নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দ্বিকক্ষ সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ জনের মধ্যে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে আসবে—এমন প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে নাগরিক ঐক্য। দলটি বলছে, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নের ভিত্তিতেই উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, এতে সিভিল সোসাইটির নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। এতে দেশের সিভিল সোসাইটি ভেঙে পড়তে পারে।
আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার।
সাকিব আনোয়ার বলেন, ‘দ্বিকক্ষ সংসদের ক্ষেত্রে তাদের (কমিশন) যে প্রস্তাব ছিল, উচ্চকক্ষের ১০০ জনের মধ্যে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর থেকে আসবে। আমরা এতে একমত হতে পারিনি। যেহেতু এটা রাজনৈতিক মনোনয়ন থেকেই আসবে। ফলে আলাদা করে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটির জন্য বরাদ্দ করলে যেটা হবে, বাংলাদেশ একটা শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি হারাবে। তখন সিভিল সোসাইটির সদস্যরাও চিন্তা করবে যে কোনো একটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে পরে নির্বাচনের পর উচ্চকক্ষে যাওয়া যাবে। কারণ, সিভিল সোসাইটির মনোনয়নটাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে আসবে। আমরা দেশে একটা শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি কাজ করবে, এটা চাই। তাই সিভিল সোসাইটির মনোনয়ন রাজনৈতিক দল দেবে, এখানে আমরা একমত হতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চকক্ষে ১০৫ জন থাকবেন বলে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ জনকে মনোনীত করবেন রাষ্ট্রপতি। সেই সুযোগ রাখার পক্ষে আমরা নই।’
উচ্চকক্ষে প্রতিনিধি নির্বাচনে একটি দলের ন্যূনতম ৩ শতাংশ ভোটের বিরোধিতা করে সাকিব আনোয়ার বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন এ ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটের কথা বলেছে। আমরা এটাকে সমর্থন করি। আমরা বলেছি, কোনো একটা দল যদি এক শতাংশ ভোটও পায়, তাদের একজন প্রতিনিধি উচ্চকক্ষে থাকবেন।’
ছাড় দিয়ে হলেও যত বেশি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়, এটাই নাগরিক ঐক্যের অবস্থান উল্লেখ করে সাকিব আনোয়ার আরও বলেন, ‘দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের বিষয়ে আমরা একমত ছিলাম না, কিন্তু বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করে আমরা এতে একমত হয়েছি। কমিশনের প্রস্তাব ছিল, ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি থেকে এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিকভাবে।’
নাগরিক ঐক্য ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিপক্ষে নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিপক্ষে নয়। আস্থা ভোট ও অর্থবিল—এ দুটো ছাড়া সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এভাবে ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের কথা বলেছি।’
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর কাদির বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আজকে আমরা বেশি সময় আলোচনা করেছি। দেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনব্যবস্থা কেমন হবে, সেটাতে ফোকাস ছিল। প্রবাসী, অনলাইন ভোটিং নিয়ে মতামত জানিয়েছি। এ ছাড়া বাকি সব বিষয়ে আমরা একমত জানিয়েছি।’
নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ কায়সার বলেন, ‘আমরা আগে ১১৪টি বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। আজকে আমরা ১১৮টি বিষয়ে একমত হয়েছি। ৩৮টি বিষয়ে আমাদের দ্বিমত থাকলেও মতপার্থক্য অনেকখানি নিরসন হয়েছে।’
দ্বিকক্ষ সংসদের উচ্চকক্ষে ১০০ জনের মধ্যে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে আসবে—এমন প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে নাগরিক ঐক্য। দলটি বলছে, সিভিল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও রাজনৈতিক দলগুলোর মনোনয়নের ভিত্তিতেই উচ্চকক্ষের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবেন, এতে সিভিল সোসাইটির নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। এতে দেশের সিভিল সোসাইটি ভেঙে পড়তে পারে।
আজ বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা জানিয়েছেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ার।
