জাহিদ হাসান, যশোর
যশোর সদরের চাঁচড়া ইউনিয়নের করিচিয়া গ্রামের মালেকা বেগমের সেমিপাকা ঘর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল প্রতিবেশী ফজর আলীর সঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল রাতে সালিসে বসেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল হালিমসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সালিসে ফজর আলীর পক্ষ নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাতেই মালেকা বেগমের সেমিপাকা ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এরপর ঘটনাটির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করে জেলা বিএনপি।
একই উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস আলী রাজনীতির পাশাপাশি করতেন ব্যবসা। আ.লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের সমর্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ছিল। শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পরে ইউনূস সেই সব ব্যবসায়ীদের হুমকি ও স্থাপনা ভাঙচুর করেন। ৭ আগস্ট সংগঠনের সদর উপজেলা বিএনপি এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
বিএনপির নেতা গোলাম মোস্তফা কিংবা ইউনূস আলীর মতো গত এক বছরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডের শীর্ষ স্থানীয় দেড় সহস্রাধিক নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পড়ে জেলা বিএনপির কাছে। এর মধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে বহিষ্কার ও অর্ধশতাধিক ব্যক্তির পদ স্থগিত করেছে। অভিযোগ পড়া বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে দলটির সভাপতি। এ ছাড়া যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দলের নেতারাও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার শিরোনাম হয়েছে।
সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া এসব নেতারা দলের ছোট ছোট পদ-পদবিতে থাকলেও করেছেন বড় বড় অপরাধ। এদের মধ্যে কেউ কেউ জড়িয়ে পড়েন চাঁদাবাজি, লুটপাট ও সরকারি বরাদ্দের ভাগাভাগি নিয়ে সহিংসতায়। দোকানপাট, নওয়াপাড়া নৌবন্দর, বাঁওড়, মৎস্যঘের, জায়গাজমি, মার্কেট—সর্বত্র দখলের প্রতিযোগিতা শুরু করেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় শোকজ, পদ স্থগিত কিংবা বহিষ্কার করেও লাগাম টানতে পারছে না দলটি। নওয়াপাড়া বন্দরসহ বেশ কিছু এলাকায় চাঁদাবাজি অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামী লীগের লোকজন যেসব স্থান থেকে চাঁদাবাজি করত—বিশেষ সেসব স্থানের দখল নিয়েছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কতিপয় নেতা-কর্মী।
চাঁদাবাজির হাতবদল, আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
নওয়াপাড়া নৌবন্দরের আলোচিত জাফ্রিদী এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার শাহনেওয়াজ কবীর টিপু। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে অপহরণের পর বালুতে পুঁতে অস্ত্রের মুখে ১ কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠে নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনির বিরুদ্ধে। এরপর আরও ১ কোটি টাকার চেক ও কয়েকটি সাদা স্ট্যাম্পে সই করে রাখেন অপহরণকারীরা। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর টিপুকে জিম্মি করে একই চক্র আদায় করে ২ কোটি টাকা। অপহরণের পর মুক্তি পেয়ে কিছুদিন পালিয়ে ছিলেন এই ব্যবসায়ী। টিপুর স্ত্রীর করা চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত শুক্রবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শুধু টিপু নন, নওয়াপাড়ার এমন অনেক বড় ব্যবসায়ী চাঁদাবাজদের উৎপাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, গত বছরের ৫ আগস্টের পর চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে। আগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উৎপাত করতেন, এখন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
নৌ, স্থল আর রেল যোগাযোগ সুবিধার কারণে যশোরের বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে নওয়াপাড়া শহর। সার, সিমেন্ট, কয়লা ও খাদ্যশস্যের এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ মোকাম এটি। এসব খাত থেকে বছরে শতকোটি টাকা চাঁদা হাতবদল হয়। বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে নওয়াপাড়া বন্দরের শ্রমিকদের বড় সংগঠন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ করতেন উপজেলা আ.লীগের নেতা রবীন অধিকারী ব্যাচা। বন্দর এলাকায় চাঁদাবাজিতেও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর। ৫ আগস্টের পর থেকে রবীন আত্মগোপনে। এই সুযোগে কার্যালয়টির নিয়ন্ত্রণ ও দখলে নেন অভয়নগর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রবিউল হোসেন। এ ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নামে প্রতিদিন ৬০০-৭০০ ট্রাক থেকে চাঁদা উঠছে বলে অভিযোগ পরিবহন চালকদের। শ্রমিক দলের নেতা রবিউল বলেন, ‘নওয়াপাড়ায় শ্রমিক সংগঠনের নামে এখন কোনো চাঁদা আদায় করা হয় না। পৌরসভা বা বন্দর এলাকার লোড-আনলোডের নামে আদায় করা চাঁদাবাজির সঙ্গেও তাঁর সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।’
