মাহফুজুল ইসলাম, ঢাকা
দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন তদারকির দায়িত্ব পালন করে পরিকল্পনা কমিশন। প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), যার মধ্য দিয়ে প্রতি মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন এবং অর্থছাড়ের পরিমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, তদারকের দায়িত্ব পালনকারী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি না হওয়ায় কিছু প্রকল্প বাতিলও করতে হয়েছে। হতাশাজনক এই চিত্র উঠে এসেছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যালোচনায়।
সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে একটি সভায় পরিকল্পনা বিভাগ ও পরিকল্পনা কমিশনের ১২টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়, এসব প্রকল্পের একটিরও শতভাগ শেষ হয়নি এবং কিছু প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর কাজ নির্ধারিত সময় শেষে ১ শতাংশও সম্পন্ন হয়নি। তাই মন্ত্রণালয় বাধ্য হয়ে এসব প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেছে। সভায় কিছু প্রকল্পের কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ সময়মতো সম্পন্ন করার জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্পের জন্য মোট বরাদ্দ রয়েছে ৩২২ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে চলতি বছরের এডিপিতে ৬৪ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ হলেও ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৭ কোটি ৪২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের মাত্র ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোতে অনেক বেশি অগ্রগতি দেখা গেছে। উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগের অগ্রগতি ৩০, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অগ্রগতি ৫৬ এবং মহিলা ও শিশু বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্পগুলোতে অগ্রগতি ৩০ শতাংশের বেশি।
ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব গভর্নমেন্ট অফিশিয়ালস ইন পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট নামের একটি প্রকল্প ৩০ কোটি ৯৭ লাখ টাকায় শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে এবং ২০২৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। তবে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটির ব্যয় ছিল মাত্র ৯৭ হাজার টাকা, যা মোট ব্যয়ের শূন্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চলতি এডিপিতে প্রকল্পটির জন্য ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, কিন্তু ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত কোনো অর্থই ব্যয় করা হয়নি। পরিকল্পনা বিভাগের একজন উপসচিব জানান, প্রকল্পটির কাজ অসমাপ্ত রেখেই সমাপ্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এখন প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে।
এ ছাড়া ‘উন্নয়ন প্রকল্পের ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, যার মোট বরাদ্দ ছিল ৫৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এডিপি থেকে এ প্রকল্পের জন্য ১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত এই বরাদ্দের মধ্যে ১ কোটি ৯১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। প্রকল্প পরিচালক জানান, বর্তমানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে এবং এরই মধ্যে ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ১৪ হাজার ৬৭ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ক্যাম্পাসের ভবনগুলোর স্থাপনাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মপরিবেশ উন্নতকরণ প্রকল্প’টি ২০২২ সালে শুরু হয়েছিল। এর জন্য ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, কিন্তু গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা ২৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি টাকা, কিন্তু বরাদ্দের কোনো টাকাই খরচ হয়নি।
২০১৮ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ‘সাপোর্ট টু ইমপ্লিমেন্টেশন অব দ্য বাংলাদেশ ডেলটা প্ল্যান ২১০০’ প্রকল্পটি ৬৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকায় তিনবার সংশোধিত হয়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫০ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, যা মোট ব্যয়ের ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। প্রকল্পটি আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। এডিপিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু খরচ হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা; যা শতাংশ হিসাবে ২২ দশমিক ২৭।
