বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘কর্তব্যে থাকার কথা কিন্তু অফিস চলার সময় কেউ হাসপাতালের বাইরে গেলে, তাঁরা যেই হোন না কেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ২৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভুল চিকিৎসা বলতে কিছু নাই, ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার আমাদের কারও নাই। আমরা কথায় কথায় দেখি ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে চিকিৎসকদের ওপর আক্রমণ হয়। এখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা আছেন, আপনাদের উদ্দেশে আমি বলি-ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার একমাত্র আছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি)।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যদি সেখানে অভিযোগ করা হয়, তারা যাচাই-বাছাই করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা এবং অবহেলাজনিত কারণে বিএমডিসি তাঁদের শাস্তির আওতায় এনেছে। সুতরাং পট করে আমরা ভুল চিকিৎসা বলে দেব, সেটি কিন্তু হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তবে কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যদি চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠে এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আমি মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সারা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি। চিকিৎসকদের উদ্দেশে আমি একটা কথাই বলি, আমি এই জায়গায় আসব তা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। আবার রোগীদেরও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা গবেষণায় বড় অবদান রাখছে। আমি ভুটানে গিয়েছি, নেপালে গিয়েছি, সেখানে অনেক চিকিৎসক বলেছেন, তাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁদের দেশের রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। এটা শুনে গর্বে আমার বুকটা ভরে গেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান মিলন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘আমাকে আগামী চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা আমার পবিত্র দায়িত্ব। আমি সততার সঙ্গে কাজ করব। আমি কোনো দুর্নীতি, অনিয়মকে প্রশ্রয় দেব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটকে বাইপাস করে কোনো কিছুই করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর লোক, এটাই আমাদের পরিচয়। আমি মনে করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, সেবা ও গবেষণায় এক নম্বর করাই বড় চ্যালেঞ্জ।’
এর আগে সকালে শেখ রাসেল ফোয়ারার সম্মুখে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন, বি ব্লকে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ‘কর্তব্যে থাকার কথা কিন্তু অফিস চলার সময় কেউ হাসপাতালের বাইরে গেলে, তাঁরা যেই হোন না কেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ২৭তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, ‘ভুল চিকিৎসা বলতে কিছু নাই, ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার আমাদের কারও নাই। আমরা কথায় কথায় দেখি ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে চিকিৎসকদের ওপর আক্রমণ হয়। এখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা আছেন, আপনাদের উদ্দেশে আমি বলি-ভুল চিকিৎসা বলার অধিকার একমাত্র আছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি)।’
তিনি আরও বলেন, ‘কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যদি সেখানে অভিযোগ করা হয়, তারা যাচাই-বাছাই করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুল চিকিৎসা এবং অবহেলাজনিত কারণে বিএমডিসি তাঁদের শাস্তির আওতায় এনেছে। সুতরাং পট করে আমরা ভুল চিকিৎসা বলে দেব, সেটি কিন্তু হয় না।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘তবে কোনো চিকিৎসকের বিরুদ্ধে যদি চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগ ওঠে এবং প্রমাণিত হয়, তাহলে আমি অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’
ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘আমি মন্ত্রী হওয়ার পর থেকে সারা দেশ ঘুরে বেড়াচ্ছি। চিকিৎসকদের উদ্দেশে আমি একটা কথাই বলি, আমি এই জায়গায় আসব তা স্বপ্নেও ভাবতে পারিনি। চিকিৎসকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে। আবার রোগীদেরও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, চিকিৎসাসেবা গবেষণায় বড় অবদান রাখছে। আমি ভুটানে গিয়েছি, নেপালে গিয়েছি, সেখানে অনেক চিকিৎসক বলেছেন, তাঁরা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষা নিয়ে তাঁদের দেশের রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন। এটা শুনে গর্বে আমার বুকটা ভরে গেছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. দীন মো. নূরুল হকের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও কমিউনিটি ক্লিনিক হেলথ সাপোর্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. এহতেশামুল হক চৌধুরী দুলাল, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের মহাসচিব অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান মিলন।
সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘আমাকে আগামী চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা আমার পবিত্র দায়িত্ব। আমি সততার সঙ্গে কাজ করব। আমি কোনো দুর্নীতি, অনিয়মকে প্রশ্রয় দেব না। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটকে বাইপাস করে কোনো কিছুই করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমরা সবাই বঙ্গবন্ধুর লোক, এটাই আমাদের পরিচয়। আমি মনে করি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, সেবা ও গবেষণায় এক নম্বর করাই বড় চ্যালেঞ্জ।’
এর আগে সকালে শেখ রাসেল ফোয়ারার সম্মুখে জাতীয় পতাকা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পতাকা উত্তোলন, বি ব্লকে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে কার্যক্রম শুরু করা হয়।
অনেকে মনে করি, ফ্রিজ বা রেফ্রিজারেটর হলো দীর্ঘদিন খাবার ভালো রাখার নিরাপদ জায়গা। কিন্তু সব খাবার ফ্রিজে ভালো থাকে না। কিছু কিছু খাবার ফ্রিজে রাখলে সেগুলোর গুণগত মান নষ্ট হয়ে যায়। এমনকি ক্ষতিকরও হয়ে উঠতে পারে। আধুনিক জীবনব্যবস্থায় ফ্রিজ অত্যাবশ্যকীয় অনুষঙ্গ, যা আমাদের জীবনযাত্রার সঙ্গে মিশে গেছে।
৩ ঘণ্টা আগেকানে পানি ঢুকলে কান পাকে, এ ধারণা ভুল। আগে থেকে যদি কারও মধ্যকর্ণে বা কানের পর্দায় ফুটো থাকে, তাহলে পানি ঢুকলে কান পাকে। যাদের আগে থেকে কান পাকার সমস্যা, তাদের কানে পানি ঢুকলে সমস্যাটি আরও খারাপ পর্যায়ে চলে যেতে পারে। তবে যাদের এ ধরনের সমস্যা নেই, তাদের কানে পানি প্রবেশ করলেও কান পাকার আশঙ্কা নেই...
৩ ঘণ্টা আগেকাজ, পড়াশোনা কিংবা দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন চাপে অনেকের মনে অস্থিরতা কাজ করে। অনেক সময় মন শান্ত রাখা খুব কঠিন। এমনকি দিনের পর দিন কাজের শেষে বিশ্রাম নিলেও মন খারাপ হওয়া থামতে চায় না। জেনে রাখা ভালো মন শান্ত রাখার কিছু সহজ উপায়—
৩ ঘণ্টা আগেশিশুর মনোবল বাড়ানোর জন্য মা-বাবা, অভিভাবক ও শিক্ষকদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। মনোবিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণা থেকে শিশুর মনোবল বাড়ানোর কিছু কার্যকরী কৌশল খুঁজে পেয়েছেন। এসব কৌশল শিশুর শারীরিক ও মানসিকভাবে শক্তিশালী করে তুলতে সাহায্য করবে।
৪ ঘণ্টা আগে