভেট কারে ধাক্কা, জাবিতে ১২ বাস আটকে ক্ষতিপূরণ আদায় ছাত্রদলের

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত