নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
২৯টি প্রতিষ্ঠানকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা দিয়ে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অবিলম্বে এই ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
আজ বুধবার বিকেলে স্থায়ী কমিটির সদস্য অসুস্থ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই দাবি জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়াবহ ব্যাপার এটা (তথ্য না চাওয়ার প্রজ্ঞাপন)। এর ফলে কর্তৃত্ববাদী সরকার, তার যে বহিঃপ্রকাশ, তারা যে আরও নিয়ন্ত্রণের দিকে যাচ্ছে, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করবে, দেশের মানুষকে তারা বঞ্চিত করবে তথ্য থেকে, এটা তারই বহিঃপ্রকাশ। এখন আর কোনো ফাঁক রইল না এ কথা বলতে যে, স্বয়ং রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যদি এমন সার্কুলার আসে, তাহলে এই দেশ যে পুরোপুরি কর্তৃত্ববাদী দেশ হয়ে গেছে, সে ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ নেই।’
গত ২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি ধারা অনুযায়ী এসব (২৯ টি) প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ বলে ঘোষণা করা হলো। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ হলে, দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডাটা সেন্টার (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (নির্বাচন কমিশন সচিবালয়), সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন (বাংলাদেশ পুলিশ), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল অ্যাভিয়েশন অথোরিটি বাংলাদেশ, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
২৯টি প্রতিষ্ঠানকে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ ঘোষণা দিয়ে সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপনকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যা দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অবিলম্বে এই ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।
আজ বুধবার বিকেলে স্থায়ী কমিটির সদস্য অসুস্থ ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুকে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের এই সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই দাবি জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘ভয়াবহ ব্যাপার এটা (তথ্য না চাওয়ার প্রজ্ঞাপন)। এর ফলে কর্তৃত্ববাদী সরকার, তার যে বহিঃপ্রকাশ, তারা যে আরও নিয়ন্ত্রণের দিকে যাচ্ছে, গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করবে, দেশের মানুষকে তারা বঞ্চিত করবে তথ্য থেকে, এটা তারই বহিঃপ্রকাশ। এখন আর কোনো ফাঁক রইল না এ কথা বলতে যে, স্বয়ং রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে যদি এমন সার্কুলার আসে, তাহলে এই দেশ যে পুরোপুরি কর্তৃত্ববাদী দেশ হয়ে গেছে, সে ব্যাপারে আর কোনো সন্দেহ নেই।’
গত ২ অক্টোবর জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি ধারা অনুযায়ী এসব (২৯ টি) প্রতিষ্ঠানকে রাষ্ট্রের ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ বলে ঘোষণা করা হলো। এসব প্রতিষ্ঠান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ হলে, দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-রাষ্ট্রপতির কার্যালয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বাংলাদেশ ডাটা সেন্টার কোম্পানি লিমিটেড, সেতু বিভাগ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, জাতীয় ডাটা সেন্টার (বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল), বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি), জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগ (নির্বাচন কমিশন সচিবালয়), সেন্ট্রাল প্রকিউরমেন্ট টেকনিক্যাল ইউনিট, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইমিগ্রেশন (বাংলাদেশ পুলিশ), বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ, তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট কোম্পানি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন, সিভিল অ্যাভিয়েশন অথোরিটি বাংলাদেশ, রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন), ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
বিএনপি স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকের পক্ষে নয় এবং এই নীতিটি সংবিধানে সংযুক্ত করার পক্ষেও দলটি একমত। সংবিধান সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে আলোচনায় অসন্তুষ্ট নয় বিএনপি। বরং রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে একটি সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক ও শক্তিশালী কাঠামো দাঁড় করানোর জন্য তাঁরা সর্বাত্মক...
১ ঘণ্টা আগেঅন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের কাছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন গতকাল তাদের সুপারিশমালা জমা দেওয়ার পর কয়েকটি সুপারিশ নিয়ে তীব্র আলোচনা ও বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিশেষ করে বিয়ে, তালাক, উত্তরাধিকার এবং ভরণপোষণের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমান অধিকার নিশ্চিত করার সুপারিশগুলো নিয়ে বেশি আলোচনা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগেসংস্কারের বিষয়ে আর কোনো সংকট দেখছে না বিএনপি। এই অবস্থায় চলতি বছরের ডিসেম্বরের আগেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভব বলে মনে করছে দলটি। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘সংস্কারের বিষয়ে কোনো সংকট নেই। সবাই সবার মতামত দিয়েছে। ঐকমত্য কোথায় কোথায় হয়েছে, তা জানতে এক সপ্তাহের...
৩ ঘণ্টা আগেসংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি মনে করিয়ে দিয়ে সতর্ক থেকে কাজ করতে দলের নেতা-কর্মীদের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেছেন, ‘আমাদের সজাগ থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে যে আমাদের সংগ্রাম এখনো শেষ হয়নি। গণতান্ত্রিক উত্তরণ এখনো আমাদের হয়নি, নির্বাচনের..
৪ ঘণ্টা আগে