
হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন।
কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো ক্যাফে।
হতাশা চর্চা এবং হতাশার প্রচার সব সময়ই সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। তাই হতাশাবাদী মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যার জন্য খ্যাত দেশ জাপানের এক ব্যক্তি। তিনি নিজেও বিষণ্নতায় ভুগছেন।
টোকিওর শিমোকিতাজাওয়া শহরে হতাশাবাদী ও নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের জন্য তিনি চালু করেছেন বিশেষ ক্যাফে। নাম দিয়েছেন ‘নেগেটিভ ক্যাফে অ্যান্ড বার মোরি ওউচি’। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই ক্যাফে।
এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে ফোর্বস সাময়িকী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাফেটিকে হতাশাবাদীদের জন্য একটি প্রশান্তিদায়ক স্থান হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে এ ক্যাফেটির মালিক, যিনি নিজেই বিষণ্নতায় ভুগছেন, ভাবলেন তাঁর মতো মানসিকতার মানুষদের জন্য একটি ক্যাফে খোলা যায়। তবে তাঁর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়।
খাবারের এ জায়গাতে এসে মানুষ তাঁদের বিক্ষিপ্ত মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং জীবনের চ্যালেঞ্জিং ধাপগুলো বা নিজের হতাশামূলক চিন্তা নিয়ে ভাবতে পারেন।
ক্যাফেটির মালিক ফোর্বস সাময়িকীকে বলেন, ‘মানুষ প্রায়ই বলে, ইতিবাচক হওয়া ভালো এবং নেতিবাচক হওয়া খারাপ। তবে আমার মনে হয় না নেতিবাচক মনোভাব অতটা খারাপ। আমার মনে হয়, অনেক নেতিবাচক মনোভাবের মানুষ তাদের আচার–আচরণে বেশ রক্ষণশীল হয়ে থাকেন, যা বলতে গেলে এক ধরনের সহানুভূতিশীলতা। আমি ভাবলাম, এ ধরনের মানুষের জন্য একটা আরামের জায়গা তৈরি করলে মন্দ হয় না।’
জাপানের সংবাদমাধ্যম সোরা নিউজ ২৪–এর প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাফেতে কাঠের সাজসজ্জা এবং ব্যক্তিগত কক্ষ রয়েছে। আলাদা কক্ষে গিয়ে খদ্দররা স্বাধীনভাবে নিজের মতো সময় কাটাতে পারেন।
তবে এই মোরি ওউচি ক্যাফের একটা অদ্ভুত নিয়ম রয়েছে: এখানে নারীদের আসতে হয় একা, কিন্তু নারীসঙ্গী ছাড়া কোনো পুরুষ প্রবেশ করতে পারেন না!
ক্যাফেটিতে বাইরের খাবারও আনা যায়। তবে জনপ্রতি একটি করে পানীয় সেখান থেকে অবশ্যই কিনতে হয়। প্রতিটি ৩০০ ইয়েনের পানীয়ের জন্য প্রবেশমূল্যে ১০০ ইয়েন ছাড় দেওয়া হয়। ক্যাফেটিতে অবস্থান করতে হলে প্রতি তিন মিনিটে চার্জ দিতে হবে ২০ ইয়েন।
এ ক্যাফেটির আরেকটি মজার বিষয় হলো, এর ককটেল মেন্যুর নাম। এ ক্যাফেটির ককটেল মেন্যুর নাম অতিশয় দীর্ঘ। এমন কয়েকটি পানীয় হলো, ‘গতকাল আমি আমার অভিশপ্ত কোকেশি পুতুল গভীর জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি পুতুলটি আমার শেলফেই আছে’, ‘আমার বাবার একটাই ভালো দিক ছিল আর তা হলো, তিনি একজন আন্তরিক মানুষ। তবে ২২ বছর আগে তিনি হঠাৎ উধাও হয়ে যান। যাওয়ার আগে এক চিঠিতে লিখে যান “পেগাসাস বাস্তব”।’

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন।
কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো ক্যাফে।
হতাশা চর্চা এবং হতাশার প্রচার সব সময়ই সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। তাই হতাশাবাদী মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যার জন্য খ্যাত দেশ জাপানের এক ব্যক্তি। তিনি নিজেও বিষণ্নতায় ভুগছেন।
টোকিওর শিমোকিতাজাওয়া শহরে হতাশাবাদী ও নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের জন্য তিনি চালু করেছেন বিশেষ ক্যাফে। নাম দিয়েছেন ‘নেগেটিভ ক্যাফে অ্যান্ড বার মোরি ওউচি’। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই ক্যাফে।
এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে ফোর্বস সাময়িকী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাফেটিকে হতাশাবাদীদের জন্য একটি প্রশান্তিদায়ক স্থান হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে এ ক্যাফেটির মালিক, যিনি নিজেই বিষণ্নতায় ভুগছেন, ভাবলেন তাঁর মতো মানসিকতার মানুষদের জন্য একটি ক্যাফে খোলা যায়। তবে তাঁর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়।
খাবারের এ জায়গাতে এসে মানুষ তাঁদের বিক্ষিপ্ত মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং জীবনের চ্যালেঞ্জিং ধাপগুলো বা নিজের হতাশামূলক চিন্তা নিয়ে ভাবতে পারেন।
ক্যাফেটির মালিক ফোর্বস সাময়িকীকে বলেন, ‘মানুষ প্রায়ই বলে, ইতিবাচক হওয়া ভালো এবং নেতিবাচক হওয়া খারাপ। তবে আমার মনে হয় না নেতিবাচক মনোভাব অতটা খারাপ। আমার মনে হয়, অনেক নেতিবাচক মনোভাবের মানুষ তাদের আচার–আচরণে বেশ রক্ষণশীল হয়ে থাকেন, যা বলতে গেলে এক ধরনের সহানুভূতিশীলতা। আমি ভাবলাম, এ ধরনের মানুষের জন্য একটা আরামের জায়গা তৈরি করলে মন্দ হয় না।’
জাপানের সংবাদমাধ্যম সোরা নিউজ ২৪–এর প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাফেতে কাঠের সাজসজ্জা এবং ব্যক্তিগত কক্ষ রয়েছে। আলাদা কক্ষে গিয়ে খদ্দররা স্বাধীনভাবে নিজের মতো সময় কাটাতে পারেন।
তবে এই মোরি ওউচি ক্যাফের একটা অদ্ভুত নিয়ম রয়েছে: এখানে নারীদের আসতে হয় একা, কিন্তু নারীসঙ্গী ছাড়া কোনো পুরুষ প্রবেশ করতে পারেন না!