সাকিব আনোয়ার বলেন, ‘দ্বিকক্ষ সংসদের ক্ষেত্রে তাদের (কমিশন) যে প্রস্তাব ছিল, উচ্চকক্ষের ১০০ জনের মধ্যে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতর থেকে আসবে। আমরা এতে একমত হতে পারিনি। যেহেতু এটা রাজনৈতিক মনোনয়ন থেকেই আসবে। ফলে আলাদা করে ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটির জন্য বরাদ্দ করলে যেটা হবে, বাংলাদেশ একটা শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি হারাবে। তখন সিভিল সোসাইটির সদস্যরাও চিন্তা করবে যে কোনো একটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে পরে নির্বাচনের পর উচ্চকক্ষে যাওয়া যাবে। কারণ, সিভিল সোসাইটির মনোনয়নটাই রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকে আসবে। আমরা দেশে একটা শক্তিশালী সিভিল সোসাইটি কাজ করবে, এটা চাই। তাই সিভিল সোসাইটির মনোনয়ন রাজনৈতিক দল দেবে, এখানে আমরা একমত হতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘উচ্চকক্ষে ১০৫ জন থাকবেন বলে প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ জনকে মনোনীত করবেন রাষ্ট্রপতি। সেই সুযোগ রাখার পক্ষে আমরা নই।’
উচ্চকক্ষে প্রতিনিধি নির্বাচনে একটি দলের ন্যূনতম ৩ শতাংশ ভোটের বিরোধিতা করে সাকিব আনোয়ার বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার কমিশন এ ক্ষেত্রে এক শতাংশ ভোটের কথা বলেছে। আমরা এটাকে সমর্থন করি। আমরা বলেছি, কোনো একটা দল যদি এক শতাংশ ভোটও পায়, তাদের একজন প্রতিনিধি উচ্চকক্ষে থাকবেন।’
ছাড় দিয়ে হলেও যত বেশি বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো যায়, এটাই নাগরিক ঐক্যের অবস্থান উল্লেখ করে সাকিব আনোয়ার আরও বলেন, ‘দ্বিকক্ষবিশিষ্ট পার্লামেন্টের বিষয়ে আমরা একমত ছিলাম না, কিন্তু বেশ কিছু বিষয় বিবেচনা করে আমরা এতে একমত হয়েছি। কমিশনের প্রস্তাব ছিল, ৫০ শতাংশ সিভিল সোসাইটি থেকে এবং ৫০ শতাংশ রাজনৈতিকভাবে।’
নাগরিক ঐক্য ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিপক্ষে নয় জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিপক্ষে নয়। আস্থা ভোট ও অর্থবিল—এ দুটো ছাড়া সংসদ সদস্যরা স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারবেন। এভাবে ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের কথা বলেছি।’
দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর কাদির বলেন, ‘নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে আজকে আমরা বেশি সময় আলোচনা করেছি। দেশের ভবিষ্যৎ নির্বাচনব্যবস্থা কেমন হবে, সেটাতে ফোকাস ছিল। প্রবাসী, অনলাইন ভোটিং নিয়ে মতামত জানিয়েছি। এ ছাড়া বাকি সব বিষয়ে আমরা একমত জানিয়েছি।’
নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ্ কায়সার বলেন, ‘আমরা আগে ১১৪টি বিষয়ে একমত হয়েছিলাম। আজকে আমরা ১১৮টি বিষয়ে একমত হয়েছি। ৩৮টি বিষয়ে আমাদের দ্বিমত থাকলেও মতপার্থক্য অনেকখানি নিরসন হয়েছে।’
জাতির শোকের সময়ে সকল গণতন্ত্রপন্থী সহযোদ্ধাদের শান্ত ও সংহত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই আহ্বান জানান।
৪ ঘণ্টা আগেপ্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে চারটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের জরুরি বৈঠকের পর ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান সাংবাদিকদের বলেছেন, ফ্যাসিবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র ঠেকাতে দেশীয় ফ্যাসিবাদবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐক্য অটুট রাখা অত্যন্ত জরুরি বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদ
৬ ঘণ্টা আগেরাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ওপর বিমান বিধ্বস্তের মর্মান্তিক ঘটনায় শিক্ষার্থীদের উত্থাপিত ছয় দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। আজ মঙ্গলবার (২২ জুলাই) দলটির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগেপ্রধানমন্ত্রী পদে আসীন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলীয় প্রধান হতে পারবেন না, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এমন সিদ্ধান্তের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘দলীয় প্রধান প্রধানমন্ত্রী হবেনই—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, আবার তাঁকে প্রধানমন্ত্রিত্ব থেকে বাদ দেওয়ারও কোনো যৌক্তিকতা নেই।’
৮ ঘণ্টা আগে