ক্রীড়া ডেস্ক
তারকা খেলোয়াড়দের যেন ‘ঝামেলার’ অন্ত নেই। ভালো খেললে যেমন পাওয়া যায় প্রশংসার ফুলঝুরি, তেমনি খারাপ খেললে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতেও সময় লাগে না। ২০২৩ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিদায়ঘণ্টা বেজে যাওয়ায় বাবর আজমের নেতৃত্ব নিয়ে চলছিল তুমুল সমালোচনা। তাঁর নেতৃত্ব কেড়ে নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পক্ষ থেকে। অবশেষে তিনি আজ পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছাড়লেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বাবর। পাকিস্তানের এই ব্যাটার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘সব সংস্করণ থেকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছেড়ে দিচ্ছি। এটা কঠিন সিদ্ধান্ত হলেও মনে হচ্ছে এখনই সরে যাওয়ার উপযুক্ত সময়। তিন সংস্করণেই খেলোয়াড় হিসেবে আমি পাকিস্তানের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। নতুন যে অধিনায়ক হচ্ছে, তাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য আমি আছি। আমার অভিজ্ঞতা ও আত্মনিবেদন দিয়ে দলের পাশে সবসময় থাকব। এমন মহান দায়িত্ব দিয়ে আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে বাবরের অধিনায়কত্বের শুরু। শুরুটা ভালো না হলেও ধীরে ধীরে সাফল্য পেতে থাকেন অধিনায়ক বাবর। তাঁর নেতৃত্বে ২০২১ সালে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান টানা ৯ ওয়ানডে জেতার কীর্তি গড়ে। এরপর ২০২৩ সালে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দুইবার উঠেছিল এশিয়ার এই দল। একই সঙ্গে ছুটিয়েছেন রানের ফোয়ারা।
চার বছরে উত্থান-পতনের যাত্রার কথা উল্লেখ করে বাবর বলেন, ‘আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে যখন ২০১৯ সালে পিসিবির থেকে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়ার ডাক পেয়েছিলাম। গত চার বছরে অনেক উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তানের সম্মান ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। খেলোয়াড়, কোচ ও ম্যানেজমেন্টের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাদা বলের ক্রিকেটে এক নম্বরে ওঠা সম্ভব হয়েছে। পাকিস্তানের ক্রিকেট ভক্তদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
অধিনায়ক হিসেবে চার বছরের ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলে বাবর খেলেছেন ১৩৪ ম্যাচ। ৪৮.০৩ গড়ে করেন ৬২৯২ রান। ১৫ সেঞ্চুরি ও ৪৮ ফিফটি করেন। তাঁর নেতৃত্বে পাকিস্তান জিতেছে ৭৮ ম্যাচ, হেরেছে ৪৪ ম্যাচ, ৪ ম্যাচ ড্র ও ১ ম্যাচ টাই হয়েছে। ৭ ম্যাচের কোনো ফল হয়নি। বাবর পদত্যাগ করায় পাকিস্তান হয়ে পড়েছে নেতৃত্বশূন্য। পাকিস্তানের গণমাধ্যমে সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে শোনা যাচ্ছে শান মাসুদ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, ইমাদ ওয়াসিমের মতো খেলোয়াড়দের নাম।
তারকা খেলোয়াড়দের যেন ‘ঝামেলার’ অন্ত নেই। ভালো খেললে যেমন পাওয়া যায় প্রশংসার ফুলঝুরি, তেমনি খারাপ খেললে মুদ্রার উল্টো পিঠ দেখতেও সময় লাগে না। ২০২৩ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানের বিদায়ঘণ্টা বেজে যাওয়ায় বাবর আজমের নেতৃত্ব নিয়ে চলছিল তুমুল সমালোচনা। তাঁর নেতৃত্ব কেড়ে নেওয়ার কথাও শোনা যাচ্ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) পক্ষ থেকে। অবশেষে তিনি আজ পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছাড়লেন তিনি।
