অনলাইন ডেস্ক
তালিকা প্রকাশিত হয়েছে ফোর্বস বিলিয়নিয়ারস-২০২৫ এর। তালিকায় টেসলার সিইও ইলন মাস্ক ৩৪২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির স্থান ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন মেটার প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। তাঁর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ২১৬ বিলিয়ন ডলার। যেখানে জেফ বেজোসের মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ২১৫ বিলিয়ন ডলার।
ভারতের অন্যতম ধনকুবের গৌতম আদানির অবস্থান গত বছরের তুলনায় পিছিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৮-এ। এ বছর গৌতম আদানির সম্পদ দেখানো হয়েছে ৫৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন। গত বছর যার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৮৪ বিলিয়ন ডলার, অবস্থান ছিল ১৭তম। ২০২৩ সালে গৌতম আদানির সম্পদমূল্য ছিল ৪৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন, ফলে ফোর্বসের ধনীদের তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ২৪তম।
এ ছাড়া সমপরিমাণ আয় নিয়ে একই অবস্থান ভাগাভাগি করে জায়গা হয়েছে হলিউড অভিনেতা আরনল্ড শোয়ার্জনেগার এবং কৌতুক অভিনেতা জেরি সাইনফেল্ডের। সেই সঙ্গে এই বিলিয়নিয়ারের তালিকায় নতুন যুক্ত হয়েছেন ২৮৮ জন। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন রক মিউজিকের কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন।
এ বছর ফোর্বসের বিলিয়নিয়ারস তালিকা অনুযায়ী, শোয়ার্জনেগার এবং সাইনফেল্ডের মোট সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। দুজনই এ তালিকায় ২৭৯০ নম্বরে অবস্থান করছেন।
আরনল্ড শোয়ার্জনেগার সিনেমা থেকে শত শত মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। তাঁর রিয়েল এস্টেট, ব্যক্তিগত শেয়ার এবং শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে।
অন্যদিকে, সাইনফেল্ডের সঙ্গে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি রয়েছে। তাঁর সিটকম ‘সাইনফেল্ড’ পাঁচ বছর ধরে স্ট্রিম করার সুবিধা পেয়েছে। এর বাইরেও তিনি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি এবং অন্যান্য স্ট্রিমিং প্রকল্প থেকে মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।
ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে বিলিয়নিয়ারের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন। প্রায় এক দশক ধরে একেকটি সফল ও জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে এ বিশাল সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এ বছর বিলিয়নিয়ারস তালিকায় ২৬২৩ নম্বরে অবস্থান করছেন।
গত এক দশকে ব্রুসের ২১টি স্টুডিও অ্যালবাম, ১০টি লাইভ অ্যালবাম এবং ৭টি ইপি (এক্সটেনডেড প্লে) মুক্তি পেয়েছে এবং যেগুলো বিশ্বব্যাপী ১৪০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। ২০২১ সালে তিনি সনি মিউজিককে তাঁর সংগীতের স্বত্ব ৫০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেন, যা সংগীত ইতিহাসের অন্যতম বড় ক্যাটালগ বিক্রি ছিল।
তালিকা প্রকাশিত হয়েছে ফোর্বস বিলিয়নিয়ারস-২০২৫ এর। তালিকায় টেসলার সিইও ইলন মাস্ক ৩৪২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ নিয়ে বিশ্বের শীর্ষ ধনী ব্যক্তির স্থান ধরে রেখেছেন। অন্যদিকে আমাজনের প্রতিষ্ঠাতা জেফ বেজোসকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন মেটার প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ। তাঁর সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ২১৬ বিলিয়ন ডলার। যেখানে জেফ বেজোসের মোট সম্পদ দেখানো হয়েছে ২১৫ বিলিয়ন ডলার।
