বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আহত ১ হাজার ৪০১ জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
অতি গুরুতর ৪৯৩ জন আহতদের ‘ক’ শ্রেণিতে এবং গুরুতর আহত ৯০৮ জনকে ‘খ’ শ্রেণিতে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার তালিকাগুলোর কথা জানানো হয়।
গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, পিতা–মাতার নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
আহতদের ধরন ভেদে ‘গ’ শ্রেণির তালিকাও প্রকাশ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এর আগে গণ–অভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহীদের তালিকা গত ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এসব তালিকা ধরে গণ–অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা করবে সরকার। আহতদের ধরন অনুযায়ী প্রতি মাসে ভাতা দেওয়া হবে।
জুলাই হতাহতরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন
গতকাল বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ৮৩৪ জনের পরিবারের সদস্যরা ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পাবেন। এই টাকার মধ্যে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ১০ লাখ টাকা এবং ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পাবেন। এ ছাড়া প্রতিটি পরিবার মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
আহতদের মেডিকেল বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৪৯৩ জনকে এ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবন পরিচালনা সম্ভব হয় এমন আহতদের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা পাবেন। চলতি অর্থবছরে তাঁরা ২ লাখ টাকা এবং আগামী অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি মাসে তাঁরা ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সরকারি হাসপাতালে আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাবেন। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশি-বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। পরিচয়পত্র পাবেন। এটি দেখিয়ে সব ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে গুরুতর আহত ৯০৮ জন রয়েছেন। তাঁরা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। এই টাকার মধ্যে চলতি বছর ১ লাখ টাকা এবং আগামী বছর ২ লাখ টাকা করে পাবেন। তাঁরা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। কর্মসহায়ক প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান পাবেন। পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
‘সি’ ক্যাটাগরিতে আহত ১০ হাজার ৬৪৮ জন রয়েছেন। তাঁরা এককালীন ১ লাখ টাকা করে পাবেন। প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। তাঁরা পুনর্বাসন সুবিধা পাবেন এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
আগামীতে নির্বাচিত সরকার জুলাই বিপ্লবে হতাহতের সুযোগ-সুবিধা বাতিল করতে পারে কি না, সে বিষয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো আইন করছে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, জুলাই বিপ্লবের ঘটনাটি কেউ ভুলবে না। আগামীতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তাঁদের জীবনগাথার কথা অবশ্যই সবাই মনে রাখবে। এ ছাড়া সরকার জুলাই বিপ্লব অধিদপ্তর তৈরি করছে।
সরকার আহতদের ক্যাটাগরিতে ভাগ করায় আহত অনেকেই ক্ষুব্ধ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেস সচিব বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরাই আহতদের তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছেন। অনেকেই দুই চোখ হারিয়ে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে পড়েছেন। অনেকে হাত-পা হারিয়েছেন। যাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ, তারাও সুবিধা পাবেন। তবে এসব ক্যাটাগরিতে মেডিকেল বোর্ড তৈরি করা হয়েছে। এখানে কারও দ্বিমত হওয়ার কিছু নেই।
প্রেস সচিব জানান, মার্চ থেকে শহীদ পরিবারগুলো সহযোগিতা পেতে পারে।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানে আহত ১ হাজার ৪০১ জনকে ‘জুলাই যোদ্ধা’ স্বীকৃতি দিয়ে গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার।
অতি গুরুতর ৪৯৩ জন আহতদের ‘ক’ শ্রেণিতে এবং গুরুতর আহত ৯০৮ জনকে ‘খ’ শ্রেণিতে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার তালিকা প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। আজ শুক্রবার তালিকাগুলোর কথা জানানো হয়।
গেজেটে আহতদের মেডিকেল কেস আইডি, নাম, পিতা–মাতার নাম এবং স্থায়ী ঠিকানা প্রকাশ করা হয়েছে।
আহতদের ধরন ভেদে ‘গ’ শ্রেণির তালিকাও প্রকাশ করবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
এর আগে গণ–অভ্যুত্থানে ৮৩৪ জন শহীদের তালিকা গত ১৫ জানুয়ারি গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
এসব তালিকা ধরে গণ–অভ্যুত্থানে নিহতদের পরিবার এবং আহতদের আর্থিকভাবে সহায়তা করবে সরকার। আহতদের ধরন অনুযায়ী প্রতি মাসে ভাতা দেওয়া হবে।
জুলাই হতাহতরা যেসব সুযোগ-সুবিধা পাবেন
গতকাল বৃহস্পতিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ৮৩৪ জনের পরিবারের সদস্যরা ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পাবেন। এই টাকার মধ্যে চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে ১০ লাখ টাকা এবং ২০২৬–২৭ অর্থবছরে ২০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র পাবেন। এ ছাড়া প্রতিটি পরিবার মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।
আহতদের মেডিকেল বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। গুরুতর আহত ৪৯৩ জনকে এ ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে। অন্যের সহায়তা ছাড়া জীবন পরিচালনা সম্ভব হয় এমন আহতদের ‘এ’ ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে। তাঁরা প্রত্যেকে ৫ লাখ টাকা পাবেন। চলতি অর্থবছরে তাঁরা ২ লাখ টাকা এবং আগামী অর্থবছরে ৩ লাখ টাকা করে পাবেন। এ ছাড়া প্রতি মাসে তাঁরা ২০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সরকারি হাসপাতালে আজীবন বিনা মূল্যে চিকিৎসা পাবেন। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশি-বিদেশি হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। পরিচয়পত্র পাবেন। এটি দেখিয়ে সব ধরনের সরকারি সুবিধা পাবেন।
‘বি’ ক্যাটাগরিতে গুরুতর আহত ৯০৮ জন রয়েছেন। তাঁরা এককালীন ৩ লাখ টাকা পাবেন। এই টাকার মধ্যে চলতি বছর ১ লাখ টাকা এবং আগামী বছর ২ লাখ টাকা করে পাবেন। তাঁরা প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। কর্মসহায়ক প্রশিক্ষণে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান পাবেন। পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকার কর্তৃক বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।
‘সি’ ক্যাটাগরিতে আহত ১০ হাজার ৬৪৮ জন রয়েছেন। তাঁরা এককালীন ১ লাখ টাকা করে পাবেন। প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। তাঁরা পুনর্বাসন সুবিধা পাবেন এবং পরিচয়পত্র দেখিয়ে সরকারি বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন।
আগামীতে নির্বাচিত সরকার জুলাই বিপ্লবে হতাহতের সুযোগ-সুবিধা বাতিল করতে পারে কি না, সে বিষয়ে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কোনো আইন করছে কি না—এই প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম বলেন, জুলাই বিপ্লবের ঘটনাটি কেউ ভুলবে না। আগামীতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, তাঁদের জীবনগাথার কথা অবশ্যই সবাই মনে রাখবে। এ ছাড়া সরকার জুলাই বিপ্লব অধিদপ্তর তৈরি করছে।
সরকার আহতদের ক্যাটাগরিতে ভাগ করায় আহত অনেকেই ক্ষুব্ধ। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রেস সচিব বলেন, মেডিকেল বোর্ডের সদস্যরাই আহতদের তিন ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছেন। অনেকেই দুই চোখ হারিয়ে সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে পড়েছেন। অনেকে হাত-পা হারিয়েছেন। যাঁরা শারীরিকভাবে সুস্থ, তারাও সুবিধা পাবেন। তবে এসব ক্যাটাগরিতে মেডিকেল বোর্ড তৈরি করা হয়েছে। এখানে কারও দ্বিমত হওয়ার কিছু নেই।
প্রেস সচিব জানান, মার্চ থেকে শহীদ পরিবারগুলো সহযোগিতা পেতে পারে।
লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (ইআইইউ) ২০২৪ সালের গণতন্ত্র সূচক অনুযায়ী, ১৬৫টি দেশ ও ২টি অঞ্চলের মধ্যে এবার বাংলাদেশের অবস্থান ১০০ তম। আগের বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে বিশ্বের আর কোনো দেশের গণতন্ত্রের সূচকে এতটা অবনমন হয়নি।
১ ঘণ্টা আগেনিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের ফটকের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন জুলাই আন্দোলনে আহতদের একাংশ। এই আহত ব্যক্তিদের অভিযোগ, তাঁদের দিকে অন্তর্বর্তী সরকারের ‘নজর নেই’।
১৩ ঘণ্টা আগেস্বাস্থ্য সংস্কার কমিশন স্বাস্থ্যকে জাতীয় নিরাপত্তা ইস্যু হিসেবে দেখার প্রস্তাব দেওয়ার কথা ভাবছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের স্বাস্থ্যের সকল পর্যায়ের সেবা নিশ্চিতে বরাদ্দ ও ব্যয়ের সমন্বয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়কে জনকল্যাণমূলক ও অলাভজনক হিসেবে উপস্থাপন করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগেসেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সেনাসদস্যদের প্রতি দেশের প্রয়োজনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে দায়িত্ব পালন এবং প্রয়োজনে জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
১৫ ঘণ্টা আগে