সানজিদা সামরিন, ঢাকা
একটা সময়ে বাঙালি নারীরা কেবল একখানা শাড়িই গায়ে জড়াতেন। তখন অবধি বাঙালি নারীরা ঘরের বাইরে বের হননি। ব্লাউজের ব্যবহার তখনো আসেনি বলে বোঝা যায়। এ দেশে আধুনিক ঘরানায় শাড়ি পরার পথিকৃৎ জ্ঞানদা নন্দিনী দেবীর কাল থেকে এই একুশ শতক পর্যন্ত শাড়িতে নারীর লুক নিয়ে অনেক পরীক্ষা হয়েছে। তার হাত ধরে এসেছে অনেক পরিবর্তন। শাড়ির আভিজাত্যে ঢুকেছে অনেক অনুষঙ্গ ও উপকরণ।
কাপড়
শাড়ি বিভিন্ন ধরনের সুতায় তৈরি কাপড়ে বানানো হয়। যেমন: সুতি, সিল্ক, সিনথেটিক ইত্যাদি। ফলে উপলক্ষ বুঝে জুতসই শাড়ি বাছাই করতে হবে। সুতি শাড়ি ধুয়ে মাড় দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ফলে ইস্তিরি না করে পরা যায় না। সব সময় পরার জন্য সুবিধাজনক ও আদর্শ হচ্ছে শিফন, রেয়ন, জর্জেট ও অন্যান্য সিনথেটিক শাড়ি। এসব শাড়ি সারা দিন পরে থাকলেও কুঁচকে যায় না বা ভাঁজ পড়ে না। উপযুক্ত কাপড়ের শাড়ি বেছে নিতে পারলে আভিজাত্য বয়ে বেড়াতে পারবেন আপনি।
শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকাতে
আবহাওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ শাড়ি পরার ক্ষেত্রে। শীতের দিনে একটু মোটা শাড়ি বা সুতির শাড়িতে আরাম পাবেন। শিফন কিংবা জর্জেটের পাতলা শাড়িতে নয়।
শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকানোর জন্য কী ব্যবহার করছেন, তার ওপরেও নির্ভর করবে আপনার লুক। একটা সময় নারীরা শীত ঠেকাতে শাড়ির সঙ্গে শুধু চাদর বা শাল ব্যবহার করতেন। পরে কার্ডিগানের প্রচলন হলে সেটিও শাড়ির সঙ্গে ব্যবহার করার চল তৈরি হয়। এখন চাদর, কার্ডিগানসহ আরও অনেক কিছু ব্যবহার করা হচ্ছে শীত ঠেকাতে। আপনার অবয়বের সঙ্গে মানানসই হয় তেমন কিছু ব্যবহার করুন শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকাতে।
মনকাড়া রং
বিভিন্ন রঙের যেমন শাড়ি হয়, তেমনি এই রঙেরই কয়েকটি শেডের শাড়ি পাওয়া যায়। যেমন, ধূসর থেকে কালো হয়ে যাওয়া, গোলাপি থেকে মেরুন বা হালকা হলদে থেকে সোনালি শেড। শাড়ির জমিন ছাড়া পাড়েও রঙের ভিন্নতা চোখে পড়ে। উজ্জ্বল রং ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। শাড়ির পাড়ে নীল, বাদামি, সোনালি রং অভিজাত লুক দেয়।
ব্লাউজ
অনেক সময় সাদামাটা শাড়িতেও জমকালো লুক পাওয়া যায় কেবল ব্লাউজের কারণে। ব্লাউজের নকশা, হাতা ও ফেব্রিক বাছাই করা জরুরি। শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে, কনট্রাস্ট করে বা এক শেড বাড়িয়ে ব্লাউজের রং নির্বাচন করা যেতে পারে। শাড়ির কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ বানানো যায়। তা ছাড়া ব্লাউজের হাতার ওপরও লুক পাল্টে যায়। এই শীতে একটু লম্বা হাতার ব্লাউজ ব্যবহার করুন।
পরার ধরন
শাড়ি পরার ধরনের ওপর লুক নির্ভর করে। অনুষ্ঠান বা উপলক্ষভেদে বিভিন্নভাবে শাড়ি পরার চল আছে। যেমন, বিয়ের অনুষ্ঠানে এক ধরনের, অফিসে বা অফিসের অনুষ্ঠানে আরেক ধরনের। আবার পূজার অনুষ্ঠানে এক ধরনের তো সাধারণ দিনে এক ধরনের। অনেকে আঁটসাঁট করে শাড়ি পরেন। আবার অনেকে একটু ঢিলেঢালাভাবে। অনুষ্ঠানে এখন অনেকেই লেহেঙ্গা স্টাইলে শাড়ি পরেন। শাড়ি পরার এই ধরনগুলো দীর্ঘদিনের পরীক্ষা নিরীক্ষার ফসল। এ ছাড়া বিভিন্নভাবে শাড়ির আঁচলও দেওয়া যায়। যেমন, পুরোনো ঢঙে পেছনে আঁচল ছেড়ে, গুছিয়ে, সামনে আঁচল এনে।
স্বাস্থ্য, উচ্চতা, গায়ের রং, সময় ইত্যাদি সব মিলিয়ে শাড়ি পরার ধরন ঠিক করে নিলে লুকে পরিবর্তন আসবে।
অনুষঙ্গ
শাড়ির সঙ্গে কোন ধরনের অলংকার ও অন্য অনুষঙ্গ থাকছে, তার ওপরও লুক নির্ভর করে। অনুষঙ্গগুলো নিজের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যায় এমনভাবে বাছাই করা উচিত। খুব সুন্দর গয়না কিন্তু তা আপনি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তাহলে স্মার্ট লুকটা আর পাওয়া যাবে না। সাধারণ সুন্দর নকশার হালকা গয়নাও অনেক সময় মোহনীয় করে তুলতে পারে আপনাকে।
শুধু গয়নাই নয়, অন্যান্য অনুষঙ্গের ক্ষেত্রেও একই কথা বলতে হয়, যা সহজে সামলাতে পারবেন সে রকম অনুষঙ্গই সঙ্গে রাখুন। ট্রেন্ডি হতে গিয়ে গুবলেট করে ফেলবেন না; বিশেষ করে এই শীতে ধাতব উপকরণে বানানো অনুষঙ্গগুলো এড়িয়ে চলুন।
একটা সময়ে বাঙালি নারীরা কেবল একখানা শাড়িই গায়ে জড়াতেন। তখন অবধি বাঙালি নারীরা ঘরের বাইরে বের হননি। ব্লাউজের ব্যবহার তখনো আসেনি বলে বোঝা যায়। এ দেশে আধুনিক ঘরানায় শাড়ি পরার পথিকৃৎ জ্ঞানদা নন্দিনী দেবীর কাল থেকে এই একুশ শতক পর্যন্ত শাড়িতে নারীর লুক নিয়ে অনেক পরীক্ষা হয়েছে। তার হাত ধরে এসেছে অনেক পরিবর্তন। শাড়ির আভিজাত্যে ঢুকেছে অনেক অনুষঙ্গ ও উপকরণ।
কাপড়
শাড়ি বিভিন্ন ধরনের সুতায় তৈরি কাপড়ে বানানো হয়। যেমন: সুতি, সিল্ক, সিনথেটিক ইত্যাদি। ফলে উপলক্ষ বুঝে জুতসই শাড়ি বাছাই করতে হবে। সুতি শাড়ি ধুয়ে মাড় দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। ফলে ইস্তিরি না করে পরা যায় না। সব সময় পরার জন্য সুবিধাজনক ও আদর্শ হচ্ছে শিফন, রেয়ন, জর্জেট ও অন্যান্য সিনথেটিক শাড়ি। এসব শাড়ি সারা দিন পরে থাকলেও কুঁচকে যায় না বা ভাঁজ পড়ে না। উপযুক্ত কাপড়ের শাড়ি বেছে নিতে পারলে আভিজাত্য বয়ে বেড়াতে পারবেন আপনি।
শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকাতে
আবহাওয়া বেশ গুরুত্বপূর্ণ শাড়ি পরার ক্ষেত্রে। শীতের দিনে একটু মোটা শাড়ি বা সুতির শাড়িতে আরাম পাবেন। শিফন কিংবা জর্জেটের পাতলা শাড়িতে নয়।
শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকানোর জন্য কী ব্যবহার করছেন, তার ওপরেও নির্ভর করবে আপনার লুক। একটা সময় নারীরা শীত ঠেকাতে শাড়ির সঙ্গে শুধু চাদর বা শাল ব্যবহার করতেন। পরে কার্ডিগানের প্রচলন হলে সেটিও শাড়ির সঙ্গে ব্যবহার করার চল তৈরি হয়। এখন চাদর, কার্ডিগানসহ আরও অনেক কিছু ব্যবহার করা হচ্ছে শীত ঠেকাতে। আপনার অবয়বের সঙ্গে মানানসই হয় তেমন কিছু ব্যবহার করুন শাড়ির সঙ্গে শীত ঠেকাতে।
মনকাড়া রং
বিভিন্ন রঙের যেমন শাড়ি হয়, তেমনি এই রঙেরই কয়েকটি শেডের শাড়ি পাওয়া যায়। যেমন, ধূসর থেকে কালো হয়ে যাওয়া, গোলাপি থেকে মেরুন বা হালকা হলদে থেকে সোনালি শেড। শাড়ির জমিন ছাড়া পাড়েও রঙের ভিন্নতা চোখে পড়ে। উজ্জ্বল রং ব্যক্তিত্বকে ফুটিয়ে তোলে। শাড়ির পাড়ে নীল, বাদামি, সোনালি রং অভিজাত লুক দেয়।
ব্লাউজ
অনেক সময় সাদামাটা শাড়িতেও জমকালো লুক পাওয়া যায় কেবল ব্লাউজের কারণে। ব্লাউজের নকশা, হাতা ও ফেব্রিক বাছাই করা জরুরি। শাড়ির রঙের সঙ্গে মিলিয়ে, কনট্রাস্ট করে বা এক শেড বাড়িয়ে ব্লাউজের রং নির্বাচন করা যেতে পারে। শাড়ির কাপড়ের সঙ্গে মিলিয়ে ব্লাউজ বানানো যায়। তা ছাড়া ব্লাউজের হাতার ওপরও লুক পাল্টে যায়। এই শীতে একটু লম্বা হাতার ব্লাউজ ব্যবহার করুন।
পরার ধরন
শাড়ি পরার ধরনের ওপর লুক নির্ভর করে। অনুষ্ঠান বা উপলক্ষভেদে বিভিন্নভাবে শাড়ি পরার চল আছে। যেমন, বিয়ের অনুষ্ঠানে এক ধরনের, অফিসে বা অফিসের অনুষ্ঠানে আরেক ধরনের। আবার পূজার অনুষ্ঠানে এক ধরনের তো সাধারণ দিনে এক ধরনের। অনেকে আঁটসাঁট করে শাড়ি পরেন। আবার অনেকে একটু ঢিলেঢালাভাবে। অনুষ্ঠানে এখন অনেকেই লেহেঙ্গা স্টাইলে শাড়ি পরেন। শাড়ি পরার এই ধরনগুলো দীর্ঘদিনের পরীক্ষা নিরীক্ষার ফসল। এ ছাড়া বিভিন্নভাবে শাড়ির আঁচলও দেওয়া যায়। যেমন, পুরোনো ঢঙে পেছনে আঁচল ছেড়ে, গুছিয়ে, সামনে আঁচল এনে।
স্বাস্থ্য, উচ্চতা, গায়ের রং, সময় ইত্যাদি সব মিলিয়ে শাড়ি পরার ধরন ঠিক করে নিলে লুকে পরিবর্তন আসবে।
অনুষঙ্গ
শাড়ির সঙ্গে কোন ধরনের অলংকার ও অন্য অনুষঙ্গ থাকছে, তার ওপরও লুক নির্ভর করে। অনুষঙ্গগুলো নিজের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে যায় এমনভাবে বাছাই করা উচিত। খুব সুন্দর গয়না কিন্তু তা আপনি সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন, তাহলে স্মার্ট লুকটা আর পাওয়া যাবে না। সাধারণ সুন্দর নকশার হালকা গয়নাও অনেক সময় মোহনীয় করে তুলতে পারে আপনাকে।
শুধু গয়নাই নয়, অন্যান্য অনুষঙ্গের ক্ষেত্রেও একই কথা বলতে হয়, যা সহজে সামলাতে পারবেন সে রকম অনুষঙ্গই সঙ্গে রাখুন। ট্রেন্ডি হতে গিয়ে গুবলেট করে ফেলবেন না; বিশেষ করে এই শীতে ধাতব উপকরণে বানানো অনুষঙ্গগুলো এড়িয়ে চলুন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে ডাকাতি বেড়েই চলছে। এ কারণে চালক ও যাত্রীদের কাছে আতঙ্কের নাম হয়ে উঠছে এই সড়ক। ডাকাতির শিকার বেশি হচ্ছেন প্রবাসফেরত লোকজন। ডাকাতেরা অস্ত্র ঠেকিয়ে লুট করে নিচ্ছে সর্বস্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়েও ঘটছে ডাকাতির ঘটনা।
৯ দিন আগেবিআরটিসির বাস দিয়ে চালু করা বিশেষায়িত বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) লেনে অনুমতি না নিয়েই চলছে বেসরকারি কোম্পানির কিছু বাস। ঢুকে পড়ছে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। উল্টো পথে চলছে মোটরসাইকেল। অন্যদিকে বিআরটিসির মাত্র ১০টি বাস চলাচল করায় সোয়া চার হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্প থেকে...
১৬ জানুয়ারি ২০২৫গাজীপুর মহানগরের বোর্ডবাজার এলাকার ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীরা পিকনিকে যাচ্ছিলেন শ্রীপুরের মাটির মায়া ইকো রিসোর্টে। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে বাসগুলো গ্রামের সরু সড়কে ঢোকার পর বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে যায় বিআরটিসির একটি দোতলা বাস...
২৪ নভেম্বর ২০২৪ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষায় সন্দ্বীপের ব্লক বেড়িবাঁধসহ একাধিক প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৫৬২ কোটি টাকা। এ জন্য টেন্ডারও হয়েছে। প্রায় এক বছর পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ শুরু করছে না। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তাগাদায়ও কোনো কাজ হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন...
২০ নভেম্বর ২০২৪