Ajker Patrika

বায়ুদূষণের কারণে বাড়ছে অ্যাজমা রোগী: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
আপডেট : ১৩ জুন ২০২৪, ১৮: ০৯
বায়ুদূষণের কারণে বাড়ছে অ্যাজমা রোগী: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী

বায়ুদূষণের কারণে দেশে অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা বাড়ছে বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী। 

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারদলীয় এমপি এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, বায়ুদূষণের মাত্রা বেশি হলে সংগত কারণে অ্যাজমা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে। যেহেতু দেশে বায়ুদূষণ বেশি, সে ক্ষেত্রে অ্যাজমায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনস্বার্থে বায়ুদূষণ শূন্যের কোটায় আনার জন্য সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। 

দেশের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে জারিকৃত বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালা, ২০২২ কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বায়ুদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০২২-এর আলোকে মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত বায়ুদূষণ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি বায়ুদূষণ রোধে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করছে।

সরকারদলীয় এমপি ননী গোপাল মন্ডলের প্রশ্নের জবাবে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, দেশে বর্তমানে ৬ হাজার ৮৭৬টি ইটভাটা রয়েছে। ২০১৯ সালের এপ্রিল হতে চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ২ হাজার ৩৩৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয়। যাতে ৪ হাজার ৪৩৬ মামলা দায়ের করে ৯৮ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড এবং ১১১ কোটি ৫০ লাখ ৩৩ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করাসহ ১ হাজার ১৮০টি ইটভাটার কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।

স্বতন্ত্র এমপি তাহমিনা বেগমের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, এলাকাভিত্তিক প্রত্যন্ত এলাকায় নেটওয়ার্ক দুর্বল হওয়ার কারণে যেকোনো সময় সমস্যা হয়। তবে সারা দেশেই অনলাইন সিস্টেম চালু রয়েছে। নাগরিকদের নিরবচ্ছিন্ন ভূমিসেবা প্রদানের লক্ষ্যে শক্তিশালী সার্ভার স্থাপনসহ ইন্টারনেটের গতি বাড়ানোর জন্য বিসিসির সঙ্গে একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্বতন্ত্র এমপি পংকজ নাথের প্রশ্নের জবাবে ভূমিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ জানান, সারা দেশে ‘ক’ তালিকাভুক্ত অর্পিত সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ ট্রাইব্যুনালে ১ লাখ ১৪ হাজার ৩১০টি মামলা দায়ের করা হয়। যার ৩৩ হাজার ৮৯২টির রায় ঘোষিত হয়েছে। যাতে ১৪ হাজার ৭১৪ মামলায় ভুক্তভোগীদের পক্ষে রায় হয়েছে। যাতে সম্পত্তির পরিমাণ ১২ হাজার ১১৫ দশমিক ৯১ একর। 

তিনি বলেন, বাতিলকৃত ‘খ’ তফসিলভুক্ত সম্পত্তির দাবি করে ৪ লাখ ১৫ হাজার ৩৯৮ নামজারির আবেদন দাখিল করা হয়। তাদের পক্ষে ৩ লাখ ৮৯ হাজার ৮৪১ আবেদন নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যাতে ভুক্তভোগীর কাছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ২০৭ দশমিক শূন্য ৭ একর।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

১০০ বছর পর জানা গেল, ‘অপ্রয়োজনীয়’ প্রত্যঙ্গটি নারীর প্রজননের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

‘এই টাকা দিয়ে কী হয়, আমি এত চাপ নিচ্ছি, লাখ পাঁচেক দিতে বলো’, ওসির অডিও ফাঁস

কিশোরগঞ্জে আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তার

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের এপিএস মোয়াজ্জেমকে অব্যাহতি

ঘন ঘন নাক খুঁটিয়ে স্মৃতিভ্রংশ ডেকে আনছেন না তো!

এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত