বিপিএলের উদ্বোধনীতে তিন দিনের সংগীত উৎসব
বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা
সুরের তালে গানের দোলায় বিপিএলের মন মাতানো উদ্বোধনী আয়োজন উপভোগ করল দেশবাসী। ৩০ ডিসেম্বর দেশে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা বিপিএল। ৭টি দল লড়বে চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য। এরই মধ্যে ঘটা করে উন্মোচন করা হয়েছে বিপিএলের মাসকট ও থিম সং। এবারের বিপিএলের উদ্বোধনী আয়োজনে রয়েছে তিন দিনের সংগীত উৎসব। ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে বিপিএলের উন্মাদনা আরও বাড়াতেই এমন পরিকল্পনা বিসিবির।
গতকাল ঢাকার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হয়ে গেল সংগীত উৎসবের প্রথম দিনের কনসার্ট। বিকেল থেকে খ্যাতিমান শিল্পীদের পরিবেশনায় মেতে উঠেছিল ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ। প্রথম দিনের কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। আরও গেয়েছেন রাফা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বলিউডের সংগীত ব্যক্তিত্ব সঞ্জয়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মুজা, বাংলাদেশের জেফার, র্যাপার হান্নান ও ব্যান্ড মাইলস। ২৫ ডিসেম্বর সিলেটে ও ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে বিপিএলের সংগীত উৎসবের পরবর্তী অংশ। এ দুই আয়োজনেও থাকবেন সঞ্জয়, মুজা, জেফাররা। তাঁদের সঙ্গে গাইবেন স্থানীয় শিল্পীরা।
গতকাল বিকেল ৪টায় শুরু হয় কনসার্ট। প্রথমেই মঞ্চে আসেন রাফা। তখনো স্টেডিয়াম ভুগছে দর্শকশূন্যতায়। কিন্তু সেটা একেবারেই প্রভাব ফেলল না রাফার গানে। নিজেই বললেন, ‘দুই-তিনজন উপভোগ করলেও আমার চলবে।’ তিনি শুরু করলেন ‘মেঘের দেশে কি এখনো তুমি হারাও আনমনে’ দিয়ে। এরপর গাইলেন ‘আমার হাড় কালা করলাম রে,’ ‘চলো আরেকবার হারাই তুমি আর আমি’সহ কয়েকটি গান। ততক্ষণে স্টেডিয়ামে বেড়ে চলেছে দর্শকের ভিড়।
নামাজের বিরতি শেষে মঞ্চে আসেন সঞ্জয়। ‘বধূবেশে কন্যা যখন এল রে’, ‘মা লো মা ঝি লো ঝি’, ‘দিন দুনিয়ার মালিক খোদা’, ‘তুমি বন্ধু কালা পাখি’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’সহ বেশ কিছু গানের ম্যাশআপ করেন তিনি। এরপর নিজের পরিচয়পর্ব সেরে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান জেফারকে। ‘তোমরা দেখো গো আসিয়া কমলায় নৃত্য করে’ গাইতে গাইতে পরিবেশনা শুরু করেন জেফার। এরপর গাইলেন ‘বেদের মেয়ে জোছনা আমায়’। জেফার যখন কণ্ঠে তুললেন ‘ঝুমকা ঝুলে কানে হায়’ ততক্ষণে স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। জেফারদের গান যেন প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে এল দর্শকদের কণ্ঠ থেকে। এই পর্যায়ে সঞ্জয়ের আমন্ত্রণে মঞ্চে আসেন মুজা। তিনিও জেফারের সঙ্গে কণ্ঠ মেলালেন ঝুমকা গানে। মুজা একে একে গেয়ে শোনালেন ‘আইলা রে নয়া দামান’, ‘আসি বলে গেলা বন্ধু আইলা না’, ‘ঢোলের তালে নাচো গো মাইয়া’, ‘বেণি খুলে এলো চুলে আসো যখন দেখি’।
সন্ধ্যা ৭টার কিছু সময় পরে মঞ্চে আসে ব্যান্ড মাইলস। তাদের পরিবেশনায় ছিল ‘নীলা’, ‘প্রিয়তমা মেঘ’, ‘চাঁদ তারা সূর্য নও তুমি’, ‘পলাতক হৃদয়ে’, ‘ধিকি ধিকি আগুন জ্বলে’, ‘নিঃস্ব করেছ আমায়’। পুরো স্টেডিয়াম গলা মিলিয়েছে তাদের গানে।
এবারের বিপিএলের থিম সংটি গেয়েছেন মুজা, সঞ্জয় ও র্যাপার হান্নান। ৭টা ৪০ মিনিটে সেই থিম সং নিয়ে আবার মঞ্চে আসেন তাঁরা। একটি মধ্য বিরতি দিয়ে দেখানো হলো গ্রাফিতি শো, বিপিএল চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, চোখধাঁধানো লেজার লাইট শো এবং আতশবাজির ঝলক। পুরো স্টেডিয়াম এলাকায় ছড়িয়ে পড়ল বর্ণিল আলোকছটা।
পুরো স্টেডিয়াম যেন অধীর হয়ে উঠেছে রাহাত ফতেহ আলীর কণ্ঠ শোনার জন্য। ততক্ষণে ঘড়ির কাঁটা রাত ৯টার ঘর ছুঁয়েছে। একটি যন্ত্রসংগীত দিয়ে শুরু হলো পরিবেশনা। এরপর মঞ্চে এসে সালাম দিয়ে রাহাত ফতেহ আলী খান বাংলায় বললেন, ‘ভালোবাসা, আমি তোমাকে ভালোবাসি’। চাচা ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খানের ‘আল্লাহু আল্লাহ’ দিয়ে পরিবেশনা শুরু করেন তিনি। এরপর গাইলেন ‘ও সানু এ পাল চ্যান এ না আয়ে’। স্টেডিয়ামভর্তি হাজার হাজার মানুষ যেন ততক্ষণে মন্ত্রমুগ্ধ! রাহাত ফতেহ আলীর কণ্ঠে বেজে উঠল ‘তাবিজ বানাকে ম্যায় পেহনু তোঝে’, এরপর তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী রুনা লায়লার সুর-সংগীতে গাইলেন ‘ভালোবাসা আমার পর হয়েছে’। মুগ্ধতা ছড়িয়ে গেয়ে গেলেন ‘তেরি আখো কি দরিয়া’, ‘মেরে রাশকে কামার’, ‘আফরি আফির’-এর মতো গান দিয়ে। রাহাত ফতেহ আলীর সঙ্গে এসেছিলেন তাঁর ছেলে শাহ আজমান আলী খান। ছেলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি। ছেলেও গেয়ে শোনালেন কয়েকটি গান।
সুরের তালে গানের দোলায় বিপিএলের মন মাতানো উদ্বোধনী আয়োজন উপভোগ করল দেশবাসী। ৩০ ডিসেম্বর দেশে শুরু হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বা বিপিএল। ৭টি দল লড়বে চূড়ান্ত বিজয়ের জন্য। এরই মধ্যে ঘটা করে উন্মোচন করা হয়েছে বিপিএলের মাসকট ও থিম সং। এবারের বিপিএলের উদ্বোধনী আয়োজনে রয়েছে তিন দিনের সংগীত উৎসব। ক্রীড়াপ্রেমীদের মধ্যে বিপিএলের উন্মাদনা আরও বাড়াতেই এমন পরিকল্পনা বিসিবির।
গতকাল ঢাকার মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হয়ে গেল সংগীত উৎসবের প্রথম দিনের কনসার্ট। বিকেল থেকে খ্যাতিমান শিল্পীদের পরিবেশনায় মেতে উঠেছিল ক্রিকেটপ্রেমী মানুষ। প্রথম দিনের কনসার্টের প্রধান আকর্ষণ ছিলেন পাকিস্তানের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। আরও গেয়েছেন রাফা, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত বলিউডের সংগীত ব্যক্তিত্ব সঞ্জয়, যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী মুজা, বাংলাদেশের জেফার, র্যাপার হান্নান ও ব্যান্ড মাইলস। ২৫ ডিসেম্বর সিলেটে ও ২৭ ডিসেম্বর চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে বিপিএলের সংগীত উৎসবের পরবর্তী অংশ। এ দুই আয়োজনেও থাকবেন সঞ্জয়, মুজা, জেফাররা। তাঁদের সঙ্গে গাইবেন স্থানীয় শিল্পীরা।
গতকাল বিকেল ৪টায় শুরু হয় কনসার্ট। প্রথমেই মঞ্চে আসেন রাফা। তখনো স্টেডিয়াম ভুগছে দর্শকশূন্যতায়। কিন্তু সেটা একেবারেই প্রভাব ফেলল না রাফার গানে। নিজেই বললেন, ‘দুই-তিনজন উপভোগ করলেও আমার চলবে।’ তিনি শুরু করলেন ‘মেঘের দেশে কি এখনো তুমি হারাও আনমনে’ দিয়ে। এরপর গাইলেন ‘আমার হাড় কালা করলাম রে,’ ‘চলো আরেকবার হারাই তুমি আর আমি’সহ কয়েকটি গান। ততক্ষণে স্টেডিয়ামে বেড়ে চলেছে দর্শকের ভিড়।
নামাজের বিরতি শেষে মঞ্চে আসেন সঞ্জয়। ‘বধূবেশে কন্যা যখন এল রে’, ‘মা লো মা ঝি লো ঝি’, ‘দিন দুনিয়ার মালিক খোদা’, ‘তুমি বন্ধু কালা পাখি’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’সহ বেশ কিছু গানের ম্যাশআপ করেন তিনি। এরপর নিজের পরিচয়পর্ব সেরে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান জেফারকে। ‘তোমরা দেখো গো আসিয়া কমলায় নৃত্য করে’ গাইতে গাইতে পরিবেশনা শুরু করেন জেফার। এরপর গাইলেন ‘বেদের মেয়ে জোছনা আমায়’। জেফার যখন কণ্ঠে তুললেন ‘ঝুমকা ঝুলে কানে হায়’ ততক্ষণে স্টেডিয়াম কানায় কানায় পূর্ণ। জেফারদের গান যেন প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে এল দর্শকদের কণ্ঠ থেকে। এই পর্যায়ে সঞ্জয়ের আমন্ত্রণে মঞ্চে আসেন মুজা। তিনিও জেফারের সঙ্গে কণ্ঠ মেলালেন ঝুমকা গানে। মুজা একে একে গেয়ে শোনালেন ‘আইলা রে নয়া দামান’, ‘আসি বলে গেলা বন্ধু আইলা না’, ‘ঢোলের তালে নাচো গো মাইয়া’, ‘বেণি খুলে এলো চুলে আসো যখন দেখি’।
সন্ধ্যা ৭টার কিছু সময় পরে মঞ্চে আসে ব্যান্ড মাইলস। তাদের পরিবেশনায় ছিল ‘নীলা’, ‘প্রিয়তমা মেঘ’, ‘চাঁদ তারা সূর্য নও তুমি’, ‘পলাতক হৃদয়ে’, ‘ধিকি ধিকি আগুন জ্বলে’, ‘নিঃস্ব করেছ আমায়’। পুরো স্টেডিয়াম গলা মিলিয়েছে তাদের গানে।
এবারের বিপিএলের থিম সংটি গেয়েছেন মুজা, সঞ্জয় ও র্যাপার হান্নান। ৭টা ৪০ মিনিটে সেই থিম সং নিয়ে আবার মঞ্চে আসেন তাঁরা। একটি মধ্য বিরতি দিয়ে দেখানো হলো গ্রাফিতি শো, বিপিএল চ্যাম্পিয়ন ট্রফি, চোখধাঁধানো লেজার লাইট শো এবং আতশবাজির ঝলক। পুরো স্টেডিয়াম এলাকায় ছড়িয়ে পড়ল বর্ণিল আলোকছটা।
পুরো স্টেডিয়াম যেন অধীর হয়ে উঠেছে রাহাত ফতেহ আলীর কণ্ঠ শোনার জন্য। ততক্ষণে ঘড়ির কাঁটা রাত ৯টার ঘর ছুঁয়েছে। একটি যন্ত্রসংগীত দিয়ে শুরু হলো পরিবেশনা। এরপর মঞ্চে এসে সালাম দিয়ে রাহাত ফতেহ আলী খান বাংলায় বললেন, ‘ভালোবাসা, আমি তোমাকে ভালোবাসি’। চাচা ওস্তাদ নুসরাত ফতেহ আলী খানের ‘আল্লাহু আল্লাহ’ দিয়ে পরিবেশনা শুরু করেন তিনি। এরপর গাইলেন ‘ও সানু এ পাল চ্যান এ না আয়ে’। স্টেডিয়ামভর্তি হাজার হাজার মানুষ যেন ততক্ষণে মন্ত্রমুগ্ধ! রাহাত ফতেহ আলীর কণ্ঠে বেজে উঠল ‘তাবিজ বানাকে ম্যায় পেহনু তোঝে’, এরপর তিনি উপমহাদেশের প্রখ্যাত বাংলাদেশি শিল্পী রুনা লায়লার সুর-সংগীতে গাইলেন ‘ভালোবাসা আমার পর হয়েছে’। মুগ্ধতা ছড়িয়ে গেয়ে গেলেন ‘তেরি আখো কি দরিয়া’, ‘মেরে রাশকে কামার’, ‘আফরি আফির’-এর মতো গান দিয়ে। রাহাত ফতেহ আলীর সঙ্গে এসেছিলেন তাঁর ছেলে শাহ আজমান আলী খান। ছেলের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিলেন তিনি। ছেলেও গেয়ে শোনালেন কয়েকটি গান।
সৌদি আরবের প্রথম দিকের কয়েকজন নারী র্যাপারের একজন জারা। সংগীতশিল্পী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সৌদির সীমানা পেরিয়ে তিনি এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে থাকছেন। আরবি, ইংরেজির পাশাপাশি সুইডিশ ভাষাতেও সাবলীল এই তরুণী। জানান, আরও একটি ভাষা শেখার ইচ্ছা আছে তাঁর। সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে তাঁর গান...
৮ ঘণ্টা আগেবিজ্ঞাপন, মিউজিক ভিডিও ও নাচের মঞ্চে মামনুন ইমন ও প্রার্থনা ফারদিন দীঘি জুটি হয়েছিলেন আগে। এবার এই জুটিকে প্রথমবারের মতো দেখা যাবে বড় পর্দায়। সরকারি অনুদানের ‘দেনাপাওনা’ সিনেমায় অভিনয় করবেন তাঁরা।
১৫ ঘণ্টা আগেঅত ভালো ছাত্র ছিলেন না সুরিয়া। টেনেটুনে পাস করতেন। ফেল ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। সেই গড়পড়তা ছাত্র এখন হাজারো শিক্ষার্থীর ভরসা। ২০০৬ সালে তামিল এই অভিনেতা গড়ে তোলেন আগারাম ফাউন্ডেশন নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি থেকে তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কাজ করেন তি
১৫ ঘণ্টা আগেএকসময় টিভি নাটকে ছিল পারিবারিক গল্পের রাজত্ব। মাঝে প্রেম আর কমেডি গল্পের ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছিল এই ধরনের নাটক। সংখ্যায় কম হলেও সম্প্রতি আবার ফিরছে পারিবারিক গল্পের নাটক। গত বছরের শেষ দিকে কে এম সোহাগ রানা শুরু করেন ‘দেনা পাওনা’ নামের ধারাবাহিকের কাজ। শুরুতে ইউটিউবে ৮ পর্বের মিনি সিরিজ হিসেবে পরিকল্
১৫ ঘণ্টা আগে