নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা পাননি। আর এ কারণেই তাঁকে প্রায়শই হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বাসায় আনার পর সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে বাসায় আনা হয়।
জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে ওনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল। বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সে জন্য প্রায়শই ওনাকে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
জাহিদ বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। ওনার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার যে চিকিৎসা হওয়ার কথা ছিল, আমরা বারবার বলেছি, ২০১৮ সালে উনি কারাগারে হেঁটে হেঁটে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দী অবস্থায় যখন ফেরত দেওয়া হলো, তখন উনি হুইল চেয়ারে আসলেন। ওনার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে ওনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল। পরবর্তীতে মেডিকেল টিমের পরামর্শক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসক দল এসেছিলেন ২০২৩ সালে, তখন তারা চিকিৎসা করেন। তারপরে ওনার চিকিৎসার জন্য আমরা লন্ডনে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু যেহেতু বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সে জন্য ওনার যে চিকিৎসাটা প্রয়োজন সেটি করা সম্ভব হয়নি। সে জন্য প্রায়শই এভারকেয়ার হাসপাতালে ওনাকে যেতে হয়, জাস্ট সুস্থ থাকার জন্য। মানসিকভাবে ওনার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। উনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া সুচিকিৎসা পাননি। আর এ কারণেই তাঁকে প্রায়শই হাসপাতালে যেতে হচ্ছে। এমন অভিযোগ করেছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়াকে হাসপাতাল থেকে বাসায় আনার পর সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন তিনি।
এর আগে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য খালেদা জিয়াকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা শেষে বাসায় আনা হয়।
জাহিদ হোসেন বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে ওনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল। বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সে জন্য প্রায়শই ওনাকে হাসপাতালে যেতে হচ্ছে।
জাহিদ বলেন, মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শক্রমে খালেদা জিয়াকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল। ওনার সব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার যে চিকিৎসা হওয়ার কথা ছিল, আমরা বারবার বলেছি, ২০১৮ সালে উনি কারাগারে হেঁটে হেঁটে গিয়েছিলেন। কিন্তু ২০২০ সালে শর্তসাপেক্ষে গৃহবন্দী অবস্থায় যখন ফেরত দেওয়া হলো, তখন উনি হুইল চেয়ারে আসলেন। ওনার শারীরিক অবস্থা তৎকালীন সরকার এমন অবস্থায় নিয়ে গিয়েছিল, তাতে ওনার জীবন আশঙ্কাজনক হয়েছিল। পরবর্তীতে মেডিকেল টিমের পরামর্শক্রমে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসক দল এসেছিলেন ২০২৩ সালে, তখন তারা চিকিৎসা করেন। তারপরে ওনার চিকিৎসার জন্য আমরা লন্ডনে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু যেহেতু বিরাট একটা সময় উনি যথাযথ চিকিৎসা পাননি। সে জন্য ওনার যে চিকিৎসাটা প্রয়োজন সেটি করা সম্ভব হয়নি। সে জন্য প্রায়শই এভারকেয়ার হাসপাতালে ওনাকে যেতে হয়, জাস্ট সুস্থ থাকার জন্য। মানসিকভাবে ওনার অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। উনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
দেশে উদারপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ অবস্থায় উদারপন্থার পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
৩ ঘণ্টা আগেপ্রতিষ্ঠার পর থেকে ডিআরইউতে দল-মত-পথ নির্বিশেষে সবার কথা বলার সুযোগ ছিল। কখনও ডিআরইউতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কারো হস্তক্ষেপ ছিল না। তাই আগামী দিনে কেউ এর ব্যত্যয় ঘটালে ডিআরইউ তা প্রতিহত করবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
৪ ঘণ্টা আগেযথাসময়ে নির্বাচন না হলে এই জাতি প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
৬ ঘণ্টা আগেস্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ফের হাসপাতালে নেওয়া হলো। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে। হাসপাতালে মেডিকেল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে রাত সাড়ে ১১টা ৪০ মিনিট বাসায় ফেরেন খালেদা জিয়া।
৯ ঘণ্টা আগে