ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে গতকাল শনিবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, এলডিপি, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ ২৭টি দল ও জোটের প্রায় ১০০ রাজনীতিক অংশ নেন। এই বৈঠকে জাতীয় নাগরিক কমিটিও অংশ নেয়। এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের জোটে থাকা কোনো দল ও জাতীয় পার্টিকে ডাকা হয়নি।
বৈঠকের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আজকের সভার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম অধ্যায় শেষ এবং দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে।’ এই বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা ও সংঘর্ষের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিগুলো একই ক্যাপশনে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছে। ছবিগুলোতে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে খোলা রাস্তায় কয়েকজন যুবককে দেখা গেছে।
অ্যালেন সরব (Allen Shorob) নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল রাত ৮টা ২৭ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘আজ নাকি বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সুচনা হইছে। অপদেস্টার প্রেচ উইংন্স থেকে কইলো। এই তার নমুনা। ওপেন আ*স্ত্র নিয়ে এইসব কি চলছে দেশে।’ (বানান অপরিবর্তিত)
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ওই পোস্টে ৪৪০টি রিঅ্যাকশন পড়েছে, শেয়ার হয়েছে ৯৯ বার। এ পোস্টে ৩৪টি কমেন্ট পড়েছে। এসব কমেন্টে কেউ কেউ ছবিগুলো পুরোনো বলে উল্লেখ করেছে। আবার অনেকে সত্য মনে করে কমেন্ট করেছে। আশিকুজ্জামান পিন্টু (Ashikuzzaman Pintu) নামের অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছে, ‘দেশটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।’ (বানান অপরিবর্তিত)। মো. জাকির হোসাইন (Md. Zakir Hossain) লিখেছে, ‘এগুলো কি সেনাবাহিনীর চোখে পড়ে না?’ (বানান অপরিবর্তিত)
একই ছবি নুসরাত জাহান দোলনা (Nusrat Jahan Dolna) নামের অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটে পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে, এগুলো শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ছবি। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, ‘আজ নাকি বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সুচনা হইছে। অপদেস্টার প্রেচ উইংন্স থেকে কইলো। এই তার নমুনা। ওপেন অস্ত্র নিয়ে এইসব কি চলছে দেশে। সম্ভবত চট্টগ্রামের রাউজানে। আজকে রাউজানে বিম্পির দুই গ্রুপের টি টুয়েন্টি চলাকালীন এলোপাতাড়ি গুলিতে এক উইকেটের পতন।’ (বানান অপরিবর্তিত)
এ ছাড়া ছবিগুলো সম্প্রতি ঢাকার গুলিস্তান থেকে তোলা হয়েছে দাবিতেও প্রচার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৩৩ মিনিটে করা পোস্টের ক্যাপশনে লেখা আছে, ‘বাহ স্বাধীন লাল গুলিস্তান।’
ছড়িয়ে পড়া পোস্টের প্রথম ছবিটি রিভার্স ইমেজে সার্চ করা হলে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ড. এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের ব্লগসাইটের একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি ২০১৮ সালের ৮ মার্চ প্রকাশিত হয়। একই প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের তৃতীয় ছবিটিও পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বেলা ১১টার দিকে বিএনপির দেশব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলটির ঢাকা মহানগর শাখা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি মানববন্ধন করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় আটকে রাখার প্রতিবাদে। সেই মানববন্ধন থেকে বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের (সাবেক) সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে সাদা পোশাকে একদল সশস্ত্র যুবক ধরে নিয়ে যায়।
এই দুই ছবিতে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে থাকা দ্বিতীয় ও চতুর্থ ছবির ব্যক্তিদের একই পোশাক ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যায়। অর্থাৎ ছবিগুলো একই ঘটনার।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করলে প্রথম আলোয় ২০১৮ সালের ৬ মার্চে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের তৃতীয় ছবিটি পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ মার্চে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। সেই মানববন্ধনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মানববন্ধন চলাকালে সাধারণ পোশাকে অস্ত্রসহ কিছু মানুষ বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের (সাবেক) সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে আটক করে। পরে তাদের লক্ষ্য করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলের হেলমেট ছুড়ে মারলে তাঁদের হাতে থাকা অস্ত্র উঁচিয়ে জানান তাঁরা পুলিশ সদস্য।
