অনলাইন ডেস্ক
নিজস্ব শপিং কম্পারিসন সার্ভিস (বিভিন্ন সেবা তুলনা করে) ব্যবহার করে বাজারে আধিপত্য বিস্তারের জন্য গুগলকে ২৪০ কোটি ইউরো জরিমানা করেছেন ইউরোপের শীর্ষ আদালত। এই জরিমানা মূলত ২০১৭ সালে ধার্য করেছিল ইউরোপীয় কমিশন। তবে এর বিরুদ্ধে আপিল করেছিল প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
ইউরোপীয় আদালতে এ রায়ে ‘অসন্তুষ্ট’ হয়েছে গুগল। এ রায়ের মাধ্যমে একটি দীর্ঘকালীন মামলার অবসান হলো। ২০০৯ সালে প্রথম এই মামলা দায়ের করে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেম। সে সময় যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ ছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গুগল সার্চ ফলাফলে তার নিজস্ব শপিং সুপারিশগুলো প্রতিযোগীদের চেয়ে আরও বেশি সামনে দেখাত।
মামলাটির আইনি বা অর্থনৈতিক কোনো মূল্য নেই বলে গুগল যুক্তি দেখাতে চেষ্টা করেছিল। এক্স প্ল্যাটফরমের এক পোস্টে এই মামলার আরেক অভিযোগকারী সাইট কেলকো বলে, মামলার রায়টিকে ‘ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা এবং গ্রাহক পছন্দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইউরোপীয় আদালত (ইসিজে) রায়ে বলেছেন, কমিশনের গুগলের আচরণকে ‘বৈষম্যমূলক’ মনে করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং গুগলের আপিল ‘সম্পূর্ণরূপে খারিজ’ করা উচিত।
এটি গুগল ও তার মালিক আলফাবেটকে তাদের নিজস্ব খরচ বহন করতে এবং ইউরোপীয় কমিশনের মামলাসংক্রান্ত খরচ পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে গুগল বলেছে, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য কোম্পানিটি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। কোম্পানিটির নতুন পদ্ধতি সফলভাবে সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছে, যা ৮০০ টিরও বেশি শপিং কম্প্যারিসন সার্ভিসের জন্য বিলিয়নেরও বেশি ক্লিক এনেছে।
এডএইচইসি বিজনেস স্কুলের অগমেন্টেড ল স্কুলের আইন অধ্যাপক অ্যানে উইট বলেছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়। তবে রায়টি গুগলের জন্য খারাপ খবর, কারণ কোম্পানিটি এই মামলায় সব আইনি উপায় ব্যবহার করে ফেলেছে। এমনকি কোম্পানির ভবিষ্যতে আরও সমস্যা হতে পারে।
গুগলের প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণের ফলস্বরূপ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষগুলো ক্ষতিপূরণের দাবির বেশ কয়েকটি মামলা ইতিমধ্যেই জাতীয় আদালতে চলমান।
গত সোমবার গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবসার বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতেও মামলা হয়েছে। এই মামলায় গুগলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে একচেটিয়া ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি চলমান।
গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রকেরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, গুগল অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্য স্থাপনের জন্য প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ করেছে।
সাত বছর আগে ইউরোপের কমিশন বলে, প্রযুক্তি জায়েন্টটি কার্যকরভাবে ‘অনলাইন মূল্য’ তুলনার বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে অন্যদের বাজারে প্রবেশ করতে বাধা দিয়ে। এখন সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল করা হয়েছে। গুগলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় জরিমানা করেছে ইউরোপীয় কমিশন।
২০১৭ সালে গুগলকে শপিং সার্চের কারণে ২৪০ কোটি ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে গুগলকে অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিজেদের অ্যাপগুলোকে অনিয়মিতভাবে প্রচারের জন্য ৪৩৯ কোটি ইউরো জরিমানা করে। আর ২০১৯ সালে গুগলকে প্রতিদ্বন্দ্বী অনুসন্ধান ইঞ্জিনের বিজ্ঞাপন ব্লক করার জন্য ১৫০ কোটি ইউরো জরিমানা করে ইউরোপীয় কমিশন।
গুগল তার নিজস্ব পণ্য ও সেবাগুলোর প্রতি অগ্রাধিকার দেয় কি না, তা নিয়ে তদন্ত করছে ইউরোপীয় কমিশন। যদি গুগল দোষী প্রমাণিত হয়, তাহলে কোম্পানিটিকে বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে।
এটিই বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র বিরোধ নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বড় প্রযুক্তি কোম্পানির মধ্যে নানা ধরনের বিরোধ চলছে।
নিজস্ব শপিং কম্পারিসন সার্ভিস (বিভিন্ন সেবা তুলনা করে) ব্যবহার করে বাজারে আধিপত্য বিস্তারের জন্য গুগলকে ২৪০ কোটি ইউরো জরিমানা করেছেন ইউরোপের শীর্ষ আদালত। এই জরিমানা মূলত ২০১৭ সালে ধার্য করেছিল ইউরোপীয় কমিশন। তবে এর বিরুদ্ধে আপিল করেছিল প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল। বিবিসির প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়।
ইউরোপীয় আদালতে এ রায়ে ‘অসন্তুষ্ট’ হয়েছে গুগল। এ রায়ের মাধ্যমে একটি দীর্ঘকালীন মামলার অবসান হলো। ২০০৯ সালে প্রথম এই মামলা দায়ের করে ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান ফাউন্ডেম। সে সময় যুক্তরাজ্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের অংশ ছিল। মামলার অভিযোগে বলা হয়, গুগল সার্চ ফলাফলে তার নিজস্ব শপিং সুপারিশগুলো প্রতিযোগীদের চেয়ে আরও বেশি সামনে দেখাত।
মামলাটির আইনি বা অর্থনৈতিক কোনো মূল্য নেই বলে গুগল যুক্তি দেখাতে চেষ্টা করেছিল। এক্স প্ল্যাটফরমের এক পোস্টে এই মামলার আরেক অভিযোগকারী সাইট কেলকো বলে, মামলার রায়টিকে ‘ন্যায়সংগত প্রতিযোগিতা এবং গ্রাহক পছন্দের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছে।
ইউরোপীয় আদালত (ইসিজে) রায়ে বলেছেন, কমিশনের গুগলের আচরণকে ‘বৈষম্যমূলক’ মনে করার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল এবং গুগলের আপিল ‘সম্পূর্ণরূপে খারিজ’ করা উচিত।
এটি গুগল ও তার মালিক আলফাবেটকে তাদের নিজস্ব খরচ বহন করতে এবং ইউরোপীয় কমিশনের মামলাসংক্রান্ত খরচ পরিশোধ করতে নির্দেশ দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে গুগল বলেছে, ২০১৭ সালে ইউরোপীয় কমিশনের সিদ্ধান্ত মেনে চলার জন্য কোম্পানিটি বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে। কোম্পানিটির নতুন পদ্ধতি সফলভাবে সাত বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছে, যা ৮০০ টিরও বেশি শপিং কম্প্যারিসন সার্ভিসের জন্য বিলিয়নেরও বেশি ক্লিক এনেছে।
এডএইচইসি বিজনেস স্কুলের অগমেন্টেড ল স্কুলের আইন অধ্যাপক অ্যানে উইট বলেছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়। তবে রায়টি গুগলের জন্য খারাপ খবর, কারণ কোম্পানিটি এই মামলায় সব আইনি উপায় ব্যবহার করে ফেলেছে। এমনকি কোম্পানির ভবিষ্যতে আরও সমস্যা হতে পারে।
গুগলের প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণের ফলস্বরূপ ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষগুলো ক্ষতিপূরণের দাবির বেশ কয়েকটি মামলা ইতিমধ্যেই জাতীয় আদালতে চলমান।
গত সোমবার গুগলের বিজ্ঞাপন ব্যবসার বিরুদ্ধে মার্কিন আদালতেও মামলা হয়েছে। এই মামলায় গুগলের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে একচেটিয়া ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলাটি চলমান।
গত সপ্তাহে যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রকেরা প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে, গুগল অনলাইন বিজ্ঞাপন প্রযুক্তির বাজারে আধিপত্য স্থাপনের জন্য প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ করেছে।
সাত বছর আগে ইউরোপের কমিশন বলে, প্রযুক্তি জায়েন্টটি কার্যকরভাবে ‘অনলাইন মূল্য’ তুলনার বাজারে একচেটিয়া আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে অন্যদের বাজারে প্রবেশ করতে বাধা দিয়ে। এখন সেই সিদ্ধান্ত পুনর্বহাল করা হয়েছে। গুগলের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলায় জরিমানা করেছে ইউরোপীয় কমিশন।
২০১৭ সালে গুগলকে শপিং সার্চের কারণে ২৪০ কোটি ইউরো জরিমানা করা হয়েছিল। ২০১৮ সালে গুগলকে অ্যান্ড্রয়েড সফটওয়্যার ব্যবহার করে নিজেদের অ্যাপগুলোকে অনিয়মিতভাবে প্রচারের জন্য ৪৩৯ কোটি ইউরো জরিমানা করে। আর ২০১৯ সালে গুগলকে প্রতিদ্বন্দ্বী অনুসন্ধান ইঞ্জিনের বিজ্ঞাপন ব্লক করার জন্য ১৫০ কোটি ইউরো জরিমানা করে ইউরোপীয় কমিশন।
গুগল তার নিজস্ব পণ্য ও সেবাগুলোর প্রতি অগ্রাধিকার দেয় কি না, তা নিয়ে তদন্ত করছে ইউরোপীয় কমিশন। যদি গুগল দোষী প্রমাণিত হয়, তাহলে কোম্পানিটিকে বার্ষিক আয়ের ১০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা দিতে হবে।
এটিই বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একমাত্র বিরোধ নয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বড় প্রযুক্তি কোম্পানির মধ্যে নানা ধরনের বিরোধ চলছে।
মোবাইল ফোনসেট এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়; কোনো কোনো ক্ষেত্রে এটি হয়ে উঠেছে বিলাসিতার প্রতীকও। কিছু কিছু ফোনসেট আধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি সোনা, হীরা, প্লাটিনাম এবং অন্য দামি ধাতু দিয়ে শৈল্পিকভাবে ডিজাইন করা হয়।
১৫ মিনিট আগেপ্রযুক্তির উন্নতির ধারাবাহিকতায় আমরা একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করার উপায়ও বদলে ফেলেছি। এখন আর শুধু ফোনকল বা মেসেজই নয়, ভিডিও কলে কথা বলা কিংবা একাধিক মানুষকে একসঙ্গে যুক্ত করা আরও সহজ হয়ে উঠেছে। তাই পুরোনো অনেক প্রযুক্তিকে...
৩৯ মিনিট আগেডিজিটাল যুগে প্রযুক্তি আমাদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলছে। ধর্ম পালনসহ জীবনের বহু ক্ষেত্রে আমরা প্রযুক্তি ব্যবহার করছি। বর্তমানে এআইভিত্তিক বিভিন্ন ইসলামিক অ্যাপ এবং ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীদের ধর্মীয় জীবনযাপন ও তথ্য জানতে সাহায্য করছে।
৪৩ মিনিট আগেবিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, কোডার, বিজ্ঞানী, ডিজাইনার, গল্পকার, নির্মাতা, প্রযুক্তিবিদ ও উদ্ভাবকদের নিয়ে প্রতিবছর আয়োজন করা হয় নাসা ইন্টারন্যাশনাল স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ। ২০১২ সালে শুরু হওয়া এই চ্যালেঞ্জে পৃথিবীর প্রায় ১৮৫টি দেশ ও অঞ্চল থেকে ২ লাখ ২০ হাজারের...
১ ঘণ্টা আগে