ক্যাফেটিতে বাইরের খাবারও আনা যায়। তবে জনপ্রতি একটি করে পানীয় সেখান থেকে অবশ্যই কিনতে হয়। প্রতিটি ৩০০ ইয়েনের পানীয়ের জন্য প্রবেশমূল্যে ১০০ ইয়েন ছাড় দেওয়া হয়। ক্যাফেটিতে অবস্থান করতে হলে প্রতি তিন মিনিটে চার্জ দিতে হবে ২০ ইয়েন।
এ ক্যাফেটির আরেকটি মজার বিষয় হলো, এর ককটেল মেন্যুর নাম। এ ক্যাফেটির ককটেল মেন্যুর নাম অতিশয় দীর্ঘ। এমন কয়েকটি পানীয় হলো, ‘গতকাল আমি আমার অভিশপ্ত কোকেশি পুতুল গভীর জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি পুতুলটি আমার শেলফেই আছে’, ‘আমার বাবার একটাই ভালো দিক ছিল আর তা হলো, তিনি একজন আন্তরিক মানুষ। তবে ২২ বছর আগে তিনি হঠাৎ উধাও হয়ে যান। যাওয়ার আগে এক চিঠিতে লিখে যান “পেগাসাস বাস্তব”।’

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন।
কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো ক্যাফে।
হতাশা চর্চা এবং হতাশার প্রচার সব সময়ই সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। তাই হতাশাবাদী মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যার জন্য খ্যাত দেশ জাপানের এক ব্যক্তি। তিনি নিজেও বিষণ্নতায় ভুগছেন।
টোকিওর শিমোকিতাজাওয়া শহরে হতাশাবাদী ও নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের জন্য তিনি চালু করেছেন বিশেষ ক্যাফে। নাম দিয়েছেন ‘নেগেটিভ ক্যাফে অ্যান্ড বার মোরি ওউচি’। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই ক্যাফে।
এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে ফোর্বস সাময়িকী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাফেটিকে হতাশাবাদীদের জন্য একটি প্রশান্তিদায়ক স্থান হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে এ ক্যাফেটির মালিক, যিনি নিজেই বিষণ্নতায় ভুগছেন, ভাবলেন তাঁর মতো মানসিকতার মানুষদের জন্য একটি ক্যাফে খোলা যায়। তবে তাঁর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়।
খাবারের এ জায়গাতে এসে মানুষ তাঁদের বিক্ষিপ্ত মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং জীবনের চ্যালেঞ্জিং ধাপগুলো বা নিজের হতাশামূলক চিন্তা নিয়ে ভাবতে পারেন।
ক্যাফেটির মালিক ফোর্বস সাময়িকীকে বলেন, ‘মানুষ প্রায়ই বলে, ইতিবাচক হওয়া ভালো এবং নেতিবাচক হওয়া খারাপ। তবে আমার মনে হয় না নেতিবাচক মনোভাব অতটা খারাপ। আমার মনে হয়, অনেক নেতিবাচক মনোভাবের মানুষ তাদের আচার–আচরণে বেশ রক্ষণশীল হয়ে থাকেন, যা বলতে গেলে এক ধরনের সহানুভূতিশীলতা। আমি ভাবলাম, এ ধরনের মানুষের জন্য একটা আরামের জায়গা তৈরি করলে মন্দ হয় না।’
জাপানের সংবাদমাধ্যম সোরা নিউজ ২৪–এর প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাফেতে কাঠের সাজসজ্জা এবং ব্যক্তিগত কক্ষ রয়েছে। আলাদা কক্ষে গিয়ে খদ্দররা স্বাধীনভাবে নিজের মতো সময় কাটাতে পারেন।
তবে এই মোরি ওউচি ক্যাফের একটা অদ্ভুত নিয়ম রয়েছে: এখানে নারীদের আসতে হয় একা, কিন্তু নারীসঙ্গী ছাড়া কোনো পুরুষ প্রবেশ করতে পারেন না!
