লিখিত বক্তব্যে এবাদুল ইসলাম অভিযোগ করেন, সংগঠন শুরুর সময় নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শের কথা বলা হলেও বর্তমানে তা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্যুত হয়েছে। তৃণমূল নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। যারা মাঠে থেকে সংগঠন গড়ে তুলেছেন, তাদের কোনো মূল্য নেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। নেতাকর্মীদের সঙ্গে স্বৈরাচারী
পদত্যাগপত্রে দুই নেতা উল্লেখ করেছেন, গণঅধিকার পরিষদ স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভাজনের রাজনীতির দিকে ধাবমান। তারা বলেন, “জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী হলেও গতানুগতিক ধারার বাইরে রাজনীতি করতে আমরা গণঅধিকার পরিষদের রাজনীতি শুরু করেছিলাম। তবে এখন আমাদের আর্দশের সঙ্গে সমঝোতা করা সম্ভব হচ্ছে না।”
পদত্যাগকারী নেতারা হলেন মুকসুদপুর পৌর আওয়ামী লীগের ২নং ওয়ার্ডের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. জামাল হোসেন মুন্সী, ৩নং ওয়ার্ডের সভাপতি পরিমল সাহা, সাধারণ সম্পাদক শান্ত সাহা, ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য সাবেক কাউন্সিলর মো. নিয়ামত খান, ২নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. শফিকুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ সমর্থক জয়ন্ত সাহা।
মনজ মৌলিক বলেন, ‘আমরা ননীক্ষীর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সব পদ থেকে স্বেচ্ছায় ও স্বজ্ঞানে অব্যাহতি নিচ্ছি। আমরা দৃঢ়ভাবে জানাচ্ছি যে, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থরক্ষায় সর্বদা অঙ্গীকারবদ্ধ থাকব। রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করে যাব।