সামাজিকমাধ্যমে এক বিবৃতি দিয়ে অধিনায়কত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিলেন বাবর। পাকিস্তানের এই ব্যাটার নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, ‘সব সংস্করণ থেকে পাকিস্তানের নেতৃত্ব ছেড়ে দিচ্ছি। এটা কঠিন সিদ্ধান্ত হলেও মনে হচ্ছে এখনই সরে যাওয়ার উপযুক্ত সময়। তিন সংস্করণেই খেলোয়াড় হিসেবে আমি পাকিস্তানের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করব। নতুন যে অধিনায়ক হচ্ছে, তাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য আমি আছি। আমার অভিজ্ঞতা ও আত্মনিবেদন দিয়ে দলের পাশে সবসময় থাকব। এমন মহান দায়িত্ব দিয়ে আমার ওপর বিশ্বাস রাখার জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরে টি-টোয়েন্টি সিরিজ দিয়ে বাবরের অধিনায়কত্বের শুরু। শুরুটা ভালো না হলেও ধীরে ধীরে সাফল্য পেতে থাকেন অধিনায়ক বাবর। তাঁর নেতৃত্বে ২০২১ সালে ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্ট ও ওয়ানডে সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। এরপর দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। বাবরের নেতৃত্বে পাকিস্তান টানা ৯ ওয়ানডে জেতার কীর্তি গড়ে। এরপর ২০২৩ সালে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে দুইবার উঠেছিল এশিয়ার এই দল। একই সঙ্গে ছুটিয়েছেন রানের ফোয়ারা।
চার বছরে উত্থান-পতনের যাত্রার কথা উল্লেখ করে বাবর বলেন, ‘আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে যখন ২০১৯ সালে পিসিবির থেকে পাকিস্তানকে নেতৃত্ব দেওয়ার ডাক পেয়েছিলাম। গত চার বছরে অনেক উত্থান-পতনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে বিশ্ব ক্রিকেটে পাকিস্তানের সম্মান ধরে রাখতে আপ্রাণ চেষ্টা করেছি। খেলোয়াড়, কোচ ও ম্যানেজমেন্টের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাদা বলের ক্রিকেটে এক নম্বরে ওঠা সম্ভব হয়েছে। পাকিস্তানের ক্রিকেট ভক্তদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।’
অধিনায়ক হিসেবে চার বছরের ক্যারিয়ারে তিন সংস্করণ মিলে বাবর খেলেছেন ১৩৪ ম্যাচ। ৪৮.০৩ গড়ে করেন ৬২৯২ রান। ১৫ সেঞ্চুরি ও ৪৮ ফিফটি করেন। তাঁর নেতৃত্বে পাকিস্তান জিতেছে ৭৮ ম্যাচ, হেরেছে ৪৪ ম্যাচ, ৪ ম্যাচ ড্র ও ১ ম্যাচ টাই হয়েছে। ৭ ম্যাচের কোনো ফল হয়নি। বাবর পদত্যাগ করায় পাকিস্তান হয়ে পড়েছে নেতৃত্বশূন্য। পাকিস্তানের গণমাধ্যমে সম্ভাব্য অধিনায়ক হিসেবে শোনা যাচ্ছে শান মাসুদ, শাহিন শাহ আফ্রিদি, ইমাদ ওয়াসিমের মতো খেলোয়াড়দের নাম।
এবারসহ টানা তিনটি বিপিএলে জাকির হাসান খেলছেন সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে। তাঁর দল এবার নিষ্প্রভ; লিগ পর্বেই বিদায় নিয়েছে। তবু ব্যাট হাতে দ্যুতি ছড়িয়েছেন জাতীয় দলের এই ব্যাটার। ১৪০.৪৩ স্ট্রাইকরেটে ১২ ইনিংসে করেছেন ৩৮৯ রান; যা টুর্নামেন্টের চতুর্থ সর্বোচ্চ। এই ফর্মটাকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও ধরে রাখতে...
১ ঘণ্টা আগেগল টেস্টে গতকাল তৃতীয় দিন শেষে ৫ উইকেটে ১৩৬ রান করেছিল শ্রীলঙ্কা। আজ চতুর্থ দিন আর ২৯ রান তুলতেই বাকি ৫ উইকেট হারিয়ে তারা। ফলোঅনে পড়ে দ্বিতীয় ইনিংসে আবারও ব্যাটিংয়ে নেমেছে স্বাগতিকেরা। এদিকে বিপিএলে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে খুলনা টাইগার্সের জয় ও হারের ওপর নির্ভর করছে দুর্বার রাজশাহীর প্লে-অফ...
১ ঘণ্টা আগেএক মাস ধরে চলা বহুল আলোচিত ও সমালোচিত এবারের বিপিএল চলে এসেছে লিগ পর্বের শেষ ধাপে। ৪০ ম্যাচ শেষে এখন প্লে-অফের শেষ স্থানের জন্য লড়াই। যে লড়াইয়ে টিকে রয়েছে খুলনা টাইগার্স ও দুর্বার রাজশাহী।
২ ঘণ্টা আগেদেশের ফুটবলে এমন নজির আগে দেখা যায়নি। কোচের বিরুদ্ধে একসঙ্গে ১৮ ফুটবলার অবস্থান নিয়ে গণ-অবসরে যাওয়ার হুমকি দিলেন। তা-ও তাঁরা যেনতেন ফুটবলার নন! বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ ও মেধাবীরা। যেখানে আছেন সর্বশেষ সাফের সেরা খেলোয়াড় ঋতুপর্ণা চাকমা। আছেন সেরা গোলকিপার রুপনা চাকমা।
২ ঘণ্টা আগে