ক্যাফেটিতে বাইরের খাবারও আনা যায়। তবে জনপ্রতি একটি করে পানীয় সেখান থেকে অবশ্যই কিনতে হয়। প্রতিটি ৩০০ ইয়েনের পানীয়ের জন্য প্রবেশমূল্যে ১০০ ইয়েন ছাড় দেওয়া হয়। ক্যাফেটিতে অবস্থান করতে হলে প্রতি তিন মিনিটে চার্জ দিতে হবে ২০ ইয়েন।
এ ক্যাফেটির আরেকটি মজার বিষয় হলো, এর ককটেল মেন্যুর নাম। এ ক্যাফেটির ককটেল মেন্যুর নাম অতিশয় দীর্ঘ। এমন কয়েকটি পানীয় হলো, ‘গতকাল আমি আমার অভিশপ্ত কোকেশি পুতুল গভীর জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি পুতুলটি আমার শেলফেই আছে’, ‘আমার বাবার একটাই ভালো দিক ছিল আর তা হলো, তিনি একজন আন্তরিক মানুষ। তবে ২২ বছর আগে তিনি হঠাৎ উধাও হয়ে যান। যাওয়ার আগে এক চিঠিতে লিখে যান “পেগাসাস বাস্তব”।’

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন।
কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো ক্যাফে।
হতাশা চর্চা এবং হতাশার প্রচার সব সময়ই সমাজের জন্য ক্ষতিকর বলে মনে করা হয়। তাই হতাশাবাদী মানুষের জন্য এগিয়ে এসেছেন বিষণ্নতা থেকে আত্মহত্যার জন্য খ্যাত দেশ জাপানের এক ব্যক্তি। তিনি নিজেও বিষণ্নতায় ভুগছেন।
টোকিওর শিমোকিতাজাওয়া শহরে হতাশাবাদী ও নেতিবাচক মনোভাবের মানুষের জন্য তিনি চালু করেছেন বিশেষ ক্যাফে। নাম দিয়েছেন ‘নেগেটিভ ক্যাফে অ্যান্ড বার মোরি ওউচি’। দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এই ক্যাফে।
এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন করেছে ফোর্বস সাময়িকী। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্যাফেটিকে হতাশাবাদীদের জন্য একটি প্রশান্তিদায়ক স্থান হিসেবে প্রচার করা হচ্ছে। প্রায় এক দশক আগে এ ক্যাফেটির মালিক, যিনি নিজেই বিষণ্নতায় ভুগছেন, ভাবলেন তাঁর মতো মানসিকতার মানুষদের জন্য একটি ক্যাফে খোলা যায়। তবে তাঁর এ পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয় ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময়।
খাবারের এ জায়গাতে এসে মানুষ তাঁদের বিক্ষিপ্ত মনের ভাব প্রকাশ করতে পারেন এবং জীবনের চ্যালেঞ্জিং ধাপগুলো বা নিজের হতাশামূলক চিন্তা নিয়ে ভাবতে পারেন।
ক্যাফেটির মালিক ফোর্বস সাময়িকীকে বলেন, ‘মানুষ প্রায়ই বলে, ইতিবাচক হওয়া ভালো এবং নেতিবাচক হওয়া খারাপ। তবে আমার মনে হয় না নেতিবাচক মনোভাব অতটা খারাপ। আমার মনে হয়, অনেক নেতিবাচক মনোভাবের মানুষ তাদের আচার–আচরণে বেশ রক্ষণশীল হয়ে থাকেন, যা বলতে গেলে এক ধরনের সহানুভূতিশীলতা। আমি ভাবলাম, এ ধরনের মানুষের জন্য একটা আরামের জায়গা তৈরি করলে মন্দ হয় না।’
জাপানের সংবাদমাধ্যম সোরা নিউজ ২৪–এর প্রতিবেদন অনুসারে, ক্যাফেতে কাঠের সাজসজ্জা এবং ব্যক্তিগত কক্ষ রয়েছে। আলাদা কক্ষে গিয়ে খদ্দররা স্বাধীনভাবে নিজের মতো সময় কাটাতে পারেন।
তবে এই মোরি ওউচি ক্যাফের একটা অদ্ভুত নিয়ম রয়েছে: এখানে নারীদের আসতে হয় একা, কিন্তু নারীসঙ্গী ছাড়া কোনো পুরুষ প্রবেশ করতে পারেন না!