ভারতের অন্যতম ধনকুবের গৌতম আদানির অবস্থান গত বছরের তুলনায় পিছিয়ে দাঁড়িয়েছে ২৮-এ। এ বছর গৌতম আদানির সম্পদ দেখানো হয়েছে ৫৬ দশমিক ৩ বিলিয়ন। গত বছর যার মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছিল ৮৪ বিলিয়ন ডলার, অবস্থান ছিল ১৭তম। ২০২৩ সালে গৌতম আদানির সম্পদমূল্য ছিল ৪৯ দশমিক ৭ বিলিয়ন, ফলে ফোর্বসের ধনীদের তালিকায় তাঁর অবস্থান ছিল ২৪তম।
এ ছাড়া সমপরিমাণ আয় নিয়ে একই অবস্থান ভাগাভাগি করে জায়গা হয়েছে হলিউড অভিনেতা আরনল্ড শোয়ার্জনেগার এবং কৌতুক অভিনেতা জেরি সাইনফেল্ডের। সেই সঙ্গে এই বিলিয়নিয়ারের তালিকায় নতুন যুক্ত হয়েছেন ২৮৮ জন। যাঁদের মধ্যে রয়েছেন রক মিউজিকের কিংবদন্তি ব্রুস স্প্রিংস্টিন।
এ বছর ফোর্বসের বিলিয়নিয়ারস তালিকা অনুযায়ী, শোয়ার্জনেগার এবং সাইনফেল্ডের মোট সম্পদ ১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। দুজনই এ তালিকায় ২৭৯০ নম্বরে অবস্থান করছেন।
আরনল্ড শোয়ার্জনেগার সিনেমা থেকে শত শত মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন। তাঁর রিয়েল এস্টেট, ব্যক্তিগত শেয়ার এবং শেয়ারবাজারে বড় ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে।
অন্যদিকে, সাইনফেল্ডের সঙ্গে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের একটি চুক্তি রয়েছে। তাঁর সিটকম ‘সাইনফেল্ড’ পাঁচ বছর ধরে স্ট্রিম করার সুবিধা পেয়েছে। এর বাইরেও তিনি স্ট্যান্ড-আপ কমেডি এবং অন্যান্য স্ট্রিমিং প্রকল্প থেকে মিলিয়ন ডলার আয় করেছেন।
ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে বিলিয়নিয়ারের তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ব্রুস স্প্রিংস্টিন। প্রায় এক দশক ধরে একেকটি সফল ও জনপ্রিয় গানের মাধ্যমে এ বিশাল সম্পত্তি অর্জন করেছেন। এ বছর বিলিয়নিয়ারস তালিকায় ২৬২৩ নম্বরে অবস্থান করছেন।
গত এক দশকে ব্রুসের ২১টি স্টুডিও অ্যালবাম, ১০টি লাইভ অ্যালবাম এবং ৭টি ইপি (এক্সটেনডেড প্লে) মুক্তি পেয়েছে এবং যেগুলো বিশ্বব্যাপী ১৪০ মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে। ২০২১ সালে তিনি সনি মিউজিককে তাঁর সংগীতের স্বত্ব ৫০০ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেন, যা সংগীত ইতিহাসের অন্যতম বড় ক্যাটালগ বিক্রি ছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর প্রধান মার্কিন শেয়ারবাজারগুলোর সূচক ২০২০ সালের পর সবচেয়ে বড় দৈনিক পতন দেখেছে। এক দিনেই মার্কিন শেয়ার বাজারগুলো থেকে উধাও হয়ে গেছে ২ দশমিক ৪ ট্রিলিয়ন ডলার বা ২ লাখ ৪০ হাজার কোটি ডলার।
৩১ মিনিট আগেদ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে বিশ্ববাজারে উদারীকরণ করে আসছে আমেরিকা। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতির ঘোষণায় এক কলমের খোঁচায় তা শেষ হয়ে গেল। এটা শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, সারা বিশ্বের জন্য দুর্যোগের বার্তা নিয়ে আসছে।
৩ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্র হঠাৎ করে যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল, এটা আমাদের কাছে অনেকটা বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতো এসেছে। আমরা মনে করি, এতে পোশাকশিল্প রপ্তানি বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটা থেকে কিছু সুবিধা (অ্যাডভানটেজ) নেওয়ার পরিস্থিতিও এখানে আছে, যদি আমরা আলোচনা-সমঝোতা করে সেটা নিতে পারি।
৩ ঘণ্টা আগেযুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত বুধবার এক ঘোষণায় বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর উচ্চ হারে নতুন শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের এ তালিকায় বাদ পড়েনি বাংলাদেশের নামও। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাংলাদেশি পণ্যের ওপর বাড়তি ৩৭ শতাংশ শুল্ক যুক্ত হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে