সংস্কার শেষ করে নির্বাচন করার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, সংস্কারপর্ব সমাপ্ত না করে নির্বাচন দেওয়া হলে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে, তাতে কিন্তু সেই আগের অবস্থাই তৈরি হবে। এমনকি বিগত সময়ের চাইতে আরও খারাপ অবস্থা তৈরি হতে পারে।
রাজশাহীতে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন ও জুলাই ৩৬ ফোরাম-অপরাজেয় বাংলা’র উদ্যোগে ‘সমঝোতা ব্যতীত সংবিধান সংস্কার কি সম্ভব’ শীর্ষক সমঝোতা সংলাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। রাজশাহী বিভাগীয় এই সংলাপে বক্তারা বলেন, এখনো বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক দলগুলোরও সংস্কার প্রয়োজন।
স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন স্বাস্থ্যকে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে দেখার প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের স্বাস্থ্যের সকল পর্যায়ের সেবা নিশ্চিতে বরাদ্দ ও ব্যয়ের সমন্বয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়কে জনকল্যাণমূলক ও অলাভজনক হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
টেলিযোগাযোগ খাতের নেটওয়ার্ক ও লাইসেন্সিং কাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে দ্বিতীয় পরামর্শমূলক কর্মশালা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিটিআরসি ভবনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
সংবিধানের পুনর্লিখন নয়, বরং সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন সংবিধানপ্রণেতা ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, বর্তমান সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা বজায় রেখে সংস্কার প্রস্তাব আনা যেতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী...
সিরিয়ার ডি-ফ্যাক্টো শাসক ও প্রেসিডেন্ট আহমদ আল-শারার উদ্যোগে শুরু হয়েছে জাতীয় সংলাপ। সেখানে তিনি দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার শুরুতে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি নতুন করে গড়তে ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছেন।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে জনমনে কিছুটা স্বস্তি দেখা দেয়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সংস্কার করে ধীরে হলেও দেশ নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাবে, এমন আশাবাদের কথা শোনা যায়।
বাংলাদেশে দলগুলো ঐকমত্যের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা তৈরি করেছিল উল্লেখ করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, জাতীয় ঐক্যের কথা বলা হচ্ছে, এর লিখিত রূপ হিসেবে জাতীয় সনদের কথা বলা হচ্ছে। সেটা হচ্ছে সামাজিক চুক্তি। রাষ্ট্র তার নাগরিকদের সঙ্গে চুক্তি করবে। ফলে নাগরিকের
সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আগামী ডিসেম্বর বা তার কাছাকাছি সময়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া উচিত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার এর মধ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করবে।
দেশের অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে আলোচনা চলছে দীর্ঘদিন ধরে। সমস্যাগুলো সবারই কমবেশি জানা, আলোচনার কমতিও নেই। সংশ্লিষ্টরা বারবার বলেছেন, বিশ্লেষণও করেছেন—কোথায় কী সমস্যা। কিন্তু সমাধান কোথায়? কেন সংস্কার বাস্তবায়িত হয় না? কোথায় গিয়ে সব থেমে যায়? প্রশ্নগুলোর উত্তরই যেন সবচেয়ে বেশি অনুপস্থিত।
স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী জুনের মধ্যে স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব নয় জানিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য ধরেই তাঁরা এগোচ্ছেন।
গত বছরের শুরু থেকেই নির্বাচিত কমিটির সদস্যদের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও দ্বন্দ্বে স্থবির হয়ে পড়ে টিভি নাটকের নির্মাতাদের সংগঠন ডিরেক্টরস গিল্ড। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর গঠন করা হয় অন্তর্বর্তী সংস্কার কমিটি। ২২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হলো সংগঠনের ২০২৫-২৭ মেয়াদের নির্বাচন। এতে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন...
আগামী ডিসেম্বরে দেশে নির্বাচন দিতে চায় সরকার। সম্প্রতি দুবাইয়ে ওয়ার্ল্ড গভর্নমেন্ট সামিটের এক অধিবেশনে এমনটাই জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। নির্বাচন কমিশনও (ইসি) সে অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে সেটি স্থানীয় নির্বাচন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নাকি গণপরিষদ নির্বাচন—তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা
গণ-অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্র সংস্কারের যে আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠেছিল সাধারণ মানুষের মনে, তা ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন ইস্যুতে অরাজকতা চালিয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করে তোলা হচ্ছে। যারা করছে, তারা তৌহিদী জনতাসহ নানা নামে উগ্র ধর্মান্ধতাও ছড়াচ্ছে। মব যেন একটা সিগনেচার টিউনে পরিণত হয়েছে।
সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন এ মুহূর্তে একসঙ্গে করা সম্ভব বলে মনে করছে স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। আগামী জুনের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের ভোট শেষ করা যেতে পারে বলে নিজেদের সুপারিশে জানিয়েছে কমিশন।
ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন বলেছেন, ‘যারা কোনো উপাসনালয়, কোনো ধর্মাবলম্বী মানুষের ওপর হামলা করে তারা সন্ত্রাসী-কালপ্রিট। তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা দিতেও সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে সংস্কার চলেছে। বি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো শেষ হয়নি হাওরের বোরো ফসল রক্ষা বাঁধের সংস্কারকাজ। গত বছরের ১৫ ডিসেম্বর বাঁধের কাজ শুরু হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ হওয়ার কথা। তবে নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ নিয়ে শঙ্কায় স্থানীয় কৃষকেরা।