অনলাইন ডেস্ক
বাইরে যখন অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে, ড্রেসিংরুমের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের সঙ্গে কথা বলছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বাকিরা পাশেই ছিলেন নিজেদের মধ্যে আলোচনায়। কমেন্ট্রি বক্সে আতহার আলী খানের সঙ্গে পাকিস্তানের বাজিদ খান ও ইংল্যান্ডের মাইক আথারটন তখন বিশ্লেষণ করছিলেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিয়ে। আতহার আলী খান বলছিলেন, দল-নির্বাচনের ভুল নিয়ে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞ লিটন দাসকে দলে না রাখাটা সিদ্ধান্তগত ভুল বলে মনে করেন আতহার। সাকিব আল হাসানের অভাব পূরণে দলের ব্যর্থতার কথাও বলেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শান্তরা। প্রকৃতি কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশকে। শান্তর কণ্ঠে তাই হতাশা, ‘সত্যি বলতে এটা হতাশার। তবে এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা চেয়েছিলাম ম্যাচটি মাঠে গড়াক। কিন্তু...ক্রিকেটে এটা হতেই পারে।’
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই দল বাজে ব্যাটিং করছে। ব্যাটারদের চেয়ে বোলাররা তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। শান্ত বললেন, ‘আমি আমাদের বোলিং আক্রমণ নিয়ে দারুণ খুশি, বিশেষ করে পেসারদের পারফরম্যান্স নিয়ে। গত কয়েক বছরে আমাদের দলে ভালো কিছু পেসার এসেছে, যারা তাদের দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করছে। নাহিদ রানা ও তাসকিন (আহমেদ) দুর্দান্ত বোলিং করেছে, অভিজ্ঞ মোস্তাফিজুর রহমানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের পেস আক্রমণ এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। পাশাপাশি রিশাদও লেগ স্পিনার হিসেবে ভালো করছে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
বোলারদের ভালো করাটাই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দলের ইতিবাচক দিক। শান্তর ভাষায়, ‘দুটি ম্যাচ হারলেও আমাদের বোলিং আক্রমণ দিয়ে লড়াই করেছি। এটা আমাদের জন্য ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা হবে। অবশ্যই কিছু ভুল করেছি, সেগুলো শুধরে নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগোতে চাই। আমরা যদি সঠিকভাবে ফিরে আসতে পারি এবং সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারি, তাহলে ভালো কিছু হবে।’
স্ট্রাইক রোটেট নিয়ে দলের সমস্যা বহু পুরোনো। যে কারণে ম্যাচে প্রচুর ডটবলও দিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ডট বলের ম্যাচগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ (১৮১ ডট বল)। এরপর রয়েছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড (১৬২), বাংলাদেশ-ভারত (১৬০), আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা (১৫৬) এবং পাকিস্তান-ভারত (১৫২) ম্যাচ।
এ বিষয়ে শান্ত বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা প্রস্তুতির ঘাটতি অনুভব করেছি। কীভাবে স্ট্রাইক রোটেট করব এবং ম্যাচের চ্যালেঞ্জগুলো সামাল দেব, সেসব বিষয়ে আমাদের আরও কাজ করা প্রয়োজন ছিল। আমি বিশ্বাস করি, সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং ভবিষ্যতে নিজেদের উন্নতির জন্য কাজ করবে।’
বাইরে যখন অঝোরে বৃষ্টি পড়ছে, ড্রেসিংরুমের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধান কোচ ফিল সিমন্সের সঙ্গে কথা বলছিলেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। বাকিরা পাশেই ছিলেন নিজেদের মধ্যে আলোচনায়। কমেন্ট্রি বক্সে আতহার আলী খানের সঙ্গে পাকিস্তানের বাজিদ খান ও ইংল্যান্ডের মাইক আথারটন তখন বিশ্লেষণ করছিলেন চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিয়ে। আতহার আলী খান বলছিলেন, দল-নির্বাচনের ভুল নিয়ে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফি মতো গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টে অভিজ্ঞ লিটন দাসকে দলে না রাখাটা সিদ্ধান্তগত ভুল বলে মনে করেন আতহার। সাকিব আল হাসানের অভাব পূরণে দলের ব্যর্থতার কথাও বলেন তিনি।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচটিতে ঘুরে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন শান্তরা। প্রকৃতি কিন্তু সে সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশকে। শান্তর কণ্ঠে তাই হতাশা, ‘সত্যি বলতে এটা হতাশার। তবে এটি আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই। আমরা চেয়েছিলাম ম্যাচটি মাঠে গড়াক। কিন্তু...ক্রিকেটে এটা হতেই পারে।’
