রয়টার্সের প্রতিবেদন
অনলাইন ডেস্ক
ভারতের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির পরিকল্পনায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন টেক মোগল ইলন মাস্ক। রাজধানী নয়াদিল্লি ও মুম্বাইয়ে শোরুম স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করেছে টেসলা। পাশাপাশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াও জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মাস্কের বৈঠকের পরপরই এই বিষয়গুলো দৃশ্যমান হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, টেসলা ভারতে ব্যবসা শুরু করলে দেশীয় গাড়ি নির্মাতাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। বর্তমানে ভারতীয় গাড়ি নির্মাতারা স্বল্প চাহিদা এবং প্রতিযোগিতার তীব্রতার কারণে চাপের মুখে রয়েছে। নতুন প্রতিযোগীর আবির্ভাবে তাদের এখন উচ্চমূল্যের গ্রাহকদের ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হবে।
২০২৪ সালে ভারতে যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রি মাত্র ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত চার বছরে সর্বনিম্ন। তা ছাড়া, দেশটিতে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার এখনো পুরোপুরি শক্তিশালী হয়নি। উচ্চমূল্য এবং পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশনের অভাবের কারণে এই খাতটি ধীর গতিতে এগোচ্ছে।
কিন্তু ভারতে টেসলার প্রবেশে সবচেয়ে বড় বাধা উচ্চ শুল্ক। দেশটি আমদানিকৃত বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর প্রায় ১০০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করে, যা মাস্কের পরিকল্পনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ভারত আমদানি শুল্ক পুনর্মূল্যায়ন করছে, তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধমূলক শুল্কের হুমকির মুখে রয়েছে।
এ ছাড়া, মাস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় তিনি হয়তো কিছু শুল্ক ছাড় আদায় করতে পারেন। তবে ভারত চায়, টেসলা এ দেশে উৎপাদন কারখানা স্থাপন করুক, যা ট্রাম্পের পছন্দ নয়। তিনি আগেই বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘অন্যায্য’ হবে।
এদিকে ভারতে টেসলার প্রবেশের খবরেই দেশীয় নির্মাতাদের শেয়ারের দরপতন শুরু হয়েছে। শুক্রবার মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা শেয়ার ৬ দশমিক ২শতাংশ কমেছে, টাটা মোটরস এবং হুন্দাই মোটর ইন্ডিয়ার শেয়ার হ্রাস পেয়েছে যথাক্রমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
মাহিন্দ্রা ও টাটা মোটরস দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যুতিক গাড়ির আমদানি শুল্ক কমানোর বিরোধিতা করে আসছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করেন, টেসলার প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা ভারতের বাজারে তাকে বাড়তি সুবিধা দেবে। দেশটির সিটি ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক জরিপে বলা হয়েছে, টেসলা এবং চীনের বিওয়াইডির মতো কোম্পানির পরীক্ষিত প্রযুক্তি ও উৎপাদন দক্ষতা রয়েছে। যা দেশীয় নির্মাতাদের বিস্তৃত বিক্রয় ও সেবাকেন্দ্রের সুবিধা কমিয়ে দেবে।
তবে মূল্যায়ন সংস্থা সিএলএসএর মতামত ভিন্ন। তাদের মতে, টেসলার দামই তার মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য করের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ হাজার ডলারের টেসলা ভারতে আনুমানিক ৩৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হতে পারে। যা দেশটির গড় গাড়ির বিক্রয়মূল্যের (১২ লাখ রুপি) প্রায় তিন গুণ বেশি।
অন্যদিকে ম্যাককুয়ারি রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বিক্রীত দুই-তৃতীয়াংশ বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্য ২০ লাখ রুপির নিচে।
মূল্যায়ন সংস্থা সিএলএসএ বলছে, ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য প্রযুক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো গাড়ির প্রশস্ততা, ডিজাইন, ফিচার, পুনঃবিক্রয় মূল্য ও সঠিক মূল্য নির্ধারণ। এসব দিক বিবেচনায় টেসলার সাফল্য নির্ভর করবে মূলত তার মূল্যনীতি ও বাজার কৌশলের ওপর।
টেসলার প্রবেশ ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তবে উচ্চমূল্য ও শুল্ক নীতির কারণে কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখনই বলা কঠিন। দেশীয় নির্মাতারা এরই মধ্যে চাপে রয়েছে এবং প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ভারতীয় সরকার শুল্ক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনে কি না এবং টেসলা কীভাবে বাজারের প্রতিযোগিতায় নিজেদের মানিয়ে নেয়।
ভারতের বাজারে বৈদ্যুতিক গাড়ি বিক্রির পরিকল্পনায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেলেন টেক মোগল ইলন মাস্ক। রাজধানী নয়াদিল্লি ও মুম্বাইয়ে শোরুম স্থাপনের জন্য স্থান নির্ধারণ করেছে টেসলা। পাশাপাশি কর্মী নিয়োগ প্রক্রিয়াও জোরদার করছে প্রতিষ্ঠানটি। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে মাস্কের বৈঠকের পরপরই এই বিষয়গুলো দৃশ্যমান হয়েছে।
তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, টেসলা ভারতে ব্যবসা শুরু করলে দেশীয় গাড়ি নির্মাতাদের জন্য এটি একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। বর্তমানে ভারতীয় গাড়ি নির্মাতারা স্বল্প চাহিদা এবং প্রতিযোগিতার তীব্রতার কারণে চাপের মুখে রয়েছে। নতুন প্রতিযোগীর আবির্ভাবে তাদের এখন উচ্চমূল্যের গ্রাহকদের ধরে রাখার লড়াইয়ে নামতে হবে।
২০২৪ সালে ভারতে যাত্রীবাহী গাড়ির বিক্রি মাত্র ৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা গত চার বছরে সর্বনিম্ন। তা ছাড়া, দেশটিতে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজার এখনো পুরোপুরি শক্তিশালী হয়নি। উচ্চমূল্য এবং পর্যাপ্ত চার্জিং স্টেশনের অভাবের কারণে এই খাতটি ধীর গতিতে এগোচ্ছে।
কিন্তু ভারতে টেসলার প্রবেশে সবচেয়ে বড় বাধা উচ্চ শুল্ক। দেশটি আমদানিকৃত বৈদ্যুতিক গাড়ির ওপর প্রায় ১০০ শতাংশ শুল্ক ধার্য করে, যা মাস্কের পরিকল্পনায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও ভারত আমদানি শুল্ক পুনর্মূল্যায়ন করছে, তবে এটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশোধমূলক শুল্কের হুমকির মুখে রয়েছে।
এ ছাড়া, মাস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকায় তিনি হয়তো কিছু শুল্ক ছাড় আদায় করতে পারেন। তবে ভারত চায়, টেসলা এ দেশে উৎপাদন কারখানা স্থাপন করুক, যা ট্রাম্পের পছন্দ নয়। তিনি আগেই বলেছেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘অন্যায্য’ হবে।
এদিকে ভারতে টেসলার প্রবেশের খবরেই দেশীয় নির্মাতাদের শেয়ারের দরপতন শুরু হয়েছে। শুক্রবার মাহিন্দ্রা অ্যান্ড মাহিন্দ্রা শেয়ার ৬ দশমিক ২শতাংশ কমেছে, টাটা মোটরস এবং হুন্দাই মোটর ইন্ডিয়ার শেয়ার হ্রাস পেয়েছে যথাক্রমে ২ দশমিক ৫ শতাংশ ও ৩ দশমিক ৫ শতাংশ।
মাহিন্দ্রা ও টাটা মোটরস দীর্ঘদিন ধরে বৈদ্যুতিক গাড়ির আমদানি শুল্ক কমানোর বিরোধিতা করে আসছে।