একই বিষয়ে তখন বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর, প্রতিদিনের সংবাদ, রাইজিংবিডিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানে পেয়ার মোহাম্মদ চৌধুরী বাবু নামে সাবেক এক ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা।
সুতরাং, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বৈঠক নিয়ে প্রেস উইংয়ের বক্তব্যের পর দেশে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা ও সংঘর্ষের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ছবিগুলো ২০১৮ সালের ভিন্ন ঘটনার। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৮ সালের ৬ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে সাদা পোশাকে পুলিশের আটক করার ঘটনার ছবি সাম্প্রতিক দাবিতে ছড়ানো হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে গতকাল শনিবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ব্যক্তিদের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, এলডিপি, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), খেলাফত মজলিস, গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদসহ ২৭টি দল ও জোটের প্রায় ১০০ রাজনীতিক অংশ নেন। এই বৈঠকে জাতীয় নাগরিক কমিটিও অংশ নেয়। এ বৈঠকে আওয়ামী লীগের জোটে থাকা কোনো দল ও জাতীয় পার্টিকে ডাকা হয়নি।
বৈঠকের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘আজকের সভার মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রথম অধ্যায় শেষ এবং দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু হয়েছে।’ এই বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা ও সংঘর্ষের কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিগুলো একই ক্যাপশনে বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছে। ছবিগুলোতে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে খোলা রাস্তায় কয়েকজন যুবককে দেখা গেছে।
অ্যালেন সরব (Allen Shorob) নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল রাত ৮টা ২৭ মিনিটে প্রকাশিত পোস্টটি সবচেয়ে বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ক্যাপশনে লেখা, ‘আজ নাকি বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সুচনা হইছে। অপদেস্টার প্রেচ উইংন্স থেকে কইলো। এই তার নমুনা। ওপেন আ*স্ত্র নিয়ে এইসব কি চলছে দেশে।’ (বানান অপরিবর্তিত)
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ওই পোস্টে ৪৪০টি রিঅ্যাকশন পড়েছে, শেয়ার হয়েছে ৯৯ বার। এ পোস্টে ৩৪টি কমেন্ট পড়েছে। এসব কমেন্টে কেউ কেউ ছবিগুলো পুরোনো বলে উল্লেখ করেছে। আবার অনেকে সত্য মনে করে কমেন্ট করেছে। আশিকুজ্জামান পিন্টু (Ashikuzzaman Pintu) নামের অ্যাকাউন্ট থেকে লিখেছে, ‘দেশটা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।’ (বানান অপরিবর্তিত)। মো. জাকির হোসাইন (Md. Zakir Hossain) লিখেছে, ‘এগুলো কি সেনাবাহিনীর চোখে পড়ে না?’ (বানান অপরিবর্তিত)
একই ছবি নুসরাত জাহান দোলনা (Nusrat Jahan Dolna) নামের অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার রাত ১১টা ৩৩ মিনিটে পোস্ট করে দাবি করা হয়েছে, এগুলো শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ছবি। পোস্টের ক্যাপশনে লেখা, ‘আজ নাকি বাংলাদেশের নতুন অধ্যায়ের সুচনা হইছে। অপদেস্টার প্রেচ উইংন্স থেকে কইলো। এই তার নমুনা। ওপেন অস্ত্র নিয়ে এইসব কি চলছে দেশে। সম্ভবত চট্টগ্রামের রাউজানে। আজকে রাউজানে বিম্পির দুই গ্রুপের টি টুয়েন্টি চলাকালীন এলোপাতাড়ি গুলিতে এক উইকেটের পতন।’ (বানান অপরিবর্তিত)
এ ছাড়া ছবিগুলো সম্প্রতি ঢাকার গুলিস্তান থেকে তোলা হয়েছে দাবিতেও প্রচার করা হয়েছে। ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রলীগ নামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে গতকাল শনিবার দিবাগত রাত ১২টা ৩৩ মিনিটে করা পোস্টের ক্যাপশনে লেখা আছে, ‘বাহ স্বাধীন লাল গুলিস্তান।’