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচেই দল বাজে ব্যাটিং করছে। ব্যাটারদের চেয়ে বোলাররা তুলনামূলকভাবে ভালো করেছে। শান্ত বললেন, ‘আমি আমাদের বোলিং আক্রমণ নিয়ে দারুণ খুশি, বিশেষ করে পেসারদের পারফরম্যান্স নিয়ে। গত কয়েক বছরে আমাদের দলে ভালো কিছু পেসার এসেছে, যারা তাদের দায়িত্ব দারুণভাবে পালন করছে। নাহিদ রানা ও তাসকিন (আহমেদ) দুর্দান্ত বোলিং করেছে, অভিজ্ঞ মোস্তাফিজুর রহমানও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। আমাদের পেস আক্রমণ এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। পাশাপাশি রিশাদও লেগ স্পিনার হিসেবে ভালো করছে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতে দলের প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।’
বোলারদের ভালো করাটাই চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে দলের ইতিবাচক দিক। শান্তর ভাষায়, ‘দুটি ম্যাচ হারলেও আমাদের বোলিং আক্রমণ দিয়ে লড়াই করেছি। এটা আমাদের জন্য ভবিষ্যতে অনুপ্রেরণা হবে। অবশ্যই কিছু ভুল করেছি, সেগুলো শুধরে নিয়ে সঠিক পরিকল্পনা নিয়ে সামনে এগোতে চাই। আমরা যদি সঠিকভাবে ফিরে আসতে পারি এবং সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারি, তাহলে ভালো কিছু হবে।’
স্ট্রাইক রোটেট নিয়ে দলের সমস্যা বহু পুরোনো। যে কারণে ম্যাচে প্রচুর ডটবলও দিয়েছে বাংলাদেশ। চলতি আসরে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ডট বলের ম্যাচগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড ম্যাচ (১৮১ ডট বল)। এরপর রয়েছে পাকিস্তান-নিউজিল্যান্ড (১৬২), বাংলাদেশ-ভারত (১৬০), আফগানিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা (১৫৬) এবং পাকিস্তান-ভারত (১৫২) ম্যাচ।
এ বিষয়ে শান্ত বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা প্রস্তুতির ঘাটতি অনুভব করেছি। কীভাবে স্ট্রাইক রোটেট করব এবং ম্যাচের চ্যালেঞ্জগুলো সামাল দেব, সেসব বিষয়ে আমাদের আরও কাজ করা প্রয়োজন ছিল। আমি বিশ্বাস করি, সবাই বিষয়টি বুঝতে পেরেছে এবং ভবিষ্যতে নিজেদের উন্নতির জন্য কাজ করবে।’
ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক শীতল সম্পর্ক নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই। এর প্রভাব অনেক আগে থেকেই ক্রিকেটে পড়ছে। যে কারণে পাকিস্তানের মাটিতে নয়, ভারত চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে তাদের ম্যাচগুলো খেলছে দুবাইয়ে। এমন সিদ্ধান্তের পর পাকিস্তানও ভারতের মাটিতে পরবর্তী আইসিসি টুর্নামেন্ট খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
২৯ মিনিট আগেবিদায়ের পর দল থেকে ‘বাটলার হটাও’ রব উঠে গেছে ইংল্যান্ডের ক্রিকেটে। ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে মাইক আথারটন বলেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে তার (জস বাটলারের) সময় ফুরিয়েছে বলে মনে করি আমি। ইংল্যান্ড নিজেদের বিচার করে আইসিসি ইভেন্ট দিয়ে। কিন্তু ইংল্যান্ড...
৩৫ মিনিট আগেসেদিন তর্কসাপেক্ষে ওয়ানডে ইতিহাসের সেরা ইনিংসটাই খেলেছিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ওয়ানডে বিশ্বকাপে মুম্বাইয়ে হওয়া সেই ম্যাচে আফগানিস্তানের ২৯১ রানের জবাব দিতে এসে ৯১ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে পথ হারিয়ে বসেছিল অস্ট্রেলিয়া।
১ ঘণ্টা আগের্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের (১৩২) চেয়ে ১৬ ধাপ এগিয়ে আছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (১১৬)। নতুন বাংলাদেশের শুরুটা কেমন হবে তা একপ্রকার অনুমিত ছিল। কোচ পিটার বাটলারও অকল্পনীয় কিছু ভাবেননি।
২ ঘণ্টা আগে