টেস্ট ম্যাচ জয় দূরে থাক, পাকিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের মাঠে বাংলাদেশের কোনো জয়ই ছিল না। নাজমুল হোসেন শান্তর বাংলাদেশ এবার সেই ডেডলক ভেঙেছে। পাকিস্তানকে তাদের মাঠে বাংলাদেশ করেছে ধবলধোলাইও। তামিম ইকবালের কাছে এটাই বাংলাদেশের সেরা অর্জন।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দুটিই হয়েছে রাওয়ালপিন্ডিতে। রেকর্ডের বন্যা বইয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম টেস্টে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ৪৪৮ রানে ইনিংস ঘোষণার পর বাংলাদেশ নিয়েছে ১১৭ রানের লিড। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫৬৫ রান বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদের ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত যে কত বড় ভুল ছিল, সেটা তো পরে বোঝাই গেল। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পর ক্রিকইনফোতে তামিম বলেন, ‘টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন এটা। দল যেভাবে খেলেছে, সত্যিই দুর্দান্ত ছিল। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৪৮০ (৬ উইকেটে ৪৪৮ রানের ইনিংস ঘোষণা) করল মনে হয়। তারপর বাংলাদেশ যেভাবে ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়াল, বোলিং করল। দুই বিভাগেই দারুণ করেছে বাংলাদেশ।’
প্রথম টেস্টের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে স্বাভাবিকভাবেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। স্বাগতিকদের আগুনে বোলিংয়ে ২৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাসের ১৬৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের পেসাররা প্রথমবারের মতো টেস্টে ১০ উইকেট নিয়েছেন। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশের প্রশংসা করে তামিম বলেন, ‘রাওয়ালপিন্ডির উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য অনেক ভালো সেটা আমরা জানি। বাংলাদেশের পেসাররা অসাধারণ বোলিং করেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য দারুণ মুহূর্ত। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে এসে ম্যাচ জিতলাম। এটা অবশ্যই অনেকে দীর্ঘদিন মনে রাখবেন।’
তামিম আরও বলেন, ‘ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটাররা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটাররা বাংলাদেশ টাইগার্সের সঙ্গে ক্যাম্প করছিল। এটা বিসিবির নতুন উদ্যোগ। ক্যাম্প হয়েছে দেড় মাসের মতো। মুশফিক, মুমিনুল, মেহেদীরা সেখানে ছিল। স্থানীয় কোচদের অনেক কৃতিত্ব রয়েছে। তারা সেই ক্যাম্পে কাজ করছিল। জয়ের পর লোকে এমন জিনিসও অনেক সময় ভুলে যায়।’
আরও পড়ুন—
টেস্ট ম্যাচ জয় দূরে থাক, পাকিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের মাঠে বাংলাদেশের কোনো জয়ই ছিল না। নাজমুল হোসেন শান্তর বাংলাদেশ এবার সেই ডেডলক ভেঙেছে। পাকিস্তানকে তাদের মাঠে বাংলাদেশ করেছে ধবলধোলাইও। তামিম ইকবালের কাছে এটাই বাংলাদেশের সেরা অর্জন।
বাংলাদেশ-পাকিস্তান দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের দুটিই হয়েছে রাওয়ালপিন্ডিতে। রেকর্ডের বন্যা বইয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ। যেখানে প্রথম টেস্টে পাকিস্তান ৬ উইকেটে ৪৪৮ রানে ইনিংস ঘোষণার পর বাংলাদেশ নিয়েছে ১১৭ রানের লিড। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৫৬৫ রান বাংলাদেশের টেস্ট ইতিহাসের তৃতীয় সর্বোচ্চ রান। পাকিস্তান অধিনায়ক শান মাসুদের ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত যে কত বড় ভুল ছিল, সেটা তো পরে বোঝাই গেল। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়ের পর ক্রিকইনফোতে তামিম বলেন, ‘টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অর্জন এটা। দল যেভাবে খেলেছে, সত্যিই দুর্দান্ত ছিল। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাকিস্তান ৪৮০ (৬ উইকেটে ৪৪৮ রানের ইনিংস ঘোষণা) করল মনে হয়। তারপর বাংলাদেশ যেভাবে ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়াল, বোলিং করল। দুই বিভাগেই দারুণ করেছে বাংলাদেশ।’
প্রথম টেস্টের ধাক্কা সামলে দ্বিতীয় টেস্ট জিততে স্বাভাবিকভাবেই মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। স্বাগতিকদের আগুনে বোলিংয়ে ২৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। সেখান থেকে মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাসের ১৬৫ রানের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায়। দ্বিতীয় ইনিংসে ১০ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের পেসাররা প্রথমবারের মতো টেস্টে ১০ উইকেট নিয়েছেন। খাদের কিনারা থেকে ঘুরে দাঁড়ানো বাংলাদেশের প্রশংসা করে তামিম বলেন, ‘রাওয়ালপিন্ডির উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য অনেক ভালো সেটা আমরা জানি। বাংলাদেশের পেসাররা অসাধারণ বোলিং করেছে। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য দারুণ মুহূর্ত। ২৬ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে এসে ম্যাচ জিতলাম। এটা অবশ্যই অনেকে দীর্ঘদিন মনে রাখবেন।’
তামিম আরও বলেন, ‘ওয়ানডে, টি-টোয়েন্টির ক্রিকেটাররা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছিলেন। টেস্ট ক্রিকেটাররা বাংলাদেশ টাইগার্সের সঙ্গে ক্যাম্প করছিল। এটা বিসিবির নতুন উদ্যোগ। ক্যাম্প হয়েছে দেড় মাসের মতো। মুশফিক, মুমিনুল, মেহেদীরা সেখানে ছিল। স্থানীয় কোচদের অনেক কৃতিত্ব রয়েছে। তারা সেই ক্যাম্পে কাজ করছিল। জয়ের পর লোকে এমন জিনিসও অনেক সময় ভুলে যায়।’
আরও পড়ুন—
ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত বাংলাদেশ। এর মধ্যে আমন্ত্রণ এল আরও এক সিরিজ খেলার। অক্টোবরে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশকে নিয়ে ৩ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে চায় আফগানিস্তান।
৫ ঘণ্টা আগেত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় তুলে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ আফ্রিকার পর আজ হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিয়েছে কিউইরা। দলের জয়ে ঝোড়ো ইনিংস খেলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন এক বছর পর টি-টোয়েন্টি দলে সুযোগ পাওয়া ডেভন কনওয়ে। ৪০ বলে ৫৯ রানের দারুণ এক ইনিংস খেলেছেন এই ওপেনার
৮ ঘণ্টা আগেশ্রীলঙ্কা সফর ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ হার। তবে টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতে শেষটা রাঙিয়েছে বাংলাদেশ দল। সেই জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাল থেকে লিটন দাসরা নতুন টি-টোয়েন্টি শুরু জয়ের অভিযানে নামবেন পাকিস্তানের বিপক্ষে। বাংলাদেশ দলের টপ অর্ডার ব্যাটার মোহাম্মদ নাঈম শেখ তো এই সিরিজে আগে রাখছেন বাংলাদেশকেই। নিজেদের
৮ ঘণ্টা আগেওপেনিংয়ে ব্যাটিং করতে সাকিব আল হাসানকে দেখা যায় না বললেই চলে। তবে ম্যাক্সসিক্সটিন ক্যারিবিয়ান টি-টেন লিগে ওপেনিংয়ে নেমে রীতিমতো তাণ্ডব চালালেন এই অলরাউন্ডার। সাকিবের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সে জয়ের দেখা পেল তাঁর দল মায়ামি ব্লেইজ। টানা দুই হারের পর গ্র্যান্ড কেম্যান ফ্যালকনসকে ১৩ রানে হারিয়েছে মায়ামি।
৮ ঘণ্টা আগে