ক্যাফেটিতে বাইরের খাবারও আনা যায়। তবে জনপ্রতি একটি করে পানীয় সেখান থেকে অবশ্যই কিনতে হয়। প্রতিটি ৩০০ ইয়েনের পানীয়ের জন্য প্রবেশমূল্যে ১০০ ইয়েন ছাড় দেওয়া হয়। ক্যাফেটিতে অবস্থান করতে হলে প্রতি তিন মিনিটে চার্জ দিতে হবে ২০ ইয়েন।
এ ক্যাফেটির আরেকটি মজার বিষয় হলো, এর ককটেল মেন্যুর নাম। এ ক্যাফেটির ককটেল মেন্যুর নাম অতিশয় দীর্ঘ। এমন কয়েকটি পানীয় হলো, ‘গতকাল আমি আমার অভিশপ্ত কোকেশি পুতুল গভীর জঙ্গলে মাটিচাপা দিয়ে এসেছি। কিন্তু আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি পুতুলটি আমার শেলফেই আছে’, ‘আমার বাবার একটাই ভালো দিক ছিল আর তা হলো, তিনি একজন আন্তরিক মানুষ। তবে ২২ বছর আগে তিনি হঠাৎ উধাও হয়ে যান। যাওয়ার আগে এক চিঠিতে লিখে যান “পেগাসাস বাস্তব”।’

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
২ দিন আগে
সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার।
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এই বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
৩ দিন আগে
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
৪ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার বন্য বিড়ালকে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বস্বীকৃত ‘প্রিডেটর-ফ্রি ২০৫০’ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় কিছু শিকারি প্রাণীকে যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। ২০১৬ সালে এই উদ্যোগ চালু হওয়ার পর প্রথমবার কোনো নতুন শিকারিকে এ তালিকায় যুক্ত করা হলো।
দীর্ঘদিন ধরেই নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বন্য বিড়াল ধরা ও মেরে ফেলা হচ্ছিল। তবে তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এবার তাদের বিরুদ্ধে সমন্বিত জাতীয় পর্যায়ের অভিযানে নামবে সরকার—যার মধ্যে থাকবে বৃহৎ আকারের নির্মূল কর্মসূচি ও বিশেষ গবেষণা। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে।
নিউজিল্যান্ডের বনভূমি ও উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে বর্তমানে ২৫ লাখেরও বেশি বন্য বিড়াল ও মালিকহীন বিড়ালের বিচরণ। লেজসহ এসব বিড়ালের দৈর্ঘ্য এক মিটার এবং ওজন প্রায় সাত কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এসব বন্য বিড়াল দেশটির দুর্লভ প্রাণিজগৎ ধ্বংসের মূল কারণগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
রাকিউরা স্টুয়ার্ট দ্বীপে এই বিড়াল পুকুনুই বা সাউদার্ন ডটারেল প্রজাতি নামে একধরনের পাখিকে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মাউন্ট রুয়াপেহু এলাকায় তারা প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ বাদুড় শিকার করায় সে প্রজাতিও হুমকিতে।
রেডিও নিউজিল্যান্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংরক্ষণমন্ত্রী পোতাকা বন্য বিড়ালকে আখ্যা দেন ‘স্টোন-কোল্ড কিলার’ বা নির্দয় শিকারি হিসেবে। তিনি বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনভূমির সৌন্দর্য বজায় রাখা এবং আমাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে এসব হত্যাকারীকে সরিয়ে ফেলতেই হবে।’
বন্য বিড়ালকে তালিকায় যুক্ত করা নিয়ে বহু বছর ধরে প্রচারণা চললেও অতীতে বিষয়টি নিয়ে প্রবল জনমত-বিরোধিতা দেখা গেছে। পরিবেশবিদ গ্যারেথ মরগান ২০১৩ সালে ‘ক্যাটস টু গো’ প্রচারণা শুরু করলে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। তবে এবার সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খসড়া কৌশল নিয়ে জনমতের ৯০ শতাংশই বন্য বিড়াল নির্মূল করার পক্ষে মত দিয়েছে।
এদিকে, গৃহপালিত বিড়াল এ তালিকায় না থাকলেও সেগুলোও দেশটির জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালনের দিক থেকে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি।

জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এবার বন্য বিড়ালকে নিউজিল্যান্ডের বিশ্বস্বীকৃত ‘প্রিডেটর-ফ্রি ২০৫০’ তালিকায় যুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় কিছু শিকারি প্রাণীকে যুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। ২০১৬ সালে এই উদ্যোগ চালু হওয়ার পর প্রথমবার কোনো নতুন শিকারিকে এ তালিকায় যুক্ত করা হলো।
দীর্ঘদিন ধরেই নিউজিল্যান্ডের বিভিন্ন এলাকায় বন্য বিড়াল ধরা ও মেরে ফেলা হচ্ছিল। তবে তালিকায় যুক্ত হওয়ায় এবার তাদের বিরুদ্ধে সমন্বিত জাতীয় পর্যায়ের অভিযানে নামবে সরকার—যার মধ্যে থাকবে বৃহৎ আকারের নির্মূল কর্মসূচি ও বিশেষ গবেষণা। এ বিষয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে।
নিউজিল্যান্ডের বনভূমি ও উপকূলীয় দ্বীপগুলোতে বর্তমানে ২৫ লাখেরও বেশি বন্য বিড়াল ও মালিকহীন বিড়ালের বিচরণ। লেজসহ এসব বিড়ালের দৈর্ঘ্য এক মিটার এবং ওজন প্রায় সাত কেজি পর্যন্ত হতে পারে। এসব বন্য বিড়াল দেশটির দুর্লভ প্রাণিজগৎ ধ্বংসের মূল কারণগুলোর একটি হয়ে উঠেছে।
রাকিউরা স্টুয়ার্ট দ্বীপে এই বিড়াল পুকুনুই বা সাউদার্ন ডটারেল প্রজাতি নামে একধরনের পাখিকে প্রায় বিলুপ্তির মুখে ঠেলে দিয়েছে। মাউন্ট রুয়াপেহু এলাকায় তারা প্রতি সপ্তাহে প্রায় ১০০ বাদুড় শিকার করায় সে প্রজাতিও হুমকিতে।
রেডিও নিউজিল্যান্ডকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সংরক্ষণমন্ত্রী পোতাকা বন্য বিড়ালকে আখ্যা দেন ‘স্টোন-কোল্ড কিলার’ বা নির্দয় শিকারি হিসেবে। তিনি বলেন, ‘জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বনভূমির সৌন্দর্য বজায় রাখা এবং আমাদের কাঙ্ক্ষিত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে এসব হত্যাকারীকে সরিয়ে ফেলতেই হবে।’
বন্য বিড়ালকে তালিকায় যুক্ত করা নিয়ে বহু বছর ধরে প্রচারণা চললেও অতীতে বিষয়টি নিয়ে প্রবল জনমত-বিরোধিতা দেখা গেছে। পরিবেশবিদ গ্যারেথ মরগান ২০১৩ সালে ‘ক্যাটস টু গো’ প্রচারণা শুরু করলে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। তবে এবার সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, খসড়া কৌশল নিয়ে জনমতের ৯০ শতাংশই বন্য বিড়াল নির্মূল করার পক্ষে মত দিয়েছে।
এদিকে, গৃহপালিত বিড়াল এ তালিকায় না থাকলেও সেগুলোও দেশটির জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালনের দিক থেকে নিউজিল্যান্ড বিশ্বের শীর্ষ দেশগুলোর একটি।

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন। কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো
০৭ জানুয়ারি ২০২৪
সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার।
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এই বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
৩ দিন আগে
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
৪ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার। প্রায় ২ ঘণ্টার সফল অপারেশনে অবশেষে প্রাণ ফিরে পেয়েছে আহত সাপটি। সাপটির শরীরে ৮০টি সেলাই পড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে বিক্রম নগর শিল্পাঞ্চলে খননকাজের সময় জেসিবি এক্সকাভেটরের আঘাত লেগে সাপটি আহত হয় এবং রক্তপাত হতে থাকে। সাপটির চামড়া ফেটে যায় এবং মাথায় মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়।
প্রথমে ভয় পেয়ে সেখানকার লোকজন সাপটির দিকে মাটি ছুড়ে মারতে শুরু করেন। এরপর তাঁরা স্থানীয় সাপ উদ্ধারকারী ‘স্নেক ফ্রেন্ডস’খ্যাত রাহুল ও মুকুলকে খবর দেন। রাহুল ও মুকুল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত কোবরাটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত পশু হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে প্রধান ভেটেরিনারি সার্জন ড. মুকেশ জৈন এবং তাঁর দল রামকন্যা গৌরব, রবি রাঠোর ও প্রশান্ত পরিহার পরীক্ষা করে দেখতে পান যে—কোবরাটির মাথা ও পিঠে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং শরীরের কিছু অংশের চামড়া সম্পূর্ণরূপে উঠে গেছে।
তাঁরা বুঝতে পারেন, সাপটির জন্য বড় ধরনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। তৎক্ষণাৎ তাঁরা ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করেন, সাপটিকে হালকা অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে সেই জটিল অস্ত্রোপচার শুরু করেন।
দুই ঘণ্টা ধরে চিকিৎসকেরা সাবধানে ছেঁড়া ত্বক ও পেশি সেলাই করেন এবং সব মিলিয়ে ৮০টি সেলাই দিয়ে কোবরাটির জীবন বাঁচান।
অপারেশনের পর ড. জৈন নিশ্চিত করেন, আহত সাপটি এলাপডি (Elapidae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। অস্ত্রোপচারের পর সাপটি এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং পোস্ট সার্জারি যত্নের জন্য উদ্ধারকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আরও দুদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর সাপটিকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে।

সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার। প্রায় ২ ঘণ্টার সফল অপারেশনে অবশেষে প্রাণ ফিরে পেয়েছে আহত সাপটি। সাপটির শরীরে ৮০টি সেলাই পড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে বিক্রম নগর শিল্পাঞ্চলে খননকাজের সময় জেসিবি এক্সকাভেটরের আঘাত লেগে সাপটি আহত হয় এবং রক্তপাত হতে থাকে। সাপটির চামড়া ফেটে যায় এবং মাথায় মারাত্মক ক্ষত তৈরি হয়।
প্রথমে ভয় পেয়ে সেখানকার লোকজন সাপটির দিকে মাটি ছুড়ে মারতে শুরু করেন। এরপর তাঁরা স্থানীয় সাপ উদ্ধারকারী ‘স্নেক ফ্রেন্ডস’খ্যাত রাহুল ও মুকুলকে খবর দেন। রাহুল ও মুকুল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত কোবরাটিকে নিরাপদে উদ্ধার করেন এবং দ্রুত পশু হাসপাতালে নিয়ে যান।
সেখানে প্রধান ভেটেরিনারি সার্জন ড. মুকেশ জৈন এবং তাঁর দল রামকন্যা গৌরব, রবি রাঠোর ও প্রশান্ত পরিহার পরীক্ষা করে দেখতে পান যে—কোবরাটির মাথা ও পিঠে গভীর ক্ষত হয়েছে এবং শরীরের কিছু অংশের চামড়া সম্পূর্ণরূপে উঠে গেছে।
তাঁরা বুঝতে পারেন, সাপটির জন্য বড় ধরনের অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। তৎক্ষণাৎ তাঁরা ওষুধপত্রের ব্যবস্থা করেন, সাপটিকে হালকা অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে সেই জটিল অস্ত্রোপচার শুরু করেন।
দুই ঘণ্টা ধরে চিকিৎসকেরা সাবধানে ছেঁড়া ত্বক ও পেশি সেলাই করেন এবং সব মিলিয়ে ৮০টি সেলাই দিয়ে কোবরাটির জীবন বাঁচান।
অপারেশনের পর ড. জৈন নিশ্চিত করেন, আহত সাপটি এলাপডি (Elapidae) পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। অস্ত্রোপচারের পর সাপটি এখন স্থিতিশীল অবস্থায় আছে এবং পোস্ট সার্জারি যত্নের জন্য উদ্ধারকারীদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আরও দুদিন পর্যবেক্ষণে রাখার পর সাপটিকে প্রকৃতিতে ছেড়ে দেওয়া হবে।

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন। কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো
০৭ জানুয়ারি ২০২৪
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
২ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এই বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
৩ দিন আগে
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
৪ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এ বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিশাল সাদা পালকের এই দুটি মুরগির ওজন ছিল ৫০ পাউন্ডের বেশি, প্রায় ২৩ কেজি। নর্থ ক্যারোলাইনার একটি খামার থেকে এই মুরগি দুটিকে আনা হয়েছিল। ক্ষমা পাওয়া অনুষ্ঠানের আগের রাতে মুরগি দুটিকে হোয়াইট হাউসের কাছে বিলাসবহুল উইলার্ড ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বিশেষ কামরায় রাখা হয়েছিল।
এর আগে, ১৯৮৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে ডিনার টেবিলের জন্য বাছাই করা বিভিন্ন প্রাণীদের মধ্যে কয়েকটিকে ছাড় দেওয়ার প্রথা শুরু করেন। এই প্রথায় অংশ নিয়ে ট্রাম্প মজা করে বলেন, প্রথমে তিনি টার্কি দুটির নাম রাখতে চেয়েছিলেন চাক ও ন্যান্সি। ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ও সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নাম অনুসারে। তবে পরে মত পাল্টান। ট্রাম্পের ব্যাখ্যা, ‘ওদের নাম ওভাবে রাখলে আমি তো তাদের ক্ষমাই করতাম না। ওই দুজনকে আমি কোনো দিনই ক্ষমা করব না।’
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালনরত ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ বারের বেশি ক্ষমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয় উল্টে দিতে তার প্রচেষ্টার সহযোগীদের ক্ষমা এবং ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলায় যুক্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের ক্ষমা।
আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যখন জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ সংবাদ শিরোনাম দখল করে আছে, ট্রাম্প আবারও দাবি করলেন যে এ বছরের থ্যাংকসগিভিংয়ের খাবারের খরচ আমেরিকানদের জন্য আরও সাশ্রয়ী হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়ালমার্টের এক গবেষণায় গত বছরের তুলনায় খরচ ২৫ শতাংশ কম পাওয়া গেছে, যদিও এই হিসেবে কিছু বিকল্প উপাদান ব্যবহার করতে হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকান ফার্ম ব্যুরো ফেডারেশনের সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে সাশ্রয় মাত্র ৫ শতাংশ, মোট ব্যয় ৫৫.১৮ ডলার।
ট্রাম্প এ ছাড়া গত বছর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্ষমাপ্রাপ্ত দুই টার্কি—পিচ ও ব্লসমকেও আবার ক্ষমা দেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর ডেমোক্রেটিক পূর্বসূরি নাকি স্বয়ংক্রিয় সাইনিং ডিভাইস ব্যবহার করেছিলেন, তাই ওই ক্ষমা নাকি অবৈধ। এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এ বছর ক্ষমাপ্রাপ্ত গবল ও ওয়াডলের বাকি জীবন কাটবে নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির কৃষি কলেজে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ন্যাশনাল টার্কি ফেডারেশন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এ বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, বিশাল সাদা পালকের এই দুটি মুরগির ওজন ছিল ৫০ পাউন্ডের বেশি, প্রায় ২৩ কেজি। নর্থ ক্যারোলাইনার একটি খামার থেকে এই মুরগি দুটিকে আনা হয়েছিল। ক্ষমা পাওয়া অনুষ্ঠানের আগের রাতে মুরগি দুটিকে হোয়াইট হাউসের কাছে বিলাসবহুল উইলার্ড ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলের বিশেষ কামরায় রাখা হয়েছিল।
এর আগে, ১৯৮৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে ডিনার টেবিলের জন্য বাছাই করা বিভিন্ন প্রাণীদের মধ্যে কয়েকটিকে ছাড় দেওয়ার প্রথা শুরু করেন। এই প্রথায় অংশ নিয়ে ট্রাম্প মজা করে বলেন, প্রথমে তিনি টার্কি দুটির নাম রাখতে চেয়েছিলেন চাক ও ন্যান্সি। ডেমোক্র্যাট নেতা চাক শুমার ও সাবেক স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির নাম অনুসারে। তবে পরে মত পাল্টান। ট্রাম্পের ব্যাখ্যা, ‘ওদের নাম ওভাবে রাখলে আমি তো তাদের ক্ষমাই করতাম না। ওই দুজনকে আমি কোনো দিনই ক্ষমা করব না।’
দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পালনরত ট্রাম্প এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৬০০ বারের বেশি ক্ষমা দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ২০২০ সালের নির্বাচনে পরাজয় উল্টে দিতে তার প্রচেষ্টার সহযোগীদের ক্ষমা এবং ২০২১ সালের ৬ জানুয়ারির ক্যাপিটল হামলায় যুক্ত প্রায় ১ হাজার ৫০০ জনের ক্ষমা।
আগামী বছরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে যখন জীবনযাত্রার ব্যয়ের চাপ সংবাদ শিরোনাম দখল করে আছে, ট্রাম্প আবারও দাবি করলেন যে এ বছরের থ্যাংকসগিভিংয়ের খাবারের খরচ আমেরিকানদের জন্য আরও সাশ্রয়ী হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ওয়ালমার্টের এক গবেষণায় গত বছরের তুলনায় খরচ ২৫ শতাংশ কম পাওয়া গেছে, যদিও এই হিসেবে কিছু বিকল্প উপাদান ব্যবহার করতে হয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকান ফার্ম ব্যুরো ফেডারেশনের সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে সাশ্রয় মাত্র ৫ শতাংশ, মোট ব্যয় ৫৫.১৮ ডলার।
ট্রাম্প এ ছাড়া গত বছর সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের ক্ষমাপ্রাপ্ত দুই টার্কি—পিচ ও ব্লসমকেও আবার ক্ষমা দেন। তিনি দাবি করেন, তাঁর ডেমোক্রেটিক পূর্বসূরি নাকি স্বয়ংক্রিয় সাইনিং ডিভাইস ব্যবহার করেছিলেন, তাই ওই ক্ষমা নাকি অবৈধ। এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই।
এ বছর ক্ষমাপ্রাপ্ত গবল ও ওয়াডলের বাকি জীবন কাটবে নর্থ ক্যারোলাইনা স্টেট ইউনিভার্সিটির কৃষি কলেজে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ন্যাশনাল টার্কি ফেডারেশন।

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন। কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো
০৭ জানুয়ারি ২০২৪
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
২ দিন আগে
সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার।
৩ দিন আগে
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
৪ দিন আগেআজকের পত্রিকা ডেস্ক

ইতালির উত্তরাঞ্চলে এক অবিশ্বাস্য প্রতারণার ঘটনায় ৫৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তি নিজের মৃত মায়ের ছদ্মবেশে তাঁর পেনশন তুলতে গিয়ে ধরা পড়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
এই বিষয়ে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সিএনএন জানিয়েছে, সম্প্রতি এক বৃদ্ধা তাঁর পরিচয়পত্র নবায়ন করতে আসলে প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষের সন্দেহের সূত্রপাত হয়। কারণ বৃদ্ধা পরিচয়ে আসলেও তাঁর ঘাড়, হাত এবং চিবুকের ঘন কালো লোম দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্দেহ করেন—ওই মানুষটি হয়তো সত্যিকার অর্থে কোনো নারী নন।
ইতালিতে পরিচয়পত্র নবায়ন করতে নিজে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি মেকআপ, উইগ ও মায়ের পোশাক পরে নিজের মৃত মায়ের মতো সেজেই পরিচয়পত্র নবায়নের চেষ্টা করেন।
সন্দেহ হওয়ায় পৌরসভা অফিস থেকে ‘মিসেস দালওলিও’-কে আবারও সেখানে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই মানুষটি গাড়ি চালিয়ে অফিসে আসছেন—অথচ মৃত নারীটির কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁকে ধরে ফেলে।
পরবর্তীতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়ে আরও ভয়াবহ তথ্য পায়। বাড়ির লন্ড্রি কক্ষের একটি আলমারির ভেতর স্লিপিং ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁর মায়ের মমি হয়ে যাওয়া দেহ। পচন রোধ করতে প্রতারক ছেলে সিরিঞ্জ দিয়ে মৃত মায়ের দেহ থেকে তরল বের করে দিতেন। বর্তমানে ওই মায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে একটি ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে লাশ গোপন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ভুয়া ছদ্মবেশ ধারণ এবং সরকারি নথি জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি স্থানীয় কারাগারে রয়েছেন এবং প্রসিকিউটরেরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন।
ইতালিতে মৃত মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে তাদের পেনশন তোলার ঘটনা নতুন নয়। গার্ডিয়া দি ফিনানজা নামে একটি আর্থিক অপরাধ দমন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছরই এমন কয়েক ডজন লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।

ইতালির উত্তরাঞ্চলে এক অবিশ্বাস্য প্রতারণার ঘটনায় ৫৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই ব্যক্তি নিজের মৃত মায়ের ছদ্মবেশে তাঁর পেনশন তুলতে গিয়ে ধরা পড়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি গ্রাচিয়েলা দালওলিও নামে এক নারীর ছেলে। দালওলিও ২০২২ সালে ৮২ বছর বয়সে মারা যান। কিন্তু তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি কখনোই কর্তৃপক্ষকে জানাননি ছেলে। তিনি মান্তুয়ার কাছাকাছি বোর্গো ভিরজিলিও শহরে থাকতেন।
এই বিষয়ে মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সিএনএন জানিয়েছে, সম্প্রতি এক বৃদ্ধা তাঁর পরিচয়পত্র নবায়ন করতে আসলে প্রথমবারের মতো কর্তৃপক্ষের সন্দেহের সূত্রপাত হয়। কারণ বৃদ্ধা পরিচয়ে আসলেও তাঁর ঘাড়, হাত এবং চিবুকের ঘন কালো লোম দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সন্দেহ করেন—ওই মানুষটি হয়তো সত্যিকার অর্থে কোনো নারী নন।
ইতালিতে পরিচয়পত্র নবায়ন করতে নিজে উপস্থিত হওয়া বাধ্যতামূলক। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি মেকআপ, উইগ ও মায়ের পোশাক পরে নিজের মৃত মায়ের মতো সেজেই পরিচয়পত্র নবায়নের চেষ্টা করেন।
সন্দেহ হওয়ায় পৌরসভা অফিস থেকে ‘মিসেস দালওলিও’-কে আবারও সেখানে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ওই মানুষটি গাড়ি চালিয়ে অফিসে আসছেন—অথচ মৃত নারীটির কোনো ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। পরে পুলিশ সেখানে গিয়ে তাঁকে ধরে ফেলে।
পরবর্তীতে পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়ে আরও ভয়াবহ তথ্য পায়। বাড়ির লন্ড্রি কক্ষের একটি আলমারির ভেতর স্লিপিং ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায় তাঁর মায়ের মমি হয়ে যাওয়া দেহ। পচন রোধ করতে প্রতারক ছেলে সিরিঞ্জ দিয়ে মৃত মায়ের দেহ থেকে তরল বের করে দিতেন। বর্তমানে ওই মায়ের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে একটি ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ বলেছে, ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে লাশ গোপন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতারণা, ভুয়া ছদ্মবেশ ধারণ এবং সরকারি নথি জালিয়াতিসহ একাধিক অভিযোগ আনা হয়েছে। বর্তমানে তিনি স্থানীয় কারাগারে রয়েছেন এবং প্রসিকিউটরেরা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় আছেন।
ইতালিতে মৃত মানুষের পরিচয় ব্যবহার করে তাদের পেনশন তোলার ঘটনা নতুন নয়। গার্ডিয়া দি ফিনানজা নামে একটি আর্থিক অপরাধ দমন সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছরই এমন কয়েক ডজন লোককে গ্রেপ্তার করা হয়।

হতাশাবাদী মানুষেরা এক সময় নিজেকেই সমাজের অনুপযুক্ত ভাবতে শুরু করেন। তখন তাঁরা সমাজবিচ্ছিন্ন হয়ে একা থাকতে পছন্দ করেন। জনসমাগমস্থল এড়িয়ে চলেন। কিন্তু ক্যাফে বলতেই চোখে ভেসে ওঠে ধোয়া ওঠা কফিতে চুমুক দিতে দিতে খোশগল্পে মেতে ওঠা এক ঝাঁক মানুষের সমাবেশ। তার মানে, হতাশাবাদীদের সময় কাটানোর উপযুক্ত নয় কোনো
০৭ জানুয়ারি ২০২৪
জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ২০৫০ সালের মধ্যে বন্য বিড়াল বা মালিকহীন বিড়াল নির্মূলের ঘোষণা দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দেশটির সংরক্ষণমন্ত্রী তামা পোতাকা গত শুক্রবার এই ঘোষণা দেন।
২ দিন আগে
সাধারণত মানুষের ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে কয়েক ঘণ্টার বেশি সময় লাগে। তবে মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়নে একটি বিরল ও চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি আহত বিষধর কোবরাকে বাঁচাতে চালানো হয়েছে অস্ত্রোপচার।
৩ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই টার্কি মুরগি গবল ও ওয়াডলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করে দিয়েছেন। স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পরিচিত রোজ গার্ডেনের হাস্যোজ্জ্বল পরিবেশে ট্রাম্প এই বছরের থ্যাংকসগিভিং অনুষ্ঠানে প্রথা অনুসারে দুই টার্কি মুরগিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা করেন।
৩ দিন আগে