ছড়িয়ে পড়া পোস্টের প্রথম ছবিটি রিভার্স ইমেজে সার্চ করা হলে বিএনপির তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক ড. এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামানের ব্লগসাইটের একটি প্রতিবেদনে পাওয়া যায়। প্রতিবেদনটি ২০১৮ সালের ৮ মার্চ প্রকাশিত হয়। একই প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের তৃতীয় ছবিটিও পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ মার্চ বেলা ১১টার দিকে বিএনপির দেশব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দলটির ঢাকা মহানগর শাখা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে একটি মানববন্ধন করে বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলায় আটকে রাখার প্রতিবাদে। সেই মানববন্ধন থেকে বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের (সাবেক) সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে সাদা পোশাকে একদল সশস্ত্র যুবক ধরে নিয়ে যায়।
এই দুই ছবিতে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে থাকা দ্বিতীয় ও চতুর্থ ছবির ব্যক্তিদের একই পোশাক ও আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দেখা যায়। অর্থাৎ ছবিগুলো একই ঘটনার।
এসব তথ্যসূত্র গুগলে সার্চ করলে প্রথম আলোয় ২০১৮ সালের ৬ মার্চে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। প্রতিবেদনে ছড়িয়ে পড়া পোস্টের তৃতীয় ছবিটি পাওয়া যায়।
প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৬ মার্চে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করেন দলটির নেতা-কর্মীরা। সেই মানববন্ধনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সেদিন দুপুর পৌনে ১২টার দিকে মানববন্ধন চলাকালে সাধারণ পোশাকে অস্ত্রসহ কিছু মানুষ বিএনপির অঙ্গসংগঠন স্বেচ্ছাসেবক দলের (সাবেক) সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে আটক করে। পরে তাদের লক্ষ্য করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলের হেলমেট ছুড়ে মারলে তাঁদের হাতে থাকা অস্ত্র উঁচিয়ে জানান তাঁরা পুলিশ সদস্য।
একই বিষয়ে তখন বাংলানিউজ টুয়েন্টিফোর, প্রতিদিনের সংবাদ, রাইজিংবিডিসহ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার চট্টগ্রামের রাউজানে পেয়ার মোহাম্মদ চৌধুরী বাবু নামে সাবেক এক ছাত্রদল নেতাকে গুলি করে ফেলে রেখে যায় অজ্ঞাত অস্ত্রধারীরা।
সুতরাং, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বৈঠক নিয়ে প্রেস উইংয়ের বক্তব্যের পর দেশে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে হামলা ও সংঘর্ষের দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ছবিগুলো ২০১৮ সালের ভিন্ন ঘটনার। প্রকৃতপক্ষে, ২০১৮ সালের ৬ মার্চ জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিউল বারী বাবুকে সাদা পোশাকে পুলিশের আটক করার ঘটনার ছবি সাম্প্রতিক দাবিতে ছড়ানো হয়েছে।
রাজধানীর বনশ্রীর ডি ব্লকের ৭ নম্বর রোডে গত রোববার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে তিনটি মোটরসাইকেলে এসে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কাছ থেকে স্বর্ণ ও টাকা ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নিরাপত্তার দাবিতে গতকাল সোমবার ‘রামপুরা ছাত্র-জনতা’র ব্যানারে বনশ্রীতে মশাল মিছিল হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগেবিশ্বজুড়ে মানুষের জীবন-যাপনে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে কফি। নাগরিক ও কর্মব্যস্ত জীবনে ক্লান্তি-অবসাদ দূর করে সজীবতা আনতে পানীয় হিসেবে । কফির জুড়ি নেই। এই পানীয় নিয়ে লোকমুখে একটি তথ্য বহুদিন ধরে প্রচার হয়ে আসছে। তা হচ্ছে— কফি পান করলে মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়। সত্যিই কি তাই? এই বিষয়ে
১ দিন আগেসোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে, এক বাংলাদেশি তরুণী ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ হিসেবে নিজের স্তন উন্মুক্ত করেছেন। তবে অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভিডিওটি ভারতের কলকাতার অভিনেত্রী কিনকিনি সেনগুপ্ত সরকারের, যা ২০২০ সালে কোভিড-১৯ লকডাউনের সময় একটি নাটিকার অংশ হিসেবে তৈরি হয়েছিল।
২ দিন আগেআজকে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) একজন তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে-এই দাবিতে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটি বিভিন্ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ও পেজ থেকে প্রায় একই ক্যাপশনে ছড়ানো হয়েছে। ভিডিওটিতে জঙ্গলের একটি গাছের সঙ্গে একজন তরুণীর গলায় কাপড় দিয়ে বাঁধা অবস্থায় মাটিতে বসে থাকতে দেখা যায়।
৩ দিন আগে