এ ছাড়া ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মাস্টার্স কার্যক্রম প্রকল্প’ ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, যার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৬৫ লাখ টাকা। এই বরাদ্দের মধ্যে ১৬ লাখ ১৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে; যা বরাদ্দের ১৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।
‘উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা পরিকাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় এবং বর্তমানে এর কাজ মাত্র ২৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন’ প্রকল্পটির সংশোধিত ব্যয় ১৩ কোটি টাকা এবং এটি চলতি বছরের জুনে শেষ হবে। তবে এডিপি বরাদ্দের ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার মধ্যে গত ছয় মাসে এক টাকাও খরচ হয়নি। ফলে প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়সীমায় কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমালোচনা চলছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন বলেছেন, সব প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য উপযুক্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব প্রকল্পের মেয়াদ দীর্ঘ, সেগুলোর কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে।
দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রকল্প অনুমোদন ও বাস্তবায়ন তদারকির দায়িত্ব পালন করে পরিকল্পনা কমিশন। প্রতিটি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি), যার মধ্য দিয়ে প্রতি মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন এবং অর্থছাড়ের পরিমাণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো, তদারকের দায়িত্ব পালনকারী পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের নিজস্ব প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় তেমন কোনো অগ্রগতি দেখা যাচ্ছে না। প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি না হওয়ায় কিছু প্রকল্প বাতিলও করতে হয়েছে। হতাশাজনক এই চিত্র উঠে এসেছে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত পর্যালোচনায়।
সম্প্রতি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে একটি সভায় পরিকল্পনা বিভাগ ও পরিকল্পনা কমিশনের ১২টি প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয়। সভায় জানানো হয়, এসব প্রকল্পের একটিরও শতভাগ শেষ হয়নি এবং কিছু প্রকল্প রয়েছে, যেগুলোর কাজ নির্ধারিত সময় শেষে ১ শতাংশও সম্পন্ন হয়নি। তাই মন্ত্রণালয় বাধ্য হয়ে এসব প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করেছে। সভায় কিছু প্রকল্পের কাজ দ্রুততম সময়ে শেষ করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং বাকিগুলোর কাজ সময়মতো সম্পন্ন করার জন্য নতুন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের আওতায় ১২টি প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব প্রকল্পের জন্য মোট বরাদ্দ রয়েছে ৩২২ কোটি ৭২ লাখ ৩০ হাজার টাকা। তবে চলতি বছরের এডিপিতে ৬৪ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ হলেও ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৭ কোটি ৪২ লাখ ৬৭ হাজার টাকা খরচ করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের মাত্র ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ। অন্যদিকে, অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের প্রকল্পগুলোতে অনেক বেশি অগ্রগতি দেখা গেছে। উদাহরণস্বরূপ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ৭৩ শতাংশ, বিদ্যুৎ বিভাগের অগ্রগতি ৩০, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অগ্রগতি ৫৬ এবং মহিলা ও শিশু বিভাগ ও স্থানীয় সরকার বিভাগের প্রকল্পগুলোতে অগ্রগতি ৩০ শতাংশের বেশি।
ক্যাপাসিটি বিল্ডিং অব গভর্নমেন্ট অফিশিয়ালস ইন পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট নামের একটি প্রকল্প ৩০ কোটি ৯৭ লাখ টাকায় শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালের অক্টোবরে এবং ২০২৭ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। তবে গত ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পটির ব্যয় ছিল মাত্র ৯৭ হাজার টাকা, যা মোট ব্যয়ের শূন্য দশমিক শূন্য ৩ শতাংশ। চলতি এডিপিতে প্রকল্পটির জন্য ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে, কিন্তু ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত কোনো অর্থই ব্যয় করা হয়নি। পরিকল্পনা বিভাগের একজন উপসচিব জানান, প্রকল্পটির কাজ অসমাপ্ত রেখেই সমাপ্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং এখন প্রকল্পের কার্যক্রম সমাপ্তি ঘোষণার প্রস্তুতি চলছে।
এ ছাড়া ‘উন্নয়ন প্রকল্পের ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণে সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পটি সরকারি অর্থায়নে ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, যার মোট বরাদ্দ ছিল ৫৮ কোটি টাকা। প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২৫ সালের জুনে শেষ হওয়ার কথা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এডিপি থেকে এ প্রকল্পের জন্য ১৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছিল। তবে ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত এই বরাদ্দের মধ্যে ১ কোটি ৯১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে, যা মোট বরাদ্দের ১০ দশমিক ৪০ শতাংশ। প্রকল্প পরিচালক জানান, বর্তমানে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে এবং এরই মধ্যে ৫৮টি মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ১৪ হাজার ৬৭ জন কর্মকর্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের ক্যাম্পাসের ভবনগুলোর স্থাপনাগত সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মপরিবেশ উন্নতকরণ প্রকল্প’টি ২০২২ সালে শুরু হয়েছিল। এর জন্য ৪০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, কিন্তু গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৯ কোটি ৯১ লাখ টাকা, যা ২৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৩ কোটি টাকা, কিন্তু বরাদ্দের কোনো টাকাই খরচ হয়নি।
২০১৮ সালের অক্টোবরে শুরু হওয়া ‘সাপোর্ট টু ইমপ্লিমেন্টেশন অব দ্য বাংলাদেশ ডেলটা প্ল্যান ২১০০’ প্রকল্পটি ৬৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকায় তিনবার সংশোধিত হয়েছে। গত ডিসেম্বর পর্যন্ত ৫০ কোটি ৩ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে, যা মোট ব্যয়ের ৭৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ। প্রকল্পটি আগামী ডিসেম্বরে শেষ হবে। এডিপিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১ কোটি ২৪ লাখ টাকা। কিন্তু খরচ হয়েছে মাত্র ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা; যা শতাংশ হিসাবে ২২ দশমিক ২৭।
এ ছাড়া ‘বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) মাস্টার্স কার্যক্রম প্রকল্প’ ২০১৯ সালে শুরু হয়েছিল, যার ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৬৫ লাখ টাকা। এই বরাদ্দের মধ্যে ১৬ লাখ ১৩ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে; যা বরাদ্দের ১৪ দশমিক ৮২ শতাংশ।
‘উন্নত দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে পরিকল্পনা পরিকাঠামোর সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ (২য় সংশোধিত)’ প্রকল্পটি ২০১৭ সালের জুলাইয়ে শুরু হয় এবং বর্তমানে এর কাজ মাত্র ২৪ শতাংশ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে, ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ও রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে মধ্যমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন’ প্রকল্পটির সংশোধিত ব্যয় ১৩ কোটি টাকা এবং এটি চলতি বছরের জুনে শেষ হবে। তবে এডিপি বরাদ্দের ৪ কোটি ৬০ লাখ টাকার মধ্যে গত ছয় মাসে এক টাকাও খরচ হয়নি। ফলে প্রকল্পটির কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি এবং নির্ধারিত সময়সীমায় কাজ সম্পন্ন হওয়া নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমালোচনা চলছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন বলেছেন, সব প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন করার জন্য উপযুক্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে যেসব প্রকল্পের মেয়াদ দীর্ঘ, সেগুলোর কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী যথাসময়ে সম্পন্ন করতে হবে।
২ বছর পূর্ণ করে বাংলাদেশে তৃতীয় বছরে পা দিল তাইওয়ানভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘কই তে’। এ উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির গুলশান আউটলেটে এক বিশেষ আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ‘কই তে’র সিইও এবং প্রতিষ্ঠাতা কোয়ে মা, চিফ বিজনেস অফিসার মি লাউ ইয়ং কিয়ং, কই তে বাংলাদেশের এবং ট্যাড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক...
৩ ঘণ্টা আগেইআইবি ও ফ্রাঙ্কফুর্ট স্কুল অব ফাইন্যান্স অ্যান্ড ম্যানেজমেন্টের সহযোগিতায় সার্কুলার ইকোনমি নিয়ে তিন দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করেছে ব্র্যাক ব্যাংক। ঢাকায় ব্র্যাক ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগেদেশজুড়ে উদীয়মান উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে নেওয়া ফ্ল্যাগশিপ কর্মসূচি জিপি অ্যাক্সিলারেটরের ‘জেলায় জেলায় স্মার্ট উদ্যোক্তার’ সাফল্য উদ্যাপন করেছে গ্রামীণফোন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে গালা নাইট আয়োজনের মাধ্যমে অনুপ্রেরণামূলক এই উদ্যোগ উদ্যাপন করে
৪ ঘণ্টা আগেঈদ উৎসবকে আরও জমজমাট করে তুলতে চলে এসেছে শীর্ষ ফুটওয়্যার ব্র্যান্ড বাটার নতুন কালেকশন ‘স্টারলাইট’। অনন্য এই কালেকশন আপনার বাহ্যিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি ঈদের আনন্দকেও বহুগুণ বাড়িয়ে তুলবে। আপনার রুচি ক্ল্যাসিক বা আধুনিক—যেমনই হোক না কেন, বাটার নতুন এই কালেকশন আপনার প্রতিটি মুহূর্তকে আরও বেশি আনন্দদায়ক
৪ ঘণ্টা আগে