বিশ্লেষকেরা মনে করেন, টেসলার প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতা ভারতের বাজারে তাকে বাড়তি সুবিধা দেবে। দেশটির সিটি ব্যাংকের সাম্প্রতিক এক জরিপে বলা হয়েছে, টেসলা এবং চীনের বিওয়াইডির মতো কোম্পানির পরীক্ষিত প্রযুক্তি ও উৎপাদন দক্ষতা রয়েছে। যা দেশীয় নির্মাতাদের বিস্তৃত বিক্রয় ও সেবাকেন্দ্রের সুবিধা কমিয়ে দেবে।
তবে মূল্যায়ন সংস্থা সিএলএসএর মতামত ভিন্ন। তাদের মতে, টেসলার দামই তার মূল চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে। আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য করের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে ৩৫ হাজার ডলারের টেসলা ভারতে আনুমানিক ৩৫ লাখ রুপিতে বিক্রি হতে পারে। যা দেশটির গড় গাড়ির বিক্রয়মূল্যের (১২ লাখ রুপি) প্রায় তিন গুণ বেশি।
অন্যদিকে ম্যাককুয়ারি রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী, ভারতে বিক্রীত দুই-তৃতীয়াংশ বৈদ্যুতিক গাড়ির মূল্য ২০ লাখ রুপির নিচে।
মূল্যায়ন সংস্থা সিএলএসএ বলছে, ভারতীয় ক্রেতাদের জন্য প্রযুক্তির চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো গাড়ির প্রশস্ততা, ডিজাইন, ফিচার, পুনঃবিক্রয় মূল্য ও সঠিক মূল্য নির্ধারণ। এসব দিক বিবেচনায় টেসলার সাফল্য নির্ভর করবে মূলত তার মূল্যনীতি ও বাজার কৌশলের ওপর।
টেসলার প্রবেশ ভারতের বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে বড় পরিবর্তন আনতে পারে, তবে উচ্চমূল্য ও শুল্ক নীতির কারণে কতটা প্রভাব ফেলবে তা এখনই বলা কঠিন। দেশীয় নির্মাতারা এরই মধ্যে চাপে রয়েছে এবং প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এখন দেখার বিষয়, ভারতীয় সরকার শুল্ক নীতিতে কোনো পরিবর্তন আনে কি না এবং টেসলা কীভাবে বাজারের প্রতিযোগিতায় নিজেদের মানিয়ে নেয়।
বাংলাদেশ, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কার মতো দেশগুলো রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, দুর্নীতি এবং উচ্চ বৈদেশিক ঋণের চাপে রয়েছে, সামগ্রিক পরিস্থিতি এসব দেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা ও উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করার সক্ষমতাকে সীমিত করছে।
১৩ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশের ২২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি বেইজিং সফর শুরু করেছেন। এই দলে রাজনৈতিক নেতা, নাগরিক সমাজের সদস্য, শিক্ষাবিদ এবং সাংবাদিকেরা রয়েছেন। এই দলটি গতকাল সোমবার ১০ দিনের সফরে চীন গেছে। প্রতিনিধি দলের এক নেতা বিবিসিকে নিশ্চিত করেছেন, তাঁরা চীন সরকার ও ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ নেতাদ
৪ দিন আগেবিলিয়নিয়ার ব্যবসায়ী ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে একটি নতুন প্রশাসন ওয়াশিংটনে ক্ষমতায় বসেছে। এই প্রশাসন সরকারি আমলাতন্ত্রকে আরও কার্যকর করতে কর্পোরেট দক্ষতা ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তারা লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীকে স্বেচ্ছায় অবসর নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে এবং বাজেটে ভারসাম্য
৪ দিন আগেসি চিন পিং কেন এই সিম্পোজিয়াম আয়োজন করেছিলেন, তা ব্যাখ্যা করতে উল্লিখিত বিষয়টিকে আমলে নেওয়া যেতে পারে। বৈঠকের প্রতিবেদনে বলা হয়ে, সি চীনের অর্থনীতির জন্য বেসরকারি খাতের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন এবং এর কিছু সমস্যার কথা স্বীকার করেছেন। সির শাসনামলে কীভাবে টেক উদ্যোক্তাদের পরিচালনা করা যায়...
৬ দিন আগে