নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট
সিলেটে আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবক খুন হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের বড় ভাই। আজ মঙ্গলবার সকালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের রুকনপুর গ্রামের জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিহত জুনায়েদুল ইসলাম (২৮) ও আহত জাহেদুল ইসলাম (৩৩) সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের কলমপুর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে।
আহতের বরাত দিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে জুনায়েদুল ও জাহেদুল মামলার হাজিরা দিতে সিলেট আদালতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের রুকনপুর গ্রামের জামে মসজিদের পাশে অটোরিকশা পৌঁছানো মাত্র ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই জুনায়েদুলের মৃত্যু হয়।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত জাহেদুলকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসাইন ও মো. বদিউজ্জামান। তাঁরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপক্ষই বালাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে পূর্ব থেকেই জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। বছরখানেক আগে আজকের ভিকটিমরা হামলাকারীদের একজনের পা কেটে নিয়েছিল। এ ঘটনার মামলায় হাজিরা দিতে আসার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবেই হামলা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।’
আহতকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে তাঁদের টিম কাজ করছে বলেও এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
সিলেটে আদালতে মামলার হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে এক যুবক খুন হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন নিহতের বড় ভাই। আজ মঙ্গলবার সকালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার উত্তর কুশিয়ারা ইউনিয়নের রুকনপুর গ্রামের জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
নিহত জুনায়েদুল ইসলাম (২৮) ও আহত জাহেদুল ইসলাম (৩৩) সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম গৌরীপুর ইউনিয়নের কলমপুর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে।
আহতের বরাত দিয়ে পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশাযোগে জুনায়েদুল ও জাহেদুল মামলার হাজিরা দিতে সিলেট আদালতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ফেঞ্চুগঞ্জের রুকনপুর গ্রামের জামে মসজিদের পাশে অটোরিকশা পৌঁছানো মাত্র ১০-১৫ জন দুর্বৃত্ত হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই জুনায়েদুলের মৃত্যু হয়।
আহতদের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত জাহেদুলকে দ্রুত উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ফেঞ্চুগঞ্জ ও বালাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফ হোসাইন ও মো. বদিউজ্জামান। তাঁরা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দুপক্ষই বালাগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে পূর্ব থেকেই জমি সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। বছরখানেক আগে আজকের ভিকটিমরা হামলাকারীদের একজনের পা কেটে নিয়েছিল। এ ঘটনার মামলায় হাজিরা দিতে আসার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবেই হামলা করেছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে।’
আহতকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন বলেন, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে তাঁদের টিম কাজ করছে বলেও এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান।
চাঁদপুর-মুন্সিগঞ্জ নৌ সীমানার মোহনপুর এলাকায় মেঘনা নদীতে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে দুই জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন আরও একজন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মুন্সিগঞ্জ ও চাঁদপুর মতলব উত্তর মোহনপুরের চড় আব্দুল্লাহপুর নাছিরার চরে নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগেরাজধানীর মোহাম্মদপুরে আবারও অস্ত্রের মুখে একটি পরিবারকে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। আজ বৃহস্পতিবার ভোররাতে মোহাম্মদপুরের বছিলাসংলগ্ন লাউতলা এলাকার ৮ নম্বর সড়কের ১০ নম্বর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তত্ত্বাবধায়ক নাসিমা বেগম মোহাম্মদপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।
২৮ নভেম্বর ২০২৪রাজধানীর বিমানবন্দরে শরীরে বিশেষ কৌশলে গাঁজা নিয়ে এসে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে তিনজন কিশোর। তাঁরা বর্তমানে কিশোর সংশোধনাগারের রয়েছে।
০৮ নভেম্বর ২০২৪পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফেরাতে সিঙ্গাপুরে যান দুই ভাই উজ্জ্বল মিয়া ও মো. ঝন্টু। সেখানে থাকা অবস্থায় মুঠোফোনে ভাবির সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান ছোট ভাই মো. ঝন্টু। পরে দেশে ফিরে ভাবিকে বিয়ে করার জন্য আপন বড় ভাই উজ্জ্বল মিয়াকে খুন করে ছোট ভাই।
০৭ নভেম্বর ২০২৪