স্থানীয়রা বলছেন, নৌবন্দরের ঘাট ছাড়াও বালুমহাল, হাটবাজার, ঘের—সবখানেই বেড়েছে চাঁদাবাজি। আ.লীগের ক্যাডাররা পালিয়ে যাওয়ার পর নওয়াপাড়া নৌবন্দরের ১৫০ ঘাটের মধ্যে শতাধিক ঘাট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পলাতক নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন ভৈরব নদপারের বাণিজ্যিক নৌঘাট ‘চাকলাদার স্টোন হাউস’ দখল-লুটপাট করেন জনি। এরপর কয়লা ও গম ব্যবসায়ী দিলীপ সাহাকে আরেক ব্যবসায়ী টিপুর পক্ষ হয়ে হুমকি-ধমকি ও চাঁদা দাবি করেন। তাঁর ভয়ে দিলীপ এলাকা ছাড়েন গত বছরের সেপ্টেম্বরে।
জানতে চাইলে অভয়নগর বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমান বলেন, নওয়াপাড়ায় চাঁদাবাজি হচ্ছে, এটা সত্য। প্রথমে বিএনপির নেতারা জড়িত থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন এটার সঙ্গে তাঁর দলের কেউ জড়িত নয় দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রমাণ পাওয়ায় ইতিমধ্যে অনেক নেতা-কর্মীর পদ স্থগিত ও বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত অভিযোগ আসছে। তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিচ্ছি।’
যশোর সদরের চাঁচড়া ইউনিয়নের করিচিয়া গ্রামের মালেকা বেগমের সেমিপাকা ঘর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল প্রতিবেশী ফজর আলীর সঙ্গে। বিষয়টি নিয়ে চলতি বছরের ১৬ এপ্রিল রাতে সালিসে বসেন উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল হালিমসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা। সালিসে ফজর আলীর পক্ষ নিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাতেই মালেকা বেগমের সেমিপাকা ঘর ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়। এরপর ঘটনাটির ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানার পর দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দুজনকে দল থেকে বহিষ্কার করে জেলা বিএনপি।
একই উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইউনূস আলী রাজনীতির পাশাপাশি করতেন ব্যবসা। আ.লীগ ক্ষমতায় থাকাকালে আওয়ামী লীগের সমর্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাঁর ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব ছিল। শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পরে ইউনূস সেই সব ব্যবসায়ীদের হুমকি ও স্থাপনা ভাঙচুর করেন। ৭ আগস্ট সংগঠনের সদর উপজেলা বিএনপি এক বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়।
বিএনপির নেতা গোলাম মোস্তফা কিংবা ইউনূস আলীর মতো গত এক বছরে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের তিন শতাধিক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপির উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ডের শীর্ষ স্থানীয় দেড় সহস্রাধিক নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পড়ে জেলা বিএনপির কাছে। এর মধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে বহিষ্কার ও অর্ধশতাধিক ব্যক্তির পদ স্থগিত করেছে। অভিযোগ পড়া বাকিদের বিরুদ্ধে তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে দলটির সভাপতি। এ ছাড়া যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দলের নেতারাও নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ার শিরোনাম হয়েছে।
সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া এসব নেতারা দলের ছোট ছোট পদ-পদবিতে থাকলেও করেছেন বড় বড় অপরাধ। এদের মধ্যে কেউ কেউ জড়িয়ে পড়েন চাঁদাবাজি, লুটপাট ও সরকারি বরাদ্দের ভাগাভাগি নিয়ে সহিংসতায়। দোকানপাট, নওয়াপাড়া নৌবন্দর, বাঁওড়, মৎস্যঘের, জায়গাজমি, মার্কেট—সর্বত্র দখলের প্রতিযোগিতা শুরু করেন। দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ায় শোকজ, পদ স্থগিত কিংবা বহিষ্কার করেও লাগাম টানতে পারছে না দলটি। নওয়াপাড়া বন্দরসহ বেশ কিছু এলাকায় চাঁদাবাজি অব্যাহত রয়েছে। আওয়ামী লীগের লোকজন যেসব স্থান থেকে চাঁদাবাজি করত—বিশেষ সেসব স্থানের দখল নিয়েছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কতিপয় নেতা-কর্মী।
চাঁদাবাজির হাতবদল, আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা
নওয়াপাড়া নৌবন্দরের আলোচিত জাফ্রিদী এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার শাহনেওয়াজ কবীর টিপু। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে অপহরণের পর বালুতে পুঁতে অস্ত্রের মুখে ১ কোটি টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ ওঠে নওয়াপাড়া পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান জনির বিরুদ্ধে। এরপর আরও ১ কোটি টাকার চেক ও কয়েকটি সাদা স্ট্যাম্পে সই করে রাখেন অপহরণকারীরা। এর আগে ২ সেপ্টেম্বর টিপুকে জিম্মি করে একই চক্র আদায় করে ২ কোটি টাকা। অপহরণের পর মুক্তি পেয়ে কিছুদিন পালিয়ে ছিলেন এই ব্যবসায়ী। টিপুর স্ত্রীর করা চাঁদাবাজি ও অস্ত্র আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তারের পর গত শুক্রবার তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
শুধু টিপু নন, নওয়াপাড়ার এমন অনেক বড় ব্যবসায়ী চাঁদাবাজদের উৎপাতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাঁদের অভিযোগ, গত বছরের ৫ আগস্টের পর চাঁদাবাজির হাতবদল হয়েছে। আগে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা উৎপাত করতেন, এখন করেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
নৌ, স্থল আর রেল যোগাযোগ সুবিধার কারণে যশোরের বৃহৎ শিল্প ও ব্যবসাকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে নওয়াপাড়া শহর। সার, সিমেন্ট, কয়লা ও খাদ্যশস্যের এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ মোকাম এটি। এসব খাত থেকে বছরে শতকোটি টাকা চাঁদা হাতবদল হয়। বিগত আওয়ামী লীগের শাসনামলে নওয়াপাড়া বন্দরের শ্রমিকদের বড় সংগঠন ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ করতেন উপজেলা আ.লীগের নেতা রবীন অধিকারী ব্যাচা। বন্দর এলাকায় চাঁদাবাজিতেও একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল তাঁর। ৫ আগস্টের পর থেকে রবীন আত্মগোপনে। এই সুযোগে কার্যালয়টির নিয়ন্ত্রণ ও দখলে নেন অভয়নগর উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রবিউল হোসেন। এ ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের নামে প্রতিদিন ৬০০-৭০০ ট্রাক থেকে চাঁদা উঠছে বলে অভিযোগ পরিবহন চালকদের। শ্রমিক দলের নেতা রবিউল বলেন, ‘নওয়াপাড়ায় শ্রমিক সংগঠনের নামে এখন কোনো চাঁদা আদায় করা হয় না। পৌরসভা বা বন্দর এলাকার লোড-আনলোডের নামে আদায় করা চাঁদাবাজির সঙ্গেও তাঁর সংগঠনের কোনো সম্পর্ক নেই।’
স্থানীয়রা বলছেন, নৌবন্দরের ঘাট ছাড়াও বালুমহাল, হাটবাজার, ঘের—সবখানেই বেড়েছে চাঁদাবাজি। আ.লীগের ক্যাডাররা পালিয়ে যাওয়ার পর নওয়াপাড়া নৌবন্দরের ১৫০ ঘাটের মধ্যে শতাধিক ঘাট নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পলাতক নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের মালিকানাধীন ভৈরব নদপারের বাণিজ্যিক নৌঘাট ‘চাকলাদার স্টোন হাউস’ দখল-লুটপাট করেন জনি। এরপর কয়লা ও গম ব্যবসায়ী দিলীপ সাহাকে আরেক ব্যবসায়ী টিপুর পক্ষ হয়ে হুমকি-ধমকি ও চাঁদা দাবি করেন। তাঁর ভয়ে দিলীপ এলাকা ছাড়েন গত বছরের সেপ্টেম্বরে।
জানতে চাইলে অভয়নগর বিএনপির সভাপতি ফারাজী মতিয়ার রহমান বলেন, নওয়াপাড়ায় চাঁদাবাজি হচ্ছে, এটা সত্য। প্রথমে বিএনপির নেতারা জড়িত থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এখন এটার সঙ্গে তাঁর দলের কেউ জড়িত নয় দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু বলেন, ‘দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের প্রমাণ পাওয়ায় ইতিমধ্যে অনেক নেতা-কর্মীর পদ স্থগিত ও বহিষ্কার করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত অভিযোগ আসছে। তদন্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নিচ্ছি।’
রাজধানীর সাতটি মোড়ে গতকাল রোববার পরীক্ষামূলকভাবে দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ট্রাফিক সিগন্যাল (সংকেত) বাতির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তবে যানবাহনের চালক ও পথচারীরা সচেতনতার অভাবে নতুন সংকেত না মানায় ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের হাতের ইশারায় সংকেত দিতে হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগেকুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামে ধরলা নদীর বাম তীরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে ধস নেমেছে। এতে হুমকিতে পড়েছে হাজারো পরিবার এবং কয়েক হাজার হেক্টর কৃষিজমি।
২ ঘণ্টা আগেঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করে বরিশাল জিলা স্কুলের ৭০টি গাছ কাটার আয়োজন করছে কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে ৬৫টি গাছ কাটার জন্য ৩ সেপ্টেম্বর নিলাম আহ্বান করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও নিলাম কমিটির সদস্যসচিব অনিতা রানী হালদার।
২ ঘণ্টা আগেদেশীয় মাছের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত সুনামগঞ্জের বিস্তীর্ণ হাওরগুলোতে বর্ষার ভরা মৌসুমেও মাছ নেই বললেই চলে। এতে করে সংকটে পড়েছেন স্থানীয় জেলেরা। মাছ শিকারকে যাঁরা পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন, তাঁরা এখন বাধ্য হচ্ছেন পেশা পরিবর্তনে।
৩ ঘণ্টা আগে